অরিজিনাল উত্তর-বিশিষ্ট প্রশ্নসমূহ

না, যায় না ধন্যবাদ। 

হোমিওপ্যাথি কোনো ডাক্তার পাবেন না, তবে অনেক এলোপ্যাথি ডাক্তার পাবেন। 

কোনো সমস্যা নাই,  উত্তোলন এবং স্থায়িত্ব সবচেয়ে বড়ো বিষয়। 

ঝর্ণা শব্দটি সঠিক প্রমিত বাংলা ভাষার  নিয়মানুযায়ী।

ধন্যবাদ।

ঝরনা= বাংলা শব্দ! ঝর্ণা = সংস্কৃতি শব্দ। সুতরাং 'ঝর্না' বলতে কোনো শব্দ নাই। 

কিভাবে বন্ধ করবেন হস্তমৈথুন?  

নিজ জ্ঞান থেকে কিছু কথা বলছি। শুনুন। 


#আপনাকে প্রথমত আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

# তারপর পর্নোগ্রাফি দেখা বন্ধ করতে হবে। কেননা এটির মূল নেশা জাগে পর্নোগ্রাফি দেখার ফলেই। তাই যথাসম্ভব এইসব এড়িয়ে চলবেন। 

#তারপর যখনই পেনিস উত্তেজিত হবে বা উত্তেজনা অনুভব করবেন, ঠিক তখন অন্য দিকে মনযোগ দিয়ে দিবেন। বই পড়বেন। বা হাসির ভিডিও দেখবেন। এইভাবে পর্যায়ক্রমে নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। 

#ধর্মীয় বই পড়বেন। 

#গান শুনবেন।

# প্রাতিষ্ঠানিক বই পড়বেন। 

# আর খেলাধুলা, ব্যায়াম এইসবে অবশ্যই মনোযোগী হতে হবে।  

# সামাজিক যোগাযোগ বজায় রাখতে হবে। 

# আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সময় কাটান। 

#নারীসঙ্গ কিছুটা পরিমান কমাতে হবে ( গার্লফ্রেন্ড, ঘনিষ্ঠ মেয়ে বন্ধু থাকলে তাদের সাথে একনিষ্ঠ সময় কাটাবেন না। 

#যৌনতা সম্পৃক্ত বই, চটি গল্প, বাজে ওয়েভ সিরিজ অবশ্যই অবশ্যই পরিহার করতে হবে। 


এইবার জেনে নিন, কি খেলে শরীরের অপচয় হওয়া বীর্য পূরণ হবে।


#খাবারে শাক-সবজির দিকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে আপনাকে। 

#সুষম খাবার গ্রহন করবেন।  

# সবরকম ফলমূল খাবেন। টক জাতীয় ফলগুলো খাবেন। এতে শরীর অনেক ফিট থাকবে। 

# দুধ, ডিম প্রতিনিয়ত খাবেন । আর প্রতিনিয়ত না খেলেও সপ্তাহে ৩ দিন খাবেন অন্তত। 

# নাস্তায় কলা রাখবেন অবশ্যই। 


⚠︎⚠︎ আর অবশ্যই এলকোহল ও নিকোটিন পরিহার করবেন। যেমনঃ- সকল প্রকার মাদকদ্রব্য। 

কেননা মাদকদ্রব্য সেবন যৌন জীবনে হতাশা নামিয়ে দেয়।

      ۞____________❀____________۞

ধন্যবাদ সকলকে। 

নামঃ- মোহাম্মদ হিমেল ভূঁইয়া। 

লিখাঃ- নিজ 

রাইসা, রিমু, রোকেয়া ইত্যাদি

নিয়ন পর্যায় সারণীর ১৮ নং গ্রুপ (নিষ্ক্রিয় গ্যাস) এবং ২ নং পর্যায়ে অবস্থিত একটি মৌলিক পদার্থ যার প্রতীক Ne ।

