130 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (4,904 পয়েন্ট)
পূনঃরায় খোলা করেছেন
যদি কোন মহিলার ইচ্ছাকৃত ভাবে জরায়ু কাটা হয়ে থাকে 

তার মেয়ে কি বিবাহ করা যাবে?

এবং সেই মহিলার হাতের রান্না কি খাওয়া যায়?

কুরআন ও হাদিসের আলোকে বলুন          
করেছেন (5,663 পয়েন্ট)
কুরআন ও হাদিসের আলোকে এই প্রশ্নের উত্তর হবেনা। ইজমাকে প্রাধান্য দিতে হবে।
করেছেন (3,297 পয়েন্ট)
আপনি কি ইজমা/কিয়াস-কে মান্য করেন?
করেছেন (5,663 পয়েন্ট)
হিজবুল্লাহ! কাকে বলছেন কথাটি?
করেছেন (3,297 পয়েন্ট)

@এম বি এইস সুমন ভাইকে, 

করেছেন (4,904 পয়েন্ট)
হ্যা মান্য করি। ইজমা কিয়াস কে মান্য করে উত্তর দিন 

1 উত্তর

2 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (4,426 পয়েন্ট)

ইসলামী শরীয়তে জন্ম বিরতি গ্রহণের উদ্দেশ্যে জরায়ু কেটে ফেলা (যাকে চিকিৎসার ভাষায় hysterectomy বলে এবং  এ পদ্ধতির মাধ্যমে নারীর জরায়ু কেটে ফেলে দেয়া হয়। যাতে গর্ভধারণের পথ রুদ্ধ হয়ে যায়।) সম্পূর্ণ হারাম।  কারণ এতে আল্লাহ তাআলার সৃষ্টির মধ্যে স্পষ্ট বিকৃত সাধন করা হয়।যা ইসলাম  সমর্থন করে না। মহান আল্লাহ তাআল ইরশাদ করেন, তুমি একনিষ্ঠ ভাবে নিজেকে ধর্মের উপর প্রতিষ্ঠিত রাখ। এটাই আল্লাহর প্রকৃতি, যার উপর তিনি মানব সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহর সৃষ্টির কোন পরিবর্তন নেই। এটাই সরল ধর্ম। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না। -সূরা রূম, আয়াত-৩০। আর আয়াতে ‍সৃষ্টির পরিবর্তন বলতে শারিরিক পরিবর্তনই উদ্দেশ্য। আযিমাবাদী রহ.কৃত তুহফাতুল আহওয়াযি ৮/২০৯। অপর দিকে রাসূল সা.-এর হাদীস: হযরত কায়েস রা. থেকে বর্ণিত,আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, একদা আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে যুদ্ধাভিযানে বের হলাম। তখন আমাদের নিকট জৈবিক চাহিদা পূরণের কিছুই ছিল না। (এতে আমরা যৌন পীড়নে ভুগতাম।) ফলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বললাম, (এ পরিস্থিতিতে) আমরা কি আমাদের যৌন শক্তি চিরতরে নিঃশেষ করে দেব না! উত্তরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা থেকে বারণ করলেন। অতঃপর আমাদের নিকট এ আয়াতটি পাঠ করলেন; অর্থ : হে মুমিনগণ! তোমরা ঐসব সুস্বাদু বস্তু হারাম করো না যেগুলো আল্লাহ তোমাদের জন্য হালাল করেছেন এবং সীমালংঘন করো না। আল্লাহ সীমালংঘনকারীদের পছন্দ করেন না। সহীহ বুখারী,হাদীস ৫০৭৫।

তাই এমন মহিলা ফাসেকা তথা গুরুতর পাপী। তাই পারত পক্ষে তার হাতের রান্না না খাওয়াই উত্তম। তবে তার মেয়েকে বিবাহ করতে কোনরূপ সমস্যা নেই। কারণ পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন-

আপনি বলুনঃ আমি কি আল্লাহ ব্যতীত অন্য প্রতিপালক খোঁজব, অথচ তিনিই সবকিছুর প্রতিপালক? যে ব্যক্তি কোন গোনাহ করে, তা তারই দায়িত্বে থাকে। কেউ অপরের বোঝা বহন করবে না। অতঃপর তোমাদেরকে সবাইকে প্রতিপালকের কাছে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। অনন্তর তিনি তোমাদেরকে বলে দিবেন, যেসব বিষয়ে তোমরা বিরোধ করতে।সূরা আনআম, আয়াত -১৬৪। তাই মেয়েটির কোন  অপরাধ করে নি। তাছাড়া মেয়েটিও যদি এমন কাজ করত তাহলেও তাকে বিবাহ করা বৈধ থাকতো। কারণ এ ধরনের কাজ হারাম যার জন্য ইসলামে শাস্তির বিধান রয়েছে তবে এর কারণে বিবাহ তে কোনরূপ প্রভাব পরে না। কারণ দুটি আলাদা আলাদ বিষয়।

 

বি.দ্র. তবে কোন অসুস্থতা জনিত কারণে জরায়ূ কর্তন করা হলে ভিন্ন কথা আর্থাৎ তা করার অনুমোদন ইসলামী শরীয়তে রয়েছে তাই (মেয়ের মায়ের) সে ক্ষেত্রে উপর্যোক্ত হুকুম প্রযোজ্য হবে না।

করেছেন (4,904 পয়েন্ট)
ধন্যবাদ........... 
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
08 মে 2016 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন DOLLAR BANGLA (50 পয়েন্ট)

282,864 টি প্রশ্ন

367,153 টি উত্তর

110,540 টি মন্তব্য

152,543 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...