ওষুধ খাওয়ার পরও ঠিক হচ্ছেনা দ্রুত বীযপাত?

আমার বয়স ২৫। বিয়ে হয়েছে ১বছর। কিন্তু বিয়ের আগে হস্তমথন করতাম। বিয়ের আগে থেকেই আমার দ্রুত বীযপাত এর সমস্যা হয়েছিলো।একেবারে প্রথম থেকেই।  হস্তমথন এর প্রথম দিক থেকেই প্রায় এই সমস্যা।আর সমস্যা টা বুঝতে পেরেছিলাম অন্যদের সাথে তুলনা করে। পরে বিবাহের পর একই সেই সমস্যাই হচ্ছে। আমি ডাক্টার দেখিয়েছি হোমিওপ্যাথি যৌন ডাক্টার। ২ মাস ওষুধ খেলাম তাও কিছুই হলোনা। একই আগের মতো।আরো বেড়েছে সমস্যা এমন মনে হচ্ছে। আমার অন্ডকোষ অনেক ঝুললে গেছে।

অনেকে বলে মানসিক কারনে হয় এটা এসব premature ejaculation । কিন্তু এমন কোন টিপস বাদ নেই যে আমি অনুশরন করে চেষ্টা করিনি মানসিক ভাবে তাও ফলাফল একই।একবার বীযপাত হলে ২য় বার অনেকটা সময় থাকা যায় কিন্তু এটাতো আর সাভাবিক না।আমার ১ মিনিটের মধ্যেই বীযপাত হয়ে যায়।আর ধাতু পরে অনেক একটু সেক্স টেন্সন এই।
এখন কি করবো এবং কোথায় কোন ডাক্টার দেখালে ভালো হয় একটু জানাবেন প্লিজ।
আমি পুরান ঢাকা তে থাকি।
ধন্যবাদ

আমার বয়স ২৫। বিয়ে হয়েছে ১বছর। কিন্তু বিয়ের আগে হস্তমথন করতাম। বিয়ের আগে থেকেই আমার দ্রুত বীযপাত এর সমস্যা হয়েছিলো।একেবারে প্রথম থেকেই।  হস্তমথন এর প্রথম দিক থেকেই প্রায় এই সমস্যা।আর সমস্যা টা বুঝতে পেরেছিলাম অন্যদের সাথে তুলনা করে। পরে বিবাহের পর একই সেই সমস্যাই হচ্ছে। আমি ডাক্টার দেখিয়েছি হোমিওপ্যাথি যৌন ডাক্টার। ২ মাস ওষুধ খেলাম তাও কিছুই হলোনা। একই আগের মতো।আরো বেড়েছে সমস্যা এমন মনে হচ্ছে। আমার অন্ডকোষ অনেক ঝুললে গেছে।

অনেকে বলে মানসিক কারনে হয় এটা এসব premature ejaculation । কিন্তু এমন কোন টিপস বাদ নেই যে আমি অনুশরন করে চেষ্টা করিনি মানসিক ভাবে তাও ফলাফল একই।একবার বীযপাত হলে ২য় বার অনেকটা সময় থাকা যায় কিন্তু এটাতো আর সাভাবিক না।আমার ১ মিনিটের মধ্যেই বীযপাত হয়ে যায়।আর ধাতু পরে অনেক একটু সেক্স টেন্সন এই।
এখন কি করবো এবং কোথায় কোন ডাক্টার দেখালে ভালো হয় একটু জানাবেন প্লিজ।
আমি পুরান ঢাকা তে থাকি।
ধন্যবাদ
জিজ্ঞাসা করেছেন
বিভাগ:
2 টি উত্তর
আপনি হামদর্দ ডাক্তারের পরামর্শ নিন। আপনার নিকটস্থ হামদার্দ বিক্রয় কেন্দ্র যোগাযোগ করুন কোনো টাকা ছাড়াই ডাক্তার চিকিৎসা করবে। পরামর্শ ও চিকিৎসাঃ টক দ্রব্যাদি পরিহার করুন।শরীর ম্যাসাজ এবং হালকা ব্যায়াম করুন।অতিরিক্ত দুঃশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ এড়িয়ে চলুন।প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন। ঔষধঃ ডাক্তারের পরামর্শ মতে ক্যাপসুল জিনটোন- ১ ক্যাপসুল দিনে ২ বার খাওয়ার পর সেব্য।ট্যাবলেট ফ্রোডেক্স- ২ ট্যাবলেট দিনে ২ বার দুধসহ সেব্য।ক্যাপসুল এনডিউরেক্স- ২ ক্যাপসুল দিনে ২ বার দুধসহ সেব্য।ক্যাপসুল লিবিডেক্স-২ ক্যাপসুল দিনে ২ বার দুধসহ সেব্য।লুবূব কবীর- ১ চা চামচ দিনে ২ বার সেব্য।সিরাপ জিনসেন্ট- ২-৪ চা চামচ দিনে ২ বার সেব্য। আশাকরি ইনশাআল্লাহ এইভাবে টানা ২-৩ মাস সেবন করলে আপনি সুস্থ হয়ে যাবেন।

