কোন ব্যাক্তি অন্যের স্ত্রীকে নিজের করে কাছে পাওয়ার জন্য নামাজ পড়ে আল্লাহ্ এর কাছে ফরিয়াদ জানালে এর বৈধতা কতটুকু?
বিভাগ:
3 টি উত্তর
আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআন মাজিদে ইরশাদ করেছেন তোমরা জিনা করোনা এবং জেনার নিকটবর্তী ও হয়ো না। সুতারাং এখানে জিনা করা নয় জিনার আশে পাশে ও যেতে নিষেধ করেছেন সেহেতু পর-নারী/স্ত্রী হতে বিরত থাকুন। 
এটা সম্পূর্ণই অবৈধ, ইসলামে পরকীয়া শুরু থেকেই অবৈধ, অন্যের স্ত্রীর দিকে দৃষ্টি দেওয়া চোখের জিনা, সুতরাং এভাবে নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর আনুগত্য পালনের সাথে সাথে একটা অবৈধ আবদার করা অবশ্যই গর্হিত কাজ। এটা কোনভাবেই ইসলাম অনুমোদন করে না।
কোন ব্যাক্তি অন্যের স্ত্রীকে নিজের করে কাছে পাওয়ার জন্য নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানালে এর বৈধতা নেই বলেই চলে। কেননা, কোন বিবাহিত স্বামী ওয়ালী সধবা মহিলাকে বিবাহ করা বৈধ নয়, যতক্ষণ না তার তালাক হয়েছে অথবা তার স্বামী মারা গেছে এবং তার নির্ধারিত ইদ্দত কাল অতিবাহিত হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেছেন, নারীদের মধ্যে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ নারীগণও তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ, কিন্তু তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসীদের বাদে, আল্লাহ এসব ব্যবস্থা তোমাদের উপর ফরয করে দিয়েছেন। তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ নারীদের ছাড়া অন্যান্য সকল নারীদেরকে মোহরের অর্থের বদলে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করতে চাওয়া তোমাদের জন্য বৈধ করা হয়েছে, অবৈধ যৌন সম্পর্কের জন্য নয়। অতঃপর তাদের মধ্যে যাদের তোমরা সম্ভোগ করেছ, তাদেরকে তাদের ধার্যকৃত মোহর প্রদান কর। তোমাদের প্রতি কোনও গুনাহ নেই মোহর ধার্যের পরও তোমরা উভয়ের সম্মতির ভিত্তিতে মোহরের পরিমাণে হেরফের করলে, নিশ্চয় আল্লাহ সবিশেষ পরিজ্ঞাত ও পরম কুশলী। (আন-নিসাঃ ২৪) মহান আল্লাহ যে সকল মহিলাকে বিবাহ করা হারাম বলেছেন, তার মধ্যে একজন হল বিবাহিত মহিলা, যে কোন স্বামীর বিবাহ বন্ধনে বর্তমানে সংসার করছে এবং তালাক হয়নি। এরকম একজনের স্ত্রী থাকাকালে অন্যের সাথে বিবাহ বন্ধনই শুদ্ধ হবে না, কিন্তু অন্ধ প্রেম সেই দম্পতিকে চির ব্যভিচারের নর্দমায় ফেলে রাখে। নোটঃ মহানবী (সাঃ) বলেছেন, এক মুমিন অপর মুমিনের ভাই। আর মুমিনের জন্য এটা বৈধ নয় যে, সে তার ভাইয়ের ক্রয় বিক্রয় এর উপর নিজের ক্রয়বিক্রয় এর কথা বলবে। আর এটাও বৈধ নয় যে, সে ভাইয়ের বিবাহের প্রস্তাবের উপর নিজের বিবাহ প্রস্তাব দেবে, যতক্ষণ না সে বর্জন করে। (মুসলিম)