বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
210 জন দেখেছেন
"যৌন" বিভাগে করেছেন (4,429 পয়েন্ট)
বন্ধ করেছেন
এই চিরকূট সহকারে বন্ধ করা হয়েছে : যথেষ্ট উত্তর দেওয়া হয়েছে

5 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (3,792 পয়েন্ট)

বলা বাহুল্য যে আল্লাহরই ইচ্ছানুযায়ী মানব বংশ বিস্তার ও তার জন্য দাম্পত্য ও পারিবারিক জীবন যাপনের উদ্দেশ্যে স্বামীকে-স্ত্রীকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে একটি শান্ত, নিরালা ও সুশৃঙখল পরিবেশের সৃষ্টি করতে হয় এবং এজন্য স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই যথাযথভাবে আপনাপন কর্তব্যসমূহ সাধন করতে হয়। সহবাসের স্বাভাবিক পন্থা হলো এই যে, স্বামী উপরে থাকবে আর স্ত্রী নিচে থাকবে। প্রত্যেক প্রাণীর ক্ষেত্রেও এই স্বাভাবিক পন্থা পরিলক্ষতি হয়। সর্বপরি এ দিকেই অত্যন্ত সুক্ষভাবে ইঙ্গিত করা হয়েছে আল কুরআনেও। আর স্বামী যখন স্ত্রীর উপরে থাকবে তখন স্বামীর শরীর দ্বারা স্ত্রীর শরীর ঢাকা পড়বে। এতে স্ত্রীরও কষ্ট সহ্য করতে হয়না এবং গর্ভধারণের জন্যেও তা উপকারী ও সহায়ক। কাজেই স্বামী স্ত্রী সহবাস করার সময় কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়। তাহলে জেনে নেই বিশেষ কিছু নিয়মগুলি-

১. সহবাসের প্রথমে দোয়া পড়বেন (স্ত্রী সহবাসের দোয়া)। তারপর স্ত্রীকে আলিঙ্গন করবেন। তখন বিসমিল্লাহ বলে শুরু করবেন।

২. সহবাস করার সময় নিজের স্ত্রীর রূপ দর্শন শরীর স্পর্শন ও সহবাসের সুফলের প্রতি মনো নিবেশ করা ছাড়া অন্য কোনো সুন্দরি স্ত্রী লোকের বা অন্য সুন্দরী বালিকার রুপের কল্পনা করবে না। তার সাথে মিলন সুখের চিন্তা করবেন না। স্ত্রীরও তাই করা উচিৎ।

৩. স্ত্রী যদি ইচ্ছা হয় তখন তাকে ভালোবাসা দিবে এবং আদর সোহাগ দিবে। চুম্বন দিবে। তখন উভয়ের মনের পূর্ণ আশা হবে সহবাস।

৪. রাত্রি দ্বি-প্রহরের আগে সহবাস করবে না।

৫. ফলবান গাছের নিচে স্ত্রী সহবাস করবে না।

৬. রবিবারে সহবাস করবেন না।

৭. চন্দ্র মাসের প্রথম এবং পনের তারিখ রাতে স্ত্রী সহবাস করবেন না।

৮. স্ত্রীর হায়েজ-নেফাসের সময় বা উভয়ের অসুখের সময় সহবাস করবেন না।

৯. বুধবারের রাত্রে স্ত্রীর সহবাস করবেন না।

১০. জোহরের নামাজের পরে স্ত্রী সহবাস করবেন না। ভরা পেটে স্ত্রী সহবাস করবেন না।

১১. উল্টাভাবে স্ত্রী সহবাস করবেন না। স্বপ্নদোষের পর গোসল না করে স্ত্রী সহবাস করবেন না।

