বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
56 জন দেখেছেন
"পবিত্র কুরআন" বিভাগে করেছেন (4,426 পয়েন্ট)
bumped করেছেন
করেছেন (4,426 পয়েন্ট)
◆অমুসলিম মনীষীদের দৃষ্টিতে পবিত্র কুরআন:
১★এফ এফ আরবাল নটঃ বহু চেষ্টা সত্ত্বেও আজ পর্যন্ত সারা পৃথিবীর কেউই ভাষা মাধুর্যে অপূর্ব এই গ্রন্থের সমমানের কোনই গ্রন্থ রচনা করতে পারেনি।
২★আর্থার এন ওলেস্টনঃ পবিত্র কুরআন মানব জীবনে চলার সত‍্যিকার পাথেয় এবং ভবিষ‍্যতের আশার প্রতীক।
৩★স‍্যার উইলিয়াম মুরঃ পবিত্র কুরআনে স্বাভাবিক নৈসর্গিক দলিল প্রমাণ দ্বারা আল্লাহর অস্তিত্বকে এরূপ প্রমাণিত করা হয়েছে, যা মানুষের মনকে আল্লাহর তাবেদারী এবং কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের দিকে প্রবলভাবে আকৃষ্ট করে।
৪★বসন্ত কুমার বোসঃ এটা ভাবতেই আশ্চর্য লাগে যে, (হযরত মোহাম্মদ সাঃ) এ নিরক্ষর মানুষটির মাধ‍্যমেই অবতীর্ণ হয়েছে ভাষা জাতের সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ আল-কুরআন।
৫★এডওয়ার্ড ভিজি ব্রাউনঃ আমি যতই পবিত্র কুরআনের আয়াতসমূহের বিষয়ে চিন্তা করি এবং এর অর্থ বুঝতে চেষ্টা করি, ততই আমার অন্তকরণে এর মাহাত্ম্য বৃদ্ধি পেতে থাকে। পক্ষান্তরে, যখন জেন্দাবেস্তা (পারসিকদের ধর্মগ্রন্থ) কিংবা অন‍্যান‍্য ধর্মগ্রন্থ অতীতকালের ঘটনাবলী বা কোনো গবেষণার জন‍্য অধ‍্যয়ন করি, তখন তা অন্তরে বোমাস্বরূপ মনে হয়।
৬★ডিউচঃ পবিত্র কুরআন এমন একটি মহাগ্রন্থ, যার সাহায্যে আরবীগণ আলেকজান্ডারের রোম সাম্রাজ্যের অপেক্ষায়ও বড় ভূখণ্ড জয় করেছিলো।
৭★এইচ জি ওয়েলসঃ পবিত্র কুরআন মুসলমানদেরকে এরূপ ভাতৃত্ব বন্ধনে আবদ্ধ করেছে, যা বংশগত কিংবা ভাষাগত ব‍্যবধানেও কোনো পার্থক্য সৃষ্টি করতে পারে না।
৮★এ ডেনিসন রোজঃ পবিত্র কুরআন মানব জীবনের দিশারী এবং নাগরিক আইনের নীতিমালা। বুঝতে হবে, ইসলাম তরবারির জোরে নয়।
৯★মি. বেটনলী লেনপুলঃ একটি বড় মাযহাবের জন্য যা আবশ্যক, তার সবই পবিত্র কুরআনে আছে এবং মহামানব হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)-এর মধ‍্যেও তা ছিলো।
১০★এডওয়ার্ড মোমটেটঃ পবিত্র কুরআনের গঠনশৈলী এতোটাই উন্নত যে, কোনো ভাষার অনুবাদের মাধ্যমে এর সঠিক স্বরূপ অনুধাবন করা যায় না।
১১★জার্মান দার্শনিক জনজাকরীসকঃ অমুসলিমরা যখন বিশ্বনবীর মুখে পবিত্র কুরআন শুনতো, তখন তারা অস্থির হয়ে সেজদায় পড়ে যেতো এবং ইসলাম গ্রহণ করতো।
১২★জেমস এ মিসেনারঃ পৃথিবীতে পবিত্র কুরআন সর্বাপেক্ষা অধিক পঠিত এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবনে সর্বাধিক প্রভাবিত গ্রন্থ। মানুষের মহান জীবন গড়ে তোলার জন‍্য পবিত্র কুরআন পৃথিবীতে অবতীর্ণ হয়েছে। রাষ্ট্রীয় আইন-কানুনগুলো যদি কুরআন সমর্থিত হয়, তবেই রাষ্ট্র সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হবে।
১৩★জনৈক অমুসলিম মনীষীঃ পবিত্র কুরআনের শিক্ষা হতেই দর্শন বিভাগের উদ্ভব হয়েছে এবং তা উন্নতির এরূপ চরম শিখরে পৌছেছিলো যে, যা ইউরোপের বড় বড় সাম্রাজ্যের শিক্ষাকেও অতিক্রম করেছিলো।
১৪★জন উইলিয়াম ড্রাপারঃ পবিত্র কুরআন মূল্যবান নৈতিক আদেশ ও উপদেশ পরিপূর্ণ।
১৫★প্রফেসর রেনল্ড নিকলসনঃ পবিত্র কুরআনের প্রভাবেই আরবী ভাষা সমগ্ৰ ইসলাম জগতে পবিত্র ভাষারূপে সমাদৃত হয়েছে। পবিত্র কুরআন আরবের কন্যা হত্যার বিলোপ সাধন করেছে।
১৬★হ‍্যারি গ‍্যালর্ড ডরম‍্যানঃ পবিত্র কুরআন এক চিরস্থায়ী অলৌকিক অবদান।
১৭★ ড. গস্তেওলীবাহঃ পবিত্র কুরআন মানুষের অন্তকরণে এমন এক জীবন্ত এবং শক্তিশালী ঈমানের প্রেরণা সৃষ্টি করে, যাতে সন্দেহের লেশমাত্র থাকতে পারে না।
১৮★লোরা বেভিসয়া ভ‍্যানলাইবীঃ পবিত্র কুরআনে এমন প্রজ্ঞার সমাহার দেখি, যা সর্বাপেক্ষা বুদ্ধিমান ব‍্যক্তি, সর্বশ্রেষ্ঠ দার্শনিক এবং সর্বাপেক্ষা দক্ষ রাজনীতিবিদের নিকট গ্রহণযোগ্য। পবিত্র কুরআন যে আল্লাহর বাণী, তার প্রমাণ অবতীর্ণ হবার সময় হতে আজও এটি অবিকৃতভাবে সংরক্ষিত। ইসলামের দ্রুত বিস্তৃতি কোনো অস্ত্রের দাপটে নয়।
১৯★চেসার এনসাইক্লোপিডিয়াঃ পবিত্র কুরআনে অন‍্যায়, অত‍্যাচার, অবিচার, মিথ্যা, অহংকার, অলসতা, প্রতিহিংসা, গীবত, লোভ, অপব‍্যয়, অসদুপায়ে অর্থ উপার্জন, আমানতের খিয়ানত এবং কারো সম্পর্কে খারাপ ধারণা পোষণা করা ইত‍্যাদির তীব্র নিন্দা করা হয়েছে। এটিই পবিত্র কুরআনের একটি মহান সৌন্দর্য।
২০★বেড জে এম রডওয়েলঃ এটা অনস্বীকার্য যে, পবিত্র কুরআনই সর্বোচ্চ প্রশংসার যোগ্যতা রাখে। এতে এমন এমন উপাদান আছে, যেগুলোর উপর নির্ভর করে শক্তিশালী ও বিজয়ী জাতি এবং রাষ্ট্রসমূহ গড়ে তোলা যায়।
২১★ভাষাবিদ ইমানুয়েল ডেস্কঃ পবিত্র কুরআনের সাহায্যে মুসলমানরা মহান আলেকজান্ডারের জগৎ হতে বৃহত্তর জগৎ, রোম সাম্রাজ্য হতে বৃহত্তর সাম্রাজ্য জয় করে নিয়েছে। পবিত্র কুরআনের অনুসারী মুসলমানরা এসেছে মানবজাতিকে জ্ঞানালোকে উদ্ভাসিত করতে।

