অরিজিনাল উত্তর-বিশিষ্ট প্রশ্নসমূহ

আপনি যদি নিজের বীর্য নিজে খান তবে আপনার কোনপ্রকার সমস্যা হওয়ার কারন নেই।

রেজিস্ট্রেশন কার্ডের মেয়াদ শেষ হলে পরবর্তীতে পরীক্ষা দেয়া যায় না। তাই হয়তোবা সে মানোন্নয়ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না। সবচেয়ে ভাল হয় আপনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর হটলাইনে অথবা আপনার নিকটবর্তী কলেজে যোগাযোগ করুন।

অবশ্যই আপনি bcs পরীক্ষা দিতে পারবেন। কেননা bcs এর দুইটা প্রধান নিয়ম রয়েছে। এক: বোর্ড পরীক্ষায় একাধিক ৩য় বিভাগ পেয়ে পাস না করা। দুই : যে কোনো বিষয়ে অনার্স বা প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স পাস করা।


বি. দ্র. যেহেতু অনার্স পাস করলেই bcs দেয়া যাবে। সুতরাং আপনি নিশ্চিত থাকুন যেকোনো বিষয়ে চার মেয়াদি অনার্স পাস করলেই বিসিএস দিতে পারবেন।

1 হবে।

অ্যামোনিয়াম (NH3) এর যোজনী 1।

ধাতব স্ফটিকে ধাতব পরমাণু কর্তৃক ত্যাগকৃত ইলেকট্রনগুলো পারমাণবিক শাঁসের মধ্যবর্তী স্থানে মুক্তভাবে ঘোরাফেরা করে। এই ধরণের ইলেকট্রনকে সঞ্চারনশীল ইলেকট্রন বলে।

ধাতব স্ফটিকে ধাতব পরমাণু কর্তৃক ত্যাগকৃত ইলেকট্রনগুলো পারমাণবিক শাঁসের মধ্যবর্তী স্থানে মুক্তভাবে ঘোরাফেরা করে। এই ধরণের ইলেকট্রনকে ডিলোকালাইজড ইলেকট্রন বলে। 

১। কম্পিউটার ২। সিভিল ৩। ইলেক্ট্রিক্যাল  ৪। অটোমোবাইল ৫। মেকানিক্যাল ইত্যাদি আরোও অসংখ্য 

হ্যাঁ,  হবে সমস্যা নাই।

রোগের নাম সিফিলিস

পৃথিবীতে প্রতি বছর প্রায় ১২ মিলিয়ন মানুষ সিফিলিসে আক্রান্ত হয়।

রোগ যেভাবে ছড়ায় *

আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে অনিরাপদ যৌনমিলন- সরাসরি যৌন সঙ্গম, বিশেষ করে পায়ুপথে সঙ্গম (anal sex) কিংবা মুখ মৈথুন (oral sex) করলে অথবা চুম্বন বিনিময় করলে * রোগাক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত শরীরে গ্রহণ করলে- রক্তসঞ্চালন কিংবা ইনজেকশনের মাধ্যমে * আক্রান্ত মা যে শিশুর জন্ম দেয় সেই শিশু * আক্রান্ত মায়ের দুধ পান করলে এ রোগ কখনই খাওয়ার পাত্র, চামচ, গামছা বা টাওয়েল, ন্যাপকিন, সুইমিং পুল, বাথটাব, কিংবা ব্যবহৃত জামাকাপড় দিয়ে ছড়ায় না। রোগের প্রকোপ অনুসারে এ রোগের চারটি ধাপ আছে। প্রাইমারি : আক্রান্ত হওয়ার তিন সপ্তাহের মধ্যেই রোগীর শরীরে পোকার কামড়ের মতো গোল গোল দাগ দেখা যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সিফিলিস আক্রান্ত পুরুষের লিঙ্গমুণ্ডুতে কিংবা লিঙ্গমুণ্ডুর ত্বকে গোটা ওঠে, নারীর ক্ষেত্রে গোটা ওঠে যোনির ঠোঁট কিংবা ক্লাইটরিসে। যৌনাঙ্গ ছাড়াও এ গোটা মলদ্বার, ঠোঁট কিংবা স্তনের বোঁটাতে হতে পারে। কাছাকাছি গ্রন্থিগুলো ফুলে উঠতে পারে। মাঝে মাঝে এগুলো ব্যথাহীন এবং শক্ত হয়ে দেখা দেয়। একে শ্যাঙ্কার (chancre) বলা হয়। সেকেন্ডারি : এ অবস্থায় সাধারণত শরীরের বিভিন্ন জায়গায় চুলকানি/rash-এর মতো হয় এবং নিয়মিত জ্বর, ওজন কমে যাওয়া, লিম্ফ্যাটিক গ্ল্যান্ড ফুলে যায়। এ ছাড়া কুঁচকিতে ভেজা ফোস্কার মতো দেখা দিতে পারে। ল্যাটেন্ট : এ অবস্থায় রোগ সুপ্ত অবস্থায় থাকে। টারশিয়ারি : এটা অনেকদিন চিকিৎসা না করলে হয়। এ অবস্থায় রোগীর হার্ট, চোখ, ব্রেইন এবং নার্ভে সিরিয়াস সমস্যা দেখা দেয় এবং রোগী সাধারণত বাঁচে না। এসব লক্ষণ বা উপসর্গ দেখা দিলে সিফিলিস টেস্ট করিয়ে নিশ্চিত হন। কীভাবে জানা যাবে : কিছু ল্যাবরেটরি পরীক্ষা যেমন- VDRL, TPHA এর মাধ্যমে সিফিলিস আছে কিনা সে সম্পর্কে মোটামুটি নিশ্চিত হওয়া যায়। চিকিৎসা : প্রাথমিক পর্যায়েই সিফিলিসের চিকিৎসা করান উচিত। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পেনিসিলিন শ্রেণীর ওষুধ সেবন অথবা ইঞ্জেকশন গ্রহণে এ রোগ পুরোপুরি ভালো হয়ে যায়। স্বামী-স্ত্রী বা যৌনসঙ্গী উভয়েরই চিকিৎসা নেয়া উচিত অন্যথায় এ ইনফেকশন সঙ্গীর কাছ থেকে আবার হতে পারে। প্রতিরোধ : যৌনসঙ্গীর সিফিলিস আছে কিনা নিশ্চিত হন। সিফিলিস থাকলে অবশ্যই চিকিৎসা করান। সিফিলিস আক্রান্তদের সঙ্গে কোনো ধরনের যৌনকার্যক্রমে যাবেন না। কনডম ব্যবহার করেও না। কমার্শিয়াল সেক্স ওয়ার্কারদের কাছে যাবেন না। এ রোগ কোনোভাবেই পুষে রাখবেন না।


