অরিজিনাল উত্তর-বিশিষ্ট প্রশ্নসমূহ

ধন্যবাদ প্রশ্ন করার জন্য।

আসলে সহবাস/মিলনের নিয়ম একটাই যা প্রানি জগতে জীবদের জন্য পরিলক্ষিত,সেটি হলো নারী জাতী পুরুষ জাতীর নিচে থাকবে অর্থাৎ স্ত্রী স্বামীর/পুরুষের নিচে থাকবে।এই একটি মাত্র পন্থা।

তবে মানুষের ক্ষেত্রে স্ত্রী  মিলনের পজিশন অনেক রকমের রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে হলো স্বামী স্ত্রী ডান/বাম পাশ হয়ে সুয়ে মিলন করা,স্ত্রীর উপর সুয়ে মিলন করা, বসে মিলন করা সহ অনেক অনেক রকমের মিলনের পজিশন রয়েছে । কিন্তু নিয়ম একটাই যেটা ইসলাম ধর্ম ও বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে  হলো স্ত্রী স্বামীর নিচে থাকবে। এতে স্বামী স্ত্রী দুইজনেই তৃপ্তি পায় ও এই পদ্ধতিতে খুব সহজেই সন্তান জন্ম নেয়।

তবে যদি আপনি মিলনের পজিশন ব্যপারে জানতে চান তাহলে পরবর্তীতে প্রশ্ন করবেন চেস্টা করবো বুঝিয়ে দিতে।

আরহ্যা স্ত্রী মিন্স চলাকালীন, সন্তান ডেলিভারির প্রথম ৪৫ দিন মিলন করা যাবে না যা ইসলাম ধর্ম ও বৈজ্ঞানিক এর মতে নিশেধ রয়েছে।

আশা করি বুঝতে পারছেন।

বিস্ময়ের সাথেই থাকুন।

ধন্যবাদান্তে জামিয়ার রহমান


ধন্যবাদ প্রশ্ন করার জন্য।

আসলে সহবাস/মিলনের নিয়ম একটাই যা প্রানি জগতে জীবদের জন্য পরিলক্ষিত,সেটি হলো নারী জাতী পুরুষ জাতীর নিচে থাকবে অর্থাৎ স্ত্রী স্বামীর/পুরুষের নিচে থাকবে।এই একটি মাত্র পন্থা।

তবে মানুষের ক্ষেত্রে স্ত্রী  মিলনের পজিশন অনেক রকমের রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে হলো স্বামী স্ত্রী ডান/বাম পাশ হয়ে সুয়ে মিলন করা,স্ত্রীর উপর সুয়ে মিলন করা, বসে মিলন করা সহ অনেক অনেক রকমের মিলনের পজিশন রয়েছে । কিন্তু নিয়ম একটাই যেটা ইসলাম ধর্ম ও বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে  হলো স্ত্রী স্বামীর নিচে থাকবে। এতে স্বামী স্ত্রী দুইজনেই তৃপ্তি পায় ও এই পদ্ধতিতে খুব সহজেই সন্তান জন্ম নেয়।

তবে যদি আপনি মিলনের পজিশন ব্যপারে জানতে চান তাহলে পরবর্তীতে প্রশ্ন করবেন চেস্টা করবো বুঝিয়ে দিতে।

আরহ্যা স্ত্রী মিন্স চলাকালীন, সন্তান ডেলিভারির প্রথম ৪৫ দিন মিলন করা যাবে না যা ইসলাম ধর্ম ও বৈজ্ঞানিক এর মতে নিশেধ রয়েছে।

আশা করি বুঝতে পারছেন।

বিস্ময়ের সাথেই থাকুন।

ধন্যবাদান্তে জামিয়ার রহমান।

ধন্যবাদ প্রশ্ন করার জন্য।

আসলে কাচা ছোলাতে রয়েছে প্রুচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম, ক্যালোরি, এটি নিয়মিত খেতে পারেন সকালে খালি পেটে। প্রতিদিন ১ কাপ কাচা ছোলা রাতে ভিজে রাখবেন ওসব পরের দিন সকালে খালিপেটে খাবেন  এর পর ১ গ্লাস পানি খাবেন। এতে করে আপনার দেহে

  1. হার্টের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
  2. ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায়।
  3. হজম শক্তি বৃদ্ধি করবে।
  4. ক্লান্তি দূর করে।
  5. পেশি শক্তি জোগায়
  6. ক্যালসিয়াম এর অভাব দুর করবে।
  7. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখবেন।
এছাড়াও ছোলার নানান উপকার রয়েছে, যা প্রতিনিয়ত কাচা ছোলা খেলে উপকার পাওয়া যায়।
আশা করি বুঝতে পারছেন।

