বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
93 জন দেখেছেন
"পবিত্রতা ও সালাত" বিভাগে করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
বিভাগ পূনঃনির্ধারিত
আমার ডান পায়ে আঘাত লেগেছে । ঘরোয়া পদ্ধতি তে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছি  যার ফলে পা বেধে রাখতে হয়েছে। এবং ওযু করা সম্ভব নয়। আবার দাঁড়িয়ে বা বসেও নামায পড়তে পারব না। তাওয়াম্মুম এর নিয়ম টা বলে দিন এবং দাঁড়িয়ে বা বসে তো নামায আদায় করা সম্ভব নয় তাহলে কি ভাবে নামায আদায় করতে পারি।

2 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (1,028 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন
আপনাকে তায়াম্মুম করে নামায পড়তে হবে।আর দাঁড়াতে বা বসতে সমস্যা হলে শুয়ে নামাজ পড়তে পারবেন।এতে সমস্যা নেই।এক্ষেত্রে আপনাকে ইশারা করে নামায পড়তে হবে।
0 টি পছন্দ
করেছেন (761 পয়েন্ট)
প্রথমে দাঁড়ানো বা বসে নামাজ পড়া বিষয়ে কিছু কথা বলে মূল কথায় যাবো।

একজন মানুষ কখন দাঁড়িয়ে বা বসে নামাজ পড়তে অক্ষম বলা যাবে? এমন সমাধান ফেকাহর গ্রহনযোগ্য কিতাব গুলোতে বর্ণনা করা হয়েছে। এখানে দুই একটি দলীল উপস্থাপন করলাম;

ফাত‌ওয়ায়ে শামীতে এসেছে, যতটুকু দাড়িয়ে থাকা সম্ভব ততটুকু দাঁড়িয়ে থাকবে, যদিও তা এক আয়াত বা তার চেয়ে কম হোক।এরপর অক্ষম হলে যেভাবে সম্ভব সেভাবে পড়বে।২/৯৭

আল্লামা ইবনুল হুমাম ফাতহুল কাদীরে লেখেন; যদি নিজে দাঁড়াতে না পারে বরং কোন কিছুতে ভর দিয়ে বা কারো শরীরে ভর দিয়ে দিয়ে নামাজ আদায় করতে সক্ষম হয় তাহলে সেভাবে আদায় করতে হবে।এমন ব্যক্তির জন্য বসে নামাজ জায়েজ নয়।২/৩

এমন অবস্থা যদি বসার ক্ষেত্রে হয়, অর্থাৎ নিজে বসতে পারেনা তবে অন্যের সাহায্যে বা কোন কিছুতে হেলান দিয়ে বসতে পারে তাহলে সেভাবেই নামাজ আদায় করতে হবে।(আল মুহিতুল বুরহানি,২/২৭২)

এখন যদি হয় উপরোল্লেখিত দুই পদ্ধতির কোনটাই গ্রহণ করা সম্ভব না হয়, অর্থাৎ দাঁড়িয়ে বা বসে যেকোন পদ্ধতি অবলম্বন করলে অসুস্থতা বৃদ্ধি বা অত্যন্ত কষ্ট হয় তাহলে চেয়ারে বসে বা শুয়ে ইশারায় নামাজ আদায় করা যাবে।(আল-জাওহারা,১/৩১২) (আল-বাহরুর রায়েক,২/১২৩)

এখন আপনি নির্ণয় করে আপনার অবস্থান অনুযায়ী নামাজ আদায় করুন!

তায়াম্মুম কিভাবে করবেন।

প্রথমে যা দিয়ে তায়াম্মুম করবেন তা দিয়ে পবিত্রতা অর্জনের নিয়াত করতে হবে। এরপর,দুই হাত মাটি বা মাটি জাতীয় কোন জিনিসের উপর মেরে পুরা চেহারা মাসাহ করতে হবে। এরপর আরেকবার মেরে দুই হাতের কনুই থেকে আঙ্গুলের মাথা পর্যন্ত মাসাহ করতে হবে।

মনে রাখবেন! চেহারা এবং হাতের কোন অংশ যেন মাসাহ থেকে বাদ না পড়ে, তাহলে মাসাহ হবেনা।(শরহুল বেকায়া,১/৯০)

বি.দ্র. কোন বিষয়ে অস্পষ্ট থাকলে মন্তব্য করবেন!

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
26 ফেব্রুয়ারি "পবিত্রতা ও সালাত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন jamai (17 পয়েন্ট)
3 টি উত্তর
1 উত্তর
3 টি উত্তর

311,562 টি প্রশ্ন

401,177 টি উত্তর

123,155 টি মন্তব্য

172,727 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...