সিফিলিস টেস্ট এর আগে এন্টিবায়োটিক খেলে টেস্ট এর ফলাফল ভূল আসবেনা কখনো ই ।

লেখক : ডাবো মেডিকেল সেন্টার, অস্ট্রেলিয়া

বাংলাদেশের জনপ্রিয় কিছু হোস্টিং প্রোভাইডার বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় অনেক হোস্টিং প্রোভাইডার আছে। তবে লেনদেনের জটিলতা এড়াতে অনেকেই বাংলাদেশি কোম্পানির খোঁজ করেন। দুঃখজনক হলেও সত্য, বেশিরভাগ বাংলাদেশি কোম্পানি সঠিক ও কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন না হওয়ায় তাদের সার্ভিস খুবই নিম্ন মানের হয়। ফলে ক্লায়েন্টরা ক্ষতির সম্মুখীন হয়, প্রায়ই ওয়েবসাইট ডাউন হয়ে যায়, হ্যাক হয়, ম্যালওয়্যার বা ডিডিওএস অ্যাটাক হয় কিংবা আরো নানামুখী ক্ষতি হয়। তাই অনেকেই দেশীয় কোম্পানির উপর ভরসা করতে পারেন না। তবে দেশেও ভালো কোম্পানি আছে। নিম্ন মানে দেশ সয়লাব হওয়ায় মানসম্পন্ন কোম্পানি খুঁজে পাওয়া একটু চ্যালেঞ্জিং। দীর্ঘদিন সুনামের সাথে সার্ভিস দিয়ে গ্রাহককে সন্তুষ্ট করছে, এমন কয়েকটি দেশীয় হোস্টিং প্রোভাইডারের নাম আপনাদের সুবিধার্থে নিচে দেয়া হলো: 


ExonHost

সবচেয়ে জনপ্রিয় দেশীয় কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটি ExonHost। ExonHost এ দাম অন্য দেশীয় কোম্পানির তুলনায় একটু বেশি। তবে সার্ভিস কোয়ালিটিও মুগ্ধ করার মতো। ডালাস, লস অ্যাঞ্জেলস, নিউ জার্সি, নিউ ইয়র্ক, জার্মানি, সিঙ্গাপুর, বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশে তাদের ডাটা সেন্টার রয়েছে। তারা ৯৯.৯৯ শতাংশ আপ টাইম গ্যারান্টি এবং ২৪/৭ কাস্টমার সাপোর্ট দেয়।


Diana Host 

এটিও জনপ্রিয় একটি কোম্পানি। ডোমেইন ও হোস্টিং সেলার হিসেবে অনেকদিন ধরে সুনামের সাথে কাজ করছে। তবে ডায়ানা হোস্টে বিডিআইএক্স, পিএনআর, লিনাক্স, ইউন্ডোজ থেকে শুরু করে হরেক রকমের হোস্টিং সার্ভার পাওয়া যায়। Offer age এর মতো অনেক নামকরা সাইট তাদের কাছ থেকে সার্ভিস নিচ্ছে। তাদের সাইটে কিছু ফ্রি সার্ভিস রয়েছে। যেমন: Plagiarism checker, Meta tag generator, Robot txt generator, Backlink checker, Word counter, Domain age checker. 


PixieBlink 

PixieBlink হলো Learning Bangladesh প্ল্যাটফর্মের নতুন একটি স্টার্টআপ। তারা ৯৯.৯৯ শতাংশ আপ টাইম গ্যারান্টি এবং ২৪/৭ কাস্টমার সাপোর্ট দেয়। ৫০০ এমবি থেকে শুরু করে ৫ জিবি পর্যন্ত হোস্টিং প্ল্যান এর কথা উল্লেখ আছে তাদের ওয়েবসাইটে।


SNBD Host

 এটি একটি জনপ্রিয় বাংলাদেশি হোস্টিং প্রোভাইডার ও ডোমেইন রেজিস্টার কোম্পানি। এটির বেশিদিন না হলেও হোস্টিংয়ের ক্ষেত্রে ভালো সার্ভিস দিচ্ছে। প্রায় ১৫ টি দেশে তাদের ডাটা সেন্টার রয়েছে। তারা ২৪/৭ অনেক ভালো কাস্টমার সাপোর্ট দিচ্ছে। ফ্রি ওয়েবসাইট চেকআপ সুবিধা অফার করছে তারা।


অনেকেই কম টাকার লোভ দেখিয়ে ডোমেইন ও হোস্টিং বিক্রি করেন। তাদের সবার উদ্দেশ্য অসৎ না হলেও, বিরাট একটা অংশ অসৎ উদ্দেশ্যেই এমন অফার দিয়ে থাকে। তাই নতুনদের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞদের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন। অনলাইনে কাজ করতে গেলেই ডোমেইন ও হোস্টিং কিনতে হয়। কিন্তু, শুরুতেই ভুল করে ফেললে পরবর্তীতে হয়তো সেই ভুল থেকে বেরিয়ে আসা সহজ হয় না। তাই ডোমেইন ও হোস্টিং নিয়ে অভিজ্ঞদের সাথে কথা বলে, সঠিক জ্ঞান অর্জন করে নতুনদের এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ থাকবে। আজকে এ পর্যন্তই। আজকের আর্টিকেলে ডোমেইন ও হোস্টিং কি, এদের কাজ কী এবং জনপ্রিয় কিছু হোস্টিং প্রোভাইডারের নাম আপনাদের বলেছি। ভালো লাগলে লেখাটি শেয়ার করবেন। কমেন্টে আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না।


বিস্তারিত লেখাটি পড়ুন : ডোমেইন ও হোস্টিং কি? দেশের জনপ্রিয় কিছু হোস্টিং সার্ভিস

