234 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন (70 পয়েন্ট)

2 উত্তর

2 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (4,426 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন

পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন।-

يَا أَيُّهَا النَّاسُ كُلُواْ مِمَّا فِي الأَرْضِ حَلاَلاً طَيِّباً وَلاَ تَتَّبِعُواْ خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِينٌ.

হে মানব মন্ডলী, পৃথিবীর হালাল ও পবিত্র বস্তু-সামগ্রী ভক্ষ কর। আর শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। সে নিঃসন্দেহে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। [ সূরা বাকারা: ১৬৮ ]

এ আয়াতে স্বাভাবিক অবস্থায় কোন বস্তু আহার যোগ্য হওয়ার ক্ষেত্রে দুটি শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে।

এক. হালাল। দুই. পবিত্র।

 

তাই উক্ত আয়াতের ভিত্তিতে একথা নির্দ্বিধায় বলা যায় যে, আপনি যে ঔষধ খেতে চাচ্ছেন তা সেবন করা আপনার জন্য বৈধ। তবে উক্ত ঔষধে নাপাক কিছুর মিশ্রণ থাকলে তা খাওয়া আপনার জন্য মোটেও বৈধ হবে না।            

করেছেন (3,297 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন
@আমীরুল ইসলাম, তথ্যসূত্র কী? এটি কি আপনি কোনো কিতাব থেকে উল্লেখ করলেন, নাকি নিজ থেকে বললেন?
করেছেন (4,426 পয়েন্ট)
@ ভাই হিজবুল্লাহ! উত্তর প্রদান করার সময় আমার সামনে কুরআন ছিল। আর তার আলোকেই উত্তর প্রদান করে  ছিলাম। তাই এভাবে আক্রমণাত্মক মন্তব্য আপনার কাছ থেকে আশা করিনি। কুরআন সম্পের্কে ধারণা থাকলে এমন মন্তব্য করা কেমন? জানাবেন।
করেছেন (3,297 পয়েন্ট)
الله اكبر...আমি আবার কোথায় আক্রমণাত্মক মন্তব্য করলাম?
করেছেন (4,426 পয়েন্ট)

এটি কি আপনি কোনো কিতাব থেকে উল্লেখ করলেন, নাকি নিজ থেকে বললেন? কথাটির অর্থ আমার কাছে এমনই মনে হয়েছে। আপনি আপনার বক্তব্য তথ্যসূত্র কী? পর্যন্তই ক্ষান্ত করতে পারতেন। এবং অপেক্ষা করতেন যে , আমি তথ্যসূত্র যোগ করি কিনা। কিন্তু তা না করে শেষোক্ত কথা বলার অর্থ কী? 


বি.দ্র. কথাগুলো আপনার ব্যক্তিগত বার্তায় পাঠাতাম কিন্তু তার সুযোগ আপনি রাখেন নি। তাই মন্তব্যে উল্লেখ করলাম।

