Md Jaber ahsan (@JaberAhsan)

সব একাকীত্ব খারাপ না। মানুষ মাঝে মধ্যে নিজেকে আলাদা রাখতে চায় কিছু সময়ের জন্য। কিছুটা সময় নিজের কাছে নিজেকে সঁপে দেয়। সময়টাতে তার মতো করে থাকতে দিন। শুধু শুধু বিরক্ত করার দরকার নেই।

প্রত্যেকের নিজের আলাদা একটা আকাশ আছে। ভাবনার জগৎ আছে। নিজস্ব সুখ-দুঃখ আছে। পুরো একটা পৃথিবী আছে। যেটা পুরোটাই নিজের মতো করে সাজানো। নিজের জন্য সাজানো। যেগুলোর ভাগীদার শুধু সে নিজে একা। যেখানে শুধু নিজের অবাধ বিচরণ।

কেউ বই পড়ে, সিনেমা দেখে, লেখালেখি করে, গান শুনে, আকাশ দেখে কিংবা ভাবনায় সময়টা কাটায়। কাউকে ভাগ দিতে চায় না একান্ত নিজের সময়টায়। মুখ ফুটে কেউ কেউ বলেই দেয় "আমাকে কিছুক্ষণ একা থাকতে দাও "।

তোমার কাছে মনে হচ্ছে তোমাকে তার পাশে থাকা প্রয়োজন। তুমি সমস্যার সমাধান করতে পারবে। কিন্তু এমনটা নাও হতে পারে। হতে পারে শুধু নিজেকেই তার প্রয়োজন। সে নিজেই নিজের সমস্যার সমাধান৷ তাকে কিছুটা সময় দিয়ে দাও। সে তার মতো থাকুক।


সর্বপ্রথম ১৮০৮ সালে বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের আংশিক অনুবাদ করেন মাওলানা আমীরুদ্দীন বসুনিয়া।

এরপর বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ করেন মৌলভী নাঈমুদ্দীন ১৮৩৬ সালে।

গিরিশ চন্দ্র সেন শুধু উক্ত অনুবাদকে পুস্তক আকারে সন্নিবেশ করেছেন, গিরিশ চন্দ্র হচ্ছেন প্রকাশক। তাও অনেক পরে, ১৮৮৬ সালে।

সুতরাং কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক গিরিশ চন্দ্র নন, বরং মৌলভী নাঈমুদ্দীনই পূর্ণাঙ্গ কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক।

আর মাওলানা আমীরুদ্দীন বসুনিয়া হলেন বাংলা ভাষায় প্রথম কুরআন মাজীদের আংশিক অনুবাদক।

গিরিশ চন্দ্র সেনের জন্ম ১৮৩৫ সালে এবং মৃত্যু ১৯১০ সালে। গিরিশ চন্দ্রের জন্মেরও আগে অর্থাৎ ১৮০৮ সালে কুরআন মাজীদের বাংলায় অনুবাদের কাজ শুরু করেন মাওলানা আমীর উদ্দীন বসুনিয়া।

এরপর গিরিশ চন্দ্র সেনের জন্মের একবছর পরই অর্থাৎ ১৮৩৬ সনে মৌলভী নাঈমুদ্দীন পূর্ণাঙ্গ কুরআন মাজীদের বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন করেন।

আরবি জানেন না, আরবি ব্যাকরণ জানেন না-
এমন ব্যাক্তি কুরআন অনুবাদ করেছে এমন প্রচার মুর্খতা।

বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রচলিত আছে যে, ভাই গিরীশ চন্দ্র সেন আল কুরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদক। এ প্রচারণার কিছু কারণ ছিল। বৃটিশ আমলে এদেশে ব্রাহ্মধর্মের একটা জোয়ার এসেছিল।

গোঁড়া হিন্দু গিরীশ চন্দ্র সেন এক সময় হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন। ব্রাহ্মধর্ম এ দেশে ছিল একটি নতুন ধর্মমত।

তাই এ ধর্মমত আপামর জনসাধারণের মধ্যে প্রচারের জন্য গিরীশ চন্দ্র নিজে উদ্যোগী হলেন।

কিন্তু অর্থকড়ির তো প্রয়োজন। সেটা আসবে কোথা থেকে! তিনি ফারসী ভাষায় পন্ডিত ছিলেন।

মুসলমানদের পকেট থেকে টাকা বের করার জন্য বেশকিছু ইসলামী বই রচনা করলেন এবং সেই সাথে পবিত্র আল কুরআনের প্রকাশ করলেন প্রকাশক হয়ে। মুসলমানরা এ বই কিনলোও প্রচুর। ফলে বাংলা ভাষাভাষী যারাই কুরআন মাজীদের বঙ্গানুবাদ হাতে পেতে চাইলো তাদের হাতে পৌঁছে গেল তার প্রকাশিত কুরআন মাজীদ।

এ ব্যাপারে তাঁকে ব্রাহ্মসমাজ হিন্দু ব্যক্তিবর্গ এমন কি বৃটিশরাও যথেষ্ট সহযোগিতা করেছে। ফলে মানুষ মনে করেছে পবিত্র কুরআন মাজীদের প্রথম বঙ্গানুবাদকারী হচ্ছেন গিরীশ চন্দ্র সেন।

আসলে পবিত্র কুরআনের প্রথম বঙ্গানুবাদকারী যে মৌলভী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন সে কথা অল্প কিছু লোক জানলেও ব্যাপকভাবে প্রচার করার সুযোগ আসেনি।

গিরীশ চন্দ্র কুরআনের অনুবাদ বিক্রি করে যে অর্থ লাভ করতেন তা ব্যয় করতেন ব্রাহ্মধর্ম প্রচার কাজে। ফলে ব্রাহ্মধর্ম প্রচারের মিশনের সাথে কুরআন বিক্রয়ের একটা গভীর সম্পর্ক ছিল।

মৌলভী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন ছিলেন একজন মুসলমান। তিনি স্বত:প্রণোদিত হয়ে আল কুরআনের বঙ্গানুবাদ করেছিলেন। তা প্রচারের জন্য গিরীশ চন্দ্র সেনের মতো কোনো মিশন ছিল না। যার কারণে তার প্রচার প্রসার ছিল সীমিত।

এমনি করেই আল কুরআনের প্রথম বঙ্গানুবাদকারী হয়েও মৌলভী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন গিরীশ চন্দ্র সেনের মতো প্রচার পেতে পারেন নি
লেখক শিরিন চৌধুরী।

Source wikipedia 

(সংগৃহীত)

তোমি আমায় কখনো ভালোবাসোনি।

JaberAhsan
Jun 15, 2020-এ লিখেছেন

আমার অনুপস্থিতি যদি তোমার মনে দাগ না কাটে,

তোমার একাকীত্বে যদি আমায় মনে না পড়ে,
ভীরের মাঝে হঠাৎ করে আমার নাম শুনেও যদি তুমি চমকে না ওঠো।
তবে তুমি আমায় ভালোবাসো নি।