আপনি নিচের নিয়মগুলো মেনে চলবেন,,, আশা করি উপকার পাবেন,,, আল্লাহ আপনার মনের আশা পূরণ করবেন।  আমিন আমিন আমিন। 

 পদ্ধতি ১:- চেপে/টিপে (স্কুইজ) ধরা:

এই পদ্ধতিটি (system) আবিষ্কার করেছেন মাষ্টার এবং জনসন নামের দুই ব্যাক্তি। চেপে ধরা পদ্ধতি (system)আসলে নাম থেকেই অনুমান করা যায় কিভাবে করতে হয়। যখন কোন পুরুষ মনে করেন তার বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন সে অথবা তার সঙ্গী লিঙ্গের ঠিক গোড়ার দিকে অন্ডকোষের কাছাকাছি লিঙ্গের

নিচের দিকে যে রাস্তা দিয়ে মুত্র/বীর্য বহিঃর্গামী হয় সে শিরা/মুত্রনালী কয়েক সেকেন্ডর জন্য চেপে ধরবেন। (লিঙ্গের পাশ থেকে দুই আঙ্গুল দিয়ে ক্লিপের মত আটকে ধরতে হবে।)। চাপ ছেড়ে দেবার পর ৩০ থেকে ৪৫ সেকেন্ডের মত সময় বিরতী নিন। এই সময় লিঙ্গ সঞ্চালন বা কোন প্রকার যৌন কর্যক্রম করা থেকে বিরত থাকুন।

এ পদ্ধতির (system) ফলে হয়তো পুরুষ কিছুক্ষনের জন্য লিঙ্গের দৃঢ়তা হারাবেন। কিন্তু ৪৫ সেকেন্ড পুর পুনরায় কার্যক্রম চালু করলে লিঙ্গ আবার আগের দৃঢ়তা ফিরে পাবে।

স্কুইজ পদ্ধতি (system)এক মিলনে (physical relation)আপনি যতবার খুশি ততবার করতে পারেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।

পদ্ধতি (system)২:- সংকোচন (টেনসিং):

এ পদ্ধতি (system)সম্পর্কে বলার আগে আমি আপনাদের কিছু বেসিক ধারনা দেই। আমরা প্রস্রাব করার সময় প্রসাব পুরোপুরি নিঃস্বরনের জন্য অন্ডকোষের নিচ থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চলে যে এক প্রকার খিচুনী দিয়ে পুনরায় তলপেট দিয়ে চাপ দেই এখানে বর্নিত সংকোচন বা টেনসিং পদ্ধতিটি অনেকটা সে রকম। তবে পার্থক্য হল এখনে আমরা খিচুনী প্রয়োগ করবো – চাপ নয়।

এবার মুল বর্ননা – মিলনকালে (physical relation)যখন অনুমান করবেন বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন আপনার সকল যৌন কর্যক্রম বন্ধ রেখে অন্ডকোষের তলা থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চল কয়েক সেকেন্ডের জন্য প্রচন্ড শক্তিতে খিচে ধরুন। এবার ছেড়ে দিন। পুনরায় কয়েক সেকেন্ডের জন্য খিচুনী দিন। এভাবে ২/১ বার করার পর যখন দেখবেন বীর্য স্থলনেরে চাপ/অনুভব চলে গেছে তখন পুনরায় আপনার যৌন কর্ম শুরু করুন।

সংকোচন পদ্ধতি (system)আপনার যৌন মিলনকে(physical relation) দীর্ঘায়িত করবে। আবারো বলি, সব পদ্ধতির (system) কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।

পদ্ধতি ৩:- বিরাম (টিজিং / পজ এন্ড প্লে):

এ পদ্ধতিটি বহুল ব্যবহৃৎ। সাধারনত সব যুগল এ পদ্ধতির (system) সহায়তা নিয়ে থাকেন। এ পদ্ধতিতে মিলনকালে(physical relation) বীর্য স্থলনের অবস্থানে পৌছালে লিঙ্গকে বাহির করে ফেলুন অথবা ভিতরে থাকলেও কার্যকলাপে বিরাম দিন। এই সময় আপনি আপনাকে অন্যমনস্ক করে রাখতে পারেন। অর্থ্যৎ সুখ অনুভুতি থেকে মনকে ঘুরিয়ে নিন।যখন অনুভব করবেন বীর্যের চাপ কমে গেছে তখন পুনরায় শুরু করতে পারেন।

