বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
293 জন দেখেছেন
"সাধারণ" বিভাগে করেছেন (11 পয়েন্ট)
bumped করেছেন
করেছেন (4,878 পয়েন্ট)
পৃথিবীর সৃষ্টির শুরু থেকেই আরবি ভাষা ছিলো। আরবি ব‍্যতীত অন‍্য সব ভাষা সময়ের পরিক্রমায় মানুষের দ্বারা সৃষ্টি হলেও আরবি ভাষা কোনো মানুষের দ্বারা সৃষ্টি হয়নি। এই ভাষার স্রষ্টা মহান আল্লাহ তায়ালা নিজেই। যখন পৃথিবীতে কোনো মানুষ ছিলো না, তখনো এ ভাষা ছিলো। তবে সেটা পৃথিবীতে নয়, জান্নাতে, আল্লাহ তায়ালার আরশে আজীমে। মহান আল্লাহ ও ফেরেশতাগণের মধ‍্যে তখনো এই আরবি ভাষা বজায় ছিলো। মহান আল্লাহ হযরত আদম (আঃ)-কে সৃষ্টির অনেক আগেই তাঁর পবিত্র আরশে আজীমে পবিত্র কালেমা 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মোহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (সাঃ)' লিখে রাখেন। এই পবিত্র কালেমার ভাষা কিন্তু আরবি। মহান আল্লাহ হযরত আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করার পূর্বে পবিত্র আরবি ভাষাতেই ফেরেশতাগণের সাথে কথা বলেন। মহান আল্লাহ তখন এই ভাষাতেই মানুষ সৃষ্টি করার বিষয়ে এবং পৃথিবীতে তাঁর প্রতিনিধি পাঠানোর বিষয়ে ফেরেশতাদের সাথে আলোচনা করেন। মহান আল্লাহ জান্নাতের মধ‍্যে পৃথিবীর মাটি দিয়ে হযরত আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করেন। এই জান্নাতের ভাষা কিন্তু আরবি। মহান আল্লাহ হযরত আদম (আঃ)-এর মাটির দেহে যখন রূহ প্রদান করেন, তখন হযরত আদম (আঃ) জীবন লাভ করেন। জীবনের শুরুতেই হযরত আদম (আঃ) দুচোখ খুলে পবিত্র আরশে আজীমে লেখা পবিত্র কালেমা 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মোহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (সাঃ)' দেখতে পান, যার ভাষা আরবি। হযরত আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করার পরে মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁকে জ্ঞানের যাবতীয় বিষয় সম্পর্কে (আরবি ভাষায়) শিক্ষা প্রদান করেন। হযরত আদম (আঃ)-এর জ্ঞান শিক্ষা সম্পন্ন হলে মহান আল্লাহ ফেরেশতাগণকে (আরবি ভাষায়) নির্দেশ দেন হযরত আদম (আঃ)-কে সেজদা করার জন‍্য। সকল ফেরেশতা হযরত আদম (আঃ)-কে সেজদা করলেও ফেরেশতাদের সর্দার অহংকারী ইবলিশ আল্লাহর নির্দেশ অমান‍্য করে তা থেকে বিরত থাকে। ফলশ্রুতিতে, আল্লাহ ইবলিশকে অভিশপ্ত শয়তানে পরিণত করে দেন। হযরত আদম (আঃ) জান্নাতে একা বসবাস করতে থাকেন। মহান আল্লাহ তায়ালা পরবর্তীতে হযরত আদম (আঃ)-এর একাকীত্ব দূর করার জন‍্য তাঁর বুকের বাম পাজরের বাঁকা হাড় দিয়ে তাঁর সঙ্গিনী হযরত হাওয়া (আঃ)-কে সৃষ্টি করেন‌। এমনটি করার কারণ, যাতে তাঁরা উভয়ে উভয়ের নিকট শান্তি পেতে পারে। হযরত আদম (আঃ) ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে সুন্দরী রমণী হযরত হাওয়া (আঃ)-কে তাঁর কাছাকাছি দেখে ধরতে যান। কিন্তু মহান আল্লাহ তায়ালা হযরত হাওয়া (আঃ)-কে স্পর্শ করা থেকে তাঁকে বিরত রাখেন। কেননা, বিবাহ পূর্ব কোনো বেগানা নারীকে স্পর্শ করা হারাম। তখন থেকেই সর্বপ্রথম পর্দার সূত্রপাত ঘটে। এরপর নিজে কাজী হয়ে মহান আল্লাহ তায়ালা হযরত আদম (আঃ) ও হযরত হাওয়া (আঃ)-এর মধ্যে বিবাহ সম্পন্ন করেন। হযরত আদম (আঃ) এবং হযরত হাওয়া (আঃ) জান্নাতে