চেনা রাস্তা দিয়ে ফোনে কথা বলে হাটতে হাটতে,
ছাদে দাঁড়িয়ে রাতের আকাশে চাঁদ দেখতে গিয়ে কিংবা টিভিতে ক্রিকেট বা ফুটবল খেলা দেখার সময়ে অন্য কারোর বারণ শুনে যদি আমাদের ঝগড়ার মুহুর্ত গুলো মনে করে তোমার দীর্ঘশ্বাস না পড়ে,
তাহলে তুমি আমায় ভালোবাসো নি।

অন্য কারোর সাথে রিকশায় চড়তে গিয়ে যদি আমার অস্থিত্ব তুমি অনুভবই করতে না পারো,
তার সাথে ছবি তুলতে গিয়ে যদি আমাদের খুনসুঁটি গুলো তোমার মনে না পড়ে, 
তাহলে তুমি আমায় ভালোবাসো নি।
আরেহ্ অন্য কাউকে খাইয়ে দেওয়ার আগে যদি তোমার মনে না পড়ে ঠিক এতটাই যত্ন নিয়ে তোমাকেও কেউ খাইয়ে দিয়েছিলো,
তবে তুমি কখনোই আমাকে ভালোবাসো নি।

অন্য কারোর হাতের আঙুলে অাঙুল রাখতে গিয়ে যদি আমার শূন্যতা তুমি অনুভব করতে না পারো,
তার চোখে চোখ রাখতে গিয়ে যদি তোমার চোখ ঝাপসা হয়ে না আসে,
তোমার কপালে অন্য কারোর স্পর্শ যদি আমার আঁকা চুম্বন গুলো কে জানান না দেয় 
তবে তুমি আমায় ভালোবাসো নি।

আরেহ্ যদি তার মুখে ভালোবাসি শোনার পরেও তোমার আমার কথা মনেই না পড়ে,
তার হাসি,দুষ্টুমি,আবদার,চোখের জল যদি তোমায় আমাকে মনে করিয়ে না দেয় 
তাহলে আমাকে তুমি ভালোবাসো নি।

অন্য কারোর আংটি পড়ার আগে যদি তোমার
আমার হাতে আংটি পড়ার মুহুর্তটা মনে না পড়ে,
বিয়ের কাবিনে সিগন্যাচার দেওয়ার আগে যদি তোমার হাত না কাপে,
কবুল বলার আগে যদি তোমার শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত না হয়,
যদি বুকে চিনচিনে ব্যাথা অনুভূত না হয়।
তাহলে তুমি কখনো কোনোদিন এক মুহুর্তের জন্যেও আমায় ভালোবাসো নি।

আমি জানি না,
কেন বৃষ্টি দেখলে
আমারো কাঁদতে ইচ্ছে করে?
কেন মেঘলা আকাশ দেখলে..
আমারো মন খারাপ হয়?
কেন ঝড়ো হাওয়ায় লাগে না, আমার কোন ভয়!!
তবে কি আমি?আর মানুষ নয়?
শুনেছি মানুষ বৃষ্টি বিলাসি হয়..
মানুষ ভালোবাসায় আসক্ত হয়,
আমার আসক্তি তো এখন ভালোবাসায় নয়!?!
আমার আসক্তি?সে তো এখন একাকীত্বে আটকে রয়।
মৃত্যুর রং মেখে, হারিয়ে যাওয়ার নেই কোন ভয়!
জানো?আগে খুব বৃষ্টি বিলাসীনি ছিলাম..
আগে মেঘলা আকাশ আর, 
ঝড়ো হাওয়ায় মন মাতাতাম।
এখন তো খুব একা হয়ে গেছি,
তুমি আমি অনেক দূরে সরে গেছি!!
কত রাত নির্ঘুম কাটিয়েছি,
আর কত চোখের জলে ভেসেছি!!
আর পাওয়া না পাওয়ার হিসেব?
সে তো অনবরত করে গেছি!!
জানো? তবুও পারিনি সেই হিসেব মিলাতে...
মনে আছে? তুমি কি বলেছিলে?
তুমি আসবে আর আমায় 
নাকি সারাজীবন ভালোবাসবে!!
কেন মিথ্যে হলো সেসব?কেন ভেঙে দিলে স্বপ্ন সব?
সেই উত্তর আজ ও পাইনি,তাই তোমায় 
আর বিরক্ত করতে ও চায়না। 

সবাই বলে জীবনে নাকি বারবার প্রেম আসে, 
ভালোবাসা আসে, অনেক নারী আসে,নারীর জীবনে অনেক পুরুষ আসে।

এগুলো সব ডাহা মিথ্যা কথা! 
যদি তাই হতো,
তাহলে, দুই বছরের প্রেম শেষে যখন বিচ্ছেদ হয়ে গেলো সময়টা আজ প্রায় পাঁচ বছর পেরিয়েছে তবুও,
এই চোখে আর কাউকে ভালো লাগেনি যেভাবে তোমাকে লেগেছিল, এই মনে আর কাউকে জোর করেও জায়গা দিতে পারিনি,যেভাবে তুমি কোনো প্রকার জোর জবরদস্তি ছাড়াই জায়গাটা দখল করে নিয়েছিলে, এখনো কোনও তরুণীর চেহারায় নজর পড়লে তোমার চেহারা টা যেন ভেসে উঠে ঐ চেহারা জুড়ে।

আচ্ছা, তুমি তো খুব সুন্দর ছিলেনা,
শরীরের গঠন টাও অতটা ভালো ছিলোনা তোমার। 
তবুও পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সুন্দর প্রেমিকা হিসেবে আমার চোখে তুমিই স্বীকৃতি পেয়েছিলে।
এখনো সেই জায়গাটাই দখল করে আছো!

জানো, 
আজো আমার চোখে শ্রাবণের মতোই মেঘ জমা হয়,আবার মুশলধারায় অশ্রু বন্যা,
অতঃপর জোয়ার উঠে, বালিশ ভিজে চাপা শব্দহীন চাপা আর্তনাদে।

 জানো,
সবাই বলে অন্য কোথাও যোগাযোগ টা বাড়া, 
হয়তো সব ঠিক হয়ে যাবে,
তাদের কথা মতো আমিও তাই করেছিলাম,

অবশেষে হিসেব টা কষে দেখি,
কারো সাথে দুই ঘন্টার আলাপন আমাকে যতটা তৃপ্তি দিতে পারেনা তোমার সাথে কয়েক সেকেন্ডের কথোপকথন আমাকে তার চেয়েও বেশি আত্মতৃপ্তি দেয়। 
অন্যদের কয়েক পৃষ্ঠার নীল খামে লিখা চিঠি, 
তোমার ছোট্ট একটা ক্ষুদে বার্তার চেয়েও মূল্যহীন আমার কাছে। 
তোমার আঙুলের ফাঁকে আঙুল রেখে,হাতে -হাত রেখে আমি যতটা প্রশান্তি পাই। 
অন্য কারো পুরো দেহ জুড়েও আমার তদ্দুর শান্তি মিলেনা তৃপ্তিতে।

সবাই মিথ্যা বলে,
জীবনে প্রেম একবারই আসে,
আর সেটা হারালে বুঝে নিতে হবে, এবারেই সব হারালাম, যা আর হয়তো কখনো ফিরে পাবার নয়!