হ্যা ইহা সমস্যা হবে।আপনি আপনার সার্টিফিকেট এর নাম অনুযায়ী আপনার nid কার্ডের নাম পরিবর্তন করুন। অন্যথায় যেকোন জব বা ভার্সিটিতে ভর্তি হতে সমস্যা হতে পারে।কাজেই ইহা দ্রুত সমাধান করুন।আসা করি বুঝতে পারছেন।

আমাদের অনেকের মনে Wet Dream বা Nocturnal Emmision বা স্বপ্নদোষ নিয়ে অনেক অজ্ঞতা, ভ্রান্ত ধারণা এবং এর ফলে অহেতুক ভয় কাজ করে। কারো খুব বেশি বেশি স্বপ্নদোষ হয়। কারো বছরেও একবার হয়না! দুটো বিষয় নিয়েই ভুক্তভোগীরা হয়রান, পেরেশান! আজ স্বপ্নদোষ নিয়ে ভাইদের কিছু কমন প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো ইনশা- আল্লাহ! ★ স্বপ্নদোষ কেন হয়? - এটা স্রষ্টা প্রদত্ত দেহের একটা ক্রিয়া। কোন রোগ বা পাপ নয়। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক বিষয়। একদমই ক্ষতিকর কিছু নয়। মেডিকেল সাইন্সের মতে এটা একটা নরমাল "ফিজিওলজিক্যাল" ব্যাপার। মানে "সাধারণ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া"... জ্বী, ঠিকই শুনেছেন! এটা একটা "সাধারণ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া"! ★ তাহলে কারো মাসে দু/একবার, কারো ডেইলি একবার, আবার কারো বছরে একবার কেন হয়? - আগেই বলেছি যে, এটা শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। আর সবার শারীরিক ক্রিয়া একরকম নয়। দেহের এনজাইম এবং হরমোনাল এক্টিভিটি, মেটাবলিজম এবং বায়োফিজিক্যাল ব্যাপার গুলো একেক জনে একেক রকম। যেমন, কেউ বরফ চিবিয়ে খেয়ে ফেলে, আবার কেউ ঠাণ্ডা পানি খেলেই টনসিল ফুলে যায়! এ কারনেই কারো বছরে একবার, কারো দৈনিক একবার করে স্বপ্নদোষ হলেও ব্যাপারটা নিজ নিজ ক্ষেত্রে "নরমাল"। ★আমার কখনোই স্বপ্নদোষ হয়নি/ আমার একেবারেই স্বপ্নদোষ হয় না। এটা কেন? - স্বপ্নদোষ হওয়া যেমন স্বাভাবিক একটা প্রক্রিয়া, তেমনি না হওয়াও একদমই স্বাভাবিক বিষয়। অন্ডকোষ কর্মক্ষম থাকলে প্রতি সেকেন্ডে ১১ হাজার শুক্রানু তৈরী হয়। সাথে বিভিন্ন গ্রন্থীর নিঃসরণ মিলে সৃষ্টি হয় বীর্য। বীর্যে থাকে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। সাধারণ অবস্থায় দরকারি উপাদান গুলো শরীর শোষণ করে নেয়। অবশিষ্ট অংশ "Phagocytosis" প্রক্রিয়ায় নিঃশেষ হয়ে যায়। এরপরও যা বাকি থাকে তা স্বপ্ন দেখে বা স্বপ্ন দেখা ছাড়াই বের হয়ে আসে। কারো যদি বীর্যের উপাদান গুলো শরীরে শোষিত হওয়ার পর অবশিষ্ট অংশ "Phagocytosis" প্রক্রিয়ায় ব্যালেন্স হয়ে যায়, তাহলে তার আর স্বপ্নদোষ হবে না। সুতরাং, কারো প্রতিদিন স্বপ্নদোষ হওয়া যেমন তার জন্য স্বাভাবিক তেমনি কারো কখনোই স্বপ্নদোষ না হওয়া ও নিজ নিজ ক্ষেত্রে স্বাভাবিক। ★ আগে তো এমন ছিলো না! এখন এত ঘন ঘন হয় কেন? / এখন আর হয়না কেন? - দেখুন, আমাদের দেহ এক বিশাল সুপার কম্পিউটারের চেয়েও বেশি সফিস্টিকেইটেড সিস্টেম দিয়ে প্রোগ্রাম করা। এর প্রতিটা ফাংশন একটার সাথে অন্যটা রিলেটেড। প্রতি মুহূর্তে দেহে হাজারটা বায়োকেমিক্যাল রিঅ্যাকশন হচ্ছে, বায়োফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি ঘটে যাচ্ছে, স্নায়োবিক সিগনাল ট্রান্সডিউস হচ্ছে... এসবের সাথে নিবিড় সম্পর্ক আমাদের জীবনাচরণ, খাদ্যাভ্যাস ও পরিবেশের। এসবের কোনটার পরিবর্তন এর ফলেই এখন দেহের হরমোনাল আর মেটাবলিক ফাংশন চেঞ্জ হয়েছে। এখন নিজ নিয়মেই এটা আবার ক্রমান্বয়ে আগের মত হয়ে যেতে পারে বা এর কম-বেশি করে বা একই রকম থেকে "সেট" হয়ে যেতে পারে! এই পরিবর্তনটাও "ফিজিওলজিক্যাল"। ★কিন্তু, আমার যে ক্ষতি হচ্ছে? শরীর ভেঙে যাচ্ছে। আমি নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছি! - সত্যি কথা বলতে; গা ম্যাজম্যাজ করা, দুর্বল দুর্বল লাগা, কিছু মনে থাকে না, পড়ায় মন বসেনা ইত্যাদি সমস্যা গুলো স্বপ্নদোষের জন্য নয়। স্বপ্নদোষকে "দোষ" মনে করার জন্য। মানে "মানসিক" যে বোঝা আপনি বয়ে বেড়াচ্ছেন তাই আপনার শান্তি কেড়ে নিচ্ছে। তবে হ্যা, যদি পর্ণ আসক্তি, হস্তমৈথুন, বিকৃত যৌনাচার বা অনুরূপ বাজে অভ্যাসগুলো ছাড়া কেবল "স্বপ্নদোষ" হতে হতে শরীরের ওজন কমে যায়, গাল-চাপা ভেঙে যায়, চোখ গর্তে ঢুকে যায়, দৃষ্টি ঝাপসা হয় তবে তা "স্বপ্নদোষ" এর জন্য না। অন্য কোন রোগের জন্য। এক্ষেত্রে আপনার "মেডিসিন স্পেশালিষ্ট" এর স্বরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন। আর যদি উপরোক্ত বাজে অভ্যাস থেকে থাকে তাহলে তো বুঝতেই পারছেন! আগে এসব একদম বাদ দিতে হবে। বাদ মানে পুরোপুরি বাদ। আর একবারও করা যাবে না। এরপর