অরিজিনাল উত্তর-বিশিষ্ট প্রশ্নসমূহ

বাংলা বা বাংলাদেশ এর মধ্যে সার্চ ইঞ্জিন তিন টি: ১. পিপীলিকা ২. চরকি ৩. খুঁজুন 

মুগ্ধ এর বিপরীত শব্দ বেজার,নারাজ।

স্বাভাবিক ভাবে একটি অন্ডকোষের থেকে আরেকটি বড় হয়ে থাকে। তবে যদি একটার থেকে আরেকটা বেশি বড় বা ব্যথা থাকে অথবা অন্য কোন অসুবিধা হয়। তাহলে ডাক্তারের কাছে যান। 

Typing সঠিকভাবে করুন ঠিক হয়ে যাবে!  

আপনার জন্য সঠিক উপায় হলো বেশি বেশি লেখা। মনোযোগ সহকারে বেশি বেশি লিখবেন। তাহলেই সমস্যার সমাধান আসবে।

যদি এই রকম সমস্যা হয় তাহলে আপনি "উচ্চারণের সঠিক নিয়ম& বাংলা বানানের সঠিক নিয়ম" পড়তে পারেন।এটা যেকোনো ব্রাউজারে সার্চ দিলে চলে আসবে।আপনি যদি এইচএসসি শিক্ষার্থী অথবা এইচএসসি আগে পড়ে থাকেন তাহলে উপরোক্ত বিষয়সমূহ জানার কথা যে নিয়মের কথা আমি মাএই বললাম।আর শেষ কথা,যে বানান গুলো আপনার মনে রাখতে কষ্ট হয় সেগুলো আপনি একটা খাতায় লিখে সেগুলো প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে পড়বেন তাহলে আশাকরি আপনার  ভূলে যাওয়ার সম্ভবনা কমে যাবে।আর বেশি বেশি প্র্যাকটিস করবেন।


ধন্যবাদ।

Free fire id delete kora jay na.

but garena support bole 6 mas+ id inactive/ active na thakle tara id delete kore dey.

 না কিছু হয় না।তবে ঘন ঘন প্রাসাব হওয়া ডায়াবেটিস এর লখন।

বিষয়ে বিষয়ে জানতে চাইলে আমাকে বলবেন ।

চাহিদা সবথেকে বেশি থাকে ১৪-১৬ বছর বয়সে। ১৮ বছরের পর থেকে তা মন্থর গতিতে কমতে থাকে। ৩০ বছরের পর থেকে সেটি অনেকটা কমে যায়।

তবে শারীরিক সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে অনেকের বেশি বয়সেও চাহিদা থাকে। 

আর সন্তান ততদিন নিতে পারবেন যতদিন নারীর মাসিক হবে। মেনোপজ(মাসিক চিরতরে বন্ধ হওয়া) হলে আর সন্তান নিতে পারবেন না। মেনোপজ সাধারণত ৪০-৫০ বছরের মধ্যে হয়ে যায়। ব্যক্তিবিশেষে কমবেশি হতে পারে।

ধন্যবাদ।

প্রথমে শুভেচ্ছা দিয়ে শুরু করবেন। তারপর যে সংগঠনের যে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন সেটি উল্লেখ করবেন। তারপর অনুষ্ঠানের বিষয়টির ভুমিকা বলবেন। সে সম্পর্কে কিছু তথ্য উপাত্ত দেবেন। শেষে সংগঠনের শুভকামনায় ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ করবেন। চেষ্টা খুব কম সময়ের মধ্যে উক্ত বিষয়গুলো মাথায় রেখে গুছিয়ে কথা বলার।

Serving Youth

"মানব কল্যান সংগঠন" দিতে পারেন। 

সেবাকর্ম সংঘ

"আলকিত মানবিক অর্গানাইজেশন"। এটি কিছু তরুণ মেবাধীদের নিয়ে ২০১৯ সালের ১লা ডিসেম্বর গড়ে ওঠে।আমার জানামতে এটি ভালো।