কলমেঃ- অরণ্যের মরুভূমি
ছবিঃ- সংগৃহিত!

ভালো না বাসতে বাসতেই মানুষ
একদিন ভালোবাসে,
হয়তো ভালোবাসতে বাসতেও মানুষ
একদিন ঘৃণা করে;
ঘৃণা করলেও মানুষ আসলে
ভালো না বেসে পারে না।

ভালোবাসার জন্যে মানুষের এই জীবন খুবই ছোটো
কিন্তু এই ছোটো জীবন বলেই মানুষ
ভালোবাসতে পারে,
জীবন আরো দীর্ঘ হলে ভালোবাসাও আরো দীর্ঘ হতো এমন নয়;

মানুষ বেশিদিন ভালোবাসতে পারে না বলেই ভালোবাসার জন্যে মানুষেরএতো হাহাকার।

"ভালোবাসা" 
------মহাদেব সাহা।

ছবি:সংগৃহীত।

আমি চাই, কেউ একজন শাসন সুরে বলুক। 
এই যে, সারাদিন এতো অনলাইনে কি তোমার, হুম?
ঠিক মতো গোসল, খাওয়া দাওয়া করো?

আমি চাই,
কেউ একজন শাসন সুরে বলুক।
ফোন টিপে টিপে তোমার এতো সুন্দর চোখের নিচে যে কালি পড়ে যাচ্ছে। 
সে খেয়াল কি রেখেছো?

আমি চাই,
কেউ একজন শাসন সুরে বলুক।
বর্ষাকাল এসেছে, প্রায় দিনই বৃষ্টি হয়।
তুমি তো আবার বৃষ্টি আসলে।
নিজেকে সামাল দিতে পারো না।
পাগল হয়ে যাও ভিজতে।
একদম এই বর্ষার বৃষ্টিতে ভিজবে না বলে দিলাম।
যদি জ্বর এসে যায়।

আমি চাই,
কেউ একজন শাসন সুরে বলুক। 
সারাদিন তো শুধু আজাইরা বসে থাকো।
মায়ের কাছ থেকে একটু রান্না টাও তো শিখে নিতে পারো। 
তুমি রান্না না পারলে বিয়ের পর
আমাকে কে রেঁধে খাওয়াবে শুনি।

আমি চাই,
কেউ একজন শাসন সুরে বলুক।
বোরকা ছাড়া কেনো বের হও তুমি।
তোমাকে যদি কেউ পছন্দ করে,
বিয়ে করে নিয়ে চলে যায়।
আমি তো এখনো কোনো চাকরি পাই নি। 
আমার কি হবে তখন?

Rounok Jahan Ritu

জী না! বর্তমানে কোনো সিম দিয়েই কোনো ভাবেই ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় না।

এখন আর আমাদের কথা হয়না
সন্ধ্যা হয়,রাত হয়,রাত গভীর হয় 
আবার সকাল হয় কিন্তু আমাদের আর 
কথা হয়না!

আমার কথা ফেলার ডাকবাক্সটা হারিয়ে গেছে! এই শোকে,আমার মাঝেমাঝে বিলবোর্ড ছাপিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিতে ইচ্ছে হয়! ইচ্ছে হয় অলিতে গলিতে মাইকিং করে বলতে'আমার ডাকবাক্সটা হারিয়ে গেছে'! 
তাতে কি কোনো লাভ হবে? 
ডাকবাক্সটা তো নিজ থেকেই হারিয়ে গেছে,কেউ নিজ থেকে চলে গেলে কি তাকে খুঁজে পাওয়া যায়?

আচ্ছা ডাকবাক্সটা কি এখন আর খালি পড়ে থাকে যেই ডাকবাক্সটায় আমি আমার সারাদিনের কাহিনী জমা রাখতাম নাকি অন্য কারো কথায় সেটি ভরপুর?

আমি বারবার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই তাকে ছাড়াই ভালো থাকবো,তাই সবসময় কাজের মধ্যে ডুবে থাকি কিন্তু ব্যস্ততা শেষ হলেই আমার বুকের মধ্যে চিনচিন ব্যথা হয়,নিরব রাত যত বাড়ে আমার মধ্যে হাহাকার ও ততোই বৃদ্ধি পায়!

কি আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রেখেছে সে আমায়,
আমি পৃথিবীর রঙে ডুবে থাকতে চাইলেও সব ঝাপসা দেখি,তাকে ছাড়া সবকিছুই যেন রঙচটা দেয়ালের মতো! আমার বারবার ইচ্ছে হয় তাকে একটিবারের জন্য বলতে "আমার দোষটা কোথায়,বেশি ভালবাসা নাকি তোমার জন্য বেহায়া হওয়াটা"?

অথচ এই প্রশ্ন করার ও সুযোগ নেই,তার আঙিনা আমার জন্য নিষিদ্ধ,তার প্রবেশদ্বারে কারফিউ জারি করেছে সে,ঢুকলেই ছিন্নভিন্ন করে দিবে!
সে কি জানে আমি অনেক আগেই ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছি!

কারণ, এখন আর আমাদের কথা হয়না,
রাত গভীর হলেও কথা হয়না,
ফোনে ভরপুর চার্জ থাকলেও কথা হয়না,
আমাদের আর কোনো অজুহাতেই কথা হয়না!

এখন আর আমাদের কথা হয়না

(সংগ্রহীত) 


আইনস্টাইনের যিনি ড্রাইভার ছিলেন,
তিনি একদিন আইনস্টাইনকে বললেন - আপনি প্রতিটি সভায় যে ভাষণ দেন সেইগুলো শুনে শুনে আমার মুখস্থ হয়ে গেছে।" -আইনস্টাইন তো অবাক!

উনি তখন বললেন "বেশ তাহলে এর পরের মিটিংয়ে যেখানে যাবো তারা আমাকে চেনেন না, তুমি আমার হয়ে ভাষণ দিও আর আমি ড্রাইভার হয়ে বসে থাকবো"

-এরপরে সেই সভায় তো ড্রাইভার হুবহু আইনস্টাইন-এর ভাষণ গড় গড় করে বলে গেলেন। উপস্থিত বিদ্বজ্জনেরা তুমুল করতালি দিলেন। এরপর তাঁরা ড্রাইভারকে আইনস্টাইন ভেবে গাড়িতে পৌঁছে দিতে এলেন।

-সেই সময়ে একজন অধ্যাপক ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করলেন "স্যার, ঐ আপেক্ষিক এর যে সঙ্গাটা বললেন, আর একবার সংক্ষেপে বুঝিয়ে দেবেন?"