ফাঁস বের করার সূত্র হচ্ছে,


লুপের সংখ্যা =n/2-x


ব্যাখ্যা:




n সংখ্যক দড়ি আছে ।


আর সব গুলো দড়ি র দুই মাথা ।তাহলে দুই মাথা বেধে দিলে 


একটি ফাঁস বা লুপ হয় । 


|||||কিন্তু আপনি যে দড়ি টা নিলেন ওইটা যে ওই দড়ির অন্য মাথার সাথে 

বেধে ছেন । সেটা কিন্তু আপনি জানেন না । তাই x সংখ্যক লুপ কম হবে ||||||

অাপনি g-board নামক কি-বোর্ড  ব্যবহার করতে পারেন। এই এপটি দিয়ে অাপনি বাংলায় যেকোন কিছু লিখলে ইংরেজিতে ট্রানসলেট হয়ে যাবে।প্লে-স্টোর এ এপটি পেয়ে যাবেন।

ধন্যবাদ প্রশ্ন করার জন্য।

আসলে শরীরে  রক্তে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেশি হলে মশাদের কামড় অবধারিত। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রক্তে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণও বাড়তে থাকে। তাই ছোটদের তুলনায় বড়দের মশা বেশি কামড়ায়।এছাড়াও ত্বকে স্টেরয়েড আর কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি থাকলেও মশা বেশি করে কামড়ায়। তবে ত্বক বেশি কোলেস্টেরল মানেই এই না যে শরীরেও বেশি কোলেস্টেরল। কিন্তু ত্বকে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি হলেই মশা বেশি আকৃষ্ট হয়ে থাকে।

আশা করি বুঝতে পারছেন। 

ধন্যবাদ প্রশ্ন করার জন্য।

আসলে ওজন কমাতে চাইলে অবশ্যই জিম/ব্যয়াম করা আবশ্যিক। অর্থাৎ। শরীরে অতিরিক্ত চর্বি থাকার কারনে ওজন বেশি হয়, আর এই চর্বি গলাতে চাইলে অবশ্যই জিম করতে হবে।

আপন ওজন কমাতে, সকালে হাটাহাটি করবেন যাতে গায়ের ঘাম আশে, ভারি কাজ করবেন, শ্রম দিবেন, ডায়েটকন্ট্রোল করবেন, সকালে ও রাতে রুটি খাবেন, দুপুরে ভাত, প্রতিদিন সকালে খালিপেটে ১ গ্লাস গরম পানিতে লেবুর রস দিবেন ও পরিমান মত লবন দিয়ে পান করবেন এভাবে টানা ৩/৪ মাস চলতে থাকবে।দেখবেন দ্রুত আপনার ওজন কমে গেছে।

আশা করি বুঝতে পারছেন।


১৮৮তম ! 

২০১৯ সালের তথ্য অনুযায়ী।



আসলে বলা হয় না।  বলা যায় ।



 যে রেখার কোনো দৈর্ঘ্য নেই সেটাই হল বিন্দু!

 

সেই বিন্দুর ধারণা থেকেই আমরা অনেক সমস্যা সমাধান করে আসছি। স্থানাঙ্কে কোনো কিছুর অবস্থান নির্দেশ করছি। তারপর সেটা নিয়ে কাজ করতে পারছি।আমরা জিপিএসও আবিষ্কার করে ফেলেছি তো বিন্দু না থাকলে কিন্তু একটু ঝামেলাই হয়ে যেত, তাই না!


তবে ফিলোসফারদের মতে কিন্তু বিন্দু মোটেও অবস্থান নির্দেশক কিছু না। তাদের মতে এটা রেখা তৈরির হাতিয়ার। পরে আমরা বিন্দুকে দিয়ে অবস্থান নির্দেশ করা শিখেছি। আশা করি বুঝতে পারছেন।



এবং বিন্দু দিয়ে শুধু অবস্থান নির্দেশই না; বরং আরও অনেক কাজ করা যায়।ক্যালকুলাস, জটিল সংখ্যা, আরো কত কি!

বুদ্ধি করে দেখলে দেখবেন, আমরা মানুষেরা যে জগতে বাস করি সেটাও কিন্তু একটা আবছা নীল বিন্দু(Pale Blue Dot) ছাড়া আর কিছুই না! আমরা যেখান থেকে জন্ম নিয়েছি সেই এনার্জি বলও কিন্তু অসীম ক্ষুদ্র একটা বিন্দু ছাড়া আর কিছুই ছিল না, এবং হয়ত একদিন বিন্দুতেই আমরা মিলিয়ে যাবো। 



আবার এই মহাবিশ্ব শূন্য থেকে সৃষ্টি । আবার শূন্য হয়ে যাবে ।



ধন্যবাদ প্রশ্ন করার জন্য।

আসলে অনেক কারন বসত  বুক ধড়ফড় করে আর অনেকেই বুক ধড়ফড়  করার সময় মাথা হালকা অনুভব করে থাকেন এবং কেউ কেউ শরীরের ভারসাম্য হারিয়ে দাঁড়াতে পারেন না, আবার কেউ কেউ অজ্ঞান পর্যন্ত হতে পারেন।

