বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
128 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন (72 পয়েন্ট)
পূনঃরায় খোলা করেছেন
উত্তর কমপক্ষে ৭-১০ বাক্যের মধ্যে হতে হবে।
করেছেন (72 পয়েন্ট)
ভাই,এটি অনুধাবনমুলক প্রশ্ন।অর্থাৎ একটি সৃজনশীল প্রশ্নের ২য় প্রশ্ন।এর উত্তর ৭-১০বাক্যের মধ্যে হলে ভালো হবে।

4 উত্তর

+2 টি পছন্দ
করেছেন (4,430 পয়েন্ট)
মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য ৩টিঃ মিথ‍্যা কথা বলা, আমানতের খেয়ানত করা, ওয়াদা ভঙ্গ করা। অর্থাৎ মিথ‍্যাবাদী, আমানতের খেয়ানতকারী আর ওয়াদা ভঙ্গকারী মুনাফিকের অন্তর্ভুক্ত। মহান আল্লাহ বলেন, মুনাফিকরা জাহান্নামের নিম্নস্তরে থাকবে। জাহান্নাম ৭টি তথা জাহান্নামের স্তর ৭টি। জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তর বলতে সর্বনিকৃষ্ট জাহান্নামকে বুঝানো হয়েছে। মুনাফিকরা মুসলমান হয়েও সবসময় শয়তান বা কাফেরদের পক্ষে অবস্থান করে। এরা দ্বিমুখী নীতিবিশিষ্ট। অর্থাৎ এরা কথায় মুসলমানদের পক্ষে থাকে আর কাজে শয়তান বা কাফেরদের পক্ষে অবস্থান করে। এরা মুসলমানদের গোপন শত্রু, বিশ্বাসঘাতক। শয়তান মুসলমানদের সাথে প্রকাশ‍্যে শত্রুতা করে, তাই সে আমাদের প্রকাশ‍্য শত্রু। পক্ষান্তরে, মুনাফিকরা মুখে বা কথায় আমাদের সাথে থাকলেও অন্তরে শত্রুতা পোষন করে এবং কাফেরদের সাথে মিলিত হয়ে আমাদের ক্ষতি করে। তাই এরা আমাদের গোপন শত্রু। প্রকাশ‍্য শত্রু থেকে সহজে বাঁচা গেলেও গোপন শত্রু থেকে সহজে বাঁচা যায় না। বাঙালি হয়েও যেমন রাজাকাররা পাকিস্তানী হানাদারদের সাথে মিলিত হয়ে বাঙালিদের ক্ষতি করেছে, ঠিক তেমনি মুসলমান হয়েও মুনাফিকরা কাফের, ইহুদি, নাসারাদের সাথে মিলিত হয়ে মুসলমানদের ক্ষতি করে। নবাব সিরাজ-উদ্দৌলার সেনাপতি হয়েও যেমন মীর জাফর ইংরেজদের সাথে মিলিত হয়ে সিরাজ-উদ্দৌলা ও বাংলার ক্ষতি করেছে, ঠিক তেমনি মুসলমান হয়েও মুনাফিকরা কাফের, ইহুদি, নাসারাদের সাথে মিলিত হয়ে মুসলমানদের ক্ষতি করে। মুনাফিকরা কথায় মুসলমানদের পক্ষে থাকে আর কাজে কাফের, ইহুদি, নাসারাদের পক্ষে অবস্থান করে। এই ঘৃণ‍্য দ্বিমুখী নীতিবিশিষ্ট হওয়ার কারণে মহান আল্লাহ মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও তথা মুসলমানের ঘরে জন্মলাভ করা সত্ত্বেও মুনাফিকদের জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে বা সর্বনিকৃষ্ট জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত করবেন। ধন‍্যবাদ।
+1 টি পছন্দ
করেছেন (17,359 পয়েন্ট)

