বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
122 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (19 পয়েন্ট)
এখানে কি কন্যা সন্তানকে পুত্র সন্তানের চেয়ে অনেক বেশি মর্যাদা দেয়া হয়েছ? পুত্র সন্তানকে কি তাদের চেয়ে ছোট করা হয়েছে?

2 উত্তর

+3 টি পছন্দ
করেছেন (4,777 পয়েন্ট)
ইসলাম পূর্ব যুগে ছেলেদেরকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে মেয়েদের প্রতি অবিচার করা হতো। এবং তাদেরকে মূল্যহীন ও অলুক্ষণে মনে করা হত। ইসলাম মানুষের মাঝ থেকে উক্ত ধারণার মূল উৎপাটন করার লক্ষে এমন ফযীলত তোলে ধরেছে যে, ছেলেদের ন্যায় মেয়েরাও পৃথিবীর জন্য আলোকময় ও কল্যাণের বার্তা বাহক। তাই ছেলে সন্তানের ফযীলত সবার সামনে স্পষ্ট ছিল বিধায় মেয়ে সন্তানের কী ফযীলত তা তুলে ধরা উক্ত বাণীর মূল প্রতিপাদ্য।
0 টি পছন্দ
করেছেন (5,337 পয়েন্ট)
ইসলামে নারীদেরকে বেশি সম্মান ও মর্যাদায় গুণান্বিত করা হয়েছে, তবে সেটা পুরুষের চেয়ে বেশি নয়। এ সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেছেন, ".......নারীদের তেমন ন্যায়-সঙ্গত অধিকার আছে যেমন আছে তাঁদের উপর পুরুষদের। কিন্তু নারীদের উপর পুরুষদের কিছুটা মর্যাদা আছে। আর আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।" (বাকারা, আয়াত নং ২২৮)।

নারীদের ওপর পুরুষদের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে। দৈহিক শক্তি, চারিত্রিক মর্যাদা, হুকুম, আনুগত্য, খরচ, রক্ষণাবেক্ষণ সব দিক দিয়েই নারীদের ওপর পুরুষদের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে। মোট কথা, ইহলৌকিক ও পারলৌকিক মর্যাদা হিসাবে পুরুষদের প্রাধান্য রয়েছে।

আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে অন্য জায়গায় এরশাদ করেছেন, "পুরুষরা নারীদের ওপর তত্ত্বাবধানকারী ও ভরণপোষণকারী, যেহেতু মহান আল্লাহ্‌ তাদের মধ্যে একের ওপর অপরকে বৈশিষ্ট্য দান করেছেন এবং এটা এজন্য যে, তারা স্বীয় ধন সম্পদ হতে তাদের জন্য ব্যয় করে........।" (সূরা নিসা, আয়াত নং ৩৪)। এর থেকে বোঝা যায়, নারীদের মর্যাদা বেশি থাকলেও সেটা পুরুষদের চেয়ে বেশি নয়।
করেছেন (853 পয়েন্ট)
@হিজবুল্লাহ ইহলৌকিক ও পারলৌকিক মর্যাদা হিসাবে পুরুষদের প্রাধান্য রয়েছে কিভাবে একটু বলবেন।
করেছেন (5,337 পয়েন্ট)
সুরা নিসা-এর ৩৪ নং আয়াতে পুরুষদের কর্তৃত্ব ও দায়িত্বশীলতার দু'টি কারণ বলা হয়েছে। প্রথমটি হল, আল্লাহ প্রদত্তঃ যেমন, পুরুষোচিত শক্তি ও সাহস এবং মেধাগত যোগ্যতায় পুরুষ সৃষ্টিগতভাবেই নারীর তুলনায় অনেক বেশী। দ্বিতীয়টি হল সব-উপার্জিতঃ এই দায়িত্ব শরীয়ত পুরুষের উপর চাপিয়েছে। মহিলাদেরকে তাদের প্রাকৃতিক দুর্বলতার কারণে এবং তাদের সতীত্ব, শ্লীলতা এবং পবিত্রতার হিফাযতের জন্য ইসলাম বিশেষ করে তাদের জন্য অতীব জরুরী যে বিধি-বিধান প্রণয়ন করেছে সেই কারণেও উপার্জনের ঝামেলা থেকে তাদেরকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাই, এখানে ইহলৌকিক বলতে দুনিয়াকে বোঝায়। আর, সেখানে পুরুষদেরকেই বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।

আর, পরলৌকিক ভাবেও পুরুষদেরকেই বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। কেননা, রাসুল (সঃ) বলেছেন, "বেশিরভাগ নারীই জাহান্নামে যাবে।" এখান থেকে বোঝা যায়, পুরুষদের চেয়ে বেশিরভাগ নারী জাহান্নামে পতিত হবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। তাই, পরলৌকিক মর্যাদা হিসেবেও পুরুষদের প্রাধান্য রয়েছে একক ভাবে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

6 টি উত্তর
আমি একটি মেয়েকে ভালবাসি। আমরা অনেক বুঝিয়ে আমাদের ফ্যামিলি কে রাজি করাই বিয়ের জন্য। আমাদের আংটি বদল হয় কিন্তু মেয়ের বাবা মা চেয়েছিল আমাদের বিয়ে হয়ে যাক। কিছুদিন পরে আমার বাবা মা আমাকে বলে যে এই মেয়েকে তারা কিছুতেই বউ হিসেবে মেনে নিবেনা কারন তাদের মেয়ে পছন্দ হয়নি। কিন্তু আমি পালিয়ে গিয়ে মেয়েকে বিয়ে করে ফেলি। এখনও আমার ফ্যামিলি কিছুতেই রাজি হচ্ছে না। তারা বলছে আমি যদি মেয়েকে তালাক না দেই তাহলে আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিবে। আমি যেহেতু তাদের একমাত্র ছেলে তারা আমাকে বলেছে হয় তাদের সাথে থাকব নয়ত অই মেয়েকে নিয়ে থাকব। আমি বাবা মাকে কস্ট দিতে চাইনা আবার আমার ভালবাসার মানুস কেও কস্ট দিতে চাইনা।এখন আমি কি করব?
27 অক্টোবর 2016 "প্রেম-ভালোবাসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মাহাদি vai (11 পয়েন্ট)

323,340 টি প্রশ্ন

413,962 টি উত্তর

128,275 টি মন্তব্য

178,040 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...