নিয়ন এর প্রতীক Ne

রিয়াদ =অর্থ =বাগান, রিজওয়ান =অর্থ =জান্নাতী দূত, আব্দুর রহীম =অর্থ =-করুণাময়ের বান্দা 

আসলে হুট করেই পিল খাওআ বন্ধ করলে মাসিকে ঝামেলা হতে পারে যা স্বাভাবিক তবে এ রকম করা আপনার  উচিত হয় নি । আপনাকে ৩ মাস পর পর পিল খেতে হতো তার পর আসতে আসতে ২\৩ ধাপ হলে পিল খাওয়া বন্ধ করতেন তাহলে আসা ক্করি সমস্যা হতো না । তবে এখন অপেক্ষা করুন আসা করি মসিক হবে । তবে ভালো হবে আপনি আয়রন ট্যাবলেট , ভিটামিন খাবার ও জিম করুন আসা করি মাসিক হবে । 


যদি বীর্য বাহিরে ফেলেন তাহলে প্রেগন্যান্ট হওআর সম্ভাবনা থাকবে না । তবে হ্যা মিলনে কন্ডম না নিলে মনে সন্ধেহ থেকেই যায় সুতারাং আপনি চাইলেও ইমার্জেন্সি পিল খেতে পারেন । তবে অবশ্যই মিলনের সঠিক সময়ে খাবেন  । 

China বাংলায় চীন, Palestine বাংলায় ফিলিস্তিন, Maldives বাংলায় মালদ্বীপ।

হ্যা ফ্রি ফায়ার,পাবজি গেম গুলো কী আসলেই বন্ধ হয়ে যাবে মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে । আমি নিজে দেখেছি

হ্যা। অবশ্যই আয় করা যায়। এবং অনেক উপায়েই ফেসবুকের মাধ্যমে আয় করা যায় সম্ভব। কিভাবে ফেসবুক থেকে আয় করতে হয় তা জানার জন্য নিচের আর্টিকালটি পড়ুন। সেখানে বিশদ বর্ননা দেওয়া আছে। 
পড়ুন- 

কিভাবে ফেসবুকে টাকা আয় করা যায় তার ১৫ টি উপায় এবং সিক্রট ট্রিকস

আপনি বিকাশ অ্যাপ থেকে সহজে জানতে পারবেন। অ্যাপ থেকে লগ ইন করে ইনবক্স এ দেখুন লেনদেন এর সব ডিটেইলস দেয়া আছে। কত তারিখে কত অ্যামাউন্ট এসেছে সেটা দেখেই আশা করি বুঝতে পারবেন।

আমরা ফটো এডিটিং শিল্পের স্বর্ণযুগে বাস করছি.
বিশ্বজুড়ে মানুষ তাদের দৈনন্দিন জীবনকে সুন্দর এবং অবাক করে তুলতে চায়।
বিশেষত যখন আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাই ভাল ছবি দিতে চায় । এই কারণেই, এই পোস্টে আমরা PicSay Pro Apk নামে পরিচিত বিপ্লবী নতুন ফটো সম্পাদক সম্পর্কে কথা বলব।
Download করতে পারেন ফ্রি ।

বাংলাদেশের সর্বপ্রথম কামিল মাদ্রাসা হল ছারছীনা দারুচ্ছুন্নাত আলিয়া মাদ্রাসা। এটা 1915 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠা করেছেন আল্লামা নেছার উদ্দিন আহমদ রহমাতুল্লাহ আলাইহি।

750-850 tk

আপনি হোমিওপ্যাথিক ঔষধ খাওয়াতে পারেন। আপনি ১৯৫৫৬৭১১০৭ এই নাম্বারে ফোন করে। বিস্তারিত জানান।এবং এই রোগের জন্য কি ঔষধ যেনে নিন।আপনাকে যে ঔষধ বলে দেয়া হবে সেগুলো আপনি কিনে নিতে পারবেন। পরামর্শ প্রদানের জন্য উনাকে কোন ফিদিতে হবে না। 