বডির নিজস্ব ম্যাকানিজমে ঠিক হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। ধৈর্যের বিকল্প নেই- বহুদিনের ক্ষয় রাতারাতি পূরন হয় না। মনে রাখবেন - একদিনে সব হয়না, তবে একদিন সব হবে। ★স্বপ্নদোষ হতে হতে বীর্য একদম পাতলা হয়ে গেছে! বিয়ে করতে ভয় পাচ্ছি! - আগে বুঝুন, বীর্য আর শুক্রানু এক জিনিস নয়। বীর্য বা Semen এ থাকে প্রস্টেট এর নিসৃত তরল, সেমিনাল ভেসিকল নামক গ্লান্ডের নিঃসরণ, কাওপারস্ গ্লান্ড নামক গ্রন্থীর সিক্রেশন, কেমিক্যাল পদার্থ যেমন ফ্রুক্টোজ, শ্বেত রক্ত কনিকা এবং শুক্রানু বা Sperm. অর্থাৎ, বেশিরভাগই তরল পদার্থ, সামান্য স্পার্ম (এই সামান্যই ৪০-৩০০ মিলিয়ন)। আর স্পার্ম ম্যাচিউর হতেও একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ সময় লাগে। তার মানে বার বার স্বপ্নদোষ হয়ে বীর্য পাতলা হওয়া মানে হল- শুক্রানু বা Sperm আসলে তেমন যাচ্ছেনা, বাকি তরল অংশটাই বের হয়ে যাচ্ছে। এজন্যই মেডিকেল সাইন্স ব্যাপারটাকে "নরমাল" বলে। আর বিয়ে করতে ভয় কিসের? বিয়ের পর বরং অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্বপ্নদোষ বন্ধ হয়ে যায় বা অনেক কমে যায়। তাহলে বাকি টেনশন স্পার্ম নিয়ে? আরে ভাই, স্বামী-স্ত্রীর পবিত্র মিলন আর স্বপ্নদোষ কি এক? স্বাভাবিক মাত্রার মিলন, পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার আর স্বাস্থ্যকর লাইফস্টাইল অনুসরণ করুন। দেখবেন সব ঠিক। মনে রাখবেন ৪০ বা ৩০০ মিলিয়ন নয়, সুস্থ - সচল একটা স্পার্মই প্রেগনেন্সির কারন হয়! ▪️ স্বপ্নদোষ হলে কি গুনাহ হবে? - না। তবে আপনি এ অবস্থায় অপবিত্র। পরিপূর্ণভাবে গোসল (যেটাকে আমরা ফরজ গোসল বলে থাকি) না করলে আপনার সালাত আদায় হবে না। ★বুঝলাম ভাই। এটা রোগ না, তাই চিকিৎসাও নাই। কিন্তু মন তো মানেনা! এটা কমানোর উপায় বলেন? - জ্বী, এটা রোগ না। কিন্তু "অল্টার্ড ফিজিওলজি"! আর এর চিকিৎসা আছে। ভুলে গেলে চলবেনা- চিকিৎসা মানেই "ঔষধ" নয়। লাইফ মোডিফিকেশন অ্যাডভাইসও চিকিৎসার অংশ! আপনার চিকিৎসা ৪ টা- ১. মানসিক ও শারিরীক স্থিরতা আনুনঃ - এটাকে রোগ/ পাপ/ খারাপ কিছু ভাবা বাদ দিন। মানসিক ভাবে চাঙ্গা থাকুন। - যে কোন যৌন চিন্তা, সেক্স ফ্যান্টাসি, অহেতুক উত্তেজনা পরিহার করুন। - দেহ মাত্রাতিরিক্ত ক্লান্ত হয়, এমন কাজ করবেন না। - সাধারণ Free Hand Exercise (ইনস্ট্রুমেন্ট ছাড়া খালি হাতে সাধারণ শরীরচর্চা) করুন। যেমন, হাঁটা, জগিং, হাই স্টেপিং, স্কোয়াটিং, মাউন্টেইন ক্লাইম্বার, পুশ আপ, প্লাংক এসব। নিজের ক্ষমতা অনুযায়ী, খুব বেশি ক্লান্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত। ২. লাইফ স্টাইল বদলানঃ - টাইট পোশাক পড়বেন না। ঢিলে ঢালা জামা পড়ুন। - রাতে ঘুমানোর কমপক্ষে ১ ঘন্টা আগে খাওয়া ও পানি পান শেষ করবেন। - ঘুমানোর আগে ভালো ভাবে প্রস্রাব করে ওজু করে ঘুমাবেন। - রাত জাগবেন না। উপুর হয়ে ঘুমাবেন না। কোল বালিশ ব্যবহার করবেন না। ভোরে উঠে যাবেন। একবার ঘুম ভাঙার পর "গড়াগড়ি" করা একদম নিষেধ। - স্বপ্নদোষ হয়ে গেলে ভুলেও পর্ণ দেখবেন না, মাস্টারবেট করবেন না। দ্রুত বিছানা ছেড়ে গোসল করে নিন। মন খারাপ করে শুয়ে বসে থাকবেন না। যেদিন স্বপ্নদোষ হবে সেদিন একটু সতর্ক থাকুন। বিছানা থেকে দূরে থাকবেন যতটুকু পারেন, একা অলস সময় কাটাবেন না। বাহিরে ঘোরাঘুরি করবেন। খেলাধুলা করবেন। ভালো বন্ধু, বাবা মা, ভাইবোনদের সাথে সময় কাটাবেন। - কখনোই সম্পূর্ণ উলঙ্গ হবেন না। এমনকি গোসল বা টয়লেট এ ও না। গোসল করার সময় বিশেষ করে লজ্জাস্থান ধোয়ার সময় খুব সাবধান থাকবেন। ৩. পুষ্টিকর খাবার খেয়ে ক্ষয়পুরন করে ফেলুনঃ - দুধ, ডিম ও মাংস খাবেন। - কোষ্ঠ পরিষ্কার রাখতে গুরুপাক খাবার, তেল-চর্বি, ভাজাপোড়া বাদ দিবেন। পেপে সহ অন্যান্ন ফল ও শাকসব্জি বেশি করে খাবেন। - কালোজিরা, মধু, খেজুর, ভেজা ছোলা, কিসমিস, বাদাম নিয়ম করে খাবেন। - পর্যাপ্ত পানি পান করবেন। ইসুব গুলের ভূষি খাবেন ৪. বিশ্বাসের সাথে আমল করুনঃ - ঘুমের আগে আয়াতুল কুরসি পড়া, সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস তিনবার করে পড়ে শরীর মাসেহ করা, ঘুমানোর দুআ ও অন্যান্য যিকর আযকার,গুলো করে হৃদয়টাকে ঠান্ডা করুন। অনেক ইফেক্টিভ। হিসনুল মুসলিম বই বা app থেকে ঘুমানোর আমলগুলো জেনে নিন। - বাথরুম, গোসলখানায় প্রবেশ ও বের হয়ে মাসনূন দোয়া পড়বেন। - ডান কাত হয়ে শোবেন। - আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদেরকে হেফাযত করুন। আমিন। ©®