-আসল আইনস্টাইন দেখলেন বিপদ, এবার তো ড্রাইভার ধরা পড়ে যাবে। কিন্তু তিনি ড্রাইভার-এর উত্তর শুনে তাজ্জব হয়ে গেলেন। ড্রাইভার উত্তর দিল।। -"এই সহজ জিনিসটা আপনার মাথায় ঢোকেনি ? আমার ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করুন সে বুঝিয়ে দেবে"

বিঃদ্রঃ- জ্ঞানী ব্যক্তিদের সাথে চলাফেরা করলে আপনিও জ্ঞানী হবেন। আপনি যেমন মানুষের সাথে ঘুরবেন তেমনই হবেন।
এই জন্যে কথায় আছে,
"সৎ সঙ্গে স্বর্গ বাস,
অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ"।

(সংগৃহীত)

আমি চাই তুমি আমার প্রেমে পড়ো
-সুমাইয়া সুমা

আমি চাই তুমি আমার প্রেমে পড়ো,
একবার নয় শতাধিক বার তুমি আমার 
প্রেমে পড়ো।
উঠনে যখন চাঁদের আলো পড়বে, 
সে চাঁদের আলোয় আমাকে আবিষ্কার করো। ফুরফুরে ঠান্ডা বাতাস হয়ে বয়ে যাবো।
আমি চাই তুমি আমার প্রেমে পড়ো,
একবার নয় শতাধিক বার তুমি আমার 
প্রেমে পড়ো।

লাল টুকটুকে শাড়ি পড়ে যখন,
তোমার সামনে এসে দাঁড়াবো
সে আসা কে তুমি বক্ষে ধারন করো।
আমি চাই তখনই তুমি আমার প্রেমে পড়ো,
একবার নয় শতাধিক বার তুমি আমার প্রেমে পড়ো।

সবুজ নরম ঘাসে যখন পা ফেলবো,
খোলাচুল গুলো বাতাসে মুখে এসে পরবে।
আমি চাই আলতো ছোঁয়াতে 
সেই চুল গুলো তুমি সরিয়ে দাও।
আর তখনই তুমি আমার প্রেমে পড়ে যাও,
একবার নয় শতাধিক বার তুমি আমার প্রেমে পড়ো।

যখন আঁকাশে শুভ্র মেঘেরা ভেসে বেড়াবে
কাঁশফুলের মধ্যে নিজেকে হারাতে ছুট্টে যাবে নদীর তিরে,দেখবে আমি অধিরে চেয়ে আছি তোমার পথ পানে। আমি চাই তুমি র্নিবাক হয়ে যাও, মায়াজালে বন্ধি হও।
একবার নয় শতাধিক বার তুমি আমার প্রেমে পড়ো।

সূর্য অস্ত যাবার পূর্বাক্ষনে আমি আসবো তোমার দ্বারে,ঠায় দাঁড়াবো প্রেম নিবেদন পেতে।
আমি চাই তুমি আমার চোখের পাতা পড়ো,
শুধু আমাতেই মুগ্ধ থাকো।
একবার নয় শতাধিক বার তুমি আমার প্রেমে পড়ো।

ছবি: সুমাইয়া সুমা

১)আবু সু‌ফিয়ান কাদরী
২)‌গিয়াস উদ্দিন তা‌হেরী
৩)হা‌বিবুর রহমান মিসবাহ
৪)তোফাজ্জল হো‌সেন ভৈরবী
৫)মাওলানা জুবা‌য়ের আহ‌মেদ
৬)এনা‌য়েত উল্লাহ আব্বাসী
৭)খা‌লেক সাইফুল্লাহ আয়ুবী
৮)জুনাইদ আল হাবীব
৯)নুরুল ইসলাম ওলিপুরী
১০)আল্লামা আহমাদ শ‌ফি
১১)মুফতী রেজাঊল ক‌রিম
১২)হা‌ফিজুর রহমান সি‌দ্দিকী
১৩)লুৎফর রহমান ফরা‌য়েজী
১৪)২৮৮
১৫) আলাউদ্দিন জিহাদী
১৬) ডঃ কফিল উদ্দিন
১৭) ফারুকী
আরো বহু আছে।
এ‌দের ওয়াজ শোনা থে‌কে বিরত থাকুন।‌ 

