73 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন (7 পয়েন্ট)
আমার বয়স ২২। অনার্স ৪র্থ বর্ষে পড়ি। আমি একজনকে ভালোবাসি।  আমরা প্রেম করতাম। কিছুদিন যাবত ধর্মের বিধিনিষেধ সম্পর্কে জানার পর আমরা সিদ্ধান্ত নেই যে আমরা আর এই সম্পর্ক রাখব না। কিন্তু আমরা একে অপরকে অনেক বেশি ভালোবাসি। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নেই যে আমরা কোন যোগাযোগ করবনা এবং আমরা যার যার মতো নিজের পরিবারকে বুঝাব, এবং আমাদের বিশ্বাস আল্লাহর রহমতে আমরা আমাদের পরিবারকে মানাতে পারব। এরপর আল্লাহ যদি চান আমরা পারিবারিক ভাবে বিয়ে করব, ইনশাল্লা।  

ও আমার সাথেই পড়ে।  তাই মাঝে মাঝে কোন দরকার পড়লে সে আমাকে মেসেজ দেয়। কিন্তু আমরা চেষ্টা করছি যে এটাও করব না। কোন যোগাযোগই করবনা।

এখন আমার প্রশ্ন হলো, আমরা কি এখনও অবৈধ সম্পর্কের সাথে লিপ্ত আছি? আমরা কি পাপের সম্পর্ক থেকে বের হতে পেরেছি?

দয়া করে স্পষ্টভাবে আমার প্রশ্নটার একটা উত্তর দিবেন।

3 উত্তর

2 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (1,274 পয়েন্ট)
প্রথমেই আপনাদের প্রশংসা করতে হবে আপনাদের এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য।যাইহোক এবার আপনার প্রশ্নের উত্তরটি দেওয়ার চেষ্টা করি।।
সব পাপের সবচেয়ে বড় প্রায়শ্চিত্ত হলো নিজের ভূল বুঝতে পারা।আপনারাও ঠিক একই কাজ করেছেন।তাই আমি মনে করি আপনারা একদম সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ও পাপ থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন।আমি সঠিকভাবে বলতে পারবো না যে আল্লাহ আপনাদের ভুলটি ক্ষমা করেছেন কিনা কিন্তু এটা ঠিক যে আপনাদের সামনে ভালো কিছু অপেক্ষা করছে।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (137 পয়েন্ট)
আল্লাহ তায়ালা বলেন আদম সন্তান সবাই গোনাহগার কিন্তু গোনাহগার দের মধ্যে তারা উত্তম যারা তওবা করে ও স্বীয় রবের ইবাদাত করে।আপনি যেহেতু নিজের ভুল বুঝতে পেরে তওবা করেছেন সেহেতু আল্লাহ পাকের ওপর ভরসা রাখেন।ইনশাআল্লাহ আল্লাহ পাক আপনাকে ক্ষমা করবেন।আপনার জন্য দোয়া করি আল্লাহ যেন আপনাকে মাফ করে দেন।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (3,159 পয়েন্ট)

এরকম সিদ্ধান্তের জন্য শুরুতেই আপনার সমাদর প্রকাশ করছি। যে ব্যক্তি ভুল কাজ-কর্ম থেকে আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন করে, তাঁর জীবনের সমস্ত গুনাহ মহান আল্লাহ তায়ালা মাফ করে দেন৷ এ সম্পর্কে তিনি পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেছেন, ‘যে তওবা করে পাপ থেকে আমার পথে ফিরে আসবে এবং ভালো কাজের চর্চা করতে থাকবে, তার পেছনের জীবনের গুনাহগুলো আমি নেক দিয়ে পরিবর্তন করে দেব। আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও দয়াময়।’ (সূরা ফোরকান, আয়াত নং ৭০)।

চিন্তা করে দেখুন! আল্লাহ তায়ালা তাঁর গুনাহগার বান্দার প্রতি কত দয়ালু। পেছনের জীবনের গুনাহ তো মাফ করে দেবেনই, আবার সেসব গুনাহকে নেকেও পরিবর্তন করে দেওয়ার ওয়াদা দিচ্ছেন। এটা সৃষ্টির প্রতি স্রষ্টার ভালোবাসার অনন্য দৃষ্টান্ত ছাড়া আর কিছু নয়। বান্দা যখন নিজের ভুল বুঝতে পেরে ভুল পথ থেকে ফিরে আসে তখন আল্লাহর চেয়ে বেশি আর কে খুশি হবে বলুন!

মহোদয়! আপনি যেহেতু নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন, তাই এখন থেকে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক জীবন গড়ার চেষ্টা করুন। আর, আল্লাহর কাছে তওবা করুন যে, এরকম কার্যকলাপ আর কখনো করবেন না। ইনশাআল্লাহ্, আল্লাহ আপনাকে মাফ করে দেবেন।
করেছেন (7 পয়েন্ট)
আমরা যোগাযোগ বন্ধ করে দিলেও আমি এবং সে নিজেদের পরিবারকে ম্যানেজ করে পারিবারিক ভাবে বিয়ে করার  আশা করছি, যদি আল্লাহ চান।

এই অবস্থায় আমি কি আল্লাহর কাছে তাড়াতাড়ি তাকে বিয়ে করার জন্য দোয়া করতে পারি?

বা এখন আমি কি করতে পারি, এই বিষয়টা সম্পূর্ন শেষ করতে। 
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
23 ডিসেম্বর 2018 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন JakariyaNahid (7 পয়েন্ট)
1 উত্তর
18 জানুয়ারি "অর্থনীতি" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন AM Eyashin (1 পয়েন্ট )

277,251 টি প্রশ্ন

360,806 টি উত্তর

107,848 টি মন্তব্য

148,517 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...