তারপর বর্তমানে "জাগ্রত বাংলাদেশ"নামের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গড়ে ওঠেছে এবং তাদের সংগঠন এ বর্তমানে লোক নিচ্ছে।আমার জানামতে সংগঠনটির অনেক ভালো এবং তাদের কাজের ক্ষেএ ও অনেক


ধন্যবাদ।

বহুব্রীহি সমাস 

সাধারণত মেয়েদের ক্ষেত্রেই আয়রন ট্যাবলেট বা সাপ্লিমেন্ট প্রেসক্রাইব করা হয়। তবে ছেলেদেরও আয়রন ট্যাবলেট খাওয়া যায়।

আয়রন দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ও রক্ত চলাচলের জন্য জরুরী এবং সেই সঙ্গে হিমোগ্লোবিন উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হিমোগ্লোবিন দেহে অক্সিজেন সরবরাহ করে।

তবে ছেলেদের আয়রন ট্যাবলেট খেতে হলে অবশ্যই আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।    

এশার নামাজ বিতরসহ ১৭ রাকাত। আর বিতর ছাড়া ১৪ রাকাত। তবে ফরজ হচ্ছে ৪ রাকাত। মূলত ফরজই হলো মূল এশার নামাজ। যদি কেউ ঐ ৪ রাকাত আদায় না করে তবে সে আল্লাহর আদালতে জবাবদিহি করতে হবে। আর বাকি হচ্ছে সুন্নত ও নফল এবং বিতর। (বিতর ও সুন্নত নামাজের অন্তর্গত। তবে ইমাম আবু হানিফা রাহ. বিতরকে ওয়াজিব বলেছেন।)


আর বিশুদ্ধ মত অনুযায়ী সুন্নত আদায় না করলে গোনাহ হয় না। তবে সুন্নত নামাজ আদায় না করা কাম্য নয়।

একইভাবে নফল নামজ হলো ঐচ্ছিক সাবজেক্ট। পড়লে নেকি হবে। না পড়লে গোনাহ নেই।

এবার রাকারগুলোর হিসেব দেখি।

সুন্নত ৪ + ফরজ ৪ + সুন্নতে মুয়াক্কাদা ২ + নফল ২+২=৪+ বিতর ৩ মোট সতের। 

আপনি এই বিষয়টি আরো বিস্তারিত জানতে চাইলে এই পোস্টটি পড়তে পারেন। 

আমাদের শরীরে এক ধরনের হরমোন রয়েছে যার নাম ইনসুলিন, যার কাজ হল রক্তে শর্করা বা সুগার বা গুলুকজের মাত্রা বজায় রাখে কিন্তু ইনসুলিন যখন অগ্নাশয় থেকে সঠিক পরিমানে নিঃসৃত হতে পারেনা, বা আমাদের কোষগুলো ইনসুলিনের উপর কোনো রেসপন্স করেনা তখন আমাদের রক্তে গ্লুকোজের পরিমান বেড়ে যায়। ফলে আমাদের যে রোগটি দেখা যায় তা হল ডায়াবেটিস মেলিটাস যাকে আমরা ডায়াবেটিস বলে থাকি এটি আবার মুলত তিন ধরনের হতে পারে।

  • টাইপ ১ ডায়াবেটিস
  • টাইপ ২ ডায়াবেটিস
  • গ্যাট্রোইনটেসটিন্যাল ডায়াবেটিস

 

এখন আমরা ডায়াবেটিস মাপার বিষয়ে সব কিছু জেনে নেব

গ্লুকোজের মাত্রা মাপার একক

সাধারণত গ্লুকোজ লেভেল দুটি একক দিয়ে মাপা হয়ে থাকে

  • মিলিমোল/ লিটার (mmol/l)
  • মিলিগ্রাম/ ডেসিলিটার (mg/dl)


