178 জন দেখেছেন
"যৌন" বিভাগে করেছেন (376 পয়েন্ট)
পূনঃরায় খোলা করেছেন
রেফারেন্স ও ব্যাখ্যামূলক উত্তর চাই।

1 উত্তর

+2 টি পছন্দ
করেছেন (6,004 পয়েন্ট)
হস্তমৈথুন করলে যে গুনাহ হবে! তার চেয়ে বেশি গুনাহ হবে কোনো মেয়ের সাথে যিনা করলে।

হাত বা অন্য কিছুর মাধ্যমে বীর্যপাত, স্বমৈথুন বা হস্তমৈথুন করা কিতাব, সুন্নাহ ও সুস্থ বিবেকের নির্দেশ মতে হারাম।

আল্লাহ তাআলা বলেন, যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে। তবে নিজেদের পত্নি অথবা অধিকারভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে অন্যথা করলে তারা নিন্দনীয় হবে না। আর যারা এদের ছাড়া অন্যকে কামনা করে তারাই সীমালঙ্ঘনকারী। (সূরা মুমিনূনঃ ৫-৭)

সুতরাং যে ব্যক্তি তার স্ত্রী ও অধিকারভুক্ত দাসী ছাড়া অন্য কিছু দ্বারা কামলালসা চরিতার্থ করতে চায়, সে ব্যক্তি এদের ছাড়া অন্যকে কামনা করে। বলা বাহুল্য, এই আয়াতের পরিপেক্ষিতে হস্তমৈথুন কারী সীমালঙ্ঘঙ্কারী বলে বিবেচিত হবে।

ইসলামে রয়েছে ব্যভিচারীর জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা। কিন্তু কেউ হস্তমৈথুন করলে এমন শাস্তি পায়না।

আল্লাহ তাআলা বলেন, ব্যভিচারিণী ও ব্যভিচারী ওদের প্রত্যেককে একশত বেত্রসঘাত কর। যদি তোমরা আল্লাহকে ও পরকালে বিশ্বাসী হও, তাহলে আল্লাহর বিধান কার্যকারীকরণে ওদের প্রতি দয়া যেন তোমাদেরকে অভিভূত না করে। আর মুমিনদের একটি দল যেন ওদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে।

আর এরপর তাদেরকে এক বছরের জন্য দেশ থেকে বহিষ্কার অথবা কারাদন্ডে দন্ডিত করা হবে।

এ তো হল অবিবাহিত ব্যভিচারী-ব্যভিচারিণীর শাস্তি। বিবাহিতদের শাস্তি হল তাদেরকে কোমর অবধি মাটিতে পুঁতে পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করা।

জনাব! হস্তমৈথুন অত বড় মহাপাপ না হলেও যা স্বাস্থ্যের পক্ষে দারুন ক্ষতি ও হানিকর এবং তা হারাম। আল্লাহ তাআলা বলেনঃ উপরিউক্ত আয়াতে আগেও বলা হয়েছে যে, যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে, তবে নিজেদের পত্নী অথবা অধিকারভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে অন্যথা করলে তারা নিন্দিত হবে না এবং তাছাড়া অন্যান্য পথ অবলম্বন করলে তারা হবে সীমালংঘনকারী।

সুতরাং হস্তমৈথুন এক প্রকার সীমালংঘন; যা মহাপাপ। তাছাড়া আল্লাহর রাসূল (সাঃ) যখন সামর্থ্যবান যুবকদেরকে বিবাহ করতে বললেন, তখনই অসামর্থ্যবান যুবককে রোযা রাখার নির্দেশ দিলেন। যাতে যৌন-তাড়নায় যুবকদল কোনরূপ বেয়াড়া না হয়ে যায়। পক্ষান্তরে এতে হয়তো ক্ষণিকের যৌনস্বাদ আছে কিন্তু এর পশ্চাতে আছে মহালাঞ্ছনা, মহাপরিতাপ।

শরীয়ত যেমন সর্বপ্রকার ব্যভিচারকে হারাম ঘোষণা করেছে তেমনি ব্যভিচারের কাছ ঘেঁসতে, অবৈধ যৌনাচারের নিকটবর্তী হতে নিষেধ এবং এর সমস্ত ছিদ্র-পথ বন্ধ করতে আদেশ করেছে। কারণ, যে পথ হারামে নিয়ে যায় সে পথে চলাও হারাম।

[গুগল থেকে সংগ্রহ করে আংশিক সম্পাদনা করা হয়েছে]
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

3 টি উত্তর
01 জানুয়ারি "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Little boy (19 পয়েন্ট)
3 টি উত্তর

288,959 টি প্রশ্ন

374,447 টি উত্তর

113,287 টি মন্তব্য

157,523 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...