বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
183 জন দেখেছেন
"ঈমান ও আক্বীদা" বিভাগে করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল

বর্তমান সময় টা প্রত্যেক মুসলিম ব্যাক্তির জন্য চ্যালেঞ্জিং সময়। এই সময় টাতে নিজে দের আটকে রাখা ভিশন মুশকিল। বর্তমান সময় ডিজিটাল এ সময় মেঘ না চাইতেই জল পাওয়া যায়।

যে কারণে আমার নিজের ও বেশ সমস্যা হচ্ছে নিজেকে সম্পূর্ণ ভাবে ইসলামে প্রবেশ করাতে।

আমি যখন ই আমার ইবাদত এ মন দিয় তখন ই শয়তান আমার মনে কুমন্ত্রণা দিতে থাকে। আমি ও ডুবে যায় শয়তানের কুমন্ত্রণা তে যেয়ে আল্লাহতালার নিষিদ্ধ কাজ করে ফেলি পরে আবার মাফ চাই আল্লাহতালার কাছে।

আমি প্রকৃত ঈমানদার ব্যাক্তি হতে চাই।

আমি সব সময় আল্লাহ্‌ ও তাঁর দেখানো

পথ অনুসরণ করতে চাই। এবং শয়তানের

কুমন্ত্রণা থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে চাই।


ঠিক এই মুহূর্তে আমি নিজেকে কি ভাবে শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচিয়ে রাখবো এবং প্রকৃত ঈমানদার

এর মর্যাদা লাভ করবো।

আল্লাহতালার নৈকট্য লাভ করার জন্য আমাকে কী করতে হবে বা কি ভাবে আল্লাহতালার ইবাদত করতে হবে....!????



অভিজ্ঞদের উত্তর আশা করছি।

2 উত্তর

+2 টি পছন্দ
করেছেন (4,656 পয়েন্ট)
  • প্রকৃত মুমিন তিনিই, যিনি কুরআন ও হাদীস মোতাবেক তাঁর জীবনে বাস্তবায়িত করেন৷ ঈমানদার ব্যক্তি মাত্রই অন্তরে প্রশান্তি লাভ করে। আত্মার প্রশান্তি ও নির্ভীকতাই হলো ঈমানের মূল কথা। আল্লাহ তাআলা সুরা বাকারার শুরুতেই ঈমানের পরিচয় তুলে ধরে বলেন- ‘কোরআন হেদায়েত দান করে সে সব লোকদেরকে, যারা মুত্তাকী, যারা গায়েব তথা অদৃশ্যের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করে, এবং নামাজ প্রতিষ্ঠা করে এবং আমি তোমাদেরকে যে রিজিক দান করেছি তা থেকে ব্যয় করে। যারা আপনার ওপর অবতীর্ণ কিতাবের প্রতি ঈমান আনে এবং আপনার পূর্ববর্তী নবীদের ওপর অবতীর্ণ কিতাবসমূহের প্রতি ঈমান আনে এবং পরকালে বিশ্বাস রাখে।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ২-৪)


  • একজন মুসলমান নিজেকে মুমিন ভাববে কিভাবে? সে সম্পর্কে প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ (সা.) একটি সুস্পষ্ট তথ্য প্রদান করেছেন। হাদিসে এসেছে– হজরত আবু উমামা (রা.) বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সা.)- কে জিজ্ঞাসা করলেন যে, ঈমান কাকে বলে বা উহার নিদর্শন কি? উত্তরে প্রিয় নবী (সা.) বলেছেন, তোমাদের ভালো কাজ যখন তোমাদের আনন্দ দেবে এবং খারাপ ও অন্যায় কাজ তোমাদের অনুতপ্ত করবে তখন তুমি বুঝবে যে, তুমি মুমিন। (মুসনাদে আহমাদ)।
 