আমাদের অনেকের মনে Wet Dream বা Nocturnal Emmision বা স্বপ্নদোষ নিয়ে অনেক অজ্ঞতা, ভ্রান্ত ধারণা এবং এর ফলে অহেতুক ভয় কাজ করে। কারো খুব বেশি বেশি স্বপ্নদোষ হয়। কারো বছরেও একবার হয়না! দুটো বিষয় নিয়েই ভুক্তভোগীরা হয়রান, পেরেশান! আজ স্বপ্নদোষ নিয়ে ভাইদের কিছু কমন প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো ইনশা- আল্লাহ! ★ স্বপ্নদোষ কেন হয়? - এটা স্রষ্টা প্রদত্ত দেহের একটা ক্রিয়া। কোন রোগ বা পাপ নয়। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক বিষয়। একদমই ক্ষতিকর কিছু নয়। মেডিকেল সাইন্সের মতে এটা একটা নরমাল "ফিজিওলজিক্যাল" ব্যাপার। মানে "সাধারণ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া"... জ্বী, ঠিকই শুনেছেন! এটা একটা "সাধারণ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া"! ★ তাহলে কারো মাসে দু/একবার, কারো ডেইলি একবার, আবার কারো বছরে একবার কেন হয়? - আগেই বলেছি যে, এটা শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। আর সবার শারীরিক ক্রিয়া একরকম নয়। দেহের এনজাইম এবং হরমোনাল এক্টিভিটি, মেটাবলিজম এবং বায়োফিজিক্যাল ব্যাপার গুলো একেক জনে একেক রকম। যেমন, কেউ বরফ চিবিয়ে খেয়ে ফেলে, আবার কেউ ঠাণ্ডা পানি খেলেই টনসিল ফুলে যায়! এ কারনেই কারো বছরে একবার, কারো দৈনিক একবার করে স্বপ্নদোষ হলেও ব্যাপারটা নিজ নিজ ক্ষেত্রে "নরমাল"। ★আমার কখনোই স্বপ্নদোষ হয়নি/ আমার একেবারেই স্বপ্নদোষ হয় না। এটা কেন? - স্বপ্নদোষ হওয়া যেমন স্বাভাবিক একটা প্রক্রিয়া, তেমনি না হওয়াও একদমই স্বাভাবিক বিষয়। অন্ডকোষ কর্মক্ষম থাকলে প্রতি সেকেন্ডে ১১ হাজার শুক্রানু তৈরী হয়। সাথে বিভিন্ন গ্রন্থীর নিঃসরণ মিলে সৃষ্টি হয় বীর্য। বীর্যে থাকে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। সাধারণ অবস্থায় দরকারি উপাদান গুলো শরীর শোষণ করে নেয়। অবশিষ্ট অংশ "Phagocytosis" প্রক্রিয়ায় নিঃশেষ হয়ে যায়। এরপরও যা বাকি থাকে তা স্বপ্ন দেখে বা স্বপ্ন দেখা ছাড়াই বের হয়ে আসে। কারো যদি বীর্যের উপাদান গুলো শরীরে শোষিত হওয়ার পর অবশিষ্ট অংশ "Phagocytosis" প্রক্রিয়ায় ব্যালেন্স হয়ে যায়, তাহলে তার আর স্বপ্নদোষ হবে না। সুতরাং, কারো প্রতিদিন স্বপ্নদোষ হওয়া যেমন তার জন্য স্বাভাবিক তেমনি কারো কখনোই স্বপ্নদোষ না হওয়া ও নিজ নিজ ক্ষেত্রে স্বাভাবিক। ★ আগে তো এমন ছিলো না! এখন এত ঘন ঘন হয় কেন? / এখন আর হয়না কেন? - দেখুন, আমাদের দেহ এক বিশাল সুপার কম্পিউটারের চেয়েও বেশি সফিস্টিকেইটেড সিস্টেম দিয়ে প্রোগ্রাম করা। এর প্রতিটা ফাংশন একটার সাথে অন্যটা রিলেটেড। প্রতি মুহূর্তে দেহে হাজারটা বায়োকেমিক্যাল রিঅ্যাকশন হচ্ছে, বায়োফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি ঘটে যাচ্ছে, স্নায়োবিক সিগনাল ট্রান্সডিউস হচ্ছে... এসবের সাথে নিবিড় সম্পর্ক আমাদের জীবনাচরণ, খাদ্যাভ্যাস ও পরিবেশের। এসবের কোনটার পরিবর্তন এর ফলেই এখন দেহের হরমোনাল আর মেটাবলিক ফাংশন চেঞ্জ হয়েছে। এখন নিজ নিয়মেই এটা আবার ক্রমান্বয়ে আগের মত হয়ে যেতে পারে বা এর কম-বেশি করে বা একই রকম থেকে "সেট" হয়ে যেতে পারে! এই পরিবর্তনটাও "ফিজিওলজিক্যাল"। ★কিন্তু, আমার যে ক্ষতি হচ্ছে? শরীর ভেঙে যাচ্ছে। আমি নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছি! - সত্যি কথা বলতে; গা ম্যাজম্যাজ করা, দুর্বল দুর্বল লাগা, কিছু মনে থাকে না, পড়ায় মন বসেনা ইত্যাদি সমস্যা গুলো স্বপ্নদোষের জন্য নয়। স্বপ্নদোষকে "দোষ" মনে করার জন্য। মানে "মানসিক" যে বোঝা আপনি বয়ে বেড়াচ্ছেন তাই আপনার শান্তি কেড়ে নিচ্ছে। তবে হ্যা, যদি পর্ণ আসক্তি, হস্তমৈথুন, বিকৃত যৌনাচার বা অনুরূপ বাজে অভ্যাসগুলো ছাড়া কেবল "স্বপ্নদোষ" হতে হতে শরীরের ওজন কমে যায়, গাল-চাপা ভেঙে যায়, চোখ গর্তে ঢুকে যায়, দৃষ্টি ঝাপসা হয় তবে তা "স্বপ্নদোষ" এর জন্য না। অন্য কোন রোগের জন্য। এক্ষেত্রে আপনার "মেডিসিন স্পেশালিষ্ট" এর স্বরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন। আর যদি উপরোক্ত বাজে অভ্যাস থেকে থাকে তাহলে তো বুঝতেই পারছেন! আগে এসব একদম বাদ দিতে হবে। বাদ মানে পুরোপুরি বাদ। আর একবারও করা যাবে না। এরপর বডির নিজস্ব ম্যাকানিজমে ঠিক হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। ধৈর্যের বিকল্প