তবে হৃদরোগ বুক ধড়ফড়ের প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত, তবে থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা, রক্তশূন্যতা, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, যে কোনো ধরনের ভয়-ভীতি,বা অত্যধিক মদপান, নেশাজাতীয় বস্তু গ্রহণ এবং অনেক মেডিসিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও কারন হতে পারে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বুক ধড়ফড় করার প্রধান কারণ হৃদরোগ হতে পারে।

তবে বেশ কিছু জটিল রোগের কারণে মানুষের মধ্যে বুক ধড়ফড় করার মতো লক্ষণ দেখা দিয়ে থাকে যেমন- ইসকেমিক হার্ট ডিজিজ বা হার্ট ব্লক, হার্টের বাল্বের সমস্যা, হার্টে জন্মগত ত্রুটি, কার্ডিও মাইয়োপ্যাথি, মাইয়ো কার্ডাইটিস, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন ও হার্টঅ্যাটাক ইত্যাদি কারন বসত হতে পারে।

আপনি প্রস্রাব করতে বসেন আর প্রস্রাব শেষে উঠতেই বুক ধড়ফড় করে, শরীর দুর্বল বা কাপু দেওয়া বা মাথা ঘুড়া এসব সমস্যা থাকলে।

অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চেকআপের মাধ্যমে হৃদরোগ আছে কিনা তা যাচাই করবেন। কাজেই অবহেলা করবেন না।ডাক্তার দেখান। আর হ্যা দুশ্চিন্তা করবেন না।স্বাভাবিক ভাবে জীবন যাপন করবেন,দুশ্চিন্তা করবেন না,অযথা টেনশন করবেন না। সবার সাথে মিশে থাকবেন। 

আশা করি বুঝতে পারছেন।


Factor theorem 

ব্যাবহার করে খুব সহজে factorized করা যায় ।

(x+2y)=0

তাই, x=-2y ধরে 

X এর মান বসিয়ে করতে হবে ।



মানচিত্রে প্রাচীন বাংলার জনপদ **


* বঙ্গ- কুষ্টিয়া, যশোর, নদীয়া, ঢাকা, ফরিদপুর ও ময়মনসিংহ।

* সমতট- কুমিল্লা ও নোয়াখালী।

* হরিকেল- পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম, ত্রিপুরা ও সিলেট।

* গৌড়- চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, মালদহ ও পশ্চিম দিনাজপুর।

* বরেন্দ্র- বগুড়া, পাবনা ও রাজশাহীর অংশবিশেষ।

* পুণ্ড্র- বগুড়া, রাজশাহী ও রংপুর-দিনাজপুর জেলার অংশ।

চন্দ্রদ্বীপ- বরিশাল (বাকলা, ইসলামপুর)।



আপনি রাতে ১ গ্লাস পানিতে ২ -৩ চামচ ইসুবগুলের ভূসি ও ১ চামচ তোলমাখানা ১ চামচ তকমা দানা  ভিজিয়ে রাখবেন এবং পরের দিন সকালে খালিপেটে খাবেন।

এইভাবে নিয়মিত খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং বিপাক প্রক্রিয়াও বৃদ্ধি করবে।
শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমা বৃদ্ধি শরীরে পুষ্টির অভাব পূরণসহ কোষ্ঠকাঠিন্য এবং যৌনরোগসহ শরীরের নানান রোগের জন্য উপকার করবে।

গৃহসজ্জার শিল্পনীতিগুলো হলো-


ক. সমানুপাত


খ. ভারসাম্য


গ. মিল


ঘ. ছন্দ


ঙ. প্রাধান্য


গৃহ সজ্জার শিল্পনীতি অনুসরণে ৫টি চিত্রের উদাহরণ দেওয়া হলো। এগুলো 

অংকন করে উজ্জ্বল রং-এর প্রয়ােগ করতে হবে (assignment এ)



বিশ্বের ইতিহাস বলতে এখানে পৃথিবী নামক গ্রহে

বসবাসকারী মানবজাতির ইতিহাস বােঝানাে হয়েছে,

গ্রহ হিসেবে পৃথিবীর ইতিহাস নয়। মানুষের ইতিহাস

মূলত পুরাপ্রস্তর যুগে পৃথিবী জুড়ে শুরু হয়। আদিম

যুগ থেকে প্রাপ্ত সকল প্রত্নতাত্ত্বিক ও লিখিত দলিল

এর আওতাভুক্ত। লিখন পদ্ধতি আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে

প্রাচীন প্রামাণ্য ইতিহাসের শুরু হয়। যদিও

লিখন পদ্ধতি আবিষ্কারের পূর্ববর্তী যুগেও সভ্যতার

নিদর্শন পাওয়া গেছে। প্রাগৈতিহাসিক যুগের সূচনা

ঘটে পুরাপ্রস্তর যুগে। সেখান থেকে সভ্যতা প্রবেশ করে

নব্যপ্রস্তর যুগে এবং এসময় কৃষি বিপ্লবের (খ্রিস্টপূর্ব

৮০০০-খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ অব্দ) সূচনা ঘটে। নব্যপ্রস্তর

যুগের বিপ্লবে উদ্ভিদ ও পশুর গৃহপালন এবং নিয়মানুগ

কৃষিপদ্ধতি রপ্ত করা মানব সভ্যতার একটি অনন্য

মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত। কৃষির উন্নয়নের

সঙ্গে সঙ্গে বেশির ভাগ মানুষ যাযাবর জীবনযাত্রা ত্যাগ

করে স্থায়ীভাবে কৃষকের জীবন গ্রহণ করে। তবে বহু

সমাজে যাযাবর জীবনব্যবস্থা রয়ে যায়, বিশেষ করে

ভৌগােলিকভাবে বিচ্ছিন্ন অঞ্চলগুলিতে ও যেখানে

আবাদযােগ্য উদ্ভিদ প্রজাতির অভাব ছিল। কৃষি

থেকে প্রাপ্ত খাদ্য নিরাপত্তা ও উদ্বৃত্ত উৎপাদনের ফলে

গােষ্ঠীগুলি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়ে আরও বড় সামাজিক

প্রতিষ্ঠানের জন্ম দেয়। যােগাযােগ ব্যবস্থার উন্নয়নও

এক্ষেত্রে একটি উল্লেখযােগ্য ভূমিকা রাখে।


বাংলদেশ স্বাধীন লাভ করার পর চিত্রটি ছিল খুবই কষ্টের । চারিদিকে ছিল কান্না, স্বজন হারানোর বেদনা, রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে নদীবন্দর ও সমুদ্রবন্দরের বেহাল অবস্থা ছিল। সেই সাথে রাষ্ট্রীয় কোষাগার ছিল অর্থশূন্য। সেই সময় মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করাই ছিল একটি বড় চ্যালেঞ্জ। যুদ্ধবিধস্ত স্বাধীন বাংলাদেশকে পূর্ণগঠনের দায়িত্ব শুরু হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে। 


স্বাধীনতার পর  যুদ্ধবিধস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠন প্রক্রিয়াগুলো তুলে ধরা হল:


ক) সংবিধান প্রণয়ন ও কার্যকর : স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অস্থায়ীভাবে সংবিধান প্রনয়ন করেন। সংবিধানকে চূড়ান্ত রুপ দান করার জন্য গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে একটি ‘খসড়া সংবিধান প্রণয়ন’ কমিতি গঠন করা হয়। যা ১৯৭২ সালের ১২ই অক্টোবর বিল আকারে গণপরিষদে পেশ করা হয় এবং যা পরবর্তীতে গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।

এই সংবিধানটি ওই সময়ের জন্য একটি মাইলফলক ছিল কারন সংবিধানের মাধ্যমে মানুষের মৌলিক অধিকারের সাথে সার্বজনীন ভোটাধিকার, ন্যায়বিচার, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকার স্বীকৃত হয়। 


খ) গণপরিষদ আইনঃ বাংলাদেশের গনতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় মুখ্য ভূমিকা রেখেছিল “গণপরিষদ আইন” যা ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ বঙ্গবন্ধুর আদেশ জারি করেন। এই আদেশের মূল লক্ষ্য ছিল দেশের প্রয়োজনীয় আইন পাস করা ও তা দ্রুত কার্যকর করা।


গ) অবকাঠামো উন্নয়নঃ স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে আর্থিকভাবে উঠে দাঁড়ানোর জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নে সোচ্চার হয়েছিলেন। স্বাধীনতার পর পাকিস্তানি অবাঙালিরা দেশ ত্যাগ করলে তাদের মালিকানাধীন কল-কারখানাগুলো রাষ্ট্রীয় মালিকানায় এনে বাংলাদেশের সম্পদ হিসেবে পরিণত করেন এবং কারখানাগুলোকে জাতীয়করণ করেন। শিক্ষার অগ্রগতি সাধন এর জন্য বঙ্গবন্ধু সেই সময়ে প্রায় ৩৮ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেন। বিজ্ঞানী ডঃ কুদরাত-এ-খুদা কে প্রধান করে একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করেন এবং পরবর্তীতে ১৯৭৪ সালে সেই কমিটির মাধ্যমে গণমুখী বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেন।