বসবাস করতে থাকেন। পরবর্তীতে শয়তানের প্ররোচনায় পড়ে নিষিদ্ধ গন্ধম ফল খাওয়ার ফলে মহান আল্লাহ তায়ালা হযরত আদম (আঃ) এবং হযরত হাওয়া (আঃ)-কে জান্নাত থেকে দুনিয়াতে পাঠিয়ে দেন। মহান আল্লাহ তায়ালা হযরত আদম (আঃ)-কে শ্রীলঙ্কার সন্দ্বীপে আর হযরত হাওয়া (আঃ)-কে সৌদি আরবের জেদ্দায় পাঠিয়ে দেন। প্রায় সাড়ে ৩০০ বৎসর কান্নাকাটি ও রাব্বানা দোয়ার মাধ্যমে ক্ষমা প্রার্থনা করার পরে যখন হযরত আদম (আঃ) পবিত্র কাবার মাটিতে পৌছে পবিত্র আরশে আজীমে দেখা পবিত্র কালেমা 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মোহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (সাঃ)'-এর উসীলায় ক্ষমা প্রার্থনা করেন, তখন মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁদের উভয়কেই ক্ষমা করে দেন। হযরত আদম (আঃ) হলেন পৃথিবীতে সর্বপ্রথম কালেমা পাঠকারী ব‍্যক্তি। ক্ষমা পাওয়ার পরপরই হযরত আদম (আঃ) মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ের জন‍্য পবিত্র কাবার মাটিতে দুই রাকাত নামাজ আদায় করে নেন। তখন থেকেই সর্বপ্রথম নামাজের সূত্রপাত ঘটে। প্রায় সাড়ে ৩০০ বৎসর পর পৃথিবীর প্রথম মানব হযরত আদম (আঃ) এবং পৃথিবীর প্রথম মানবী হযরত হাওয়া (আঃ) সৌদি আরবের আরাফাত নামক ময়দানে মিলিত হোন। তাঁরা একসাথে সৌদি আরবে বসবাস করা শুরু করেন। ফলে তখন থেকে সৌদি আরবেই সর্বপ্রথম মানবসভ্যতার বিকাশ ঘটে। তাঁদের ১৪০ জোড়া সন্তান হয়, তন্মধ্যে আলোচিত সন্তান হলো হাবিল, কাবিল, আকলিমা, গাজাহ। হাবিল-কাবিলের মাধ্যমে পৃথিবীতে সর্বপ্রথম কুরবানীর সূত্রপাত ঘটে। হাবিলের কুরবানী কবুল হয়, কিন্তু কাবিলের কুরবানী কবুল হয়নি। পরবর্তীতে অনেক নবী-রাসূল কুরবানী করেছেন। তন্মধ্যে, মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইবরাহীম (আঃ) এবং ভাই হযরত ইসমাঈল (আঃ)-এর কুরবানী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সর্বশেষ হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এবং তাঁর বিদায়ের পর তাঁর উম্মত মুসলিম জাতি কুরবানী পালন বজায় রেখেছে। যাইহোক, কাবিল শয়তানের ধোঁকায় পড়ে তাঁর ভাই হাবিলকে হত্যা করে ফেলে। কাবিল পৃথিবীর প্রথম হত‍্যাকারী ব‍্যক্তি এবং হাবিল পৃথিবীর প্রথম মৃত্যুবরণকারী ব‍্যক্তি। হাবিলের কবরই পৃথিবীর প্রথম কবর। হযরত আদম (আঃ) এবং হযরত হাওয়া (আঃ) এর একটি বেজোড় সন্তানও হয়। তাঁদের ঔরসজাত একমাত্র ঐ বেজোড় সন্তানটিই পরবর্তীতে নবী ও রাসূল হয়েছিলেন, তাঁর নাম হলো হযরত শীস (আঃ)। হযরত আদম (আঃ) এবং হযরত হাওয়া (আঃ) মহান আল্লাহর নির্দেশে সর্বপ্রথম পবিত্র কাবার মাটিতে কাবাঘর নির্মাণ করেন, যা পৃথিবীর সর্বপ্রথম ঘর। এরপর সর্বপ্রথম উভয়েই এ ঘর তাওয়াফ করেন। হযরত নূহ (আঃ)-এর মহাপ্লাবন পর্যন্ত এ ঘর অক্ষত অবস্থায় ছিলো। পরবর্তীতে অনেক নবী-রাসূল এ ঘর সংস্কার করেন। তন্মধ্যে, মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইবরাহীম (আঃ) এবং ভাই হযরত ইসমাঈল (আঃ) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সর্বশেষ হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) দুনিয়াতে এসে কাবাঘর থেকে ৩৬০টি মূর্তি অপসারণ করে কাবাঘর সংস্কার করেন। হযরত আদম (আঃ) এবং হযরত হাওয়া (আঃ) সৌদি আরবে বসবাসকালীন সময়ে আল্লাহর শিখানো আরবি ভাষায় কথা বলতেন বলেই, সৌদি আরবের ভাষা তখন থেকে এখনো আরবি আর তা কিয়ামত পর্যন্ত বজায় থাকবে। অর্থাৎ পৃথিবীর শুরু থেকেই আরবি ভাষা ছিলো এবং কিয়ামত পর্যন্ত তা পৃথিবীতে বজায় থাকবে। যখন মানবজাতি বাড়তে থাকলো, যখন পৃথিবীর সব জায়গা মানবজাতির পদচারণায় মুখর হয়ে উঠলো, তখন মানুষ নানা ধরণের নতুন জাতিতে বিভক্ত হয়ে নানা ধরণের নতুন ভাষা, নতুন ধর্ম তৈরি করে নিয়েছে। নবী ও রাসূল হযরত আদম (আঃ) এবং হযরত শীস (আঃ) সৌদি আরবে বসবাস করার কারণে এবং তাঁদের ভাষা আরবি হওয়ার কারণে, তাঁদের উপর আল্লাহর নাযিলকৃত সর্বপ্রথম আসমানী কিতাব বা ইসলামী ধর্মগ্রন্থসমূহের ভাষাও ছিলো আরবি। অনুরূপ, সর্বশেষ নবী ও রাসূল হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) সৌদি আরবে বসবাস করার কারণে এবং তাঁর ভাষা আরবি হওয়ার কারণে, তাঁর উপর আল্লাহর নাযিলকৃত সর্বশেষ আসমানী কিতাব বা ইসলামী ধর্মগ্রন্থ কুরআনের ভাষাও আরবি। অতএব, সর্বপ্রথম দেশ, মানব, মানবী, নবী, রাসূল ও ইসলামী ধর্মগ্রন্থের ভাষা যেমন আরবি, অনুরূপ সর্বশেষ নবী, রাসূল ও ইসলামী ধর্মগ্রন্থের ভাষাও আরবি। পৃথিবীর শুরু থেকেই ইসলাম ছিলো। হযরত আদম (আঃ) এবং হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) সহ সকল নবী-রাসূলগণই আল্লাহর মনোনীত একমাত্র ধর্ম ইসলাম প্রচার করেছেন। ইসলাম ব‍্যতীত পৃথিবীতে যতো ধর্ম রয়েছে, সব মানব রচিত। ইসলাম ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মহান আল্লাহ নিজেই। পবিত্র কুরআন আল্লাহর নাযিলকৃত সর্বশেষ ইসলামী ধর্মগ্রন্থ যা কিয়ামতের পরেও অবিকৃত অবস্থায় থাকবে, কারণ এর হেফাজতকারী মহান আল্লাহ তায়ালা নিজেই। হযরত আদম (আঃ)-কে সৃষ্টির অনেক আগেই পবিত্র কুরআন মহান আল্লাহর দ্বারা লাওহে মাহফূজে আরবি ভাষায় সংরক্ষিত ছিলো, যা পরবর্তীতে হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)-এর উপর সেই ভাষাতেই মহান আল্লাহ তায়ালা নাযিল করেন। আল্লাহ, মোহাম্মদ (সাঃ), ইসলাম, কুরআন, আখিরাত, কিয়ামত, হাশর, মিযান, পুলসিরাত, জান্নাত, জাহান্নাম এই শব্দগুলো কিন্তু আরবি ভাষার। মৃত্যুর পরের জীবনে মানুষ আরবি ব‍্যতীত অন‍্য কোনো ভাষা ব‍্যবহার করবে না। কবরে সওয়াল-জওয়াব হবে আরবীতে, জান্নাতের ভাষা আরবি, জাহান্নামের ভাষা আরবি। তাই সব দিক বিশ্লেষণ করলে, আরবিই পৃথিবীর প্রথম ভাষা, মহান আল্লাহর প্রতিষ্ঠিত সবচেয়ে সম্মানীয় ভাষা। তবে মানবসৃষ্ট অন‍্যসব ভাষায় প্রার্থনা করলেও আল্লাহ তায়ালা তা কবুল করেন। কারণ, বান্দা যে ভাষায়ই আল্লাহকে ডাকুক না কেনো আল্লাহ তা বুঝতে পারেন, তার ডাকে সাড়া দেন। আল্লাহকে যে স্মরণ করে, আল্লাহ তায়ালাও তাকে স্মরণ করেন। তবে আল্লাহর মনোনীত একমাত্র ইসলাম ধর্ম ব‍্যতীত মানবসৃষ্ট অন‍্য কোনো ধর্ম পালন করলে, আল্লাহ তায়ালা তাকে পরকালে শাস্তি দিবেন। কারণ, মানবসৃষ্ট অন‍্যসব ধর্ম আল্লাহ, হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এবং ইসলামের ঘোর বিরোধী। আল্লাহ আমাদেরকে তাঁর মহান ভাষা শিখার তাওফিক দান করুন, মাতৃভাষার পাশাপাশি সেই ভাষায় কুরআন ও হাদীস পাঠের তাওফিক দান করুন এবং তাঁর একমাত্র মনোনীত ইসলাম ধর্ম পালন করার তাওফীক দান করুন। আমিন। ধন‍্যবাদ।