নেই- বহুদিনের ক্ষয় রাতারাতি পূরন হয় না। মনে রাখবেন - একদিনে সব হয়না, তবে একদিন সব হবে। ★স্বপ্নদোষ হতে হতে বীর্য একদম পাতলা হয়ে গেছে! বিয়ে করতে ভয় পাচ্ছি! - আগে বুঝুন, বীর্য আর শুক্রানু এক জিনিস নয়। বীর্য বা Semen এ থাকে প্রস্টেট এর নিসৃত তরল, সেমিনাল ভেসিকল নামক গ্লান্ডের নিঃসরণ, কাওপারস্ গ্লান্ড নামক গ্রন্থীর সিক্রেশন, কেমিক্যাল পদার্থ যেমন ফ্রুক্টোজ, শ্বেত রক্ত কনিকা এবং শুক্রানু বা Sperm. অর্থাৎ, বেশিরভাগই তরল পদার্থ, সামান্য স্পার্ম (এই সামান্যই ৪০-৩০০ মিলিয়ন)। আর স্পার্ম ম্যাচিউর হতেও একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ সময় লাগে। তার মানে বার বার স্বপ্নদোষ হয়ে বীর্য পাতলা হওয়া মানে হল- শুক্রানু বা Sperm আসলে তেমন যাচ্ছেনা, বাকি তরল অংশটাই বের হয়ে যাচ্ছে। এজন্যই মেডিকেল সাইন্স ব্যাপারটাকে "নরমাল" বলে। আর বিয়ে করতে ভয় কিসের? বিয়ের পর বরং অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্বপ্নদোষ বন্ধ হয়ে যায় বা অনেক কমে যায়। তাহলে বাকি টেনশন স্পার্ম নিয়ে? আরে ভাই, স্বামী-স্ত্রীর পবিত্র মিলন আর স্বপ্নদোষ কি এক? স্বাভাবিক মাত্রার মিলন, পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার আর স্বাস্থ্যকর লাইফস্টাইল অনুসরণ করুন। দেখবেন সব ঠিক। মনে রাখবেন ৪০ বা ৩০০ মিলিয়ন নয়, সুস্থ - সচল একটা স্পার্মই প্রেগনেন্সির কারন হয়! ▪️ স্বপ্নদোষ হলে কি গুনাহ হবে? - না। তবে আপনি এ অবস্থায় অপবিত্র। পরিপূর্ণভাবে গোসল (যেটাকে আমরা ফরজ গোসল বলে থাকি) না করলে আপনার সালাত আদায় হবে না। ★বুঝলাম ভাই। এটা রোগ না, তাই চিকিৎসাও নাই। কিন্তু মন তো মানেনা! এটা কমানোর উপায় বলেন? - জ্বী, এটা রোগ না। কিন্তু "অল্টার্ড ফিজিওলজি"! আর এর চিকিৎসা আছে। ভুলে গেলে চলবেনা- চিকিৎসা মানেই "ঔষধ" নয়। লাইফ মোডিফিকেশন অ্যাডভাইসও চিকিৎসার অংশ! আপনার চিকিৎসা ৪ টা- ১. মানসিক ও শারিরীক স্থিরতা আনুনঃ - এটাকে রোগ/ পাপ/ খারাপ কিছু ভাবা বাদ দিন। মানসিক ভাবে চাঙ্গা থাকুন। - যে কোন যৌন চিন্তা, সেক্স ফ্যান্টাসি, অহেতুক উত্তেজনা পরিহার করুন। - দেহ মাত্রাতিরিক্ত ক্লান্ত হয়, এমন কাজ করবেন না। - সাধারণ Free Hand Exercise (ইনস্ট্রুমেন্ট ছাড়া খালি হাতে সাধারণ শরীরচর্চা) করুন। যেমন, হাঁটা, জগিং, হাই স্টেপিং, স্কোয়াটিং, মাউন্টেইন ক্লাইম্বার, পুশ আপ, প্লাংক এসব। নিজের ক্ষমতা অনুযায়ী, খুব বেশি ক্লান্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত। ২. লাইফ স্টাইল বদলানঃ - টাইট পোশাক পড়বেন না। ঢিলে ঢালা জামা পড়ুন। - রাতে ঘুমানোর কমপক্ষে ১ ঘন্টা আগে খাওয়া ও পানি পান শেষ করবেন। - ঘুমানোর আগে ভালো ভাবে প্রস্রাব করে ওজু করে ঘুমাবেন। - রাত জাগবেন না। উপুর হয়ে ঘুমাবেন না। কোল বালিশ ব্যবহার করবেন না। ভোরে উঠে যাবেন। একবার ঘুম ভাঙার পর "গড়াগড়ি" করা একদম নিষেধ। - স্বপ্নদোষ হয়ে গেলে ভুলেও পর্ণ দেখবেন না, মাস্টারবেট করবেন না। দ্রুত বিছানা ছেড়ে গোসল করে নিন। মন খারাপ করে শুয়ে বসে থাকবেন না। যেদিন স্বপ্নদোষ হবে সেদিন একটু সতর্ক থাকুন। বিছানা থেকে দূরে থাকবেন যতটুকু পারেন, একা অলস সময় কাটাবেন না। বাহিরে ঘোরাঘুরি করবেন। খেলাধুলা করবেন। ভালো বন্ধু, বাবা মা, ভাইবোনদের সাথে সময় কাটাবেন। - কখনোই সম্পূর্ণ উলঙ্গ হবেন না। এমনকি গোসল বা টয়লেট এ ও না। গোসল করার সময় বিশেষ করে লজ্জাস্থান ধোয়ার সময় খুব সাবধান থাকবেন। ৩. পুষ্টিকর খাবার খেয়ে ক্ষয়পুরন করে ফেলুনঃ - দুধ, ডিম ও মাংস খাবেন। - কোষ্ঠ পরিষ্কার রাখতে গুরুপাক খাবার, তেল-চর্বি, ভাজাপোড়া বাদ দিবেন। পেপে সহ অন্যান্ন ফল ও শাকসব্জি বেশি করে খাবেন। - কালোজিরা, মধু, খেজুর, ভেজা ছোলা, কিসমিস, বাদাম নিয়ম করে খাবেন। - পর্যাপ্ত পানি পান করবেন। ইসুব গুলের ভূষি খাবেন ৪. বিশ্বাসের সাথে আমল করুনঃ - ঘুমের আগে আয়াতুল কুরসি পড়া, সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস তিনবার করে পড়ে শরীর মাসেহ করা, ঘুমানোর দুআ ও অন্যান্য যিকর আযকার,গুলো করে হৃদয়টাকে ঠান্ডা করুন। অনেক ইফেক্টিভ। হিসনুল মুসলিম বই বা app থেকে ঘুমানোর আমলগুলো জেনে নিন। - বাথরুম, গোসলখানায় প্রবেশ ও বের হয়ে মাসনূন দোয়া পড়বেন। - ডান কাত হয়ে শোবেন। - আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদেরকে হেফাযত করুন। আমিন। ©®