কুরআন ও সুন্নার আলোকে মুনাফিকির পরিচয় ও পরিণাম তুলে ধরা হলো-মুনাফিক কারামুনাফিকের পরিচয় সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, ‘তারা যখন ঈমানদার লোকদের সঙ্গে মিলিত হয় তখন বলে আমরা ঈমান এনেছি। কিন্তু যখন নির্জনে তারা তাদের শাইতানদের সঙ্গে মিলিত হয় তখন তারা বলে, আসলে আমরা তোমাদের সঙ্গেইে আছি, আর আমরা তাদের সঙ্গে ঠাট্টাই করি মাত্র।  হজরত আব্দুল্লাহ বিন আমর রাদিয়াল্লাহ আনহু হতে বর্ণিত যে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, চারটি স্বভাব যার মধ্যে থাকে সে খাঁটি মুনাফিক। আর যার মধ্যে উক্ত স্বভাবগুলোর কোন একটি থাকে, তা ত্যাগ না করা পর্যন্ত তার মধ্যে মুনাফিকির একটি স্বভাব থেকে যায়- ১. তার কাছে কোনো আমানত রাখলে খিয়ানত করে ২. সে কথা বললে মিথ্যা বলে ৩. ওয়াদা করলে ভঙ্গ করে ৪. ঝগড়া করলে গাল-মন্দ করে। সুতরাং মুনাফিকদের পরিণামও ভয়াবহ। এ ব্যাপারেও কুরআন ও সুন্নায় কঠোর ভাষায় হুশিয়ারি দেয়া হয়েছে।মুনাফিকির পরিনামআল্লাহ বলেন, ‘হে নবি! কাফির ও মুনাফিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ করুন এবং তাদের সম্পর্কে কঠোর নীতি অবলম্বন করুন। আর তাদের পরিণতির হচ্ছে জাহান্নাম এবং তা অত্যন্ত নিকৃষ্ট স্থান। আল্লাহ আরো বলেন, নিশ্চয়ই মুনাফিকরা জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্থানে অবস্থান করবে। আল্লাহ ওয়াদা করেছেন, মুনাফিক পুরুষ ও মুনাফিক নারীদের এবং কাফেরদের জন্য রয়েছে দোজখের আগুন। তাতে তারা চিরদিন থাকবে। সেটাই তাদের জন্যে যথেষ্ট। আর আল্লাহ তাদের প্রতি অভিসম্পাত করেছেন এবং তাদের জন্যে রয়েছে স্থায়ী আজাব।

করেছেন (4,733 পয়েন্ট)
প্রশ্নকর্তা উত্তর কিন্তু অল্প বাক্যের মধ্যে চেয়েছেন।  
করেছেন (5,597 পয়েন্ট)

উত্তর অল্প বাক্যে নয় বরং কমপক্ষে ৭-১০ বাক্যে চাওয়া হয়েছে। 

করেছেন (4,733 পয়েন্ট)

@Mehjabin, অনুগ্রহপূর্বক প্রশ্নকর্তার মন্তব্যের দিকে খেয়াল করুন। আশা করছি, সঠিক বিষয়টি অবগত হতে সক্ষম হবেন।

0 টি পছন্দ
করেছেন (7,631 পয়েন্ট)
মুনাফিকরা থাকবে জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে, তুমি তাদের জন্য কক্ষনো কোন সাহায্যকারী পাবে না। (সূরা নিসাঃ ১৪৫)

উক্ত আয়াতে মুনাফিকদের ঠিকানার কথা বলছেন, তারা জাহান্নামের অতল তলে থাকবে। কারণ হলো তারা যখন কথা বলে তখন মিথ্যা কথা বলে।

তারা যখন প্রতিশ্রুতি দেয় তখন তা ভংগ করে।

তাদেরর নিকট যখন কোন জিনিস আমানত রাখা হয় তখন সে তার খিয়ানত করে।

এ জন্যই উক্ত কর্মের শাস্তি হিসাবে কুরআনে বলা হয়েছেঃ মুনাফিকের স্থান জাহান্নামের সর্ব নিম্নস্তরে।
0 টি পছন্দ
করেছেন (5,975 পয়েন্ট)
১ নাম্বার কারণ- মুনাফিক বা নিফাক কারী  ব্যাক্তি মুসলিমের শত্রু। তার থেকেও বড় কথা তারা মিথ্যাবাদী।  (সূরা আল-মুনাফিকুন, ১)

২ নাম্বার কারণ মুনাফিক ব্যক্তি যেহেতু মুসলিম ভাইয়েদের সাথে বন্ধুর মতো থাকে কিন্তু তারা আসলেই শত্রু আর আমরা জানি দৃশ্যমান শত্রুর থেকে অদৃশ্য শত্রু ভয়ংকর হয়।  যাকে বিশ্বাস ঘাতক বলা যায়। 

এদের মধ্যে প্রায় সকল খারাপ গুনই উপস্থিত। নিজেদের স্বার্থের জন্য সব করতে পারে । 

এদের জন্য অনেক মুমিন ব্যক্তি বিপদে পড়ে।মুমিনদের ইমান ধ্বংস করাই এদের কাজ।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

3 টি উত্তর
07 জুন "ঈমান ও আক্বীদা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Badshah Niazul (4,430 পয়েন্ট)

312,942 টি প্রশ্ন

402,502 টি উত্তর

123,638 টি মন্তব্য

173,341 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...