user-avatar

Sakib Ahmed

Sakib79

Sakib79 এর সম্পর্কে
যোগ্যতা ও হাইলাইট
- এ/তে - নিয়ে পড়াশুনা করছেন 2004-0
পুরুষ
অবিবাহিত
ইসলাম
প্রশ্ন-উত্তর সমূহ 212.03k বার দেখা হয়েছে এই মাসে 36.52k বার
জিজ্ঞাসা করেছেন 112 টি প্রশ্ন দেখা হয়েছে 36.49k বার
দিয়েছেন 498 টি উত্তর দেখা হয়েছে 175.55k বার
0 টি ব্লগ
5 টি মন্তব্য

UI: খুব সাধারণ ভাবে বলতে গেলে ইউজার ইন্টারফেস হচ্ছে কোন একটি ওয়েব সাইট দেখতে কেমন হবে, ওয়েব সাইটটির প্রত্যেকটি অবজেক্টকে কি ভাবে ভিজিটরের কাছে উপস্থাপন করা হবে, ওয়েব সাইটটির কালার, ফন্টস, ইমেজ কম্পোজিশন কেমন হবে … ইত্যাদি ইত্যাদি।

কেন গুরুত্বপূর্ণ ?

যেকোন প্রডাক্টকে তার কাস্টমারের কাছে সুন্দর ভাবে তোলে ধরার জন্য প্রডাক্টটির মোড়ক আকর্ষণীয় হওয়া অত্যন্ত জরুরী। বাজারের নামি-দামী ব্র্যান্ড গুলোর দিকে তাকালে আমরা তাই দেখতে পাই। একই রকম ভাবে যদি রেসটোরেন্ট ব্যবসা, হোটেল ব্যবসা কিংবা শপিং মলের শপ গুলোর দিকে তাকায়, তাহলে দেখা যায় প্রত্যেকে তাদের কাস্টোমারদের আকৃষ্ট করতে প্রতিষ্ঠানটির ডেকোরেশনকে আকর্ষণীয় করে থাকে। আবার কখনো কি ব্যবসায়ীরা পণ্যের গুনগত মান অত ভাল না হলেও বা একই রকম পণ্য বিক্রির প্রতিযোগিতা বাড়াতে তাদের পণ্যের মোড়কের সুন্দর ডিজাইনের প্রতি অনেক গুরুত্ব দিয়ে থাকে। তাছাড়া কোন বস্তু বা প্রতিষ্ঠানের রুচি, কোয়ালিটি, ভাবমূর্তি ও অনেক খানি নির্ভর করে তার বাজ্যিক দিক দেখেই। কোন একটি জিনিস যদি প্রথম দেখাতেই ভাল না লাগে, তাহলে ক্রতাগন তাদের আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। এই কারণেই বড় বড় ব্রন্ড কোম্পানি গুলো প্রোডাক্ট ও প্রোডাক্টটির মেড়োকে আকর্ষণীয় করতে মনোযোগ দিয়ে থাকেন।

ওয়েব সাইটের ক্ষেত্রেও তাই। ওয়েব সাইটি ভিজিট করার পর যদি ক্রতাগন সাইটি দেখে সতুষ্ট না হন নানা কারণে (যেমন: কালারের ব্যবহার, সঠিক তথ্য খোজে না পাওয়া, সাইটি ব্রাউজিং করেত বিরক্ত হওয়া….), তাহলে ঐ ক্রতা ওয়েব সাইটটি হতে সেবা নিতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।

Source :source:http://bcab.net/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B8-ui-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%82-%E0%A6%87/

চিন্তার পরিবর্তন দরকার। বিষাক্ত চিন্তা, ব্যর্থ চিন্তা, নেতিবাচক চিন্তা, অহেতুক চিন্তা, ভয়ের চিন্তা ইত্যাদি থেকে মুক্ত থাকার ব্যবস্থা নিতে হবে। তার জন্য ম্যানেজমেন্টের কথা হলো, কথা বলো, শান্ত থাক, ইতিবাচক হও, অন্যকে নয় নিজেকে বদলাও।


এটা করতে পারেন।

দুশ্চিন্তা সম্পর্কে যেসব মৌলিক বিষয় আপনার জানা উচিত—
১. রৌদ্রোজ্জ্বল ঘরে বসবাস করুন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করে নিজেকে শেষ করে না দিয়ে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আজকের দিনের জন্য বাঁচুন।
২. সমস্যা মোকাবিলা করতে উইলস এইচ ক্যারিয়ারের সূত্র মেনে চলুন। সূত্রটি হলো–
ক. চিন্তা করুন আপনি সমস্যাটি সমাধান করতে না পারলে আপনার সর্বোচ্চ কী কী ক্ষতি/সমস্যা হতে পারে
খ. সবচেয়ে খারাপ ক্ষতি/সমস্যাটি মেনে নিতে মনে মনে প্রস্তুতি নিন।
গ. তখন শান্তভাবে সবচেয়ে খারাপ ক্ষতি/সমস্যাটি থেকে ভালো করার চেষ্টা করুন।
৩. দুশ্চিন্তা যে আপনার শারীরিক কত বড় ক্ষতি করতে পারে সে বিষয়ে নিজেকে মনে করিয়ে দিন।

দুশ্চিন্তা বিশ্লেষণ করার উপায়—
১. সব তথ্য সংগ্রহ করুন।
২. তথ্যগুলো থেকে একটা সিদ্ধান্তে আসুন।
৩. নিজেকে উদ্বেগমুক্ত রেখে ফলাফলের কথা চিন্তা না করে সিদ্ধান্ত মোতাবেক কাজ করুন।
৪. যখনই মনে হবে আপনি দুশ্চিন্তা করছেন, নিচের এসব প্রশ্নের উত্তর বের করে লিখুন—
ক. সমস্যাটি কী?
খ. সমস্যাটির কারণ কী কী?
গ. সম্ভবত কী কী উপায়ে সমস্যাটি সমাধান করা যেতে পারে?
ঘ. সমস্যাটি সমাধান করার সবচেয়ে ভালো উপায় কোনটি?

দুশ্চিন্তা আপনাকে ভেঙে ফেলার আগে আপনি যেভাবে দুশ্চিন্তার অভ্যাসকে ভেঙে ফেলবেন-
১. ব্যস্ত থাকুন।
২. খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে হইচই করবেন না।
৩. যে বিষয়টি হতে পারে ভেবে দুশ্চিন্তা করছেন, সেটি গড়ে কেমন হারে হয়?
৪. যেটি নিশ্চিতই হবে, সে সমস্যাটির সঙ্গে সহযোগিতা করে কাজ করুন।
৫. আপনার উদ্বেগ্ন যতটুকু সমস্যা তৈরি করতে পারে, তার চেয়ে বেশি দুশ্চিন্তা না করার সিদ্ধান্ত নিন।
৬. অতীতকে নিয়ে দুশ্চিন্তা করবেন না।

মানসিক সুখ-শান্তি আনার ৭টি পদ্ধতি—
১. শান্তি, উৎসাহ, সুস্বাস্থ্য আর আশা দিয়ে মনকে ভরপুর করুন।
২. যেসব মানুষকে আপনি পছন্দ করেন না, তাদের নিয়ে চিন্তা করে আপনার এক মিনিট সময়ও নষ্ট করবেন না।
৩. মানুষের অকৃতজ্ঞতাকে মেনে নিন।
৪. সমস্যাগুলো নয়, আপনার প্রাপ্তিগুলো গণনা করুন।
৫. নিজের মতো হোন। মনে রাখবেন, এই পৃথিবীতে আর কেউ আপনার মতো নন।
৬. ক্ষতির মধ্যেও লাভ বের করুন। আপনার ভাগ্যে একটি লেবু থাকলে লেবুর সরবত বানান।
৭. অন্যের সুখ-শান্তি তৈরি করুন।

দুশ্চিন্তা জয়ের নির্ভুল পদ্ধতি—
১. প্রার্থনা করুন।
২. বর্তমান নিয়ে বাঁচুন।

Source: prothom alo

বাংলাদেশে কম্পিউটার ব্যবহারের সূচনা হয় ষাটের দশকে।

কম্পিউটার সিস্টেম বলতে মূলত এর বিভিন্ন হার্ডওয়্যার কম্পােনেন্ট (যদিও সফটওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার পুরােপুরি অচল) ও তাদের কার্যাবলিকে বুঝানাে হয়ে থাকে। কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন কম্পােনেন্টসমূহের একটি আন্তঃসম্পর্কিত সমন্বয় ঘটে যা ইনপুট, প্রসেসিং, আউটপুট, স্টোরেজ এবং কন্ট্রোল এর সাধারণ সিস্টেম কার্যক্রমগুলােকে সম্পাদন করে এবং এইভাবে এন্ড ইউজারদেরকে শক্তিশালী তথ্য প্রক্রিয়াকরণ টুলসহ সরবরাহ করা হয়। 


Source: anusoron blog


কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিট বলতে বুঝায় কেচিং এর ভেতর মাদারবোর্ড , রম ,


র‌্যাম, প্রসেসর , হার্ডডিস্ক , গ্রাফিস কার্ড সব কিছু কে সংযুক্ত করা আছে যার মাধমে  পিসি কাজ করে, সুতরাং কেচিং বক্স টাকেই সিস্টেম ইউনিট বলা হয়।

কম্পিউটারের গঠন ও প্রচলন নীতির ভিত্তিতে একে তিন ভাগে ভাগ করা হয়

  • অ্যানালগ কম্পিউটার 
  • ডিজিটাল কম্পিউটার 
  • হাইব্রিড কম্পিউটার 

যদি কার্যক্ষমতার দিকে দেখেন তাহলে এখানে চার প্রকারের কম্পিউটার রয়েছে

  • সার্ভার
  • ওয়ার্কস্টেশন
  • তথ্য যন্ত্রপাতি
  • গ্রথিত কম্পিউটার


  1. Symphony S40
  2. Symphony L42
  3. Nokia 105 (4g)
  4. Nokia 105 Dual 
  5. Itel it5613


এগুলো দেখতে পারেন।

একের পর এক ধর্ষণের ঘটনায় সারা দেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। জনমনে প্রশ্ন উঠছে, কেন বাড়ছে ধর্ষণের মতো পৈশাচিক অপরাধের ঘটনা? এ ক্ষেত্রে দেশের আইনে শাস্তির বিধান কি অপরাধ বিবেচনায় কম? আর এই অপরাধে শাস্তির বিষয়টি পৃথিবীর অন্যান্য দেশে কেমন? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বিভিন্ন দেশের আইন অনুসন্ধান করে দেখা যায়, ভারত, ইরান, চীন, গ্রিস, রাশিয়াসহ এশিয়া-ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। তবে যুক্তরাষ্ট্র, নরওয়েসহ উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি ৩০ বছর কারাদণ্ড। আর বাংলাদেশে বিদ্যমান আইনে শুধুই ধর্ষণের ঘটনায় সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। তবে ধর্ষণের ফলে ধর্ষিতার মৃত্যু হলে সে ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

দেশে ধর্ষণের শাস্তি কী তা বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৩৭৬ ধারায় বলা হয়েছে। এই ধারায় ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। এই ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি ধর্ষণের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে অথবা ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে, যদি না ধর্ষিতা স্ত্রীলোকটি তার নিজ স্ত্রী হয় এবং সেই স্ত্রী ১২ বছরের কম বয়স্কা না হয়। আর যদি এমন হয় যে ধর্ষণের শিকার নারীটি তার স্ত্রী, যার বয়স ১২ বছরের কম, তবে সে ক্ষেত্রে ওই ব্যক্তি দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

এ ছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯ নম্বর ধারায়ও ধর্ষণের ঘটনায় সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের কথা বলা আছে। তবে এ আইনে ধর্ষণের ফলে মৃত্যু হলে সে ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের কথা বলা আছে। ৯(১) ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো পুরুষ কোনো নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহা হইলে তিনি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন। এরপর ৯(২) ধারায় আছে, যদি কোনো ব্যক্তি কর্তৃক ধর্ষণ বা উক্ত ধর্ষণ-পরবর্তী তাহার অন্যবিধ কার্যকলাপের ফলে ধর্ষিতা নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন। এ ছাড়া ৯(৩) ধারায় আছে, যদি একাধিক ব্যক্তি দলবদ্ধভাবে কোনো নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন এবং ধর্ষণের ফলে উক্ত নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে বা তিনি আহত হন, তাহা হইলে ঐ দলের প্রত্যেক ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন। (৪) যদি কোনো ব্যক্তি কোনো নারী বা শিশুকে-(ক) ধর্ষণ করিয়া মৃত্যু ঘটানোর বা আহত করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন। এখানে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের প্রচলিত আইনে ধর্ষণের শাস্তি ও এর প্রয়োগ বিষয়ে সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরা হলো। 

ভারত : প্রতিবেশী দেশ ভারতে ২০১৩ সালে ধর্ষণের শাস্তি আগের চেয়ে কঠোর করা হয়েছে। দেশটিতে বিশেষ ক্ষেত্রে ধর্ষককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হচ্ছে। তবে সচরাচর সাত থেকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

চীন : এশিয়ার বৃহৎ দেশ চীনে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় ধর্ষকের যৌনাঙ্গ কেটে দেওয়া হয়।

ইরান : এশিয়ার আরেক দেশ ইরানে সাধারণত ধর্ষককে জনসম্মুখে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে অথবা গুলি করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ধর্ষিতার অনুমতি নিয়ে ধর্ষককে জনসম্মুখে ১০০ দোররা (চাবুক) মারা অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

গ্রিস : গ্রিসে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। আর এই শাস্তি কার্যকর করা হয় আগুনে পুড়িয়ে।

মিসর : মিসরে জনাকীর্ণ এলাকায় জনসম্মুখে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

উত্তর কোরিয়া : উত্তর কোরিয়ায় ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। ধর্ষককে ফায়ারিং স্কোয়াডে নিয়ে মাথায় গুলি করে এই শাস্তি কার্যকর করা হয়।

আফগানিস্তান : আফগানিস্তানে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। আদালতের রায়ের চার দিনের মধ্যে ধর্ষকের মাথায় গুলি করে এই রায় কার্যকর করা হয়। সৌদি আরব : সৌদি আরবে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। জনসম্মুখে ধর্ষকের শিরশ্ছেদ করে এই সাজা কার্যকর করা হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাত : সংযুক্ত আরব আমিরাতে যৌন নির্যাতন বা ধর্ষণের সাজা মৃত্যুদণ্ড। রায়ের সাত দিনের মধ্যে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে সাজা কার্যকর করা হয়।

ফ্রান্স : ফ্রান্সে ধর্ষণের শাস্তি কী তা ভিকটিমের ক্ষতি কতটা গুরুতর, তার ওপর নির্ভর করে। সেখানে ধর্ষকের সাজা ৩০ বছরের কারাদণ্ড থেকে আমৃত্যু কারাদণ্ড।

নেদারল্যান্ডস : নেদারল্যান্ডসে ধর্ষণের শাস্তি হিসেবে চার থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ওই দেশে যেকোনো ধরনের যৌন নিপীড়ন, অনুমতি ছাড়া জোর করে চুম্বনও এ ধরনের অপরাধ হিসেবে গণ্য করে শাস্তি দেওয়া হয়ে থাকে।

রাশিয়া : বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর রাষ্ট্র রাশিয়ায় ধর্ষণের শাস্তি তিন থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড।

যুক্তরাষ্ট্র : বিশ্বের শীর্ষ শক্তিধর রাষ্ট্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দুই ধরনের আইন প্রচলিত রয়েছে। এগুলো হলো অঙ্গরাজ্য আইন এবং ফেডারেল আইন। ফেডারেল আইনে মামলা হলে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে অঙ্গরাজ্য আইনে একেক অঙ্গরাজ্যে একেক রকম শাস্তি।

নরওয়ে : নরওয়েতে ধর্ষকের সাজা চার থেকে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড।  ইসরায়েল : ইসরায়েলে ধর্ষণের শাস্তি চার থেকে সর্বোচ্চ ১৬ বছরের কারাদণ্ড।

Source: Kalerkantho

কলিজা আর হৃৎপিণ্ডের মধ্যে পার্থক্য কোন পার্থক্য নেই।একটা আরেকটার সমার্থক শব্দ