বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
91 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন (30 পয়েন্ট)
পূনঃরায় খোলা করেছেন
জোহর ও আসরের নামাজে ইমামের পিছনে কিরাত আছে কি?আর বাকি ওয়াক্তের ক্ষেত্রে??
করেছেন (5,295 পয়েন্ট)
জোহর ও আসরের নামাজে ইমামের পিছনে কি কিরাত আছে?

এ কথাটি দ্বারা আপনি কি বুঝাতে চাচ্ছেন? অনুগ্রহপূর্বক একটু পরিষ্কার করে বলুন।
করেছেন (8,184 পয়েন্ট)
আপনি কি জোহর ও আসরের নামাজে ইমামের পিছনে কিরাত পাঠের কথা বলছেন?
করেছেন (4,777 পয়েন্ট)

নামাযে মুক্তাদীগণের সূরা ফতিহা পাঠ সম্পর্কে সাহাবায়ে কেরামের বক্তব্য ও আমল:

আল্লামা বদরুদ্দিন আইনী র. তো তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ উমদাতুল ক্বারীতেপ্রায় ৮০ জন সাহাবার আমল ও বক্তব্যের কথা উল্লেখ করেছেন যাদের কেউই ইমামের পিছনে সূরা ফাতেহা পড়ার পক্ষপাতি ছিলেন না।


2 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (761 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর
হানাফী মাযহাবে যেকোন ফরজ নামাজ ইমামের পিছনে আদায় করলে মুক্তাদির কেরাত পড়তে হয়না। শুধু তাকবীর, ছানা,তাসবিহ,তাশাহহুদ,দরুদ ও দোয়া মাছুরা পড়তে হয়। এবিষয়ে দলীল গুলো নিম্নরূপ,

সূরা আল আ’রাফ:204 - আর যখন কোরআন পাঠ করা হয়, তখন তাতে কান লাগিয়ে রাখ এবং নিশ্চুপ থাক যাতে তোমাদের উপর রহমত হয়।

উল্লেখিত আয়াতে কুরআন পড়া অবস্থায় চুপ করে শুনতে বলা হয়েছে,তাই ইমাম কেরাত পড়া অবস্থায় মুক্তাদির চুপ থাকতে হয়।

নিম্নস্বরে কেরাত পড়ুক বা উচ্চস্বরে। কারণ আয়াতে দুটি নির্দেশ দেয়া হয়েছে 1.মনযোগের সাথে কুরআন শোনা।2.চুপ থাকা। উচ্চস্বরে কেরাত পড়া হলে দুটি নির্দেশ‌ই পালন করতে হয়,আর নিম্নস্বরে কেরাত পড়া অবস্থায় দ্বিতীয় নির্দেশ পালন করতে হয়।

এছাড়াও ইবনে মাজাহ 1ম খন্ড পৃষ্ঠা নং 61 মুসলিম শরীফ 1ম খন্ড পৃষ্ঠা নং 174 দেখা যেতে পারে।
+3 টি পছন্দ
করেছেন (4,777 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন

আমার মনে হয় আপনি ইমামের পিছনে কিরাত পাঠ বলতে সূরায়ে ফাতিহা পাঠ বোঝিয়েছেন। কারণ ইসলামী ফিকহ শাস্ত্রে এটি (ইমামের পিছনে সূরায়ে ফাতিহা পাঠ) কিরাত খালফাল ইমাম তথা ইমামের পিছনে কিরাত পাঠ বলে পরিচিত। তাই এ সম্পর্কে  নিম্নে আলোচনা করলাম।-

ইমামের পিছনে মুকতাদী সূরা ফাতিহা পড়বে না

কুরআনের বক্তব্য: মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআন মাজিদে ইরশাদ করেন, {وَإِذَا قُرِئَ الْقُرْآنُ فَاسْتَمِعُوا لَهُ وَأَنْصِتُوا لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ} [الأعراف: 204]

অর্থাৎ আর যখন কুরআন তেলাওয়াত করা হয় তখন তোমরা কান পেতে অত্যন্ত মনোযোগের সাথে তা শ্রবন কর এবং নীরব থাক, যেন তোমরা রহমত প্রাপ্ত হতে পার।

হাদীসের আলোকে ইমামের পিছনে মুক্তাদরি ফাতিহা না পড়া:

১- হাদীস: মুসলিম শরীফে হযরত আবূ মূসা আশআরী (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, অর্থাৎ একদা রাসূল (সা.) আমাদেরকে ওয়াজ করেন। তখন তিনি আমাদেরকে সুন্নত শিকষা দিলেন। এবং নামাযের পদ্ধতি বর্ণনা করে বললেন, যখন তোমরা নামাযে দাড়াবে তখন কাতার ঠিক করে নিবে । এরপর তোমাদেরই একজন ইমাম হবে। আর সে (ইমাম) যখন তাকবীর বলবে। তোমরাও তখন কাতবীর বলবে। তবে সে যখন কেরাত পড়বে তোমরা তখন নীরব থাকবে।

২- হাদীস: হযরত যাবের (র.) থেকে বর্ণিত, عن جابر رضی اللہ عنہ قال قال رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم: من کان لہ امام فقراءۃ الامام لہ قراءۃ- অর্থাৎ হযরত যাবের (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূল (সা:) বলেন, “যে ব্যক্তির ইমাম রয়েছে(অর্থাৎ যে ইমামের পিছনে নামায পড়বে) তার ইমামের কিরাতই তার কিরাতের জন্য যথেষ্ট হবে।এ হাদীসটি সম্পূর্ণ সহীহ এবং আমাদের মাসআলায় সর্বাধিক সুস্পষ্ট।

৩- হাদীস: عن جابر (رض) عن النبی سلی اللہ علیہ و سلم قال من سلی رکعۃ لم یقرا فیھا بام القرآن فلم یسل الا ان یکون وراء الامام অর্থাৎ হযরত যাবের (রা.) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি নামাযের এক রাকাত আদায় করে ফেলল অথচ সূরা ফাতিহা পড়ল না সে যেন নামাযই পড়ল না। তবে ইমামের পিছনে থাকলে ফাতিহা পড়বে না।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

321,926 টি প্রশ্ন

412,271 টি উত্তর

127,655 টি মন্তব্য

177,406 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...