| 

গ্যাস্ট্রিল (ক্যাপসুল)

By Ethical Drug Ltd.

Weight: 20 mg

Unit Price: 0

Last Updated: 2019-11-05 09:25:23

গ্যাস্ট্রিল ক্যাপসুল এর কাজ

গ্যাস্ট্রোইসােফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ যেমন - রিফ্লাক্স ইসােফেগাইটিস, এসিড রিফ্লাক্স ডিজিজ, বিনাইন (মারাত্মক নয় এমন) গ্যাস্ট্রিক এবং ডিওডেনাল আলসার, হেলিকোব্যাকটার পাইলােরি জনিত পেপটিক আলসার ডিজিজ, এসিড এসপিরেশন প্রতিরােধে, জোলিঞ্জারএলিসন সিনড্রোম এবং নন-স্টেরয়ডাল প্রদাহরােধী ওষুধ দ্বারা চিকিৎসার ফলে সৃষ্ট গ্যাস্ট্রিক আলসার এবং ডিওডেনাল আলসার এর চিকিৎসায় নির্দেশিত। সেকলাে ৪০ আইভি ইঞ্জেকশন প্রধানতঃ জোলিঞ্জারএলিসন সিনড্রোম এর চিকিৎসায় নির্দেশিত । তাছাড়া ইহা গ্যাস্ট্রিক আলসার, ডিওডেনাল আলসার এবং রিফ্লাক্স ইসােফেগাইটিস এর চিকিৎসায় ব্যবহার করা যায়। 

গ্যাস্ট্রিল জেনারিক

ওমিপ্রাজল

গ্যাস্ট্রিল পরিচিতি

ওমিপ্রাজল একটি বেনজিমিডাজোল যা গ্যাস্ট্রিক প্যারাইটাল কোষের উপরিভাগে গ্যাস্ট্রিক প্রােটন পাম্প(হাইড্রোজেন/পটাসিয়াম এটিপিএজ এনজাইম)নির্দিষ্টভাবে প্রতিবন্ধকের মাধ্যমে গ্যাস্ট্রিক এসিড নিঃসরণ কমায়। ইহা এসিড উৎপাদনের শেষ ধাপকে বন্ধ করে। মুখে সেবনের পর ওমিপ্রাজলেরনিঃসরণবিরােধী ক্রিয়া এক ঘণ্টার মধ্যে শুরু হয়, দুই ঘণ্টার মধ্যে সর্বাধিক ক্রিয়া দেখায় এবং ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত এর প্রতিবন্ধক ক্রিয়া কার্যকর থাকে।খুবই কম (এক ঘন্টার কম) প্লাজমা হাফলাইফ সত্ত্বেও এর নিঃসরণ বিরােধী ক্রিয়া কার্যকর থাকে কার্যত দীর্ঘমেয়াদী প্যারাইটাল হাইড্রোজেন/পটাশিসয়াম এটিপিএজ এনজাইমের সাথে বন্ধনের কারণে। শােষণের পর ওমিপ্রাজল প্রায় সম্পূর্ণ বিপাক হয় এবং মূত্রের সাথে দ্রুত দেহ থেকে বেরিয়ে যায় ।

গ্যাস্ট্রিল চিকিত্সাবিদ্যাগত শ্রেণী

Proton Pump Inhibitor

গ্যাস্ট্রিল ক্যাপসুল খাওয়ার নিয়ম

  • ক্যাপসুল এবং ট্যাবলেট: খাবারের পূর্বে গ্রহণ করা উচিত। 

নির্দেশনা মাত্রা ও প্রয়ােগবিধি: 

  • গ্যাস্ট্রোইসােফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ স্বাভাবিক মাত্রায় ওমিপ্রাজল ২০ মি.গ্রা, দিনে ১ বার । 
  • অধিকাংশ রােগী ৪ সপ্তাহ পরে আরােগ্য লাভ করে। 
  • যেসব রােগীদের ক্ষেত্রে প্রাথমিক চিকিৎসায় পূর্নভাবে রােগ নিরাময় হয় না সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত ৪-৮ সপ্তাহ চিকিৎসায় রােগ নিরাময় হয়। 
  • রিফ্লাক্স ইসােফেগাইটিস রােগীদের চিকিৎসায় অন্যান্য ওষুধ ব্যবহারে যেখানে পর্যাপ্ত সাফল্য পাওয়া যায়নি, সেক্ষেত্রে ওমিপ্রাজল দৈনিক ৪০ মি.গ্রা. মাত্রায় সেব্য। 
  • ৮ সপ্তাহের মধ্যে স্বাভাবিকভাবে নিরাময় হয়। পরবর্তীতে দৈনিক ২০ মি.গ্রা. মাত্রায় সেবন করা যেতে পারে। এসিড রিফ্লাক্স ডিজিজ। দীর্ঘ মেয়াদী চিকিৎসায় ওমিপ্রাজল দৈনিক ১০ মি.গ্রা. মাত্রায় নির্দেশিত।
  • লক্ষণসমূহ পূনরাবৃত্তি হলে দৈনিক ২০ মি.গ্রা. পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে। ডিওডেনাল এবং বিনাইন গ্যাস্ট্রিক আলসার, ওমিপ্রাজল দৈনিক ২০ মি.গ্রা.। 
  • অধিকাংশ রােগী ৪ সপ্তাহ পরে আরােগ্য লাভ করে।
  • অধিকাংশ বিনাইন গ্যাস্ট্রিক আলসারের রােগী ৮ সপ্তাহ পরে আরােগ্য লাভ করে। 
  • জটিল অথবা লক্ষণসমূহের পূনরায় আবির্ভাব হলে ওমি বৃক্কের অকার্যকারিতা: মাত্রা নিয়ন্ত্রণের প্রয়ােজন নেই। 
  • যকৃতের অকার্যকারিতা: যেহেতু যকৃতের অসমকার্যকারিতার রােগীদের ক্ষেত্রে ওমিপ্রাজল এর প্লাজমা হাফ-লাইফ বেড়ে যায় তাই ১০-২০ মি.গ্রা. দৈনিক মাত্রা যথেষ্ট। 
  • বয়ষ্কদের ক্ষেত্রে: মাত্রা নিয়ন্ত্রণের প্রয়ােজন নেই। 
  • শিশুদের ক্ষেত্রে: ওমিপ্রাজল আইভি ব্যবহারের পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া যায়নি।

গ্যাস্ট্রিল এর প্রয়োগ-পদ্ধতি

গ্যাস্ট্রিল ক্যাপসুল এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

ওমিপ্রাজল ভালভাবে সহনীয়। মৃদু এবং অস্থায়ী পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, তলপেটে ব্যথা, অস্বস্থিবােধ, মাথা ঝিম্ ঝিম্ করা এবং মাথা ব্যথা। এসব ক্ষেত্রে সেবন মাত্রা কমানাের প্রয়ােজন নেই। 

গ্যাস্ট্রিল ব্যবহারে সতর্কতা

ওমিপ্রাজল ব্যবহারে কোন অনুপযােগিতা জানা নাই। যখন গ্যাস্ট্রিক আলসার ধারনা করা হয় তখন ওমিপ্রাজল দ্বারা চিকিৎসা শুরু করার পূর্বে ম্যালিগনেন্সি আছে কিনা পরীক্ষা করা উচিৎ কারণ ওমিপ্রাজল ম্যালিগনেন্সির লক্ষণসমূহ উপশম করতে পারে ফলে ম্যালিগনেন্সি নির্ণয়ে বিঘ্ন ঘটাতে পারে। ওমিপ্রাজল দ্বারা লক্ষণসমূহ দূরীভুত হলেও ম্যালিগনেন্সির অনুপস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবেনা। 

গ্যাস্ট্রিল এর প্রতিক্রিয়া

 

গ্যাস্ট্রিল গর্ভকালীন কিংবা দুগ্ধদানকালীন অবস্থায় ব্যবহার

 তিনটি প্রসপেকটিভ এপিডেমিওলােজিক্যাল স্ট্যাডি থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে যে, ওমিপ্রাজল ব্যবহারে কোন ধরণের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অথবা ভ্রুণ / সদ্যজাত শিশু স্বাস্থ্যের উপর কোন প্রতিক্রিয়া নেই। সুতরাং ওমিপ্রাজল গর্ভাবস্থায় ব্যবহার নিরাপদ। ওমিপ্রাজল মাতৃদুগ্ধে নিঃসৃত হয় কিন্তু পরিমিত মাত্রায় প্রয়ােগে শিশুর উপর কোন প্রভাব ফেলে না। 

গ্যাস্ট্রিল মাত্রাতিরিক্ত সেবনের প্রতিক্রিয়া

ওমিপ্রাজল মাধিক্যের লক্ষণসমূহ অস্থায়ী। ক্লিনিক্যালি বিপদজনক কোন বিষয় এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি। মাত্রাধিক্যের কোন নির্দিষ্ট এন্টিডট জানানাই। ওমিপ্রাজল প্রচুর পরিমাণে প্লাজমা প্রােটিনের সাথে বন্ধন অবস্থায় থাকে। তাই দ্রুত ডায়ালাইজ করা যায় না। মাত্রাধিক্য হলে লক্ষণভিত্তিক এবংসাপাের্টিভ চিকিৎসা দেওয়া উচিত।

গ্যাস্ট্রিল এর প্রতিনির্দেশনা

ওমিপ্রাজল এর যেকোন উপাদানের প্রতি সংবেদনশীল রােগীদের ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত।

গ্যাস্ট্রিল এর ব্যবহারবিধি

ওমিপ্রাজল ওরাল ক্যাপসুল চিবানাে বা গুড়াে করা উচিত নয় এবং সম্পূর্ণ গিলে খাওয়া উচিত।

গ্যাস্ট্রিল সংরক্ষণ

এটি আলাে থেকে দূরে, ঠান্ডা ও শুনাে স্থানে রাখাউচিত। সকল ঔষধ শিশুদের নাগালের বাইরে রাখা উচিত।

গ্যাস্ট্রিল এর বিশেষ সতর্কতা

Renal Impairment: No dosage adjustment needed

Hepatic Impairment: 10-20 mg/day

Pediatric Use: Safety and effectiveness in children have not been established

গ্যাস্ট্রিল এর অন্যান্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

ওমিপ্রাজল ব্যবহারের সময় ডায়াজিপাম, ফেনাইটয়েন এবং ওয়ারফারিন এর নিঃসরণ বিলম্বিত হয়। যখন ওমিপ্রাজল সেবনের প্রয়ােজন হয় তখন ওয়ারফারিন এবং ফেনাইটয়েন। এর মাত্রা কমাতে হতে পারে। থিউফাইলিন, প্রােপ্রানােলল অথবা এন্টাসিড এর সাথে ওমিপ্রাজল এর ইন্টারঅ্যাকশনের কোন প্রমাণ নাই।