1 Answer

 (12511 পয়েন্ট) জ্ঞান অন্বেষনে তৃষ্ণার্ত! জ্ঞানের জন্য জ্ঞানকে ভালোবাসি, জ্ঞানের জন্যই সাধনা-সিদ্ধির প্রচেষ্টা করি।

উত্তরের সময় 

মাযহাব শব্দের অর্থ হচ্ছেঃ পথ বা চলার পদ্ধতি। ইসলামী ফেকাহ শাস্ত্রের পরিভাষায় কোরআন ও সুন্নায় যে সকল আহকাম ও বিধান প্রচ্ছন্ন রয়েছে সেগুলো চিন্তা- গবেষণার মাধ্যেমে আহরণ করাকে ইজতিহাদ বলা হয়। যিনি ইজতিহাদ করেন তাকে মুজতাহিদ বলা হয়। একজন মুজতাহিদ কুরআন ও সুন্নাহ থেকে যে সকল আহকাম ও বিধান আহরণ করে এবং যে সকল মতামত পেশ করেছেন তাকে মাযহাব বলে। মাযহাবের নামকরণ করা হয়েছে চার ইমামের নামে। চার মাযহাবের ইমামগণ হচ্ছেঃ ❖ ইমাম আবু হানিফা (রহঃ)। ❖ ইমাম মালেক (রহঃ)। ❖ ইমাম শাফেয়ী (রহঃ)। ❖ ইমাম আহমদ (রহঃ)। চার মাযহাবের মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য নেইঃ কেননা তাদের মতামত কোরআন এবং সহীহ হাদিসের বিরুদ্ধে নয়। তাইতো তাদের একজন বলেছেনঃ হাদিস যদি সহীহ হয় তাহলে সেটাই আমার মাযহাব। চার ইমামদের কেউ নিজ মাযহাবের অনুসরণ করার জন্য মানুষদের আহ্বান করেন নি অথবা তা অনুসরণের ক্ষেত্রে পক্ষপাতিত্ব করেন নি অথবা তা অনুসারে কিংবা নির্দিষ্ট কোন মাযহাব অনুসারে আমল করার জন্য অন্য কাউকে বাধ্য করেন নি। বরং তারা মানুষদের কুরআন ও সুন্নাহ এর অনুসরণ করার আহ্বান করতেন এবং তারা ইসলামি দলিলের উপর মন্তব্য করতেন, তার মূলনীতি ব্যাখ্যা করতেন, সাধারণ নির্দেশনা অনুযায়ী ক্ষুদ্র বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতেন এবং মানুষ যা জিজ্ঞেস করতো সে বিষয়ে ফতোয়া প্রদান করতেন। জনাব! এই চার মাযহাবের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট মাযহাবের অনুসরণ করা মুসলিমদের জন্য বাধ্যতামূলক নয়। বোধ শক্তির তারতম্য ও দলিল-প্রমাণ থেকে বিধান বের করার দক্ষতা অনুসারে মানুষ বিভিন্ন শ্রেণীর হয়ে থাকে। আর এই বোধ শক্তির তারতম্য ও দলিল-প্রমাণ থেকে বিধান বের করার দক্ষতা অনুসারে তাদের মতামতের কিছু পার্থক্য রয়েছে। যা বিস্তারিত ভাবে উত্তর দেওয়া সম্ভপর নয়। তাই মন্তব্য করতে পারেন।
সম্পর্কিত প্রশ্নসমূহ

Loading...

জনপ্রিয় বিভাগসমূহ

Loading...