ডায়াবেটিস কিভাবে মাপা হয়

ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়মিত রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। এতে রোগীর খাদ্যাভ্যাস, শরীরচর্চা ও ওষুধের দ্বারা রক্তে শর্করার মাত্রা কতটা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে তা বোঝা যায়। তবে তার জন্য প্রতিবার হাসপাতাল যাওয়া চাইতে একটি গ্লুকোমিটার কেনা অনেক সাশ্রয়ী এবং ঝামেলা মু্ক্ত। গ্লুকোমিটার নামের যন্ত্রটি ব্যবহার করে আমরা বাড়িতে বসেই রক্তে শর্করার মাত্রা নির্ণয় করতে পারি। এই যন্ত্র ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতিও জানা থাকা দরকার।

ডায়াবেটিস কত পয়েন্ট হলে নরমাল

উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশনকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেকের ক্ষেত্রে এই রোগ খুব সহজে ধরা পড়ে না। আবার ধরা পড়ার পর সঠিক চিকিৎসা না হলে বা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে তা অনেক জটিলতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আজকাল শুধু বয়স্ক মানুষই নন, যেকোনো বয়সী মানুষের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের প্রবণতা দেখা যায়। সাধারণত বেশি ওজন, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, সঠিক খাদ্যাভ্যাসের ঘাটতির কারণে এমনটা হচ্ছে। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় চিকিৎসকের নির্দেশিত ওষুধ নিয়মিত সেবনের পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা জরুরি।

তাই বলে খাদ্যাভ্যাসে যে আমূল পরিবর্তন আনতে হবে, তা কিন্তু নয়। ছোট কিছু পরিবর্তনেই উচ্চ রক্তচাপের নেতিবাচক প্রভাব থেকে অনেকটাই পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। প্রতিদিন তাজা ফল যেমন লেবু, জাম্বুরা, পেয়ারা, আমলকী, আপেল, কমলা, মাল্টা, ডালিম, কলা, নাশপাতি, পেঁপে ইত্যাদি খেতে হবে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকতে হবে সবুজ শাকসবজি যেমন পালংশাক, কলমিশাক, মুলাশাক, পাটশাক, বাঁধাকপি, ফুলকপি, টমেটো, শসা, মুলা, লাউ, মটরশুঁটি, ঢ্যাঁড়স, বেগুন, কুমড়া


ইত্যাদি। খাদ্যতালিকায় পটাশিয়াম–জাতীয় খাবারের পরিমাণ বাড়াতে পারলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। সাধারণত ডাবের পানি, কলা, টমেটোসহ কিছু সবজিতে পটাশিয়াম রয়েছে। এ ছাড়া উচ্চ রক্তচাপ কমাতে বাদাম, শালগম, তিসি, ডার্ক চকলেট ও কালিজিরা ভালো কাজ করে।
এবার জেনে নেওয়া যাক উচ্চ রক্তচাপের রোগীকে কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলতে হবে:
লবণ ও বেশি লবণযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। টেস্টিং সল্ট, বিট লবণ ও অন্যান্য মুখরোচক লবণ খাওয়া থেকেও বিরত
থাকতে হবে। সয়া সস পরিহার করতে হবে।

অতিরিক্ত মাখন, তেলযুক্ত খাবার যেমন কেক, পেস্ট্রি, পরোটা, লুচি, আইসক্রিম ইত্যাদি খাওয়া যাবে না।
ডিমের কুসুম, খাসির মাংস, গরুর মাংস ইত্যাদি কোলেস্টেরল বাড়ায়। তাই এগুলো খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
চাটনি, ভর্তা ও আচারে প্রচুর তেল ও লবণ ব্যবহার করা হয়, যা উচ্চ রক্তচাপের রোগীর জন্য খুবই ক্ষতিকর। এগুলো এড়াতে হবে।