1905 সালে প্রকাশিত আইনস্টাইনের পাঁচটি বৈজ্ঞানিক নিবন্ধনের একটি ছিল ব্রাউনীয় গতি ব্যাখ্যা নিয়ে । নিচে সেই নিবন্ধন এর সংক্ষিপ্ত আলোচনা করতেছি। (গল্পের আকারে )


মাঝ দুপুরে কোনাে ছিদ্রপথে ঘরে যখন তীব্র আলাে ঢােকে, দেখবেন ধুলাবালি ইতস্তত ঘােরাঘুরি করছে। আপনি যদি কোনাে একটি ধূলিকণার ওপর চোখ রেখে অনুসরণ করেন, অবাক হবেন। কণার গতিপথ একেবারেই অনিয়ন্ত্রিত। কখন কোন দিকে যাবে বলতেই পারবেন। কিন্তু এমন অদ্ভুতুড়ে গতির কারণ কী?


প্রথমে মনে হতে পারে বাতাসের কারণে এমন হচ্ছে। একটু লক্ষ করলেই দেখবেন, বাতাসের গতি এর কারণ নয়। এক মুহূর্তে পাশাপাশি দুটি কণার গতি দুদিকে তাে আর বাতাসের জন্য হতে পারে না। এমন গতি মানুষ বহু আগে থেকেই দেখে আসছে।


কিন্তু প্রথম বৈজ্ঞানিক গবেষণা হয় ব্রিটিশ জীববিজ্ঞানী। রবার্ট ব্রাউনের হাত ধরে। তিনি ১৮২৭ সালে একই ধরনের গতি লক্ষ করেন পানিতে পরাগরেণুর মধ্যে। দেখলেন, আঁকাবাঁকা পথে দ্রুতগতিতে পানিতে এদিকসেদিক ছুটে বেড়ায়। প্রথমে তিনি ভাবলেন, জীবিত পরাগরেণু জৈবিক কারণে ছুটে বেড়াচ্ছে। তাই তিনি দনাদার কণা ও মৃত পরাগরেণু নিয়ে পরীক্ষা করলেন।


সেগুলাের একই রকম আঁকাবাঁকা পথে চলতে দেখলেন। এ গতির নাম দেওয়া হলাে ব্রাউনীয় গতি ।


কিন্তু ওই নাম পর্যন্তই! ব্রাউনীয় গতির ব্যাখ্যা দেওয়া কিন্তু সহজ হলাে না। এর পেছনে যেন এক অদৃশ্য শক্তি কাজ করে! ব্রাউন নানাভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করলেন। পানিতে কোন ধরনের তড়িৎপ্রবাহ অথবা তরল পদার্থে তাপের পরিচলন, স্বতঃবাষ্পীভবন—কোনাে প্রক্রিয়াই এই গতির কারণ নয়। এরপর বহু বিজ্ঞানী কাজ করেছেন এই গতি নিয়ে। কিন্তু কোনাে কূলকিনারা হয়নি প্রায় আশি বছরেও। অবশেষে সাফল্য ধরা দিল ১৯০৫ সালে । ওই বছর আইনস্টাইন পাঁচটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করলেন ।


এর মধ্যে দ্বিতীয়টি ছিল ব্রাউনীয় গতির ব্যাখ্যা। পরাগরেণুর অদ্ভুত গতিপথের ধারণা ব্যাখ্যায় তিনি সাহায্য নেন অণুর ধারণার । বিজ্ঞানীদের কাছে তখন অণু-পরমাণুর ধারণা ছিল একটা দার্শনিক মত; যা ব্যাখ্যার সুবিধায় ব্যবহৃত হতো। আইনস্টাইন এ নিবন্ধে যুক্তি দেন,পানির অণুগুলাে তাপীয় শক্তির জন্য খুব দ্রুত কাপতে থাকে। অণুগুলাে এত ক্ষুদ্র যে এই