নি‌জের ঈমান ও আকিদাকে হেফাজত করুন।
মনে রাখবেন বামপন্থীদের সাথে এদের হাত রয়েছে।

বামপন্থী আর এরা একযোগে একই মিশন নিয়ে কাজ করে।

পবিত্র কুরআনুল কারীমের ১১৪ টি সূরার নাম ও সূরার বাংলা অর্থসহ।

০১: সুরাঃ ফাতিহা - অর্থ সূচনা।
০২: সুরাঃ বাক্বারাহ - অর্থ গাভী।
০৩: সুরাঃ আলে-ইমরান - অর্থ ইমরানের পরিবার।
০৪: সুরাঃ নিসা - অর্থ নারী জাতি।
০৫: সুরাঃ মায়িদাহ - অর্থ 
খাদ্যপরিবেশিত টেবিল।
০৬: সুরাঃ আন'আম - অর্থ গৃহপালিত পশু।
০৭: সুরাঃ আ'রাফ - অর্থ উচ্চস্থানসমূহ।
০৮: সুরাঃ আনফাল - অর্থ যুদ্ধলব্ধ ধনসম্পদ।
০৯: সুরাঃ তাওবা - অর্থ অনুশোচনা।
১০: সুরাঃ ইউনূস - অর্থ হযরত ইউনুস (আঃ)।
১১: সুরাঃ হুদ - অর্থ হযরত হুদ (আঃ)।
১২: সুরাঃ ইউসুফ - অর্থ হযরত ইউসুফ (আঃ)।
১৩: সুরাঃ রা'দ - অর্থ বজ্রপাত।
১৪: সুরাঃ ইব্রাহীম - অর্থ হযরত ইবরাহীম (আঃ)।
১৫: সুরাঃ হিজর - অর্থ পাথরের পাহাড়।
১৬: সুরাঃ নাহল - অর্থ মৌমাছি।
১৭: সুরাঃ বনী ইসরাইল - অর্থ ইসরাইলের বংশধর।
১৮: সুরাঃ কাহফ - অর্থ গুহা।
১৯: সুরাঃ মারইয়াম - অর্থ ঈসা (আ) এর মাতার নাম।
২০: সুরাঃ ত্ব-হা - অর্থ =দুটি আরবি হরফ।
২১: সুরাঃ আম্বিয়া - অর্থ নবীগণ।
২২: সুরাঃ হাজ্জ - অর্থ = মহাসম্মেলন।
২৩: সুরাঃ মু'মিনুন - অর্থ বিশ্বাসীগণ।
২৪: সুরাঃ নূর - অর্থ জ্যোতি।
২৫: সুরাঃ ফুরক্বান - অর্থ পার্থক্যকারী।
২৬: সুরাঃ শু'আরা - অর্থ কবিগণ।
২৭: সুরাঃ নামল - অর্থ পিপীলিকা।
২৮: সুরাঃ ক্বাসাস - অর্থ কাহিনী।
২৯: সুরাঃ আনকাবূত - অর্থ মাকড়সা।
৩০: সুরাঃ রূম - অর্থ =রোমান জাতি।
৩১: সুরাঃ লুকমান - অর্থ একজন প্রজ্ঞাবান অলীর নাম।
৩২: সুরাঃ সাজদাহ - অর্থ সিজদা।
৩৩: সুরাঃ আহযাব - অর্থ সংযুক্ত শক্তিসমূহ।
৩৪: সুরাঃ সাবা - অর্থ একটি নগরের নাম।
৩৫: সুরাঃ ফাতির - অর্থ আদিস্রষ্টা।
৩৬: সুরাঃ ইয়াসিন - অর্থ ইয়াসিন।
৩৭: সুরাঃ সাফ্ফাত - অর্থ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো।
৩৮: সুরাঃ সোয়াদ - অর্থ একটি আরবি হরফ।
৩৯: সুরাঃ যুমার - অর্থ দলবদ্ধ জনতা।
৪০: সুরাঃ মুমিন - অর্থ বিশ্বাসী।
৪১: সুরাঃ ফুসসিলাত (হামীম সিজদাহ)
-অর্থ সুস্পষ্টবিবরণ।
৪২: সুরাঃ শূরা - অর্থ পরামর্শ।
৪৩: সুরাঃ যুখরূফ - অর্থ স্বর্ণালংকার।
৪৪: সুরাঃ দুখান - অর্থ ধোঁয়া।
৪৫: সুরাঃ জাছিয়াহ - অর্থ নতজানু।
৪৬: সুরাঃ আহক্বাফ - অর্থ বালুর পাহাড়।
৪৭: সুরাঃ মুহাম্মদ - অর্থ সর্বশেষ নবী ও রাসূলের নাম।
৪৮: সুরাঃ ফাত্হ - অর্থ বিজয়।
৪৯: সুরাঃ হুজুরাত - অর্থ বাসগৃহসমূহ।
৫০: সুরাঃ ক্বাফ - অর্থ =একটি আরবি হরফ।
৫১: সুরাঃ যারিয়াত - অর্থ বিক্ষেপকারী।
৫২: সুরাঃ তূর - অর্থ তুর পর্বত।
৫৩: সুরাঃ নাজম - অর্থ তারকা।
৫৪: সুরাঃ ক্বামার - অর্থ চাঁদ।
৫৫: সুরাঃ আর-রাহমান - অর্থ পরম করুণাময়।
৫৬: সুরাঃ ওয়াক্বিয়া - অর্থ নিশ্চিত ঘটনা।
৫৭: সুরাঃ হাদীদ - অর্থ লোহা।
৫৮: সুরাঃ মুজাদিলাহ - অর্থ অনুযোগকারী নারী।
৫৯: সুরাঃ হাশর - অঅর্থ মহাসমাবেশ।
৬০: সুরাঃ মুমতাহিনা - অর্থ পরীক্ষাসাপেক্ষ নারী।
৬১: সুরাঃ সাফ - অর্থ সারিবদ্ধ সৈন্যদল।
৬২: সুরাঃ জুমুআহ - অর্থ সম্মেলন।
৬৩: সুরাঃ মুনাফিকুন - অর্থ কপট বিস্বাসীগন।
৬৪: সুরাঃ তাগাবুন - অর্থ মহা বিজয়।
৬৫: সুরাঃ তালাক - অর্থ বিচ্ছেদ।
৬৬: সুরাঃ তাহরীম - অর্থ নিষিদ্ধ করন।
৬৭: সুরাঃ মূলক - অর্থ সার্বভৌম কর্তৃত্ব।
৬৮: সুরাঃ ক্বালাম - অর্থ কলম।
৬৯: সুরাঃ হাক্ক্বাহ – অর্থ নিশ্চিত সত্য।
৭০: সুরাঃ মা'আরিজ - অর্থ উন্নয়নের সোপান।
৭১: সুরাঃ নূহ - অর্থ =হযরত নুহ (আঃ)।
৭২: সুরাঃ জ্বিন - অর্থ জ্বিনজাতি।
৭৩: সুরাঃ মুয্যাম্মিল - অর্থ কম্বল আবৃত নবী।
৭৪: সুরাঃ মুদ্দাসসির - অর্থ চাদর আবৃত নবী।
৭৫: সুরাঃ ক্বিয়ামাহ - অর্থ পুনরুত্থান।
৭৬: সুরাঃ দাহর - অর্থ মানবজাতি।
৭৭: সরাঃ মুরসালাত - অর্থ প্রেরিত পুরুষগণ।
৭৮: সুরাঃ নাবা - অর্থ মহা সংবাদ।
৭৯: সুরাঃ নাযিয়াত - অর্থ 
প্রচেষ্টাকারী।
৮০: সুরাঃ 'আবাসা - অর্থ তিনি ভ্রুকুটি করলেন।
৮১: সুরাঃ তাকবীর - অর্থ অন্ধকারাচ্
ছন্ন।
৮২: সুরাঃ ইনফিত্বার - অর্থ বিদীর্ণ করণ।
৮৩: সুরাঃ মুতাফ্ফিফীন - অর্থ প্রবঞ্চনা করা।
৮৪: সুরাঃ ইনশিক্বাক্ব - অর্থ 
চূর্ণবিচূর্ণ করণ।
৮৫: সুরাঃ বুরূজ - অর্থ নক্ষত্রপু৮৫: সুরাঃ বুরূজ - অর্থ নক্ষত্রপুঞ্জ।
৮৬: সুরাঃ ত্বারিক্ব - অর্থ রাতের আগন্তুক।
৮৭: সিরাঃ আ'লা - অর্থ সর্বোউপরে।
৮৮: সুরাঃ গ্বাশিয়াহ্ - অর্থ বিহ্বলকারী ঘটনা।
৮৯: সুরাঃ ফাজর - অর্থ ভোরবেলা।
৯০: সুরাঃ বালাদ - অর্থ নগর।
৯১: সুরাঃ শামস - অর্থ সূর্য।
৯২: সুরাঃ লাইল - অর্থ রাত্রি।
৯৩: সুরাঃ দ্বোহা - অর্থ স্বস্থের সময়।
৯৪: সুরাঃ ইনশিরাহ - অর্থ বক্ষ প্রশস্তকরণ।
৯৫: সুরাঃ তীন - অর্থ =ডুমুর জাতীয় ফল।
৯৬: সুরাঃ আলাক - অর্থ রক্তপিণ্ড।
৯৭: সুরাঃ ক্বদর - অর্থ মহিমান্বিত।
৯৮: সুরাঃ বাইয়্যিনাহ - অর্থ সুস্পষ্ট প্রমাণ।
৯৯: সুরাঃ যিলযাল - অর্থ ভূমি কম্পন।
১০০: সুরাঃ আদিয়াত - অর্থ অভিজান কারী।
১০১: সুরাঃ ক্বারি'আহ - অর্থ মহা সংকট।
১০২: সুরাঃ তাকাছুর - অর্থ প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা।
১০৩: সুরাঃ 'আসর - অর্থ সময়/যুগ।
১০৪: সুরাঃ হুমাযাহ - অর্থ পরনিন্দাকারী।
১০৫: সুরাঃ ফীল - অর্থ হাতি।
১০৬: সুরাঃ ক্বুরাইশ - অর্থ একটি গোত্রের নাম।
১০৭: সুরাঃ মা'ঊন - অর্থ সাহায্য\সহযোগিতা।
১০৮: সুরাঃ কাওসার - অর্থ প্রাচুর্য।
১০৯: সুরাঃ কাফিরূন - অর্থ অবিশ্বাসী গোষ্ঠী।
১১০: সুরাঃ নাসর - অর্থ স্বর্গীয় সাহায্য।
১১১: সুরাঃ লাহাব - অর্থ জ্বলন্ত অঙ্গার।
১১২: সুরাঃ ইখলাস - অর্থ একত্ব।
১১৩: সুরাঃ ফালাক্ব - অর্থ নিশিভোর।
১১৪: সুরা : নাস - অর্থ মানুষ জাতি।