1 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (4,728 পয়েন্ট)

প্রামাণ ও দলিল হিসেবে কুরআনের অবস্থান সর্বাগ্রে। ইসলামের অনুসারীরা বিশ্বাস করেন, কুরআন সকল প্রকার বিতর্ক, সন্দেহ, সংশয় ও ত্রুটির উর্ধ্বে। তবে, অবতরণের পর থেকেই সর্বযুগেই বিরুদ্ধবাদীরা কুরআনের বিভিন্ন সমালোচনা করে আসছেন।

পবিত্র কুরআন সম্পর্কে 'রয় জে গ্লোবার' বলেন, ২৪ ঘণ্টার ছয় দিনে এই মহাবিশ্ব মোটেও সৃষ্টি হয় নি। বরং তা কোটি কোটি বছর যাবৎকালের জটিল ভৌত ও রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট হয়েছে। অথচ, আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, তিনি ছয়দিনে এ পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন।

এসম্পর্কে ড. মরিস বুকাইলি তাঁর বিখ্যাত 'বাইবেল, কুরআন ও বিজ্ঞান' বইতে উপর্যুক্ত বিষয়টি সবিস্তারে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আরবিতে 'দিন' বোঝাতে যে শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে- তা হচ্ছে, 'আইয়্যাম'। 'আইয়াম' শব্দটি আরবি 'ইয়াওম' শব্দের বহুবচন।'ইয়াওম' শব্দের অর্থ 'দিন'। এটি হতে পারে ২৪ ঘণ্টার একেকটি দিন, আবার হতে পারে ২৪ ঘণ্টার চেয়ে বেশি দীর্ঘ বা সুদীর্ঘ সময়। আর মহাবিশ্ব ও পৃথিবী ছয়টি সুদীর্ঘ সময়ের মেয়াদে সৃষ্টি হয়েছে- এমন মন্তব্য বিজ্ঞানের সাথে অসামঞ্জস্য সৃষ্টি করে না।

কুরআন বিভিন্ন জায়গায় সাত আকাশের দাবি করার পাশাপাশি এক স্থানে এটিও দাবি করেছে যে, আমাদের পৃথিবীর মতো মোট ৭ টি পৃথিবী আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন। সমালোচকগণের দ্বারা এই আয়াত বৈজ্ঞানিকভাবে ত্রুটিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি উত্তর
2 টি উত্তর
0 টি উত্তর

312,563 টি প্রশ্ন

402,140 টি উত্তর

123,483 টি মন্তব্য

173,191 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...