ঘ) অর্থনৈতিক উন্নয়নে উপযুক্ত কর্মসূচি গ্রহনঃ যে ধ্বংসযজ্ঞের পর বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন, তা পালন করা সহজ ছিল না। এই কঠিন কাজটি সফল করার জন্য বঙ্গবন্ধু উল্লেখযােগ্য কর্মসূচি হাতে নেন। যেমনঃ 

১। দেড় কোটি শরণার্থী আরো প্রায় এক কোটি অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষকে খাদ্য ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করা।

২। প্রতিটি পরিবারকে কম করে হলেও একটা টিনের শেড, প্রতি মাসে আধা মণ থেকে দেড় মণ পর্যন্ত খাদ্য সরবরাহ।

৩। চাষাবাদের নানা উপকরণ, ক্যাশ টাকা, সিআই সিড, নিত্যপ্রয়োজনীয় সব দ্রব্য সরবরাহ করা।

৪। খাদ্য উৎপাদনে সবচেয়ে বেশি ভর্তুকি প্রদান।

৫। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা ।

৬। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার উন্নয়নের অন্তরায়। তাই দেশের ১২ থানায় জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির পাইলটিং শুরু করেছিলেন তিনি।

৭। উচ্চশিক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন গঠন।

৮। পাটশিল্প, শিপইয়ার্ড ও ডিজেল প্লান্ট ইত্যাদির পুনর্গঠন ও পুনর্নির্মাণ এর জন্য কাঁচামাল ও খুচরা যন্ত্রপাতি জোগানের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেন ৫৭৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা।

৯। ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন। বঙ্গবন্ধুর প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠান বর্তমানে দেশের বৃহত্তম বিজ্ঞান গবেষণা প্রতিষ্ঠান।

১০। নারী পুনর্বাসন সংস্থা গঠন।

১১। জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র না হয়েও বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের জন্য তত্কালীন মহাসচিব কুর্ট ওয়েলদেইমের কাছে মানবিক সহযোগিতা চেয়েছিলেন। 

১২। ১৯৭২ সালের ২৭ নভেম্বর ওয়েলদেইমের কাছে পাকিস্তানের বিভিন্ন ক্যাম্পে বন্দি বাংলাদেশের নিরপরাধ মানুষকে পুনর্বাসনে সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছিলেন।

বঙ্গবন্ধু সদ্যস্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে দেখলেন গুদামে খাদ্য নেই, মাঠে ফসল নেই, কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রিজার্ভ শূন্য, রাস্তার বেহাল দশা, সড়ক ও রেলপথ বিচ্ছিন্ন, নৌ ও সমুদ্রবন্দরগুলো বিধ্বস্ত। স্কুল-কলেজগুলো ছিল পরিত্যক্ত। সেই অবস্থা থেকে আজ আমরা যেই বাংলাদেশকে দেখছি তাঁর মূল খুঁটিটি তৈরি করে গেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 


((রেফারেন্স: নবম-দশম শ্রেণীর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বই))


নমুনা পানির বলতে রাসায়নিক পানির বিশুদ্ধতা , cod,bod ইত্যাদি পরীক্ষা  নিরীক্ষা করার জন্য নমুনা হিসেবে যে পানি সংগ্রহ করা হয় । তাকে নমুনা পানি/বর্জ্য পানি বলে ।  



Reference: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন দ্বিতীয় পত্র

বাংলা ভাষার উৎস ইন্দো-ইউরোপিয়ান থেকে। 

ধন্যবাদ প্রশ্ন করার জন্য।

আপনার এক সাথে ৫ টি প্রশ্ন রয়েছে ইসোভেন্ট পিল নিয়ে।সুতারং নিম্নে আপনার প্রত্যেকটি প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি দেখে নিবেন প্লিজ।

  1. isovent 200 mg গর্ভপাতের জন্য খাওয়ার কয় ঘন্টা পর রক্ত যাওয়া শুরু হয়→ আসলে এখানে খাবার 
  2. নিয়ম জানিয়ে দেওয়া উচিৎ ছিলো।আপনি কিভাবে, কি নিয়মে সেবন করছেন বা কয় দিন, কয়টি পিল খেয়েছেন,যোনিতে পিল ইউস করছেন কিনা এসব এর উপর নির্ভর করেই আপনার মিন্স শুরু হতে থাকবে।তবে যদি আপনি গাইনি ডাক্তারের পরামর্শে উক্ত ঔষধের কোর্স নেন তাহলে অপেক্ষা করুন মিন্স আসবে।