ফাঁসির আগের রাতে সাইয়্যেদ কুতুব (রহ.) কে কালিমা পড়ানোর জন্য জেলের ইমামকে পাঠানো হয়েছিল। জেলের ইমাম এসে সাইয়্যেদ কুতুব (রহ.) কে কালিমার তালকিন দেয়ার
চেষ্টা করলেন। তার চেষ্টা দেখে
সাইয়্যেদ কুতুব (রহ.) তাকে
জিজ্ঞাসা করলেন,
>> আপনি এখানে কেন এসেছেন?
ইমাম বললেন, আমি আপনাকে কালিমা পড়াতে এসেছি। মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার আগে আসামীকে কালিমা পড়ানো আমার দায়িত্ব।
>> সাইয়্যেদ কুতুব (রহ.) বললেন, এই দায়িত্ব আপনাকে কে দিয়েছে?
ইমাম বললেন, সরকার দিয়েছে।
>> সাইয়্যেদ কুতুব (রহ.) বললেন, এর বিনিময়ে আপনি কি বেতন পান?
ইমাম বললেন, হ্যাঁ আমি সরকার থেকে বেতন-ভাতা পাই।
>> তখন সাইয়্যেদ কুতুব (রহ.) সেই ইমাম সাহেবকে জিজ্ঞাসা
করলেন, আপনি কি জানেন কি
কারণে আমাকে ফাঁসি দেয়া হচ্ছে?
ইমাম বললেন, না, বেশি কিছু
জানি না।
>> সাইয়্যেদ কুতুব (রহ.) বললেন,
আপনি আমাকে যেই কালিমা
পড়াতে এসেছেন, সেই কালিমার তাফসীর লেখার কারণেই আমাকে ফাঁসি
দেয়া
হচ্ছে। দেখুন কি আশ্চর্য! যেই
কালিমা পড়ানোর কারণে আপনি
বেতন-
ভাতা পান, সেই কালিমার
তাফসীর মুসলিম উম্মাহকে
জানানোর অপরাধেই আমাকেই
ফাঁসি দেয়া হচ্ছে।


সুতরাং বুঝা যাচ্ছে আপনার কালিমা আর আমার কালিমা এক নয়। তাই আমাদেরকে সঠিকভাবে কালিমা বুঝতে হবে পড়তে হবে এবং আমল করতে হবে। শুধু কালিমা পড়লেই হবে না।

আমার প্রচুর এলার্জি কি ওষুধ খাবো ?

JaberAhsan
Jun 6, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

আপনি ডাক্তারের পরামর্শ মতে "ছাফী " সিরাপটি ২-৩ ফাইল টানা সেবন করে দেখতে পারেন। আশাকরি ইনশাল্লাহ উপকার পাবেন। 

আপনার নিদিষ্ট বাজেট অনুযায়ী এরকম প্যাক নিয়মিত বা কোনো কোড ডায়াল করে পাবেন না। পেতে পারেন সর্বোচ্চ ১-২ বার যদি সিম কম্পানি দেয়। তাছাড়া এরকম অফার পাওয়া সম্ভব না।


তবে আপনি গ্রামিণের স্কিটো সিম ব্যবহার করতে পারেন আশাকরি কম টাকায় বেশি মেয়াদসহ বেশি বেশি ডাটা অফার পাবেন।

যেমন:


স্কিটো ডেটা প্যাক ১৭ GB
চার্জ  ২৯১ টাকা (ট্যাক্স সহ)
মেয়াদ ৩০ দিন
নেয়া যাবে যত বার খুশি ততবার
অটো রেনুয়াল না


আপনি Symphony D54i মোবাইলটি ক্রয় করতে পারেন। আশাকরি ইন্টারনেট, ফেইসবুক, Java, ব্যাটারি, চার্জ সার্ভিস সহ ভালো সার্ভিস পাবেন। মূল্য ১,৩০০\= ভিতর কিন্তে পারবেন। 

ইন্টারে মানবিক শাখাতে  আপনি যে কোনো অতিরিক্ত বিষয়িই নিন না কেন, এটার খুব একটা প্রভাব বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাবার উপর পড়বে না।


আপনার ইচ্ছে মত আপনি অতিরিক্ত বিষয় চয়েস করেন। তারপর ভালো করে পাঠ্যসূচি পড়েন ভালো রিজাল্ট অর্জন করার চেষ্টা করেন।


পাশাপাশি ইংরেজি, বাংলা, সাধারণ জ্ঞান, সাধারণ বিজ্ঞান, সাধারণ গণিত এসকল বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করেন। আশাকরি ইনশাল্লাহ আপনি বিশ্ববিদ্যালয় চান্স পাবেন। 


চাকরি কেনো ঘুষ দিয়ে নিতে হয়?