তথ্য - প্রথম আলো  



আপনার তাহলে ঐ কী গুলোতে সমস্যা আছে,  পরিবর্তন করে ফেলেন ঐ কী গুলো

'मेरे शरीर पर खून की एक बूंद होने से मैं अपने परिवार को कोई नुकसान नहीं होने दूंगा'

 আছে মানে আমরা হিন্দু ফ্যমিলি,একান্নবর্তি ফ্যমিলি।আমার বয়স ১৬,আমার মায়ের বয়স ৩৬,আমি মা ও বাবার কাছে ঘুমাই,আমি একমাত্র ছেলে তাই আমাকে পাশে না জড়িয়ে ঘুমালে মা এর ঘুম হয় না,আমি বড় হয়েছি তাও জানে।এখন ও আমার মা খুব সুন্দরি,এখন ঘটনা হচ্ছে প্রতিদিন আমার পাশে তারা সেক্স করে,কিন্ত এটাকে তারা খুব সাধারন কাজ মনে করে,

সেক্স আসলে মানুষের জন্য একটা মৌলিক চাহিদা 

কোন সুস্থ সবল মানুষ হোক সেটা নারী বা পুরুষ সে কখনো পার্টনার ছাড়া   থাকতে পারে না এটা বিজ্ঞান বলে 


  • আপনার সমস্যাটা বুঝতে পেরেছি.... আমার ও এমনটা হয়েছিলো....কল দেয়া মাত্রই ফোনের স্ক্রিন কানের কাছে নেবার আগেই বন্ধ হয়ে যায়... আর কল কেটে না যাওয়া অবধি অন হয় না... এমনকি মিসড কল ও দেওয়া যায়না... আপনার যদি এই সমস্যা টি হয়ে থাকে তাহলে সমাধান বলছি. 

  • এটা সফটওয়্যার প্রবলেম... প্রক্সিমিটি সেন্সরের সঠিক ক্যালিব্রেসনের সমস্যা...

  • এটা কেনো হয় : সাধারনত System Update এর পর এ সমস্যা টা হয়...আপডেটের পর Calibrate Data 0 বা null হয়ে যায়...এবং কল দিলে সেন্সর অন হওয়া মাত্রই সিগনাল দেয় ফোনকে যে ফোন কানের কাছে আছে ও স্ক্রিন বন্ধ হয়ে যায় কানের কাছে না থাকলেও৷


আপনি ফোন সম্পর্কে বেশি কিছু না বুঝলে সহজ সমাধান হচ্ছে ফোনটি ফ্যাক্টরি রিসেট করুন.. অনেক ক্ষেত্রে এতে কাজ হয়না তাও ট্রাই করবেন.  যদি না হয় তাহলে আপনার ফোনের মডেল অনুযায়ি চেক মেনু বা সার্ভিস মেনুর কোড গুগল থেকে খুজে বের করুন ও ডায়াল করুন... মেনু ওপেন হলে সেখানে দেখবেন সেন্সর এ proximity sensor এর অপশন থাকবে..না পেলে খুজুন পেয়ে যাবেন...সেখানে Re-Calibrate এর অপশন থাকবে ...সেটিতে প্রেস করুন তারপর স্ক্রিনে শো করবে কিভাবে ক্যালিব্রেট করবেন. তাও আমি বলে দিচ্ছি না বুঝলে...  পরিষ্কার আলো বরাবর ফোনটার স্ক্রিন মুখ করে রাখবেন..যাতে ডিসপ্লের ওপরের দিকের সেন্সরের ওপর পর্যাপ্ত আলো পরে ...তারপর ফোনের সেন্সরের ওপর ২ সেকেন্ডের জন্য হাত দিয়ে ঢেকে ফেলুন...আবার হাত সরিয়ে আলো পরতে দিন আবার হাত দুড়ে সরিয়ে নিন. এভাবে করার পর কিছু লেখা আসতে পারে যেমন Keep Data বা Ok যাই আসুক ওকে দিন তারপর ফোন অফ করে অন করুন.... ১০০ % ঠিক হয়ে যাবে. তাও না বুঝলে বা না পারলে দোকানে নিয়ে যান Built in factory File দিয়ে ফ্লাস দিয়ে দিবে...আগের ক্যালিব্রেসন ডাটা চলে আসবে. আর হেল্প লাগলে আমি আছি হেল্প করবো.

