বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
217 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (19 পয়েন্ট)
আসসালামু আলাইকুম ।

আমি বাথরুমে গোসল করলে প্রায়য় ভয় পায় , কারণ আমি জানি বাথরুমে খারাপ জীন থাকে , আমি মাঝে মাঝে মনে জীন আমাকে বশ করে নিবে , এইভাবে মাঝে মাঝে ভয় পাই , এইটা করা শিরক ।
করেছেন (552 পয়েন্ট)
আপনি সবসময় আল্লাহর উপর ভরসা রাখবেন,পবিত্র থাকবেন এবং বেশি বেশি আয়াতাল কুরসি পাঠ করবেন। তাহলেই আপনি খারাপ জীনদের থেকে বাঁচতে পারবেন।
করেছেন (19 পয়েন্ট)

আমি একটি বিষয় নিয়ে খুবই চিন্নিত , আজ কে সকালে আমার আম্মুর সাথে আমার এক মামার ব্যাপারে কথা বলছিলাম , আমার অই মামাটা শিরকি কাজ করে , তো কথাতে কথাতে আমি বলে ফেলি , আল্লাহ তায়ালা শিরকের গুনাহ মাফ করেন না , তারপর বলে ফেলি " আল্লাহ তায়ালা মরে গেলেও ঐ মামাটাকে ক্ষমা করবেন  না " নাউজুবিল্লাহ ।


পরে সাথে সাথে তউবা করি , নাউজুবিলাহ বলি ,


প্রশ্ন হচ্ছে আমার এই কাজকি শিরক হয়েছে ? আমরা কথায় কথায় বলি না " তুই মরে গেলেও পারবি না " এইভাবে ভুল করে বলে ফেলেছি ।

6 উত্তর

+2 টি পছন্দ
করেছেন (4,298 পয়েন্ট)
 