বিরাম পদ্ধতির (system)সফলতা সম্পুর্ন নির্ভর করে আপনার অভ্যাসের উপর। প্রথমদিকে এ পদ্ধতির (system) সফলতা না পাওয়া গেলেও যারা যৌন কার্যে নিয়মিত তারা এই পদ্ধতির গুনাগুন জানেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করবেন না।

পরিশিষ্ট: উপরের সবকয়টি পদ্ধতি (system)আপনার সঙ্গীর তৃপ্তির উদ্দেশ্যে। অনেকের ধারনা নারী এ ট্রিকস্ গুলো অনুমান বা জানতে পারলে পুরুষত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। ধারনাটি সম্পুর্ন ভুল। আপনি আপনার স্ত্রীকে (wife) পদ্ধতিগুলো বুঝিয়ে বলুন। দেখবেন সেই আপনাকে সাহায্য করছে। কারন সে জানে আপনি বেশি সময় নেয়া মানে সে লাভবান হওয়া।

মোটা মেয়েদের (girls) সাথে কিভাবে যৌন মিলন (physical relation)করলে আনন্দ বেশি পাওয়া যায় জানুন
সাধারণত সব শ্রেণীর মানুষের (men) মধ্যে এমন ধারণা বিদ্যমান যে, মোটা সঙ্গীর সাথে যৌন সঙ্গম করা অসম্ভব সুখপ্রদ নয়।আসলে এক্ষেত্রে শরীরের মেদের চেয়ে মানসিক উৎকণ্ঠাই সঙ্গমের আনন্দকে বেশি ব্যাহত করে। প্রত্যাখ্যানের ভয়, যৌন সঙ্গীর যৌন চাহিদা মেটাতে অক্ষম (unable) বা যৌন সঙ্গম করতে অক্ষম এমন ধরনের কিছু সাধারণ দুশ্চিন্তাই যৌন সুখকে সবচেয়ে বেশি বাধাগ্রস্ত করে।

মোটা মেয়েদের (girls)সাথে কিভাবে যৌন মিলন (physical relation)করলে আনন্দ বেশি পাওয়া যায়? পাশাপাশি যৌন সঙ্গমের right কৌশল সম্পর্কে অজ্ঞতা, সঙ্গমের পুর্বে সঠিক ভাবে উত্তেজিত করতে না জানা, যৌন উত্তেজক স্থান সমূহ না চেনা ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে সঙ্গমের চূড়ান্ত সুখ লাভ করা সম্ভব হয় না।আসলে মোটা লোকদের সম্পর্কে সামাজিক দৃষ্টি ভঙ্গি অনেকাংশেই নেতিবাচক।ডায়েটিং করা বা দীর্ঘদিন ধরে আংশিক উপোস করার কারণে মোটা লোকদের যৌন বাসনা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।পাশাপাশি যেসব মহিলাদের ওজন (weight) কমতে শুরু করে, তাদের স্বাভাবিক মাসিক চক্রও অস্বাভাবিক হয়ে যেতে পারে।

মোটা বা মেদ বহুল মহিলারা সাধারণত এমন ধারণা পোষন করে থাকে যে, তাদের পক্ষে কোনো পুরুষকে যৌন সুখ দেয়া সম্ভব নয় বা তাদেরকে কেউ পছন্দ করেনা।ফলে তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের অভাব দেখা দেয়।এই ধরনের আত্মবিশ্বাস হীনতা তাদের যৌন জীবনকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত করে।

তরুণ মেয়েদের (girls)যে একটি জায়গায় স্পর্শ করে পাগল করে দেওয়া যায়
মোটা পুরুষদের বেলায়ও এধরনের সমস্যা দেখা যায়।প্রত্যাখ্যান হবার ভয়, যৌনসঙ্গম করতে অক্ষম (unable), বা সঙ্গিণীকে যৌন তৃপ্তিদানে অক্ষম বা তাদেরকে কেউ পছন্দ করেনা এমন ধরনের ধারণা তাদেরকে যৌন সঙ্গম থেকে বিরত রাখে।এ ধরনের মানসিক দুশ্চিন্তও সামাজিক দৃষ্টভঙ্গি বা সুযোগের অভাব ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে দীর্ঘদিন ধরে যৌনসঙ্গম থেকে বিরত থাকলে তারা যৌনসঙ্গমে অক্ষম হয়ে যেতে পারে