প্লিজ একটু বিস্তারিত দেখে উত্তর দিন?

প্লিজ একটু বিস্তারিত দেখে উত্তর দিন?
আমি দীর্ঘ দিন যাবত নানারকম সমস্যা/অসুখে ভুগছি
 ১. মাথা ব্যাথা এবং মাথা ঘুরা 
২. বুক ব্যাথা 
৩. হিপ জয়েন্ট এ ব্যাথা 
৪. মাজা ব্যাথা, এমনিতেও হয় আবার সামান্য রোদ বা কুয়াশা মাথায় পড়লেও মাথা ব্যাথা করে, 
৫. গ্যাস 
৬. পায়ে কনকনে ব্যাথা, সামান্য হাটাহাটি করলে আর রাতে ব্যাথায় ঘুম আসেনা, আবার একটু চাপ দিয়ে টিপলে একটু আরাম হয়, 
৭. সমস্ত শরিরে ব্যাথা 
৮. কিছুদিন পরপর জ্বর হয় 
৯. বমি ভাব হয় কিন্তু খুব কম সময়, 

আমি ১৫ বছর বয়স থেকে পরিশ্রম শুরু করেছি এবং বর্তমান বয়স ২৪ বছর,ওজন প্রায় ৮০ কেজি আমি ৩ বছর বস্তা (ওজন ৫০-৮০ কেজি) উঠানো নামানোর কাজ করেছি, এই কাজ করা অবস্থায় আমার হিপ জয়েন্ট এ ব্যাথা দেখা দেয়, 
আমি মেডিকেল আউটডোর এ ডাক্তার দেখিয়ে চিকিৎসা নিয়েছি ৩-৪ বার মাজা,হিপ জয়েন্ট, পা ব্যাথার জন্য, কিন্তু দাক্তারের লিখে দেয়া ঔষধ খাওয়া এবং নিয়ম মেনে চললে কয়েকমাস ভালো থাকি এবং পরবর্তীতে আবারও একই সমস্যা দেখা দেয়, 

এই ৮ বছরে আমি আমার চিকিৎসার পেছনে অনেক টাকা ব্যায় করেছি কিন্তু দুঃখের বিষয় আমি পুরোপুরি সুস্থ হয় নি, 
অনেক ঔষধ খাওয়ার ফলে আমার স্বাস্থ্য অনেক মোটা হয়ে গেছে, 
এখন ভারী কাজ করতে পারি ই না সামান্য জোরে হাটাচলা করলেও বুক ধড়পড় করে করে, 

আর এতো সমস্যার ভেতরেও মাথায় অবস্থান নিয়েছে টেনশন নামক এক হিংস্র বস্তু, কারণ আমি ই আমার পরিবারের একমাত্র অভিভাবক(আয় যোগ্য মানুষ) 

এখন আমার বেচে থাকার ইচ্ছাটাই হারিয়ে গেছে, 

বিঃ দ্রঃ - ভাই আমি মন খুলে যা বলেছি সবই সত্য বলেছি তাই প্রশ্নটি অনেক বড় হয়ে গেছে।
বিভাগ: 
Share

1 টি উত্তর

আপনার সমস্যাটি ফাইব্রোমায়ালজিয়া হতে পারে। আপনি একজন ভাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। তিনি প্রয়োজন বুঝে আপনাকে অন্য বিভাগে রেফার করবেন।  নিয়মিত ব্যায়াম করুন। সময়মতো ঘুমান। ঘুমের আগে উত্তেজনাকর কোনো উপন্যাস, নাটক বা চলচ্চিত্র নয়,স্মার্টফোন ব্যবহার বা ভরপেট খাওয়াও নয়।সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন। মানসিক চাপ এড়িয়ে চলুন। নিজে থেকে ব্যথানাশক খাবেন না, হিতে বিপরীত হতে পারে। ওষুধের ব্যাপারে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।মনের দিক থেকে সবল হোন, এ সমস্যা মোকাবিলায় মনের জোরটাই আসল।আপনি আউটডোর এর চিকিৎসক না দেখিয়ে যদি কোনোপ্রকার অভিজ্ঞ মেডিসিনের ডাক্তারের পরামর্শ নিতেন, তাহলে হয়তো এতদিনে সুস্থ হয়ে যেতেন। যেক্ষেত্রে আপনাকে বলবো আপনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক এর পরামর্শ নিন।

সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহ