Jobedali এর উত্তরসমূহ

কোকিলের ডাক কে এক কথায় বলে কুহু। 

কোকিলের ডাক অর্থ কুহু। 

কোকিলের ডাক কে এক কথায় বলে কুহু

কোকিলের ডাক কে এক কথায় বলে কুহু

thanks

দাত কামড়ে ধরে থাকা।

একটি মহাদেশ বেশ কয়েকটি দেশের সমন্বয়ে গঠিত। বিভিন্নক্ষেত্রে এসব দেশের মধ্যে আবার কিছু পার্থক্য রয়েছে।
একজন অ্যামেরিকান যদি প্রশ্ন করে এশিয়ান মানুষরা দেখতে কেমন, তাহলে কিন্তু এক কথায় এর কোনো উত্তর দেয়া সম্ভব নয়। কারন ইন্ডিয়া আর চায়নার মানুষ দেখতে একরকম হয়না, তাদের আচার-আচরণ, চালচলন, সংস্কৃতি ও জীবনধারা সম্পূর্ণ ভিন্ন।

এজন্য বৈশিষ্ট্যে সর্বাধিক মিল আছে এরকম কিছু দেশকে আলাদা একটি অঞ্চল তথা উপমহাদেশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সংস্কৃতি ও জীবনধারা ছাড়াও অর্থনৈতিক লেনদেন, পারস্পরিক বিনিময়ের হার, জলবায়ু, ধর্ম ইত্যাদি বিষয় উপমহাদেশ গঠনের পরোক্ষ উপাদান হিসেবে বিবেচিত।

স্বরভক্তির অপর নাম বিপ্রকর্ষ

দুটি ভিন্ন মৌলিক পদার্থ একে অপরের সাথে সরাসরি বিক্রিয়া করে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত হয়ে একটি যৌগিক পদার্থ গঠন করলে ওই রাসায়নিক বিক্রিয়াটিকে প্রত্যক্ষ সংযোগ বিক্রিয়া বলে।

- একটি প্রত্যক্ষ রাসায়নিক বিক্রিয়ায়,দুটি সম্পূর্ণরূপে ভিন্ন মৌলিক পদার্থ অংশগ্রহণ করে।

- অংশগ্রহণ করার পরে ওই দুটি ভিন্ন মৌলিক পদার্থ পরস্পরের সাথে সরাসরিভাবে যুক্ত হয়ে,বিক্রিয়াজাত পদার্থ হিসেবে অন্য একটি যৌগিক পদার্থ উৎপন্ন করে।

- ধরি,দুটি ভিন্ন মৌলিক পদার্থ হল = A ও B

অতএব,প্রত্যক্ষ রাসায়নিক বিক্রিয়া,

A+B = AB

এখানে, A ও B দুটি মৌলিক পদার্থ পরস্পরের সাথে প্রত্যক্ষ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় যুক্ত হয়ে AB নামক যৌগিক পদার্থ উৎপন্ন করে।

উচ্চারণের সুবিধার জন্য দুটি পাশাপাশি ভিন্ন বর্ণ একে অপরের প্রভাবে এক রকম হলে তাকে সমীভবন বলে। অর্থাৎ শব্দমধ্যস্থ দুটি ভিন্ন ধ্বনি একটি অপরটির প্রভাবে সংগতি বা সমতা লাভ করলে, তখন তাকে সমীভবন বলা হয়।

সমীভবন এর উদাহরণ: কর্ম > কম্ম, জন্ম > জম্ম, গল্প > গপ্প, পদ্ম > পদ্দ, ধর্ম > ধম্ম, বদজাত > বজ্জাত, কঁদনা > কান্না, লোনা > নোনা ইত্যাদি।

সমীভবন তিন প্রকার:
প্রগত সমীভবন
পরাগত সমীভবন
অন্যোন্য সমীভবন
১. প্রগত সমীভবন: পূর্বের বা আগের ধ্বণির প্রভাবে পরবর্তী ধ্বনি পরিবর্তিত হলে তাকে প্রগত সমীভবন বলা হয়। অর্থাৎ পূর্ববর্তী ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে যখন পূর্ববর্তী ধ্বনির মতো হয় এটাই প্রগত সমীভবন। যেমন: বাক্য > বাক্ক, লগ্ন > লগ্গ, পদ্ম > পদ্দ, চক্র>চক্ক, পক্ব>পক্ক, চন্দন > চন্নন, গলদা > গললা, স্বর্ণ > সন্ন ইত্যাদি।

২. পরাগত সমীভবন: পরের ধ্বনির প্রভাবে যখন আগের ধ্বনির পরিবর্তন হয়, তখন তাকে পরাগত সমীভবন বলে। যেমন: তৎ + জন্য ˃ তজ্জন্য, দুর্গা > দুগ্গা, তৎ + হিত ˃ তদ্ধিত, উৎ + মুখ ˃ উন্মুখ, গল্প > গপ্প, ধর্ম > ধম্ম, যতদূর > যদ্দুর ইত্যাদি।

৩. অন্যোন্য সমীভবন: পাশাপাশি উভয় ধ্বনির প্রভাবে যখন পারস্পরিক পরিবর্তন ঘটে বা দুটি ধ্বনিই পরিবর্তিত হয় তখন তাকে অন্যোন্য সমীভবন বলা হয়। যেমন: সত্য(সংস্কৃত) > সচ্চ(প্রাকৃত), বিদ্যা(সংস্কৃত) > বিজ্জা(প্রাকৃত), অদ্য > আজ, কুৎসা > কেচ্ছা, বিশ্রি > বিচ্ছিরি, কুৎসিত > কুচ্ছিত ইত্যাদি।

শব্দের মধ্যে পাশাপাশি বা প্রায় কাছাকাছি অবস্থিত দুটি পৃথক স্বরধ্বনির মধ্যে যদি একটি অন্যটির প্রভাবে বা দুটিই পরস্পরের প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে একই রকম স্বরধ্বনিতে বা প্রায় একই রকম ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয় তবে সেই প্রক্রিয়াকে স্বরসংগতি বলে ।

স্বরসংগতি তিন রকমের, যথা — (i) প্রগত স্বরসংগতি , (ii) পরাগত স্বরসংগতি ও (iii) অন্যোন্য বা পারস্পরিক স্বরসংগতি ।

যার দ্বারা পুরুষ রমণ ক্রিয়ায় বাজী অর্থাত অশ্বের ন্যায় সামর্থ লাভ করে,তাহাকেই বাজীকরণ নামে অভিহীত করা হয়।যাহারা বাজীকরণ ঔষধ সেবন করেনা,অথচ নিয়মিত মৈথুনাসক্ত,তাহাদের অতিরিক্ত ধাতুখয় হেতু ধজ্বভঙ্গ হয়।চিন্ত,জরা ব্যাধি,শ্রমজনক কর্ম,উপবাস,অতিরিক্ত মৈথুনের কারণে ধাতুহানী হয়।এই ধাতু হানীজনিত ইন্দ্রিয় দূর্বলতার জন্যই বাজীবরণ ঔষধ সমুহ বিষেশ হিতকর।
ষোল বছরের কম,এবং সত্তর বছরের উর্দ বষস্ক ব্যক্তিকে বাজীকরণ ঔষধ করিতে দিবেন না।

১|শতমুলী দুই তোলা,দুগ্ধ এক পোয়া,জল একসেরের শেষের একপোয়া।ইহা চিনির সহিত সেবন করিলে রতি শক্তি বৃদ্ধি হয়।

২|প্রাচিণ শিমুল গাছের মুলের রস,সমপরিমাণ চিনিশহ সপ্তাহ কাল সেবনে অত্যন্ত ধাতু বৃদ্ধি হয়।

৩|চারা শিমূল মুল ও তালমুলী,একত্রে চূর্ণ করিয়া,ঘৃত ও দুগ্ধ সহ সেবনে চটক পক্কীর ন্যায় রমন শক্তি জন্মে।

৪|শোধিত গন্ধক চূর্ণ পাঁচ পল,সুপক্ক আমলকি চূর্ণ পাঁচ পল,একত্র করায়া আমলকীর রসে ও শিমুলের রসে যথক্রমে সাত বার করিয়া ভাবনা দিবে।পরে চূর্ণ করিয়া চারি মাষা মাত্রায়,চিনি ও মধুসহ সেব্য।দুদ্ধ পেয়।ইহা বৃষ্য।

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ কোরতে পারেন__________________________
"শাহী আজমেরী দাওয়া খানা"
প্রতিষ্ঠাতাঃহাকিম বাবুল খাঁন
পরিচালনায়ঃহাকিম শাহীন খাঁন
মোবাইলঃ০১৯১১৮৬২৭৫১

জাহাজ এবং জাহাজের পণ্যকে ডুবে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য বা বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য স্বেচ্ছায় কিছু পণ্য ফেলে দেওয়াকে পণ্য নিক্ষেপন বলা হয়।

জাহাজ এবং জাহাজের পণ্যকে ডুবে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য বা বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য স্বেচ্ছায় কিছু পণ্য ফেলে দেওয়াকে পণ্য নিক্ষেপন বলা হয়।

বাকলিং হ'ল লোডের নিচে স্ট্রাকচারাল উপাদানগুলির আকৃতিতে আকস্মিক পরিবর্তন

পরিবহন পণ্যের স্থানগত উপযোগ সৃষ্টি করে।

গুদামজাতকরন এর মাধ্যমে পণ্যের সময় কত উপযোগ সৃষ্টি হয়।
একটি নির্দিষ্ট সময়ে উৎপাদিত পণ্য বছরের অন্য সময় ব্যবহারের জন্য পণ্য গুদামজাত করা হয়। এতে চাহিদার অতিরিক্ত পণ্য সংরক্ষণ করে এর গুণগত মান রক্ষা করা হয়। এছাড়া নির্দিষ্ট মৌসুমী উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণের ফলে সারা বছর তা ব্যবহার বা বিক্রি করা যায়। এভাবে গুদামজাতকরন ব্যবস্থা পণ্যের সময়গত উপযোগ সৃষ্টি করে।

