বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
93 জন দেখেছেন
"ইবাদত" বিভাগে করেছেন (15 পয়েন্ট)

4 উত্তর

+3 টি পছন্দ
করেছেন (4,777 পয়েন্ট)
কোন ব্যক্তি স্বেচ্ছায় সজ্ঞানে মুরতাদ তথা ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করলে অতীত জীবনের সকল নেক আমল রববাদ হয়ে যায়।
করেছেন (4,777 পয়েন্ট)

قُلْ هَلْ نُنَبِّئُكُمْ بِالْأَخْسَرِينَ أَعْمَالًا

বলুনঃ আমি কি তোমাদেরকে সেসব লোকের সংবাদ দেব, যারা কর্মের দিক দিয়ে খুবই ক্ষতিগ্রস্ত।

الَّذِينَ ضَلَّ سَعْيُهُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَهُمْ يَحْسَبُونَ أَنَّهُمْ يُحْسِنُونَ صُنْعًا

তারাই সে লোক, যাদের প্রচেষ্টা পার্থিবজীবনে বিভ্রান্ত হয়, অথচ তারা মনে করে যে, তারা সৎকর্ম করেছে।

أُولَئِكَ الَّذِينَ كَفَرُوا بِآيَاتِ رَبِّهِمْ وَلِقَائِهِ فَحَبِطَتْ أَعْمَالُهُمْ فَلَا نُقِيمُ لَهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَزْنًا

তারাই সে লোক, যারা তাদের পালনকর্তার নিদর্শনাবলী এবং তাঁর সাথে সাক্ষাতের বিষয় অস্বীকার করে। ফলে তাদের কর্ম নিষ্ফল হয়ে যায়। সুতরাং কেয়ামতের দিন তাদের জন্য আমি কোন গুরুত্ব স্থির করব না।

ذَلِكَ جَزَاؤُهُمْ جَهَنَّمُ بِمَا كَفَرُوا وَاتَّخَذُوا آيَاتِي وَرُسُلِي هُزُوًا

জাহান্নাম-এ টাই তাদের প্রতিফল; কারণ, তারা কাফের হয়েছে এবং আমার নিদর্শনাবলী ও রসূলগণকে বিদ্রূপের বিষয় রূপে গ্রহণ করেছে। -সূরা কাহাফ: আয়াত ১০৩-১০৬।


0 টি পছন্দ
করেছেন (72 পয়েন্ট)
সমস্ত ইবাদত ও সওয়াব নষ্ট হয়ে যাওয়ার তিনটি কারন:১। কোনো ব্যাক্তি বা বস্তুকে আল্লাহর সমতুল্য মনে করা ২। নবী সা. এর শানে বেয়াদবীমূলক আচারন করলে ৩। বড় বড় গুনাহের কারনে। যেমন সুদ খাওয়া, হস্তমৈথুন করা, ব্যাভিচার করা ইত্যাদি।
0 টি পছন্দ
করেছেন (5,337 পয়েন্ট)
কবিরা গুনাহ করলে ইমান অত্যন্ত দূর্বল হয়ে পড়ে এবং সারা জীবনের /অনেক দিনের ইবাদত-বন্দেগীর দ্বারা অর্জিত নূর নষ্ট হয়ে যায়। আর এর ভয়াবহতা এমন যে, একটি গুনাহে কবীরাই মানুষকে জাহান্নামে নেয়ার জন্যে যথেষ্ট। তাওবা ছাড়া গুনাহে কবীরা মাফ হয় না। কবীরা গুনাহকে জায়িয বা হালাল মনে করলে ঈমান চলে যায়।

নিম্নে কিছু কবীরা গুনাহের তালিকা দেওয়া হল। যথা-

(১) শিরক করা।

(২) মা-বাবাকে কষ্ট দেওয়া।

(৩) আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা।

(৪) যিনা ব্যভিচার করা।

(৫) চুরি করা।

(৬) অন্যায়ভাবে কাউকে হত্যা করা।

(৭) মিথ্যা অপবাদ লাগানো।

(৮) মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া।

(৯) না হক যাদু করা।

(১০) অঙ্গীকার ভঙ্গ করা।

(১১) আমানতের খেয়ানত করা।

(১২) গীবত করা।

(১৩) বিদ্রোহী বানানো অর্থাৎ, অধীনস্থদেরকে মালিকের বিরুদ্ধে উস্কানী দেয়া।

(১৪) নেশাযুক্ত জিনিষ পান করা।

(১৫) অবৈধ যৌন উত্তেজনা সৃষ্টি করা।

(১৬) জুয়া খেলা ও লটারী ধরা।

(১৭) সূদ খাওয়া।

(১৮) ঘুষ খাওয়া।

(১৯) জোর-জুলুম করে অর্থ-সম্পদ লুটে নেয়া।

(২০) অনাথ এতিম, বিধবার মাল খাওয়া।

(২১) আল্লাহর ঘর যিয়ারতকারীদের সাথে দুর্ব্যবহার করা।

(২২) মিথ্যা কসম খাওয়া।

(২৩) কোন মুসলমানকে গালি দেয়া — ইত্যাদি। 
0 টি পছন্দ
করেছেন (761 পয়েন্ট)
একজন মুমিনের জিবনের বড় সম্পদ হচ্ছে তাঁর আমল। তাই সেই সেই আমল যেন নষ্ট না হয় সেদিকে সর্বদা সতর্ক থাকা একান্ত প্রয়োজন। মুমিনের সারা জিবনের আমল গূলো নষ্ট বা বরবাদ হয় ধর্ম ত্যাগ,শিরিক ও কুফর করার মাধ্যমে।নিচে প্রত্যেকটির দলীল কুরআন থেকে বর্ণনা করা হলো।

(১) ধর্ম ত্যাগ বা মুরতাদ হ‌ওয়া আমল বরবাদ কারী বিষয়ে কুরআনে বর্ণিত হয়েছে; তোমাদের মধ্যে যারা নিজের দ্বীন থেকে ফিরে দাঁড়াবে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে, দুনিয়া ও আখেরাতে তাদের যাবতীয় আমল বিনষ্ট হয়ে যাবে। আর তারাই হলো দোযখবাসী। তাতে তারা চিরকাল বাস করবে।(সূরা বাকারাঃ২১৭) শেষাংশ।

(২) কুফরী আমল নষ্ট করে, এবিষয়ে কুরআনে আছে,যে ব্যক্তি বিশ্বাসের বিষয় অবিশ্বাস করে, তার শ্রম বিফলে যাবে এবং পরকালে সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।(সূরা মায়েদা,৫) শেষাংশ।

(৩) শিরিক সব আমল নষ্ট করে মর্মে কুরআনে বর্ণিত হয়েছে; আপনার প্রতি এবং আপনার পূর্ববর্তীদের পতি প্রত্যাদেশ হয়েছে, যদি আল্লাহর শরীক স্থির করেন, তবে আপনার কর্ম নিষ্ফল হবে এবং আপনি ক্ষতিগ্রস্তদের একজন হবেন।(সূরা যুমার,৬৫)

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
1 উত্তর
22 এপ্রিল 2014 "ইবাদত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Abdur Rob (447 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর

323,340 টি প্রশ্ন

413,962 টি উত্তর

128,275 টি মন্তব্য

178,040 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...