কম্পন খালি চোখে, এমনকি অণুবীক্ষন যন্ত্র দিয়েও দেখা যায় না। ছোট্ট ৰূর্ণ যেমন পরাগরেণুর মাকে এ সে পড়লে অণুগুলাের সঙ্গে এদিক-সেদিক ধাক্কা


খেতে থাকে। ক্ষুদ্র অণুর ধাক্কা সবদিকে সুষম হয় না । কোনাে দিকে ধাক্কা বেশি, কোনাে দিকে ধাক্কা কম। যেদিকে থাকা বেশি, কণাটি সেদিকে চলতে শুরু করে । আবার অণুর ধাক্কায় হয়তাে অন্য কোনাে দিকে চলা শুরু করে। পরাগরেণু খালি চোখে দেখা যায়। তাই তার চলনও চোখে পড়ে। ধাক্কা যেহেতু সুষম নয়, তাই চলনও এলোমেলাে । পরের বছর স্বতন্ত্রভাবে পােলিশ পদার্থবিজ্ঞানী মারিয়ান স্মেলুচৌস্কি একই ব্যাখ্যা দেন।


আইনস্টাইন লক্ষ করেন, তরলের মধ্যে কণার এই গতির সঙ্গে পর্যবেক্ষণের সময়ের একটি সম্পর্ক রয়েছে। যত সময় ব্যয় কণাটির সরণ তত বেশি হয়।


গাণিতিকভাবে কণার সরণ আর সময়ের সম্পর্ক তিনি দেখান। কপার সরণ সময়ের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক। ব্রাউনীয় পতি ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যে অবশ্য আইনস্টাইন কাজ শুরু করেননি। তিনি চেয়েছিলেন বাপনের সহপের সঙ্গে তাপমাত্রার সম্পর্ক স্থাপন করতে। তা করতে গিয়েই তিনি পান ব্রাউনীয় গতির ব্যাখ্যা।


আবার এই ব্যাখ্যা থেকেই তিনি ব্যাপনের সঙ্গে তাপমাত্রার সম্পর্ক স্থাপন করেন। আইনস্টাইনের এই ব্যাখ্যা যুগান্তকারী । কারণ, এ ব্যাখ্যাই অণুর ভিত্তিকে পাকাপোক্ত করে। ১৮৩ সালে জন ডাল্টনের হাত ধরে শুরু হওয়া আধুনিক রসায়নের মজবুত ভিত্তি গড়ে দেওয়ার কাজটি অণুর ব্যাখ্যার মাধ্যমেই হয়। অ্যাভােগেড্রো সংখ্যা আধুনিক রসায়নের মূল কেন্দে অবস্থিত। অ্যাভােগেড্রো সংখ্যা গণনার একটি পদ্ধতিও আইনস্টাইনের এই গবেষণাপত্র থেকে পাওয়া যায় ।


১৯০৮ সালে বিজ্ঞানী জিন পেরিনের ওপর ভিত্তি করেই সফলভাবে অ্যাভােগেড্রো সংখ্যার মান নির্ণয় করেন। এ জন্য ১৯২৬ সালে তিনি নােবেল পুরস্কার পান। এ দ্বারা পরমাণুর আকার, এক মেলে কতটি পরমাণু আছে,


গ্যাস অণুসমূহের আণবিক ভর গণনা করা সম্ভব হয়। বর্তমানে অণু-পরমাণুর অস্তিত্বের তন্তু খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। শতবর্ষ আগে অপুর উপস্থিতি সম্পর্কে দেওয়া আইনস্টাইনের তথ্য রীতিমতাে বিষয়ক ছিল। এ ব্যাখ্যার আগে পরমাণু নিয়ে পদার্থবিজ্ঞানী ও রসায়নবিদদের মধ্যে তুমুল বিতর্ক ছিল। পরমাণুর আসলেই কোনাে অস্তিত্ব আছে কি না তা নিয়েই ছিল