JaberAhsan
Jun 4, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

যোগ্যতার অভাবে ঘুষ দিয়ে চাকরি নিতে হয়। সঠিক যোগ্যতা থাকলে ঘুষ ছাড়াও ভালো সরকারি, বেসরকারি সহ বিভিন্ন চাকরি নেয়া সম্ভব।


আরেকটা ব্যপার হলো আমাদের দেশে অধিকাংশ দায়িত্বশীল লোকের মধ্যে সততা নাই এবং দুর্নীতি বাজ তাই তারা ঘুষ ছাড়া বিভিন্ন পদে লোক নিয়োগ দিতে চায় না। 


তাছাড়া ও ঘুষ ছাড়া বিভিন্ন ভাবে খারাপ রিপোর্ট দেয়, সিগনেচার দিতে চায় না। তাই এসকল কারণসহ বিভিন্ন কারণে ঘুষ দিয়ে চাকরি নিতে হয়।


SSC Result?

JaberAhsan
Jun 4, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

বোর্ড চ্যালেঞ্জ করলে যে আপনার খাতা পুনরায় মূল্যায়ন করবে এমনটা কিন্তু নয়!


বোর্ড চেলেঞ্জ করলে আপনার নাম্বার গুলি আবার বণ্টন করে GPA তৈরি করবে। চেক করে দেখবে আপনার GPA হিসেব করার মধ্যে কোনো ভুল হয়েছে কি-না।

 

তাই আশাকরি আপনি বোর্ড চেলেঞ্জ করলে সফল না হবার সম্ভবনাই বেশি। A+ হবার সম্ভবনা নাই এটা আমার ব্যক্তিগত মত। তবে আপনি চেষ্টা করে দেখতে পারেন সৃষ্টিকর্তা চাইলে সফল হতে পারেন। 


ঈমান মানে কী?

JaberAhsan
Jun 3, 2020-এ লিখেছেন

ঈমান আরবী শব্দ। এর সহজ অর্থ হলো বিশ্বাস। বিশ্বাস বলতে কী বুঝায়? এটা অত্যন্ত গুরত্বপুর্ণ বিষয়।

 

একটি সহজ উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি বুঝতে সুবিধা হবে। ধরুন এক পরিচিতি লোক এসে আমাকে বললেন, ভাই, আমাকে এক হাজার টাকা ধার দিন। আমি এক মাস পরই ফেরত দিয়ে যাব।

 

এক মাস পর টকাটা ফেরত দেবে কি না সে বিষয়ে আমার সরাসরি জানা নেই। আমি তাকে কী বলবো? তাকে তো আর একথা বলা যায় না যে, এক মাস পর ফেরত দেন কি না আগে দেখে নিই। তাহলে তাকে কী বলব? আমার কাছে লোকটি ধার চেয়েছে, হয় তাকে ধার দেব, আর না হয় ধার দিতে অস্বীকার করব। ধার দেব কি দেব না এ বিষয়ে কিভাবে আমি সিদ্ধান্ত নেব? টাকা সত্যি ফেরত দেবে কি না সে বিষয়ে ডাইরেক্ট নলেজ বা প্রত্যক্ষ জ্ঞান তো নেই। তাই বাধ্য হয়ে আমাকে পরোক্ষ জ্ঞানের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমি তাকে যতটুকু জানি তাতে আামার মনে এ বিশ্বাস হয় কি না যে, লোকটি ওয়াদা পালন করবে। যদি তার উপর আমার বিশ্বাস হয় যে, এ লোক টাকা ফেরত দেবে তাহলে আমি তাকে ধার দেব। মোট কথা, ধার দেওয়ার এই সিদ্ধান্তটার ভিত্তিই হলো বিশ্বাস। যদি তার অতীত আচরণ থেকে তার উপর আমার এ বিশ্বাস না হয় যে, টাকাটা ফেরত দেবে, তাহলে আমি ধার দেব না। আমি যে তাকে অবিশ্বাস করলাম, তাও পরোক্ষ জ্ঞানের মাধ্যমে। তাকে ধার দিতে অস্বীকার করলে সে নিশ্চয়ই বলবে, আমাকে বিশ্বাস করেন না? আমি যে তাকে অবিশ্বাস করলাম, এটাও কিন্তু বিশ্বাস। অর্থাৎ আমার বিশ্বাস যে, সে টাকা ফেরত দেবে না। তাকে আমি টাকা দিলামই না। কী করে জানলাম যে, সে টাকা ফেরত দেবে না? পরোক্ষ জ্ঞানের মাধ্যমেই আমি এ বিশ্বাসে পৌছেছি।

 

তাহলে বিশ্বাসের সংজ্ঞা কী দাঁড়াল? যে বিষয়ে সরাসরি জ্ঞান নেই, অথচ সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হচেছ ; তখন পরোক্ষ জ্ঞানের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া ছাড়া উপায় নেই; এভাবে যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় তারই নাম বিশ্বাস।

 

একটি বড় উদাহরণ

 

মৃত্যুর পর আবার জীবিত হতে হবে কি না এ বিষয়ে সরাসরি জ্ঞান নেই। কিন্তু এ বিষয়ে নির্লিপ্ত থাকারও উপায় নেই। যদি মৃত্যুর পর আরও একটি জীবন থাকে তাহলে আমাকে সে হিসাব মনে রেখেই দুনিয়ায় চলতে হবে। যদি না থাকে তাহলে বেপরোয়া চলা সহজ মনে হতে পারে। তাই এ বিষয়ে চুপ থাকার উপায় নেই। হয় আছে মনে করতে হবে আর না হয় নেই বলে ধারণা করতে হবে এবং স্থির সিদ্ধান্তে পৌঁছতে হবে।

 

এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত কিভাবে নেব? কেউ ঐপারে থেকে ফিরে আসে না। এপার থেকে উঁকি মেরে দেখাও সম্ভব নয়। পরকাল একেবারেই অদৃশ্য। পবিত্র কুরআনে অনেক সূরায় শুধু আখিরাতকে বিশ্বাস করার জন্য যুক্তি পেশ করা হয়েছে। এসব জ্ঞানের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে জানা যায় যে,  পরকাল অবশ্যই আছে।

 

পরকাল সম্পর্কে সরাসরি জ্ঞান নেই, অথচ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত পৌঁছাতেই  হবে। বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়াও সম্ভব নয়। তাই ঐ সিদ্ধন্ত পরোক্ষ জ্ঞানের মাধ্যমেই সম্ভব। এভাবেই অদৃশ্য বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এ সিদ্ধন্তটাই বিশ্বাস।

ফেসবুক

JaberAhsan
Jun 3, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

হ্যাঁ আপনি নাম্বারের পরিবর্তে Gmail ID ব্যবহার করতে পারবেন। Gmail ID এড করে তারপর নাম্বার ডিলেট করে দিলেই হয়ে যাবে।

আশাকরি তাজা ফুল দিলেই ভালো হবে। তবে তাজা ফুল পেতে সমস্যা হলে "আর্টিফিসিয়াল" দিতে পারেন। তবে ফুল যেটাই দেন সুন্দর এবং পছন্দের ফুল দেবার চেষ্টা করুন। 

ইসলামিক গান গাইলে অযু ভাঙ্গবে কি ?