যদি আপনি ইমার্জেসি পিলের কথা বলেন তাহলে আমি বলবো,ইমার্জেন্সি ৭২ ঘন্টা মেয়াদি পিল গুলো সেবনে, পিল সেবনের ৭২ ঘন্টার মধ্যে একাধিক বার ইচ্ছা মত মিলন করতে পারবেন সমস্যা নেই।তবে খেয়াল রাখবেন পিল টি যেনো মেয়াদ থাকে। 

সেক্ষেত্রে আপনি পিল সেবনের ২৪ ঘন্টার মধ্যেও আপনি একাধিক বার মিলন করতে পারবেন। আসা করি বুঝতে পারছেন।

নিচের দেওয়া ক্রিমটা ব্যবহার করতে পারেন।

অবস্থা বেশি খারাপ হলে দ্রুত একজন চর্ম বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখান।


আপনার নিকটস্থ ইউনিয়ন পরিষদ অথবা উপজেলা  নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করুন।

কমাছকম তিন মাস লাগতে পারে!

ভাই, আপনার কাছে স্লিপ নাম্বার থাকলে সেটা দিয়ে https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/claim-account এ একাউন্ট খুলে সহজেই দেখতে পারবেন। সরকারী ব্যাপার, কাজেই নির্দিষ্ট তারিখ বলা যাবে না। অনেক সময় তাড়াতাড়িই করে আর না হলে অপেক্ষা করতে হবে। একাউন্ট খুলে নিজেই দেখতে পারবেন, মাঝে মধ্যে চেক করে। 

আমার জানামতে ৯০ দিন পর,, আর যে গুলো আর্জেন্ট করা হয় সেগুলোর সময় লাগে ২০-২৫ দিন,, এবং যদি আপনার বয়স ১৮ এর নিচে হয়,, তবে যেদিন আপনার বয়স ১৮ হবে সেদিনই আপনি অনলাইনে পাবেন,, আমার যখন ১৮ বছর হলো,, প্রথম দিন চেক দিয়ে আমি পেয়ে গিয়েছিলাম।

বাংলাদেশে আসল জাফরান কোথায় পাবো?
সচারচার মশলা/বেনেটির দোকানগুলোতে জাফরান পাওয়া যায়। তাছাড়া সারা দেশে লাজ ফার্মার দোকানগুলোতে ও জাফরান পাওয়া যায়। সারা দেশের যেকোন প্রান্ত থেকেই ই-কমার্স ব্যবসায়ী Hamdoon Product (01533-218898) কাছে পাবেন জাফরান। ইরান, কাশ্মীর, স্পেন, আফগানস্থানের আসল জাফরান পাইকারি/খুচরা হিসেবে পাওয়া যায়।এই ই-কমার্স ব্যবসায়ী Hamdoon Product (01533-218898) এর কাছে । প্রতি ১ গ্রামের মূল্য ন্যূনতম ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে মানের/প্রকারের উপর নির্ভর করে ৪০০ টাকার ভিতরে।

আসল জাফরান চেনার উপায় https://submitmysites.blogspot.com/search?q=%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8&m=1


আসল জাফরান চেনার উপায়ঃ জাফরান হল saffron crocus ফুলের গর্ভকেশর। যেটির রঙ লাল/খয়েরী বর্ণের। আসল জাফরান পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ঐ পানি ধীরে ধীরে হলুদাভ বর্ণের হতে থাকে এবং প্রায় ৮-১০ ঘণ্টা পরে গর্ভকেশরটি হালকা হলুদাভ বা হলুদাভ সাদা বর্ণের হয়ে যায়। আসল জাফরান অনেকক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখার ফলে সেটির রং পানিতে মিশে গেলেও আসল আসল জাফরান দণ্ডটি পানিতে গলে না। কয়েকটি জাফরান গর্ভকেশর দণ্ড একই সময়ে খেলে শরীরের উত্তাপ এবং যৌন উত্তেজনা বেড়ে যায়। সুস্থ সবল মানুষের স্ত্রী সহবাসের স্থায়িত্ব বেড়ে যায়।