সর্বোত্তম উত্তর
★ওয়া লাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ্। ★বাথরুম (Bathroom) বা গোসলখানায় কখনো জ্বীন থাকে না। তাই বাথরুমে গোসল করলে ভয় পাবেন না। ভালো জ্বীনগুলো ভালো ও পবিত্র স্থানে থাকে, তারা মানুষের কোনো ক্ষতি করে না, বরং ক্ষতি থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করে। খারাপ জ্বীনগুলো নোংরা ও অপবিত্র স্থানে অবস্থান করে এবং সবসময় মানুষের ক্ষতি করার চেষ্টা করে। তাই সন্ধা ও রাতের সময় একটু সাবধানে চলাফেরা করতে হয় এবং সবসময় পবিত্র অবস্থায় থাকতে হয়। টয়লেট (Toilet) যেহেতু নিকৃষ্ট জায়গা, সেহেতু সেখানে নিকৃষ্ট জ্বীন অবস্থান করতে পারে। তাই পায়খানা বা প্রসাব করতে গেলে টয়লেটে প্রবেশের পূর্বে এই দোয়া পড়তে হয় 'আল্লাহুম্মা ইন্নী আঊযুবিকা মিনাল খুবসী ওয়াল খাবাইস'। এই দোয়া পড়ে ভেতরে গেলে কোনো নিকৃষ্ট জ্বীন আপনাকে দেখতে পাবে না বা আপনার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। আল্লাহ্ ব‍্যতীত অন‍্য কোনো ব‍্যক্তি বা বস্তুকে ভয় করা শিরক। কেননা, একজন মুমিন আল্লাহ্ ব‍্যতীত অন‍্যকিছুকে ভয় পায় না। সকল প্রাণী বা বস্তুকে আল্লাহ্ তাঁর ইবাদাতের জন‍্য এবং মানুষের খেদমতের জন‍্য তৈরি করেছেন। আল্লাহ্ মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব করেছেন তাঁকে ভয় করার জন‍্য, অন‍্যকিছুকে নয়। সবসময় পবিত্র থাকুন এবং আল্লাহকে স্মরণ রাখুন, তাহলে কোনো জ্বীন বা প্রাণী আপনার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। ধন‍্যবাদ। ★মরে গেলেও আল্লাহ্ আপনাকে ক্ষমা করবে না বা মরে গেলেও তুই পার পাবি না, এমনভাবে বলা গুনাহ্ ও শিরকের কাজ। কেননা, ক্ষমা করা বা না করা আল্লাহর একান্ত নিজস্ব ব‍্যাপার ও গোপন বিষয়। আপনি কিভাবে ক্ষমা করা বা না করার ব‍্যাপারটি জানার ক্ষমতা রাখেন? একমাত্র আল্লাহই ক্ষমা করার বিষয়ে ভালো জানেন। আপনি কেবল নিজেকে সৎ রেখে একজন মানুষকে সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করতে পারেন, ভালো পথে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করতে পারেন। ধন‍্যবাদ। ★যেহেতু এগুলো আপনার অনিচ্ছাকৃত ভুল ছিলো বা কথায় কাজে বলে ফেলেছেন বা করে ফেলেছেন এবং আপনি সেগুলোর জন‍্য অনুতপ্ত, সেহেতু নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে কেঁদে কেঁদে ক্ষমা চেয়ে নিন। আল্লাহ্ যেকোনো মারাত্মক গুনাহ্ ক্ষমা করার ক্ষমতা রাখেন। তাঁকে খুশি করতে পারলে যেকোনো গুনাহ্ মাফ পাওয়া সম্ভব। তবে জেনে-বুঝে শিরকের গুনাহ্ করা যাবে না। ধন‍্যবাদ।
করেছেন (19 পয়েন্ট)
ভাইয়া আমি মরে গেলেও না বলতে কক্ষনও না বুঝাতে ছেয়েছি , কারন আলাহ তায়ালা তো সুরা নিসা ৪৮ নাম্বার আয়াতে বলেন শিরকের গুনাহ আল্লাহ মাফ করেন না ্‌ আমি এই মনে করেই ভুলে বলে ফেলেছি ।এখন আমি আসলেই খুব মন খারাপের ভিতর দিয়ে আছি , আমি তো ইচ্ছা  করে বলতে চাই নাই ।
করেছেন (19 পয়েন্ট)
ভাই শিরক হয়েছে কি?
+2 টি পছন্দ
করেছেন (1,566 পয়েন্ট)
মানুষের যেকোন জিনিসে ভয় হতেই পারে।ভয় করলেই যে শিরক হবে তার কোনো কথা নেই।জীনের ভয় আর আল্লাহ এর ভয় দুটোই আলাদা।আল্লাহ এর ভয় হলো এই রকম'আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়।তার কোনো শরিক নেই।আমাদের শুধু তারই ইবাদত করতে হবে।তা নাহলে তিনি আমাদের উপর অসন্তুষ্ট হবেন।'
মনে মনে এমন বিশ্বাস রাখাই হলো আল্লাহকে ভয় করা।আর জীনের ভয় তার থেকে সম্পুর্ন আলাদা।যা আপনি নিজেই উপলব্ধি করতে পারছেন।তাই এক্ষেত্রে আপনার কোনো শিরক হচ্ছে না।
আবার অনেক মানুষ কারেন্ট বা বিদ্যুতে ভয় পায়।জীন কে ভয় পেলে যদি শিরক হতো তাহলে কারেন্টকে ভয় পাওয়াও শিরক হতো। কারণ শিরক তখনই হবে যখন আমরা আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোনো সৃষ্টির কাছে নত হবো।তাই জীন বা কারেন্ট কে ভয় পাওয়া মানে এই নয় যে আমরা এদের কাছে মাথা নত করছি।আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
0 টি পছন্দ
করেছেন (258 পয়েন্ট)
শিরক হলো আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করা,,   এখানে আপনি আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করছেন না তাই শিরক হবে না,, তবে সমস্ত সৃষ্টির খারাবি হতে আল্লাহর কাছে পানাহ চাইবেন,,, 

জিনকে ভয় না করে আল্লাহকেই ভয় করা যুক্তিসংগত।। কারন আল্লাহর ইচ্ছায়েই বিপদ আসে,, 