ভোক্তাদের মনোভাব হলো সামাজিক পরিবেশের উপাদান।

একজন ব্যবসায়ী মুনাফা অর্জনের পাশাপাশি সামাজিক কাজ করে সুনাম অর্জন করতে পারেন।
ব্যবসায়ীরা সমাজ থেকে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাওয়ার মাধ্যমে ব্যবসায় পরিচালনা করেন। এতে সমাজের প্রতিও তাদের কিছু দায়বদ্ধতা থাকে। ফলে ব্যবসায় মুনাফা দিয়ে ব্যবসায়ীরা হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কল্যাণধর্মী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তারা গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সাহায্য দিয়ে থাকেন। এতে সমাজ উপকৃত হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদেরও সুনাম বাড়ে। এভাবে সমাজের জন্য সেবামূলক কাজ করে একজন ব্যবসায়ী সুনাম পেতে পারেন।

কারিগরি দক্ষতা হল ব্যবসায় পরিবেশের প্রযুক্তিগত উপাদান।

প্রাকৃতিক সম্পদ সংগ্রহ করে প্রক্রিয়াজাতের মাধ্যমে মানুষের ব্যবহার উপযোগী পণ্যে রূপান্তর করার কাজকে শিল্প বলে।
শিল্প হলো ব্যবসায়ের উৎপাদনকারী শাখা। মানুষের প্রয়োজন পূরণের জন্য বিভিন্ন পণ্য বা সেবা উতপাদন করা এর কাজ। এজন্য শিল্পকে উৎপাদনের বাহন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ঐতিহ্য হলো সামাজিক পরিবেশের উপাদান।

ধর্মীয় বিশ্বাস, চর্চা, অনুভূতি, দ্বন্দ্ব, অনুশাসন ও আচার-আচরণ থেকে কোন সমাজের অভ্যন্তরে যে, পারিপার্শ্বিকতার সৃষ্টি হয়, তাকে ধর্মীয় পরিবেশ বলে।

যান্ত্রিক শক্তি আবিষ্কারের ফলে অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি ইউরোপের শিল্পজগতে উৎপাদন ব্যবস্থায় যে পরিবর্তন হয়, তাকে শিল্প বিপ্লব বলে তাকে শিল্প বিপ্লব বলে।
১৭৫০ থেকে ১৮৫০ সাল পর্যন্ত সময়কে শিল্পবিপ্লব যুগ বলা হয়। এ সময়ে ইউরোপের কলকারখানায় উৎপাদন ক্ষেত্রে যন্ত্রপাতির ব্যবহার শুরু হয়। ফলে পশু নির্ভরতা দূর হয় ও কায়িক শ্রমের ব্যবহার কমে। এতে পারিবারিক উৎপাদন ব্যবস্থা গুলো বড় শিল্প কারখানায় রূপ নেয়। আর যন্ত্রপাতি ব্যবহারে কম সময়ে বেশি উৎপাদন সম্ভব হয়।

মানুষের জীবনকে সহজ ও আরামদায়ক করার কাজে নিয়োজিত শিল্প হল সেবা শিল্প।
গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ, টেলিফোন, পর্যটন, হাসপাতাল প্রভৃতি এ শিল্পের অন্তর্গত। যন্ত্রপাতি বা স্থায়ী সম্পদ ও মেধা সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে এসব সেবামূলক কাজ করা হয়।

কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতির সাহায্যে প্রক্রিয়াজাত করে মানুষের ব্যবহার উপযোগী পণ্যে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে উৎপাদন শিল্প বলে। যেমন: বস্ত্রশিল্প, সিমেন্ট শিল্প প্রভৃতি।

ব্যবসায়ের উৎপত্তির মূলে ছিল মানুষের অভাববোধ।

ভূগর্ভ, পানি বা বায়ু থেকে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ করার প্রক্রিয়াকে নিষ্কাশন বলে।
এর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদ সংগ্রহ করে সেগুলোর উপযোগিতা বাড়ানো হয়। এতে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরের সম্পর্কে ব্যবহারের আওতায় আনা যায়। যেমন : খনি থেকে বিভিন্ন খনিজদ্রব্য (কয়লা, তেল, গ্যাস) উত্তোলন।

নারী-পুরুষের ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ও সামাজিক অবস্থান সম্পর্কে সচেতন থাকে জেন্ডার সচেতনতা বলে।
একজন কর্মীর নারী বা পুরুষ যাই হোক না কেন উভয়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সহানুভূতিশীল হতে হবে। এতে প্রতিষ্ঠানে নারী পুরুষ পক্ষপাতহীনতা' বজায় রাখতে হবে। কারো প্রতি কোন পক্ষপাতিত্ব না করাই জেন্ডার সচেতনতার মূল বিষয়।

মুনাফা অর্জনের জন্য পরিচালিত সব বৈধ অর্থনৈতিক কাজকে (পণ্য উৎপাদন, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন, গুদামজাতকরন প্রভৃতি) ব্যবসায় বলে।

1,436,676

প্রশ্ন

1,607,209

উত্তর

480,656

ব্যবহারকারী
Jobedali এর সেরা প্রশ্নসমূহ