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (315 পয়েন্ট)
যৌন উত্তেজকসমূহ দুই ধরণের: ১। প্রাকৃতিক। যেমন– খাদ্যদ্রব্য ও নানাবিধ উদ্ভিদ ইত্যাদি। এগুলো গ্রহণ করতে কোন অসুবিধা নেই; যদি না এতে শারীরিক কোন ক্ষতি সাব্যস্ত না হয়। এমন কিছু সাব্যস্ত হলে সেটা থেকে বিরত থাকতে হবে। যেহেতু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “ক্ষতি করা উচিত নয়, আর ক্ষতির সম্মুখীন হওয়াও উচিত নয়।”[মুসনাদে আহমাদ, সুনানে ইবনে মাজাহ (২৩৪১), আলবানী ‘সহিহ ইবনে মাজাহ’ গ্রন্থে হাদিসটিকে সহিহ আখ্যায়িত করেছেন] ‘আল-আদাব আল-শারইয়্যাহ’ গ্রন্থে (২/৪৬৩) বলা হয়েছে: “নাপাক জিনিস, পবিত্র কিন্তু হারাম জিনিস, ক্ষতিকর জিনিস ইত্যাদি ঔষধ হিসেবে ও সুরমা হিসেবে ব্যবহার করা হারাম।”[সমাপ্ত] আলেমদের বই-পুস্তকে কিছু কিছু খাবারের উপকারিতা এবং এ খাবারগুলো যে যৌনশক্তি বাড়ায় ও সহবাসের শক্তি বৃদ্ধি করে এমন আলোচনা সুপ্রসিদ্ধ। যেমন– নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিস: “তোমরা ভারতীয় এই চন্দন (আগর কাঠ) ব্যবহার করবে। কেননা তাতে সাতটি আরোগ্য রয়েছে। [সহিহ বুখারী (৫২৬০) ও সহিহ মুসলিম (৪১০৩)] এর ব্যাখ্যায় ইবনে হাজার (রহঃ) উক্তি। তিনি ভারতীয় চন্দনের উপকারিতার মধ্যে উল্লেখ করেন যে, “এটি পাকস্থলিকে উত্তপ্ত রাখে, কামোদ্দীপনা তৈরী করে, মুখের দাগ দূর করে”।[ফাতহুল বারী থেকে সমাপ্ত] আলেমগণ মেথি, পেস্তা-বাদাম, carob, তরমুজের বীচি ইত্যাদির ব্যাপারেও একই ধরণের কথা উল্লেখ করেছেন।[দেখুন: আল-আদাব আল-শারইয়্যাহ, পৃষ্ঠা- (৩/৭), (২/৩৭০, ৩৭৫)] তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে- এসব জিনিস ব্যবহারের ক্ষেত্রে কেউ যেন মাত্রা ছাড়িয়ে না যান কিংবা এমন যেন না হয় যে, ব্যক্তি শুধু এসব নিয়ে পড়ে থাকে। কোন কোন খাবার ও পানীয় যৌনশক্তি বাড়ায় সেসব খুঁজে বেড়ানো তার নেশা হয়ে যায়। ২। এ উদ্দেশ্য ব্যবহৃত ঔষধ। এসব ঔষধের মূল বিধান হচ্ছে- হালাল বা বৈধ হওয়া; যদি না এতে হারাম কিছু না থাকে যেমন– নেশাকর কিছু কিংবা শরীরের জন্য ক্ষতিকর কিছু। যদি থাকে তাহলে পূর্বোক্ত হাদিসের কারণে সেগুলো ব্যবহার করা হারাম। কিন্তু, এগুলো তাদেরই ব্যবহার করা উচিত যাদের প্রয়োজন দেখা দেয়; যেমন– যৌন অক্ষমতা, অসুস্থতা কিংবা বার্ধক্য। নির্ভরযোগ্য বিশ্বস্ত ডাক্তারের পরামর্শের ভিত্তিতে এসব ব্যবহার করা উচিত। কেননা এসব ঔষধের কোন কোনটির এমন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে যার ফলে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। আর কোন কোন ঔষধের এমন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই তবে যার প্রয়োজন নেই তার জন্যে এগুলো ব্যবহারে কোন কল্যাণ নেই; এমনকি এগুলো ব্যবহারের ফলে যদি সুখানুভূতি বেশি হয় যেমনটি প্রশ্নকারী ভাই বলেছেন তা সত্ত্বেও। সে ব্যক্তি কতই না সুন্দর বলেছেন: “ঔষধ হচ্ছে- সাবানের মত; কাপড় পরিস্কার করে বটে; তবে কাপড়কে নরম করে ফেলে”। তাই এ সকল ঔষধ যতদূর সম্ভব এড়িয়ে চলা ভাল। আমরা একটা উদাহরণ দিয়ে বলতে চাই বর্তমান যামানায় সবচেয়ে বেশি প্রসারিত ঔষধ হচ্ছে ‘ভায়াগ্রা’। কেউ কেউ কোন প্রকার পরীক্ষা করা ছাড়া ও ডাক্তারের পরামর্শ করা ছাড়া ভায়াগ্রা ব্যবহার করে সাংঘাতিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। যায়েয সামরিক হাসপাতালের হার্ট বিশেষজ্ঞ ডাক্তার আব্দুল্লাহ্ আল-নাঈমি এক সেমিনারে যৌন উত্তেজক ঔষধ সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন: “এ ঔষধের বহু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে। কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া খুব জটিল। কানাডাতে প্রায় ৮,৫০০ লোকের উপর একটি গবেষণা চালানো হয়েছে। এতে দেখা যায় যে, এদের মধ্যে প্রায় ১৬% লোক মাথা ব্যথায় ভুগেন। কেউ কেউ লালবর্ণ ধারণ করা ও তাপ বেড়ে যাওয়ার রোগে ভুগেন; বিশেষতঃ চেহারাতে। কেউ কেউ হজমির সমস্যায় ভুগেন। কারো কারো – বিশেষত যাদের নিম্ন রক্তচাপ আছে- রক্তচাপ এত নীচে নেমে যায় যে, তা ক্ষতিকর পর্যায়ে পৌঁছে যায়।”। তথ্যসুত্রঃ ইসলাম জিগ্গাসা ও জবাব
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি উত্তর
25 নভেম্বর 2017 "যৌন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন আমিরি20 (9 পয়েন্ট)
4 টি উত্তর
04 ফেব্রুয়ারি 2016 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Daud Hossain (6 পয়েন্ট)

282,864 টি প্রশ্ন

367,153 টি উত্তর

110,540 টি মন্তব্য

152,543 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...