পর্নতে যা দেখেন এটা বাস্তবের অনেক ফারাক,এখানে ভিডিও এডিট করা হয়,ক্যমেরা ট্রিক্স থাকে।আর এটা সবথেকে কঠিন পেশার একটা,কারন এখানে আনন্দ থাকে না।

আপনার সাইটের কি কোড চুরি হয়ে গেছে? আপনার সাইটের হয়ত যে ধরনের কোড চুরি হয়েছে এই ধরনের কোড Google এ অলরেডি আছে তাই আমি এটাকে চুরি বলব না। আর এটা যেহেতু Google এ আছে আপনি এটাকে ঠেখাতে পারবেন না। এটা পাবলিক ব্যবহার করবেই।


আর আপনি নকল সাইট বলতে কি বুঝাতে চাচ্ছেন? আপনার সাইট, বিস্ময় ও ত একসময় ছোট ছিল তাই বলে কি সেটা নকল সাইট ছিল? একটি অগোছালো ছোট সাইটকে ছোট বলার আগে একবার চিন্তা করুন হয়ত একসময় এই ধরনের অগোছালো ছোট সাইটি বড় হয়ে গুড়ে দাঁড়াতে পারে। ধন্যবাদ। 

প্রশ্নত্তোর এবং CSS নিয়ে ঘাটাঘাটি করার সুবাদে বলতে পারি।  আপনার সাইটের CSS এর আইডি এবং ক্লাসগুলোর নাম চেঞ্জ করে দিলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। আর সিএসএস ক্লাস আইডি করা  .php ফাইলগুলোতে সুরক্ষা থাকবে একটা। আমি মোটামুটি এটুকুই বলতে পারছি।  ডিফল্ট সিএসএস নতুন করে এডিট করা যেতে পারে। 

এটি একটি সিরাপ....


এটা সাধারনত প্রস্রাব জনিত সমস্যার কারনে দেয়া হয়...


তাছাড়াও এটি মূত্রকৃচ্ছ্রতা, লিভারের প্রতিবন্ধকতা ও প্রদাহজনিত জন্ডিস, জ্বর, ঋতুবদ্ধতা র জন্য ব্যাবৃত হয়... এছাড়াও কিডনী ও মূত্রথলীর অসার পদার্থ অপসারণে অত্যন্ত কার্যকরী।   


এটা অনেক ভেষজ ঊপাদান দিয়ে তৈরি....


প্রতি ৫ মিলি সিরাপে আছে জলীয় নির্যাস আকারে-কাসনী মূল ২৫০ মিগ্রা, কাসনী বীজ ১২৫ মিগ্রা,  মৌরি মূল ১২৫ মিগ্রা, মৌরি বীজ ১২৫ মিগ্রা,  খরমুজ বীজ ২৫০ মিগ্রা এবং গোক্ষুর কাঁটা ১২৫ মিগ্রা।


এটি স্বাদে টক....


আর বয়স অনুসারে পরিমান মতো নিয়ে ১ গ্লাস পানিতে মিশিয়ে খাওয়াটা ভালো. একটা শরবত টাইপের টেষ্টি ড্রিংকের মতো হয়..


বড় বোতল টির বর্তমান মূল্য ১৪০ টাকা৷

লিঙ্গে হাত মারার কারণেও এটি হতে পারে!

 যৌন ও চর্ম বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেন।

1,436,878

প্রশ্ন

1,607,320

উত্তর

480,950

ব্যবহারকারী