  3. আসলে উক্ত ইসোভেন্ট পিলের সাইট ইফেক্ট রয়েছে, যা তলপেটে ব্যথা,বলি ভাব,পিল অনিয়ম করে সেবনে অস্বাভাবিক রক্তপাত(দির্ঘদিন রক্ত যাওয়া), মিন্স অনিয়মিত হওয়া এসব প্রভাব ফেলে,কখনো গর্ভসঞ্চার/ভ্রুন ক্লিয়ার ভাবে বের না হওয়ায় অতিরিক্ত ব্লিডিং হয় এতে DNC না করায় জরায়ুতে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  4. আসলে ইসোভেন্ট পিল হলো গর্ভনিরোধ, গর্ভসঞ্চার করা, প্রসব ত্বরান্বিতকরণ, প্রসব পরবর্তী রক্তপাত প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহিত। সুতারং রুগির অবিস্থান ভেদে এই পিলের খাবার নিয়ম অনেক আছে,কোন গাইনি চিকিৎসক, দিনে ১ টা বা দিনে ২ টা বা দিনে ৪ টা খাওয়ার পরামর্শ দেন যা ৩/৫/৭ দিন  খেতে বলেন, কারো ক্ষেত্রে প্রেগন্যান্সি রোধের জন্য ২১ দিন খাওয়ার পরামর্শ দেন কারন এই পিল গুলোই হলো হরমোনাল পিল যা শুধু একজন গাইনি ডাক্তার প্রেসক্রিপশন করার ক্ষমতা রাখে।
  5. অস্বাভাবিক রক্তপাাত হলে চিকিৎসক এর পরামর্শে ঔষধের ডোজ নিতে হবে যা রক্ত বন্ধ হয়ে যাবে তবে আবার রক্তক্ষরণ হলে অস্বাভাবিক ভাবে তাহলে আল্ট্রা করতে হবে এবং নিশ্চিত হতে হবে গর্ভসঞ্চার সম্পূর্ন হয়েছে কিনা। 
  6. আপনার শেষাংশ প্রশ্নের উত্তর উপরের লেখা গুলো পড়লেই বুঝতে পারবেন।


আশা করি বুঝতে পারছেন। 

ধন্যবাদ প্রশ্ন কররা জন্য

আসলে প্রথমত বলি আপনি হলেন নতুন বিবাহিতা, কাজেই আপনি যখন আপনার স্ত্রীকে আদর ভালোবাসা দেন সেটা স্বাভাবিক ভাবেই দিতে থাকেন, যা দুজনেই দুজনকে একে অপরের মানুসিক তৃপ্তি পেয়ে থাকেন।তবে আপনি মিলন শুরুর সময় আপনার মনে কিছু ভয় ও অস্থিরতা কাজ করে, বা এই বুঝি বীর্যপাত হবে বা চরম উত্তেজনা আসলেই অধিক তৃপ্তি আশায় বেশি চাপ দিয়ে মিলন করার ফলেই মুলত আপনার দ্রুত বীর্যপাত যায়।এছাড়াও শারীরিক দুর্বলতা,তো আছেই।

সুতারাং পুষ্টিকর খাবার খাবেন,নিয়মিতভাবে দুধ,সিদ্ধডিম, প্রানি কলিজা,প্রতিদিন রাতে ও সকালে মধু, কালোজিরা, খাবেন।।

আর হ্যা মিলনের সময় তারাহুড়া করবেন না।আইসক্রিম চিবিয়ে না খেয়ে চুষে খান এতে যেমন আইসক্রিম টা বেশি সময় ধরে খেতে পারবেন ঠিক তেমনি স্ত্রীকে এক বারেই গিলে খাবেন বা একাই তৃপ্তি আশায় নিজ ইচ্ছায় মিলন করবেন এতে সময় কম পাবেন বাট যদি আপনি ধিরে ধিরে সঞ্চালন করেন ও মাঝে মাঝে রেস্ট নেন।চরম মুহুর্তে পেনিস বের করেন ও রেস্ট নিয়ে আবার করেন দেখবেন এতেই টাইম বেশি পাবেন।

আর হ্যা যেহেতু নতুন বিবাহিত কাজেই একটু সময় নিন ২/৩ মাসেই সব সমাধান হবে।আর হ্যা প্রয়োজনে হামদার্দ চিকিৎসক এর পরামর্শ ও চিকিৎসা নিবেন।

আশা করি বুঝতে পারছেন। 

ক্লাস 6 এর বাংলা বই এর গদ্য অনুযায়ী ,


মিনু কথা বলতে ও শুনতে না পেলেও তার চোখের দৃষ্টিশক্তি রয়েছে। সেটা দিয়ে সে প্রকৃতির সাথে গভীরভাবে জমায়।

একবার বলতে ভিমরুল তাকে কামড়ে ছিল। সে যন্ত্রণা সে ভুলে যায়নি। এজন্য সে বোলতা ভীমরুল কে সহ্য করতে পারেনা।