2 উত্তর

+2 টি পছন্দ
করেছেন (1,198 পয়েন্ট)
বিজ্ঞানের মতে, পৃথিবী শুরুর থেকে কোনো ভাষা ছিল না।মানুষ জন্ম কালের সময় গুলোতে মানুষ আলাদা আলাদা বন্য পশুর মতো বিচ্ছিন্ন ভাবে বসবাস করত।তারা ফল খেত এবং বীজ ফেলে রাখত মেয়েরা লক্ষ করত যে বীজ থেকে চারা এবং ঐ ফল জন্মাতে। । পরে তারা চাষ শুরু করে পছন্দ মতো পুরুষ কে নিয়ে থাকত।এভাবে অনেক মানুষ একসাথে থাকা শুরু করল।ফলে যোগাযোগের প্রয়োজন পরে ইশারা অঙ্গ ভঙ্গি ইত্যাদির মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করত।পরে এভাবেই ভাষার সৃষ্টি।তবে কোন ভাষা আগে জন্ম নিয়েছে এ নিয়ে মতভেদ আছে।ইসলাম,খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বিরা প্রাচীন আরবি আর গ্রীসরা প্রাচীন প্রাচ্য গ্রিক ভাষাকে প্রথম ভাষা বলে থাকে।বিজ্ঞান বলে প্রথম ভাষা "ইশারা ইঙ্গিতের ভাষা"।
করেছেন (3,740 পয়েন্ট)
পূনঃপ্রদর্শিত করেছেন
সকল ধর্মই নিজেকে প্রথম বলে দাবী করে কাজেই সেই ধর্মের ধর্মীয় গ্রন্থগুলো যে ভাষায় আছে সেই ভাষাকে প্রথম বলে দাবী করে যা একদমই ভুল, ইসলামেও তেমনি আরবী ভাষা প্রথম নয়। কোরআন নাযিলের আগে আরও নবী এসেছেন, গ্রন্থ নাযিল হয়েছে তার সব কি আরবী? 

আমরা আসলে ভালবাসার আবেগে আরবীই সব বলে উচুতে তুলে ধরতে চাই। এটা ঠিক নয়।
করেছেন (1,198 পয়েন্ট)
ঠিক বলেছেন। আল্লাহ কুরআনে বলেছেন:"আমি প্রত্যেক জাতির জন্যই পথপ্রদর্শক পাঠিয়েছি"।আয়াত থেকে বোঝা যায় যে সব কিতাবের ভাষা আরবি ছিল না।বরং ভিন্ন ভাষাও ছিল।আর মানুষের অনুমান তো সব সময়ই ঠিক হয়না।আসল সত্যটা সৃষ্টিকর্তাই জানে।
0 টি পছন্দ
করেছেন (220 পয়েন্ট)
বিজ্ঞানের যুক্তি অনুযায়ী, পৃথিবীতে সর্ব প্রথম ছিল "সাংকেতিক ভাষা"। মানুষ হাতের ইশারার মাধ্যমে একজন অন্য জনের ভাষা/চাহিদা বুঝতো এবং এটাই যৌক্তিক মতবাদ।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
24 মে "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Badshah Niazul (4,878 পয়েন্ট)
1 উত্তর
28 এপ্রিল "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন আহমেদ মীর (20 পয়েন্ট)

322,730 টি প্রশ্ন

413,249 টি উত্তর

128,055 টি মন্তব্য

177,742 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...