বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
69 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (15,856 পয়েন্ট)

2 উত্তর

+2 টি পছন্দ
করেছেন (4,426 পয়েন্ট)
●আজান দ্বারা মসজিদে নামাজ পড়তে আসার জন‍্য আহ্বান করা হয়। আর ইকামত দ্বারা ফরজ নামাজ পড়ার জন‍্য আহ্বান করা হয়। ●ফজরের আজানে 'আস সালাতু খাইরুম মিনান নাউন' বলা হলেও, ইকামতে তা বলা হয় না। ●ইকামতে 'ক্বাদ কামাতিস সালাহ' বলা হলেও আজানে তা কখনোই বলা হয় না। ●আজান হওয়ার সাথে সাথে মানুষ নামাজ পড়ার জন‍্য মসজিদে আসতে শুরু করে। আর ইকামত হওয়ার সাথে সাথে মানুষ ফরজ রাকাত আদায়ের জন‍্য কাতারবদ্ধভাব দাঁড়িয়ে যায়। ●আজান হওয়ার সাথে সাথে নামাজ শুরু হয় না, নির্দিষ্ট সময়ে নামাজ শুরু হয়। পক্ষান্তরে, ইকামতের পরপরই নামাজ শুরু হয়ে যায়। ●এছাড়া আজান ও ইকামতের মধ‍্যে কোনো পার্থক‍্য নেই। আজান ও ইকামতের বাক‍্যগুলোতে মিল রয়েছে। ধন‍্যবাদ।
0 টি পছন্দ
করেছেন (4,728 পয়েন্ট)

আযান ফরজ এবং তা দেওয়া হল ফরজে কিফায়াহ। আল্লাহর রসূল (সঃ) বলেন, "নামাযের সময় উপস্থিত হলে তোমাদের একজন আযান দেবে, অতঃপর ইকামত দেবে এবং তোমাদের মধ্যে যে বড় সে ইমামতি করবে।" (সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬৩০) এ থেকে বোঝা যায় যে, নামজের ক্ষেত্রে আযান ও ইকামত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আযান ইসলামের অন্যতম নিদর্শন ও প্রতীক। কোনো গ্রাম বা শহরবাসী তা ত্যাগ করলে ইমাম (রাষ্ট্রপ্রধান) তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ করবেন। যেমন মহানবী (সাঃ) অভিযানে গেলে কোন জনপদ থেকে আযানের ধ্বনি শুনলে তাদের উপর আক্রমণ করতেন না। (বুখারী হাদীস নং ৬১০)

সফরে একা থাকলে অথবা মসজিদ খুবই দূর হলে এবং আযান শুনতে না পাওয়া গেলে একাই আযান ও ইকামত দিয়ে নামায পড়া সুন্নাত। (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ) আর, আ্যান ও ইকামতের মধ্যে পার্থক্য এতটুকুই যে, প্রথম আযানকে আযান বলে এবং ইকামতকে দ্বিতীয় আযান বলা হয়। (ফুটনোটঃ সুনানে নাসাঈ, হাদীস নং ৬৪৭)

আযান দেওয়ায় (মুয়াযযিনের জন্য) রয়েছে বড় সওয়াব ও ফযীলত। মহান আল্লাহ বলেন, "সে ব্যক্তি অপেক্ষা আর কার কথা উৎকৃষ্ট, যে ব্যক্তি আল্লাহর দিকে মানুষকে আহ্বান করে, সৎকাজ করে এবং বলে আমি একজন মুসলিম (আত্মসমর্পণকারী)।" (সুরা হা-মীম সেজদাহ, আয়াত নং ৩৩)

রাসূল (সঃ) বলেছেন, "আযান ও ইকামতের সময়ের কৃত প্রার্থনা আল্লাহর কাছে কবুল করা হয়" (রিয়াদুস সালেহীন, হাদীস নং ১০৪৮) এর থেকে বোঝা যায় যে, দোয়া কবুলের ক্ষেত্রে আযান ও ইকামতের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। কেননা, এ দুই সময়েই আল্লাহ তায়ালার নিকট দোয়া মঞ্জুর করা হয়।

মহোদয়, এখানে যদি আযান ও ইকামতের পার্থক্য প্রত্যক্ষরূপে তুলে ধরি, তাহলে দেখতে পাবো - আযানের সময়ে 'হাইয়্যা আ'লাল ফালাহ'-এর পরে 'ক্বদ-ক মাতিস সলাহ' বলা হয় না, আর ইকামতের সময় এটি বলা হয়। আর যদি বিষয়টি পরোক্ষভাবে দেখি, তাহলে আযান ও ইকামতের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। কেননা, নামজের সকল ক্ষেত্রেই আযান ও ইকামতের ভূমিকা অপরিসীম। তবে, নামাজের আগে আযান দেয়া ফরজে কিফায়াহ, আর ইকামত যে দিতেই হবে, এ ব্যাপারে কোনো সুন্নাহভিত্তিক আলোচনা পরিলক্ষিত হয় না।            

 

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
08 এপ্রিল "ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Sabirul Islam (7,619 পয়েন্ট)
1 উত্তর
2 টি উত্তর
08 মার্চ "ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Ashikkkt (11 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
28 নভেম্বর 2018 "ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Mohidul Hossain (542 পয়েন্ট)

312,562 টি প্রশ্ন

402,132 টি উত্তর

123,483 টি মন্তব্য

173,190 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...