46 জন দেখেছেন
"পবিত্রতা ও সালাত" বিভাগে করেছেন (9 পয়েন্ট)
নামাজের বিষয়ে দলিল সহ উত্তর দিতে পারলে উপকৃত হবো।

অার একটি প্রশ্ন-অনেকে উত্তরে লিখেছেন যে মোবাইলে কোরঅান পড়তে ও স্পর্ষ করতে ওযু বাধ্যতামূলক নয়,অামি জানি স্পর্ষ ব্যতীত কোরঅান ওযু বিহিন পড়া যায়।এখন মোবাইলে দৃশ্যমান কোরঅান ওযু বিহিন স্পর্ষ করা যাবে কিনা? উত্তর দয়া করে কোরঅান ও হাদীস ভিত্তিক ইজমা বা কিয়াসের মাধ্যমে দেয়ার চেষ্টা করুন।

2 উত্তর

3 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (4,426 পয়েন্ট)

চার রাকাত বিশিষ্ট সুন্নতে যায়েদার প্রথম বৈঠকে শুধু তাশাহুদই পড়তে হয়। তবে দূরুদ ও দোয়ায়েমাসুরা পড়লেও নামায হবে।

পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন, (এ কুরআন) যেন কেউ পবিত্রতা অর্জন ব্যতিত স্পর্ষ না করে।- সূরা ওয়াকিয়া: আয়াত ৭৯।মহান আল্লাহ তাআলার এ ঘোষণা কেবল সরাসরি কোন আড়াল ছাড়া অবিত্রাবস্থায় কুরআন স্পর্ষ  করার ব্যাপারে। তাই মোবাইলের স্ক্রীনে দৃশ্যমান কুরআনা ওজুহীন হাতে স্পর্ষ করেও পরা যায়। কারণ স্ক্রীনের উপর একটি প্লাস্টিকের আবরণ আছে যা কুরআন ও হাতের স্পর্ষের মাঝে আড়াল। তাই সরাসরি স্পর্ষ না করার কারণে এভাবে কুরআন পড়া বৈধ। কারণ এতে কুনআনকে ওজুহীন ধরার গোনাহ হয় না। আশাকরি উত্তরটি বোঝেছেন।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (5,663 পয়েন্ট)
চার রাকাত বিশিষ্ট সুন্নতে যায়েদার প্রথম বৈঠকে শুধু তাশাহুদ পড়তে হবে।

জনাব! তিন বা চার রাকাআত বিশিষ্ট নামাযের প্রথম বৈঠকে শুধুমাত্র তাশাহুদ পাঠ করবেন এটাই উত্তম। যদি কেউ এরপর দরূদ পাঠ করে তবেও কোন অসুবিধা নেই। বিদ্বানদের মধ্যে কেউ কেউ এটাকে মুস্তাহাব বলেছেন। কিন্তু সর্বস্তরের আলেমের সর্বশুদ্ধ মত হচ্ছে নামাযের প্রথম বৈঠকে শুধুমাত্র তাশাহুদ পাঠ করবে।

আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ যখন তোমরা নামাযের শেষ বৈঠকে তাশাহুদ পাঠ শেষ করবে, তখন আল্লাহর নিকট চারটি বিষয় হতে পানাহ চাইবেঃ

(১) জাহান্নামের আযাব হতে,
(২) কবরের আযাব হতে,
(৩) জীবিত ও মৃত্যুকালে যাবতীয় ফিতনা হতে এবং
(৪) দাজ্জালের ক্ষতি হতে।

আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ পবিত্র সত্তা ছাড়া কেউ তা স্পর্শ করতে পারে না। (সূরা ওয়াকিয়াঃ আয়াত ৭৯)

অনেকেই বলেছেন আয়াতের উদ্দেশ্য এই যে, এটাকে এমন লোক, যারা হাদসে-আসগর ও হাদসে আকবর থেকে পবিত্র তারা ব্যতীত কেউ যেন স্পর্শ না করে। ওযু ছাড়া অবস্থাকে হাদসে-আসগর বলা হয়। ওযু করলে এই অবস্থা দূর হয়ে যায়। পক্ষান্তরে বীর্যস্থলনের কিংবা স্ত্রীসহবাসের পরবর্তী অবস্থা এবং হায়েয এবং নেফাসের অবস্থাকে হাদসে-আকবর বলা হয়। কিন্তু আয়াত থেকে এর সপক্ষে দলীল নেয়া খুব শক্তিশালী মত নয়।

কিন্তু বিভিন্ন হাদীস থেকে এ মতের পক্ষে দলীল পাওয়া যায়। যেমন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কুরআন সাথে নিয়ে কাফের দেশে সফর করতে নিষেধ করেছেন, যাতে তা কাফেরদের হাতে না পড়ে। (বুখারীঃ ২৯৯০)

অন্য হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমর ইবনে হাযমের কাছে লিখে পাঠিয়েছিলেন যে, কুরআনকে যেন পবিত্র ব্যক্তি ছাড়া কেউ স্পর্শ না করে। (মুয়াত্তা মালেক: ১/২৯৯)

এ ব্যাপারে আলেমগণ একমত যে, হাদসে আকবর অবস্থায় কোনভাবেই কুরআন স্পর্শ করা যাবে না।

কোরআন আর মোবাইলের মর্যাদা এক নয়। মোবাইলে দৃশ্যমান কোরঅান ওযু বিহীন স্পর্ষ করা যাবে এতে কোন সমস্যা নেই।
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

282,864 টি প্রশ্ন

367,153 টি উত্তর

110,540 টি মন্তব্য

152,543 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...