JaberAhsan
Jun 3, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

কোনো বাজনা না বাজিয়ে ইসলামিক গান গাইলে অযু ভাঙ্গবে না।

হাড় ভাংগা?

JaberAhsan
Jun 3, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

মানুষের কথায় কান না দিয়ে দ্রুত একজন হাড় বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করেন। আপনার কি সমস্যার কারণে এরকম ব্যাথা হচ্ছে তা নিদিষ্ট করে পরিক্ষা করে বলতে হবে। তবে আপনার হাড় ভাঙ্গার কারণেই এমনটা হচ্ছে সম্ভব্য স

সাহাবীঃ যে ব্যক্তি তার জীবদ্দশায় রাসূলে করীম(সাঃ) কে একটুক্ষণের জন্যে হলেও দেখেছেন,অন্তত একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং ঈমানের সাথে মৃত্যুবরণ করেছেন তিনি সাহাবী। কথাগুলো মেশকাত শরীফের ভাষায় বলা যায়।

যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে –

ক। রাসূলুল্লাহ(সাঃ)-এর সাহচর্য লাভ করেছেন বা খ। তাকে দেখেছেন এবং তার একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন অথবা গ। তাকে একবার দেখেছেন এবং ঈমানের সাথে মৃত্যুবরণ করেছেন তাকে ‘সাহাবী’ বলে।

তাবেয়ীঃ যিনি বা যারা ঈমানের সাথে কোন সাহাবীর সাহচর্য লাভ করেছেন,তার নিকট থেকে ইসলামী জ্ঞান আহরণ করেছেন এবং সাহাবীদের অনুকরণ অনুসরন করেছেন তাদেরকে ‘তাবেয়ী’ বলে। কোন কোন মুহাদ্দিসের মতে সাহাবী থেকে যিনি অন্তত একটি হাদীস রেওয়ায়েত করেছেন।

তাবে তাবেয়ীঃ একই নিয়ম অনুযায়ী যিনি বা যারা তাবেয়ীদের সাহচর্য লাভ করেছেন বা একটু সময়ের জন্যেও দেখেছেন,তাদের অনুকরণ অনুসরণ করেছেন এবং ঈমানের সাথে মৃত্যুবরণ করেছেন তারাই ‘তাবে তাবেয়ী’।

রেওয়ায়েতঃ হাদীস বা আছার বর্ণনা করাকে ‘রেওয়ায়েত’ বলে।

রাবীঃ হাদীস বা আছার বর্ণনাকারীকে ‘রাবী’ বলে।

রেওয়ায়েত বিল মা’নাঃ অর্থের গুরুত্ব সহকারে হাদীস বর্ণনা করাকে ‘রেওয়ায়েত বিল মা’না’ বলে।

রেওয়ায়েত বিল লবজিহিঃ হুবহু অর্থাৎ নবী করীম(সাঃ)-এর সাহাবী,তাবেয়ী ও তাবে তাবেয়ীনদের মুখনিঃসৃত শব্দ গুলিসহ হাদীস বর্ণনা করাকে ‘রেওয়ায়েত বিল লবজিহি’ বলে। এ ধরনের হাদীসের গুরুত্ব সব চাইতে বেশী।

মুনকার ও রেওয়ায়েতঃ যে দুর্বল বর্ণনাকারী রেওয়ায়েত বা হাদীস তদপেক্ষা সর্ব বর্ণনাকারীর রেওয়াতের পরিপন্থী হয় তাকে ‘মুনকার রেওয়ায়েত’ বলে।

দেরায়াতঃ হাদীসের মতন বা মূল বিষয়ে অভ্যন্তরীণ সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে যুক্তির কষ্টিপাথরে যে সমালোচনা করা হয় হাদীস বিজ্ঞানের পরিভাষায় তাকে দেরায়াত বলে।


 

ক) গোটা কুরাআন সমান ৩০টি পারায় বিভক্ত। হিজরী ৮৬ সালে এভাবে পারা, পারার অর্ধেক, একচতুর্থাংশ ইত্যাদি খন্ডে ভাগ করা হয়েছে। এতে পাঠকদের পক্ষে হিসাব রাখা সহজ হয়েছে।

খ) মোট ১১৪টি সূরা।

গ) মোট ৫৪০টি রুকূ।

ঘ) আয়াতের হিসাবে অনেক মতভেদ আছে। ৬০০০ থেকে ৬৬৬৬ পর্যন্ত বিভিন্ন মত আছে। এটা গণনার ধরনে পার্থক্যের ফল।

ঙ) ২৭৭৫ টি আয়াতের পুনরাবৃত্তি আছে। শব্দ সংখ্যা ৭৭, ২৭৭ বা ৭৭৯৩৪। গণনার ধরনের পার্থক্যের কারণেই শব্দ সংখ্যার ব্যাপারেও মতভেদ হয়েছে।

চ) অক্ষর সংখ্যা ৩, ৩৮, ৬০৬।

হ্যাঁ আপনাকে কেউ সাহায্য করে চাকরি নিয়ে দিলে এটা আপনার জন্য হালাল হবে। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আল্লাহতায়ালা বান্দার সাহায্যে ততক্ষণ থাকেন, যতক্ষণ সে অপর ভাইয়ের সাহায্যে থাকে।’ (মুসলিম, হাদিস : ২৩১৪)।

তবে আপনার যদি যোগ্যতা না থাকে এই চাকরি সম্পর্কে আর আপনাকে যদি কেউ উক্ত ব্যক্তির হক নষ্ট করে চাকরি নিয়ে দেয় তাহলে আপনার এবং উক্ত ব্যক্তিকে কিয়ামতের দিন আল্লাহর আদালতে জবাহিতি করতে হবে।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, প্রিয় নবী (সা.) এরশাদ করেছেন, ধ্বংস প্রশাসকের জন্য, ধ্বংস নেতৃস্থানীয় লোকদের জন্য, ধ্বংস কোষাধ্যক্ষদের জন্য। কত লোক কেয়ামতের ময়দানে আশা করবে, যেন তাদের চুলের ঝুটি যদি সুরাইয়া তারকার সঙ্গে বেঁধে দেয়া হতো এবং তাদের যদি আসমান ও জমিনের মাঝে ঝুলিয়ে রাখা হতো, তাহলে কতই না ভালো হতো।

রাসূল (সা.) বলেছেন প্রত্তেক ব্যক্তিকেই কিয়ামতের দিন তার নিজ নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে। তাছাড়া যদি আপনার চেয়ে যোগ্য লোক থাকে আর আপনার যদি এই চাকরিটা করার মত যোগ্যতা না থাকে তাহলে আপনি যদি কারো দ্বারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে চাকরি নিয়ে নেন তাহলে আপনার চাকরি হারাম হয়ে যাবে।

Loading...