মৌমাছি বা বোলতা হুল ফোটালে তা খুব যন্ত্রণাদায়ক হয়। এর পর থেকে 

বোলতা বা ভিমরুলকে মিনু শত্রু ভাবে ।





পানির গুরুত্বঃ সমস্ত জীবকুলই পানির উপর নির্ভরশীল। পৃথিবীর প্রথম জীবটিই সৃষ্টি হয়েছিল পানিতে আবার এই জীবটি সৃষ্টি হয়েছিল পানি দিয়েই।


বিজ্ঞানীদের মতামত অনুযায়ী প্রথম জীব সৃষ্টির পূর্ব মুহুর্তে পৃথিবী ছিল প্রাকৃতিক দুর্যোগময়। বায়ুমন্ডলে বিষাক্ত গ্যাস হাইড্রোজেন সায়ানাইড এমোনিয়া ছিল।


আকাশে বজ্রপাত পরিবেশে জলীয় বাষ্প ছিল। তখন কোন এক মুহুর্তে বিশেষ প্রক্রিয়ায় পানির সাথে হাইড্রোজেন সায়ানাইড গ্যাস এমোনিয়া গ্যাসের উপাদান মিলে ডিএনএ যৌগ অনু গঠন করেছিল। এই ডিএনএ ই প্রথম জীব পরে তা পরিবর্তন পরিবর্ধন হয়ে নানা আদি জীব তারপর ক্রমে আজকের উন্নত জীব সৃষ্টি হয়েছে। তাই উদ্ভিদ জীবনে পানির গুরুত্ব অনেক।


সালোকসংশ্লেষন প্রক্রিয়ায় নিজ খাদ্য নিজে প্রস্তুত করতে পানির প্রয়োজন। পানি দেহের কোষের উপাদান ও কোষে নানা ক্রিয়া বিক্রিয়া ঘটাতে পানি অপরিহার্য উপাদান।


এছাড়া উদ্ভিদের দেহে দৃঢ়তা প্রদান। কোষ শুষ্ক ও মৃতুর হাত থেকে রক্ষা করতে পানির প্রয়োজন। 


দেহের কোষীয় বিপাকে উৎপন্ন তাপ ও সুর্যালোকের তাপ থেকে দেহকে রক্ষা করতে যে প্রস্বেদনের গুরুত্ব তা পানির জন্যই কেবল সম্ভব। 


এছাড়া পানির জন্যই মাটি থেকে উদ্ভিদ খনিজ লবন পরিশোষন করতে পারে। তাই পানি ছাড়া উদ্ভিদের বেচে থাকা সম্ভব নয়। 


খনিজ লবনের গুরুত্বঃ 


উদ্ভিদের দেহের মৌলিক উপাদান, পুষ্টির মৌলিক উপাদান যেমন কার্বন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম লৌহ জিংক ইত্যাদি বেশিরভাগ খনিজ লবন থেকেই আসে। কার্বন ও হাইড্রোজেন ব্যতিত প্রায় সবকিছুর প্রধান উৎস মাটিস্থ খনিজ লবন।


এসকল খনিজ লবন ছাড়া উদ্ভিদের কোষী উপাদান সৃষ্টি হতে পারেনা বলে উদ্ভিদ বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হবেনা।


খনিজ লবন ছাড়া কোষীয় বিপাক ক্রিয়া বিক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে কোষের মৃত্যু ঘটবে। এভাবে উদ্ভিদ আসতে আসতে মারা যাবে।


 আবার উদ্ভিদের বৃদ্ধি না ঘটলে প্রজননহ, ফল বীজ ইত্যাদি ধারন করাও অসম্ভব হয়ে পড়বে। এর ফলে উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল প্রাণীজগতও ধ্বংস হয়ে যাবে।


তাই বলা যায় যে উদ্ভিদের খাদ্য তৈরি, কোষীয় সজীবতা, বেচে থাকা, বৃদ্ধি, ফুল ফল ধারন ইত্যাদি জৈবনিক কাজে পানি ও খনিজ লবন উদ্ভিদ জীবনে অপরিহার্য উপাদান যা ছাড়া উদ্ভিদ কূল টিকে থাকবেনা। আর উদ্ভিদকূল না থাকলে জীব জগত বা প্রাণিজগত কিছুই টিকে থাকার সম্ভাবনা নাই।

Sodium + magnesium মিশ্রনে

পানি দিলে সোডিয়াম সাথে সাথে পানির সাথে বিক্রিয়া করে NaOH উৎপন্ন করে দ্রবীভূত হয়ে যাবে। 


কিন্তু ম্যাগনেশিয়াম সোডিয়ামের ন্যায় তীব্র সক্রিয় নয় এবং পানির সাথে সাধারন অবস্থায় বিক্রিয়া করেনা। 

তাই ম্যাগনেসিয়াম আলাদা অবিক্রিত রয়ে যাবে। এখান থেকে আমরা পরিস্রূত করে ম্যাগনেসিয়াম পেতে পারি।