আসল ও নকল জাফরান সম্পর্কে কিছু কথাঃ
অনেক সময় আমাদের দেশে জাফরানের পরিবর্তে কুসুম (Safflower) ফুল ব্যবহার করা হয়। এটাকে জাফরান নামে বিক্রি করে ক্রেতাদের ঠকানো হয়। ১ কেজি প্রকৃত জাফরানের মূল্য ৩-৪ লক্ষ টাকা। মসলা হিসাবে নকল জাফরানের কোন মূল্য নাই কিন্তু রং করার ক্ষমতার কারণে অনেক সময় অনেকে এটা আসল জাফরান মনে করে ধোঁকা খায়, আর বিক্রেতারা অনেক অর্থমূল্য হাতিয়ে নেয়। নকল জাফরান পানিতে মিশালে সেটি লাল রঙের হতে থাকে আর নকল জাফরান দণ্ডটি পানিতে গলে যেতে থাকে।





জাফরান আমদানিঃ
বাংলাদেশে ব্যবসার উদ্দেশ্যে জাফরান ইরান, কাশ্মীর, স্পেন, আফগানস্থান থেকে আমদানি করা হয় । ইরান থেকে যে জাফরান আমদানি করা হয় সেটি সচারচর ২৫ গ্রামের একটি প্যাকেট; প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠানের নাম (Baidee Saffron) http://www.badieesaffron.com/ ও (Persa Trading) https://persatrading.

কুরিয়ারের মাধ্যমে পণ্য ক্রয়ের জন্য আপনারা "হামদুন প্রোডাক্ট" Hamdoon Product (01533-218898) কে কল করতে পারেন। এই ই-কমার্স স্টোরটি কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানিকৃত আসল জাফরান, কাজু বাদাম, কাঠবাদাম, আখরোট, কিসমিস সারা দেশে পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করে থাকে।


Hamdoon Product ( 01533-218898 ) থেকে কিনলে সর্ব নিম্ন ০.৫( হাফ/আধা গ্রাম) গ্রাম মুল্য ন্যূনতম ১৬০ টাকা থেকে শুরু করে জাফরানের প্রকারের উপর নির্ভর করে ২০০ টাকা পর্যন্ত। আর প্রতি ১ গ্রামের মূল্য ন্যূনতম ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে মানের/প্রকারের উপর নির্ভর করে ৪০০ টাকা পর্যন্ত।

জাফরানের প্রকারভেদঃ ১। Negin ২। sargol(লাল জাফরান) ৩। Super Negin ৪। শ্বেত/সাদা জাফরান

আমাদের কাছে থাকা জাফরান গুলো নিজেদের অর্জিত জ্ঞান দিয়ে যথাসম্ভব পরীক্ষা করে যাচাই করেছি এ গুলো আসল জাফরান। এইটা কুসুম ফুলের নকল জাফরানের সাথে মিলে না।


আপনি ইন্দোলিখার তেল ইউস করতে পারেন । নিচে পিকচার দিলাম দেখুন।

 


Political Science 2nd Year Book List

  • Political and constitutional Development in British India (1757 to 1947)
  • Political Economy of Bangladesh.
  • Women and Politics.
  • Sociology of Bangladesh.
  • Bangladesh Economy.
  • English Compulsory.
  • Viva- Voca.


আসলে যেসব ভিডিও গান মোবাইল দিয়ে ডাউনলোড করা হয় সেগুলো  playit প্লেয়ার দিয়ে প্লে করতে হয় অন্যথায় অন্য প্লেয়ার এ ওপেন হবে না কেনোনা এসব উক্ত প্লেয়ারেই সাপোর্টের পার্মিশন দেওয়া হয়েছে। তাই আপনি আপনার কম্পিউটারে pc ভার্সনের প্লেয়ার টি ইন্সটল দিন তাহলেই আপনার কম্পিউটারে প্লে হবে ।

মনে করি, মাঠে শুরুতে ঘাস ছিল a m³ 

প্রতিদিন ঘাস বৃদ্ধির হার b m³day⁻¹(প্রতিদিনে b ঘনমিটার)

প্রতিটি গরুর ঘাস খাওয়ার হার c m³day⁻¹ 

১ম শর্তমতে, a+30b=17c✕30 

⇒   a+30b=510c...........(1) 

২য় শর্তমতে, a+24b=19c✕24 

⇒   a+24b=475c..........(2) 

(1)-(2) করে, 6b=54c ⇒   b=9c যা (1) নং এ বসিয়ে পাই,

a+30✕9c=510c 

⇒   a+270c=510c 

⇒   a=510c-270c 

⇒   a=240c.......(4) 

৩য় শর্তমতে, শুরুতে গরুর সংখ্যা ছিল x ধরে, 

a+8b=6xc+2c(x-4) 

⇒   240c+8✕9c=6xc+2xc-8c [4 নং থেকে] 

⇒   240c+72c=8xc-8c 

⇒   240c+72c+8c=8xc 

⇒   320c=8xc 

⇒   320=8x 

⇒   x=320/8 

⇒   x=40 

∴ গরুর সংখ্যা ছিল 40 টি

দুইটি চলকযুক্ত সমীকরণ সমাধান করার জন্য কমপক্ষে দুইটি সমীকরণ প্রয়োজন। এখানে চলক দুইটি কিন্তু সমীকরণ একটি, তাই এর অনন্য সমাধান বের করা সম্ভব নয়। x এর বিভিন্ন একাধিক মানের জন্য y এর বিভিন্ন একাধিক মান পাওয়া যাবে।     

আমার মনে হচ্ছে আপনি পানি কম খান। আপনার প্রসাবে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা আছে।  আপনি প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। জ্বালাপোড়া বেশি হলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।

 সেক্স করলে কিছু ক্যালরী খরচ হয়। কোন আয়রন কমে না কিছুক্ষণের জন্য শারীরিক দুর্বলতা লাগতে পারে। অসুস্থ হয় না।


প্রশান্তির আরেক নাম- ঘুম। সারা দিনের ক্লান্তি ঝেরে মুছে ফেলতে ঘুমের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। অন্য দিকে প্রেম দিয়ে কিছু সম্ভব নয়।

1,441,659

প্রশ্ন

1,613,783

উত্তর

484,825

ব্যবহারকারী
সাম্প্রতিক অনুত্তরিত প্রশ্নসমূহ