  • অন্য জায়গায় ঈমান সম্পর্কে আরেকটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে, 'আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন- রাসূল (সঃ) বলেছে— তিনটি গুণ যার মধ্যে বিদ্যমান, সে ঈমানের স্বাদ পায়। (১) যার নিকট আল্লাহ ও তাঁর রাসূল অন্য সকল বস্তু হতে অধিক প্রিয় ; (২) যে একমাত্র আল্লাহরই জন্য কোন বান্দাকে ভালবাসে এবং (৩) আল্লাহ তা’আলা কুফর হতে মুক্তি প্রদানের পর যে কুফর-এ প্রত্যাবর্তনকে আগুনে নিক্ষিপ্ত হবার মতোই অপছন্দ করে'। (সহিহ বুখারী, হাদিস নং ২১)।

  • উক্ত হাদিসের আলোকে বুঝা যায়, মুমিন মাত্রই ভালো কাজে আত্মিক প্রশান্তি উপলব্দি করতে পারে আর মন্দ কাজে অনুতপ্ত ও অনুশোচনার উপলব্দি তৈরি হয়। আপনি উক্ত উপদেশ মোতাবেক কাজ করুন। তাহলে আপনি অবশ্যই খাঁটি মুমিন হতে পারবেন। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে প্রকৃত ঈমানদার হওয়ার জন্য কোরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক প্রতিটি কাজ করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
+2 টি পছন্দ
করেছেন (7,394 পয়েন্ট)
প্রকৃত ঈমানদার হতে হলে পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ করতে হবে। আর যা নিষেধ তা থেকে বিরত থাকতে হবে এবং যা আদেশ হয়েছে তা যথাযথ পালন করতে হবে।

আল্লাহ তাআলা বলেনঃ হে ইমানদারগণ! তোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ কর। শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ কর না। নিশ্চিতরূপে সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। (সূরা বাকারাঃ ২০৮)

আপনি যখনি ইবাদতে মন দিবেন তখন-ই শয়তান মনে কুমন্ত্রণা দিতে থাকবে আর এটাই ছিল তা প্রতিজ্ঞা। এমন হওয়া সাভাবিক তাই হারামকৃত কাজে লিপ্ত হয়ে পড়লে কর্তব্য হচ্ছে আল্লাহ তাআলা বলেছেনঃ

অর্থাৎ যদি শয়তানের কুমন্ত্রণা তোমাকে প্ররোচিত করে তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা কর। নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। (সূরা ফু্সসিলাতঃ ৩৬)

তিনি আরও বলেছেন, অর্থাৎ নিশ্চয়ই যারা সাবধান হয়, যখন শয়তান তাদেরকে কুমন্ত্রণা দেয়, তখন তারা আত্ম-সচেতন হয় এবং তৎক্ষণাৎ তাদের চক্ষু খুলে যায়। (সূরা আরাফঃ ২০১)

তিনি আরও বলেছেন, অর্থাৎ যারা কোন অশ্লীল কাজ করে ফেললে অথবা নিজেদের প্রতি জুলুম করলে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং নিজেদের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। আর আল্লাহ ছাড়া আর কে পাপ ক্ষমা করতে পারে? এবং তারা যা 'অপরাধ' করে ফেলে তাতে জেনে-শুনে অটল থাকে না। ঐ সকল লোকের প্রতিদান তাদের প্রতিপালকের কাছে ক্ষমা এবং জান্নাত, যার নিচে নদীসমূহ প্রবাহিত। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। এবং 'সৎ' কর্মশীলদের পুরস্কার কতই না উত্তম। (সূরা আলে ইমরানঃ ১৩৫ -১৩৬)

জনাবা! ইসলামে আদেশ, নিষেধ। হারাম, হালাল। জায়েজ, নাজায়েজ কাজ সমুহ নিশ্চয় জানা আছে। তাই উত্তর বড় করলাম না। আর এগুলি মেনে চললেই খাটি ঈমানদার হতে পারবেন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

306,860 টি প্রশ্ন

395,752 টি উত্তর

120,881 টি মন্তব্য

170,030 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...