অপরদিকে সোডিয়াম ফিরে পেতে হলে, 

পরিস্রূত দ্রবনে হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) দিলে তা বিক্রিয়া করে NaCl উৎপন্ন করে। 



অথবা , HF বা HBr, অন্যান্য হ্যালোজেন যুক্ত যোগ ব্যাবহার করতে হবে যেগুলার সাথে Na বিক্রিয়া করবে ।


এরপর এতে তাপ দিয়ে গাঢ় (conc) করে এরপর এতে তড়িৎ বিশ্লেষণ করলে এনোডে মুক্ত সোডিয়াম পাওয়া যাবে।

এক মালিকানা ব্যবসায় এর পাঁচটি উপযুক্ত ক্ষেত্রের নাম গুলো হল:


১. অনেক আছেন যাদের হাতে পর্যাপ্ত অর্থ নেই অথচ ব্যবসা শুরু করতে আগ্রহী। আত্মকর্মসংস্থানে উদ্যোগী হন হাজার হাজার লোকের জন্য এক মালিকানা ব্যবসায় সবচেয়ে উপযুক্ত।

যেমন: * চায়ের দোকান

* ছোট খাবারের দোকান।

২. এমন কিছু ব্যবসা আছে যেগুলোর জন্য বেশি অর্থের প্রয়োজন পড়ে না। এজাতীয় ব্যবসায়ের জন্য একমালিকানা ব্যবসায় সবচেয়ে বেশি উপযোগী বিবেচিত হয়

যেমন: * পানের দোকান

* সবজির দোকান

৩. যে সকল ব্যবসায়ী ঝুঁকি একেবারেই কম সেগুলোর জন্য এক মালিকানা ব্যবসায় বেশি উপযুক্ত। কেননা কম আয়ের ব্যক্তিরা সাধারণত ঝুঁকি এড়িয়ে চলতে চান, ফলে তারা এমন ব্যবসায়ই বেশি পছন্দ করেন।

যেমন: * চালের দোকান

* ঔষধের দোকান

৪. কিছু কিছু ব্যবসায়ী আছে যেগুলো প্রদত্ত পণ্য বা সেবার চাহিদা বিশেষ বিশেষ এলাকা বা নির্দিষ্ট শ্রেণীর গ্রাহকদের নিকট সীমাবদ্ধ। সে সব পণ্য বা সবার ক্ষেত্রে এক মালিকানা ব্যবসায় বেশি উপযুক্ত।

যেমন: * স্কুলের সামনে বই- খাতার দোকান

* কোন শিল্প কারখানা সামনে রেস্টুরেন্টে।

৫. পচনশীল জাতীয় পণ্য যেমন ফলমূল-শাকসবজি মাছ মাংস ইত্যাদি ব্যবসায়ী সাধারণত এক মালিকানা ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকে।

বাংলায় c প্রোগ্রামিং শেখার জন্য আমার দেখা সবচেয়ে ভালো সাইট হলো সুবিন ভাইয়ার সাইট  । 

উনার ওয়েব সাইট থেকে আপনি c প্রোগ্রামিং এর খুটি নাটি অনেক কিছুই জানতে পারবেন।  গাইডলাইন + pdf বই + অনলাইন জাজ সহ সব কিছুই পেয়ে যাবেন আশা করি।      

বাংলায় প্রোগ্রামিং শেখার সবচেয়ে ভালো ওয়েবসাইট হলো 


Mainly coding


এখানে খুব সহজে বুজিয়ে বুজিয়ে কোডিং শিখানো হয় ।





শেয়ার: শেয়ার হচ্ছে ভাগাভাগি করে নেওয়া। তবে অর্থনীতিতে কোন কার্বারে যদি দুই তিনজন মিলে মূলধন টাকা দিয়া ব্যবসা শুরু করে তবে। প্রত্যেকে যে পরিমান টাকা দিয়েছে সেই পরিমানের (%) পার্সেন্টেজ অনুযায়ী তারা ব্যবসার শেয়ার হোল্ডার।  অর্থাৎ ব্যবসা থেকে যা ইনকাম হবে তার ভাগ শেয়ার দাতারা পাবে। 

বন্ড: বন্ড হচ্ছে বন্ধন। অর্থনীতি বন্ড হচ্ছে এমন একটি দলিলিক হলফ নামা যেখানে শুধু টাকাযুক্ত থাকে। ব্যক্তির শ্রম, পরিকল্পনা ইত্যাদি থাকেনা।
কোম্পানির ক্ষতি হলে শেয়ার দাতারার ও ক্ষতি হয়।
কিন্তু বন্ড এর টাকা হচ্ছে নির্ধারিত।

 


1,436,873

প্রশ্ন

1,607,314

উত্তর

480,944

ব্যবহারকারী