দ্বন্দ্ব। আইনস্টাইনের এই গবেষণাপত্র সে বিতর্ক অবসানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পরমাণুর অস্তিত্বের ঘাের বিরােধীদের মধ্যে অন্যতম উইলিয়াম অসওয়াক্ত এ ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হয়ে তার ধারণা পরিবর্তন করেন । জন ডাল্টনকে আধুনিক রসায়নের জনক বলা হলেও সত্যিকার আধুনিক রসায়নের ভিত্তি গড়ে দেন সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদার্থবিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন। 


সূত্র: এলিমেন্টস অব ফিজিক্যাল কেমিস্ট্রি (আশাকরি বুজতে পেরেছেন )এর থেকে সহজে বলতে গেলে আরো জটিল হয়ে যেতে পারে ) ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

আর্টিকেল লিখে আয় করার জন্য বর্তমানে ৮-১০টি সাইট খুঁজে পাবেন। তবে সব সাইটের নিজ নিজ পলিসি ভিন্ন। এবং বেশিরভাগ সাইট সাথে সাথে পেমেন্ট করেনা।

এক্ষেত্রে pratiborton অনন্য। আর্টিকেল পাবলিশ হওয়ার সাথে সাথেই পেমেন্ট নিতে পারবেন।

তাছাড়া, এখানে কাজ করার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো কন্ট্রাক্ট আর্টিকেলের কাজ পাওয়া। অর্থাৎ, আপনার লেখার মান যদি ভালো হয়, এবং বিশ্বস্ততা অর্জন করতে পারেন, তবে প্রতিবর্তন অন্য সাইট থেকে যেসব আর্টিকেলের অর্ডার পায়, সেগুলো লেখার সুযোগ পাবেন। কন্ট্রাক্ট আর্টিকেল এর কাজ পেলে খুব ভালো এমাউন্ট আয় হয়।

আপনার ভিতর থেকে যে আঠালো জিনিসটা বের হয় সেটাই  বীর্য। আর এটার কালার যেমন দেখতে পা্ও বীর্যে কালারও ঠিক তেমন।

নিচের লিঙ্ক থেকে বীর্যের রং সহ বিস্তারিত দেখে আসো।।


আপনি ই-নলেজ এ যে কোন ধরনের প্রশ্ন করতে পারেন এবং আলোচনা করতে পারেন বিভিন্ন রকম সমস্যা নিয়ে। যেমনঃ তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক, ব্যবসায়ীক, সামাজিক, রাজনৈতিক, পারিবারিক, ব্যক্তিগত, শারীরিক ইত্যাদি। সেই সাথে কারও প্রশ্নের উত্তর কিংবা কারও সমস্যার সমাধান করতে পারন। রেজিস্ট্রেশান না করেও খুব সহজেই অংশগ্রহন করতে পারবেন।

https://www.enolez.com

জন্ম নিবন্ধনের অনলাইন  ফটো কপি সাধারন মানুষ বের করতে পারবেনা, শুধু যাচাই করা যায় নিবন্ধন সঠিক কিনা।  চেক করতে -ক্লিক করুন

পিরিয়ডের ব্যাথার জন্য বয়স ১২ বছর হলে–

tab- HPR250 mg (1+1+1)তিন বেলা সাথে গ্যাসের ওষুধ

বয়স ১৩+ হলে 

Tab– HPRds 500mg (1+1+1) তিনবেলা সাথে গ্যাসের ওষুধ 

ব্যাথা কমে গেলে ওষুধ খাবার প্রয়োজন নাই!

আপনার বর্ণনাকৃত ওষুধের তুলনায় এটি ভালো কাজ করবে!

যদি পেটে ব্যাথা থাকে তাহলে সাথে algin Tablets  খাবেন.    

