53 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (1 পয়েন্ট )

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (4,397 পয়েন্ট)
বয়ঃসন্ধি এর পরবর্তী সময়ে অর্থাৎ বালেগ হওয়ার পর সবার জন্য আল্লাহর হুকুম মানা ফরয হয়ে যায়। এ সময় হতে নামাজ, রোযা ফরয হয়ে যায়।

ছেলেদের জন্য গোফ ওঠা, স্বপ্নদোষ ও বীর্যপাত এবং মেয়েদের জন্য ঋতুস্রাব, স্তনের স্ফীত হওয়া ইত্যাদি দেখা দিলে সে বালেগ বলে গন্য হবে। এগুলো না হলে ১৫ বছর বয়স হতে তাকে বালেগ গন্য করা হবে। (আল ইনায়া শারহুল হেদায়া ৮/২০১; আদ্দুররুল মুখতার ৬/১৫৩; তাফসিরে কুরতুবি ১২/১৫১)

নাফে (রহ.) হজরত ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, উহুদ যুদ্ধের দিন রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাকে (সবার সামনে) পেশ করেন, তখন আমি ১৪ বছরের বালক। (ইবনে ওমর বলেন) তিনি [মহানবী (সা.)] আমাকে (যুদ্ধে গমনের) অনুমতি দেননি। পরে খন্দকের যুদ্ধে তিনি আমাকে পেশ করেন ও অনুমতি দেন। তখন আমি ১৫ বছরের যুবক। নাফে (রহ.) বলেন, আমি খলিফা ওমর ইবনে আবদুল আজিজের কাছে গিয়ে এ হাদিস শুনালাম। তিনি বলেন, এটাই হচ্ছে প্রাপ্ত ও অপ্রাপ্ত বয়সের সীমারেখা। তারপর তিনি তাঁর গভর্নরদের লিখিত নির্দেশ পাঠালেন যে (সেনাবাহিনীতে) যাদের বয়স ১৫ হয়েছে, তাদের জন্য যেন ভাতা নির্দিষ্ট করা হয়। (বুখারি, হাদিস নম্বর- ২৬৬৪, ৪০৯৭; মুসলিম, হাদিস নম্বর- ১৮৬৮)
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

3 টি উত্তর

276,469 টি প্রশ্ন

360,027 টি উত্তর

107,519 টি মন্তব্য

147,968 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...