4 টি উত্তর

ইসলাম আইন অনুযায়ী সমস্ত সম্পত্তি দুই ভাগ হবে। যার এক ভাগ পাবে ভাই এবং অন্য ভাগ পাবে চার বোন । চার বোন যে সম্পত্তি পাবে তার চার ভাগের এক ভাগ করে এক এক বোন পাবে।
দুইজন কন্যা=একজন ছেলে।একজন ছেলে যতটুকু সম্পদ পায় একজন কন্যা ততটুকুই সম্পদ পায়।
ইসলামী নিয়মাবলি অনুযায়ী,যদি ১ভাই ২বোন থাকে,তখন হবে দুই ভাগ,১ভাগ পাবে ভাই অন্য ১ভাগ পাবে দুই বোন।অন্য ১ভাগকে ২ভাগ করে ২বোন নিবে।অর্থাৎ ২বোন ১ভাই হলে ১ ভাই পাবে সম্পত্তির অর্ধেক,আর ২বোন পাবে সম্পত্তির অর্ধেক।আর যদি চার কন্যা ১পুত্র হয়,তাহলে হবে ৬ভাগ,২ভাগ পাবে ১জন পুত্র, ১ভাগ পাবে ১জন কন্য,১ভাগ পাবে ১জন কন্যা,১ভাগ পাবে ১জন কন্যা, ১ভাগ পাবে ১জন কন্যা।অর্থাৎমোট ৬ভাগ হবে। চার কন্যা ১ভাগ করে ৪ভাগ পাবে।আর একজন পুত্র ২ভাগ পাবে।।তথ্য সুত্রঃমানতিক,শ্রেনী আলিম ।

চার কন্যা ও এক পুত্রের মাঝে পৈতিক সম্পত্তি ইসলামী শরীয়া মোতাবেক ভাগ করা হল-

ক্রমিক নং

ওয়ারিসগণ

প্রাপ্ত সম্পদ

পুত্র

৩৩.৩৩৩৩ %

মেয়ে

১৬.৬৬৬৬  %

মেয়ে

১৬.৬৬৬৬  %

মেয়ে

১৬.৬৬৬৬  %

মেয়ে

১৬.৬৬৬৬ %

 

অর্থাৎ প্রত্যেক মেয়ে যা পাবে পুত্র তার দ্বিগুণ পাবে।




আল্লাহ তোমাদের সন্তান সম্বন্ধে নির্দেশ দিচ্ছেন: এক পুত্রের অংশ দুই কন্যার অংশের সমান।

''এক পুত্রের অংশ দুই কন্যার অংশের সমান'' অর্থাৎ দুই মেয়ে যা পাবে এক ছেলে ততটুকু পাবে।

কিন্তু শুধু কন্যা দুইয়ের বেশি থাকলে তাদের জন্য পরিত্যক্ত সম্পত্তির তিন ভাগের দু’ভাগ, আর মাত্র এক কন্যা থাকলে তার জন্য অর্ধেক। তার সন্তান থাকলে তার পিতা-মাতা প্রত্যেকের জন্য পরিত্যক্ত সম্পত্তির ছয় ভাগের এক ভাগ; সে নিঃসন্তান হলে এবং পিতা-মাতাই উত্তরাধিকারী হলে তার মাতার জন্য তিন ভাগের এক ভাগ; তার ভাই-বোন থাকলে মাতার জন্য ছয় ভাগের এক ভাগ; এ সবই সে যা ওসিয়ত করে তা দেয়ার এবং ঋণ পরিশোধের পর। তোমাদের পিতা ও সন্তানদের মধ্যে উপকারে কে তোমাদের নিকটতর তা তোমরা জান না। এ বিধান আল্লাহর; নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। (নিসাঃ ১১)


সাম্প্রতিক প্রশ্নসমূহ