শুধু আপনার নিজের ন্যাশনাল আইডি কার্ডের তথ্য জানতে পারবেন। তার জন্য প্রথমে রেজিস্ট্রেশন করা লাগবে https://services.nidw.gov.bd/registration এই লিঙ্ক থেকে। তারপর https://services.nidw.gov.bd/login এখান থেকে লগইন করে আপনি আপনার তথ্য দেখতে পারবে। 

প্রতি জান্নাতী স্বীয় আমল অনুযায়ী দুই বা ততোধিক বেহেস্তী স্ত্রী পাবে। শহীদের হবে বাহাত্তরটি স্ত্রী।

দুনিয়ায় যদি তার একসাথে চার জন স্ত্রী থাকে, আর জান্নাতে গিয়ে সেই ব্যাক্তি যদি দুনিয়ার চার জন কেই চায়, তাহলে তাই পাবে।

রেফারেন্সঃ আর সেখানে তোমাদের জন্য থাকবে যা কিছু তোমাদের মন চাইবে এবং সেখানে তোমাদের জন্য থাকবে যা তোমরা দাবী করবে। (সূরা হা-মীম আস সিজদাঃ ৩১)।

সুতরাং তোমরা জান্নাতে মনে যা চাইবে তাই পাবে এবং যা দাবী করবে তাই সরবরাহ করা হবে। এমন অনেক নেয়ামতও পাবে, যার আকাঙ্খাও তোমাদের অন্তরে সৃষ্টি হবে না। যেমন মেহমানের সামনে এমন অনেক বস্তুও আসে যার কল্পনাও পূর্বে করা হয় না, বিশেষতঃ যখন কোন বড় লোকেরা মেহমান হয়।

এক হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যদি জান্নাতী ব্যক্তি নিজ গৃহে সন্তান জন্মের বাসনা করে, তবে গৰ্ভধারণ, প্রসব, শিশুর দুধ ছাড়ানো এবং যৌবনে পদাৰ্পন সব এক মুহূর্তের মধ্যে হয়ে যাবে। (তিরমিয়ীঃ ২৫৬৩)।

দুনিয়ার স্ত্রী বেহেস্তে গেলে, সেও স্বামীর সাথে বাস করবে।

অর্থাৎ, তোমরা এবং তোমাদের সহধর্মিণীগণ সানন্দে জান্নাতে প্রবেশ কর। (যুখরুফঃ ৭০)

অর্থাৎ, তারা এবং তাদের স্ত্রীগণ সুশীতল ছায়ায় থাকবে এবং হেলান দিয়ে বসবে সুসজ্জিত আসনে। (ইয়াসীনঃ ৫৬)।

পৃথিবীতে যে নারীর একাধিক বার একাধিক পুরুষের সাথে বিবাহ হয়েছিল তারা সকলেই জান্নাতে গেলে তার পছন্দমত একজন স্বামীর সাথে বাস করবে। যেহেতু সেখানে মনমতো সবকিছু পাওয়া যাবে। নচেৎ শেষ স্বামীর স্ত্রী হয়ে থাকবে। (সঃ জামে, ৬৬৯ ১ নং)।

একদা হুযাইফা (রাঃ) তার স্ত্রীকে বললেন, তুমি যদি জান্নাতে আমার স্ত্রী থাকতে চাও, তাহলে আমার পরে আর কাউকে বিয়ে করো না। কারণ, মহিলা তার পার্থিব শেষ স্বামীর অধিকারে থাকবে। (বাইহাকী, সিঃ সহীহাহ, ১২৮১ নং)।

আবু দারদা রাজিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, মহিলা তার সর্বশেষ স্বামীর জন্যই থাকবে। (জামে‘ ছাগীরঃ ৬৬৯১; আলবানী, সিলসিলাতুল আহাদিস আস-সাহিহাঃ ৩/২৭৫)।


1,436,873

প্রশ্ন

1,607,314

উত্তর

480,944

ব্যবহারকারী