আর বিপদ কিন্তু আমাদের পাপের ফল।। 

তাই পাপ মুক্ত থাকুন আর বিগত পাপের মাফ চান,, 

আর রাসুলের তরিকায় চলুন ব্যাস আর কোন ভয় নাই।। 

,,

ভয় পাওয়া মুমিনের লক্ষন নয়,, কারন এরা মরনকে বরন করে নিয়েছে,,, 

সকল ভয়ের পরিনাম মৃত্যু ,,  

,
করেছেন (1,566 পয়েন্ট)
এটা কিন্তু ঠিক হলো না।আমার দেওয়া উত্তরটি সর্বোত্তম হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিল।আপনি সেটা undo করে আপনার উত্তরটি দিলেন।
করেছেন (258 পয়েন্ট)
ভাই আমি আমার মত উত্তর লিখলাম আমি উন্ড বলতে এরকম।কিছু করিনি,,, যাই হোক প্রশ্নকারী উপক্ক্রিত হবে,,  রাগ করবেন না,,  এসব লেখা কিয়ামত নাগাত থাকবে আশাকরি,, তাই নেকি হতে বাদ পড়তে চাই না।। 

,
0 টি পছন্দ
করেছেন (59 পয়েন্ট)
শিরক হল আল্লাহর গুনাবলির সাথে শরিক করা,,, যেমন আল্লাহ রিযিকদাতা,  আল্লাহ মৃত্যুদাতা ইত্যাদি

,

কিন্তু আপনি যদি মনে করেন জিন মৃত্যুদাতা তাহলে শিরক হবে,, 

আর যদি মনে করেন জিনের কারনে মৃত্যু হতে পারে তাহলে শিরক না।। 

না বুঝলে মন্তব্য করুন
করেছেন (19 পয়েন্ট)

আমি একটি বিষয় নিয়ে খুবই চিন্নিত , আজ কে সকালে আমার আম্মুর সাথে আমার এক মামার ব্যাপারে কথা বলছিলাম , আমার অই মামাটা শিরকি কাজ করে , তো কথাতে কথাতে আমি বলে ফেলি , আল্লাহ তায়ালা শিরকের গুনাহ মাফ করেন না , তারপর বলে ফেলি " আল্লাহ তায়ালা মরে গেলেও ঐ মামাটাকে ক্ষমা করবেন  না " নাউজুবিল্লাহ ।


পরে সাথে সাথে তউবা করি , নাউজুবিলাহ বলি ,


প্রশ্ন হচ্ছে আমার এই কাজকি শিরক হয়েছে ? আমরা কথায় কথায় বলি না " তুই মরে গেলেও পারবি না " এইভাবে ভুল করে বলে ফেলেছি ।

0 টি পছন্দ
করেছেন (54 পয়েন্ট)
বাথরুমে অবশ্যই জ্বিন থাকে। এতে শিরক হবে কেন ভাই। জ্বিন্দের মধ্যে রয়েছে   ভালো ও খারাপ যেমন মানুষের মধ্যে রয়েছে। খারাপ ও বদ জ্বিনগুলি থাকে অপবিত্র ও নোংরা জায়গা থাকে।  তারমধ্যে বাথরুম অন্যতম। যদি বাথরুম এমন হয় যেখানে গোসলখানা ও পায়ঝানা একত্রে থাকে তবে অবশ্যই সেখানে জ্বিন থাকতে পারে আবার শুধুমাত্র টয়লেট হলে সেখানেও জ্বিন থাকতে পারে ।  এর জন্য বাথরুম এ প্রবেশ করার সময় এই দোয়া পাঠ করতে হয়। আল্লাহুম্মা ইন্নি আওযুবিকা মিনাল খুবসি ওয়াল খাবাইশ। যে এই দোয়া পাঠ করে প্রবেশ করবে সে জ্বিনদের নিকট অদৃশ্য হয়ে যায়। জ্বিন তাকে দেকতে পায় না। 
0 টি পছন্দ
করেছেন (552 পয়েন্ট)
না।কারণ আসলেই জীন বিদ্যমান।এর প্রমাণ হলো আল্লাহ কুরআনে বলেছেন,"আমি মানুষ ও জীন জাতিকে শুধুমাত্র আমার ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছি"।আর আপনি যা বলছেন তাতে শিরক হওয়ার প্রশ্নই আসে না।কারণ আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করাকে শিরক বলে।
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
25 ডিসেম্বর 2017 "যৌন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন গালিব হাসান (11 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
12 ফেব্রুয়ারি 2016 "যৌন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন আলোর পথ যাত্রী (80 পয়েন্ট)

304,938 টি প্রশ্ন

393,691 টি উত্তর

119,834 টি মন্তব্য

169,046 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...