62 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
আমরা তিন ভাই কোন বোন নেই আমাদের, আমার বড় চাচীর দুই মেয়ে কোন ছেলে নেই, আমরা ছেলে বলে তিনি আমাদেরকে দেখতে পারেন না,এই কারণে আজকে কুড়ি বছর আমার মা এবং আমাদের পেছনে তিনি লেগে আছেন, সব সময় আমাদের প্রতি হিংসা, বিদ্বেষ, ঘৃণা প্রাকাশ করেন, তিনি এটাই বলতে চান যে পুরুষের জাতটাই খুব খারাপ এবং আমাদের ভবিষ্যত সম্পর্কে খারাপ মন্তব্য করেন, সন্তানসন্ততির বিন্যাস তো আল্লাহ ই করেন, ছেলে হয়ে জন্মেছি এটা কী আমাদের অপরাধ? তিনি আমাদের সাথে কথা বলেননা, সালাম দিলে উত্তর দেননা বরং অযৌক্তিক কারণে ঝগড়া করেন, এক সাহাবা একটি হাদিস অমান্য করার কারণে তার পুত্রের সাথে সারা জীবন কথা বন্ধ রেখেছিলেন, বিদআত এবং পাপকাজ প্রকাশের ক্ষেত্রে এটি জায়েজ, আল্লাহর বিন্যাসকে ঘৃণা করে তিনি কী পাপকাজের প্রকাশ করছেনানা, নাকি ছেলে হয়ে জন্ম নেওয়াটাই অপরাধ?

2 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (148 পয়েন্ট)
না ভাই,এটা কোনো অপরাধ না।আপনার ঐ চাচি কেবল হিংসার আগুনে জলছেন।এতে আপনি কেন চিন্তিত।আপনি তাদের থেকে দূরে থাকুন।হিংসা পতনের মূল।তাই সে যদি হিংসা করে,তাহলে তার পতন হবে।আপনি কখনো হিংসা করবেন না।সে যে কথাই বলুক না কেন,আপনি তাতে কান দিবেন না।নারী ও পুরুষ সমান মর্যাদার অধিকারী।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (3,082 পয়েন্ট)
মহান আল্লাহ তা'য়ালা পুত্র ও কন্যা, সবার ক্ষেত্রেই অনেক মর্যাদা দান করেছেন। তবে, একজন নারীকে অধিক মর্যাদা দেওয়া হলেও সেটা পুরুষের চেয়ে বেশি নয়। তাই, একথা বলা চরম বোকামি হবে যে, 'পুত্রসন্তান বলেই কি আমরা অপরাধী'। এটা আপনাদের কোনো অপরাধ নয়। আপনার চাচীমা-এর মনে অহংকারের দিকটির ইঙ্গিত পাওয়া যায়। অহংকার মানব স্বভাবের নিকৃষ্ট একটি অংশ। একে দমন করে সৎকর্মে লাগানোর মধ্যেই মানুষের কৃতিত্ব নির্ভর করে। আর, এ সম্পর্কে হাদীসে বর্ণিত আছে, "যে ব্যক্তির অন্তরে এক সরিষা দানা বা অণু পরিমান অহংকার থাকবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ১৬৭)

অহংকারের কতিপয় নিদর্শন হলোঃ
১) অন্যকে নিজের তুলনায় ছোট মনে করা।
২) অন্যের কাছে নিজের বড়ত্ব যাহির করা।
৩) অধীনস্তদের সাথে দুর্ব্যবহার করা।
৪) অন্যের আনুগত্য ও সেবা করাকে নিজের জন্য অপমানজনক মনে করা।
৫) দাম্ভিকতার সাথে সত্যকে প্রত্যাখ্যান করা।
৬) নিজের ভুলের উপরে জিদ করে অটল থাকা।
৭) মানুষের সাথে নম্রতা পরিহার করে সর্বদা কঠোর আচরণ করা।

উক্ত প্রেক্ষাপটের সকল দিকই আপনার চাচী আম্মা-এর মধ্যে বিদ্যমান রয়েছে। তাই, ত্রুটি আপনাদের নয়, বরং আপনার চাচী মায়ের। এছাড়াও, মহান আল্লাহ তা'য়ালা সুরা লুকমানের ১৮ নাম্বার আয়াতে বলেন, "তুমি মানুষের দিক থেকে তোমার মুখ ফিরিয়ে নিয়ো না। আর যমীনে দম্ভভরে চলাফেরা করো না। নিশ্চয় আল্লাহ কোন দাম্ভিক বা অহঙ্কারীকে পছন্দ করেন না। (সূরা লুকমান, আয়াত নং ১৮)।
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
1 উত্তর
15 ফেব্রুয়ারি 2014 "বাংলা দ্বিতীয় পত্র" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Ferdausi (5,276 পয়েন্ট)
1 উত্তর
31 জানুয়ারি 2014 "বিজ্ঞান ও প্রকৌশল" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন mhf312 (2,818 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
15 ডিসেম্বর 2018 "যৌন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন গোঁসাই সিং (6 পয়েন্ট)

276,469 টি প্রশ্ন

360,029 টি উত্তর

107,519 টি মন্তব্য

147,968 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...