১২. পূর্ব-পশ্চিমদিকে শুয়ে স্ত্রী সহবাস করবেন না।

১৩. বিদেশ যাওয়ার আগের রাতে স্ত্রী সহবাস করবেন না।

১৪. স্ত্রীর জরায়ু দিকে চেয়ে সহবাস করবেন না। ইহাতে চোখের জ্যোতি নষ্ট হয়ে যায়।

১৫. সহবাসের সময় স্ত্রীর সহিত বেশি কথা বলবেন না এবং নাপাক শরীরে স্ত্রী সহবাস কবেন না। উলঙ্গ হয়ে কাপড় ছাড়া অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করবেন না।
তথ্যসূত্র : এখানে দেখুন।
0 টি পছন্দ
করেছেন (220 পয়েন্ট)
ইসলামে স্ত্রী সহবাসের নিয়ম হলো যেভাবে যেদিক থেকে ইচ্ছা সেক্স করতে পারবে কোন  সমস্যা নাই তবে শর্ত হলো সামনের রাস্তা দিয়ে করতে হবে সুত্র মিশকাতুল মাসাবীহ
0 টি পছন্দ
করেছেন (428 পয়েন্ট)
ইসলামিক নিয়মে সহবাস করার পদ্ধ্যতিঃ আমরা যারা নেক সন্তানের আশা করি প্রত্যেকই এই নিয়ম গুলি পালন করব ইনশাআল্লাহ ১. সহবাসের প্রথমে দোয়া পড়বেন (স্ত্রী সহবাসের দোয়া)। তারপর স্ত্রীকে আলিঙ্গন করবেন। তখন বিসমিল্লাহ বলে শুরু করবেন। ২. সহবাস করার সময় নিজের স্ত্রীর রূপ দর্শন শরীর স্পর্শন ও সহবাসের সুফলের প্রতি মনো নিবেশ করা ছাড়া অন্য কোনো সুন্দরি স্ত্রী লোকের বা অন্য সুন্দরী বালিকার রুপের কল্পনা করবে না। তার সাথে মিলন সুখের চিন্তা করবেন না। স্ত্রীরও তাই করা উচিৎ। ৩. স্ত্রী যদি ইচ্ছা হয় তখন তাকে ভালোবাসা দিবে এবং আদর সোহাগ দিবে। চুম্বন দিবে। তখন উভয়ের মনের পূর্ণ আশা হবে সহবাস। ৪. রাত্রি দ্বি-প্রহরের আগে সহবাস করবে না। ৫. ফলবান গাছের নিচে স্ত্রী সহবাস করবে না। ৬. রবিবারে সহবাস করবেন না। ৭. চন্দ্র মাসের প্রথম এবং পনের তারিখ রাতে স্ত্রী সহবাস করবেন না। ৮. স্ত্রীর হায়েজ-নেফাসের সময় বা উভয়ের অসুখের সময় সহবাস করবেন না। ৯. বুধবারের রাত্রে স্ত্রীর সহবাস করবেন না। ১০. জোহরের নামাজের পরে স্ত্রী সহবাস করবেন না। ভরা পেটে স্ত্রী সহবাস করবেন না। ১১. উল্টাভাবে স্ত্রী সহবাস করবেন না। স্বপ্নদোষের পর গোসল না করে স্ত্রী সহবাস করবেন না। ১২. পূর্ব-পশ্চিমদিকে শুয়ে স্ত্রী সহবাস করবেন না। ১৩. বিদেশ যাওয়ার আগের রাতে স্ত্রী সহবাস করবেন না। ১৪. স্ত্রীর জরায়ু দিকে চেয়ে সহবাস করবেন না। ইহাতে চোখের জ্যোতি নষ্ট হয়ে যায়। ১৫. সহবাসের সময় স্ত্রীর সহিত বেশি কথা বলবেন না এবং নাপাক শরীরে স্ত্রী সহবাস কবেন না। উলঙ্গ হয়ে কাপড় ছাড়া অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করবেন না।
0 টি পছন্দ
করেছেন (761 পয়েন্ট)
যেভাবেই করা হোক না কেন যোনি পথ‌ই ব্যবহার করতে হবে।তবে আদব হলো প্রয়োজন অতিরিক্ত সতর না খোলা। এবং যোনি পথের দিকে দৃষ্টিপাত না করা।আজবাজে কথা না বলা।
0 টি পছন্দ
করেছেন (13,657 পয়েন্ট)

ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর কর্তব্য ও মধুর মিলন সহবাসের পূর্ব প্রস্তুতি। যেদিন যে রাতে স্বামী-স্ত্রী উভয় সহবাসের পূর্ণ আগ্রহ অনুভব করিবে এবং সেই ব্যবপারে কোনরুপ বাধাবিপত্তি থাকিবেনা। সেইদিন তাহারা সহবাসের জন্য প্রস্তুত হইবে।

অর্থ্যাত্ তাহারাপরিস্কার পরিছন্ন হইয়া উভয়ে পাতলা মিহি কাপড় পরিধান করিবে। বিশেষত স্ত্রি একটু বেশি সাজ -সজ্জা করিবে। ঐ দিন দিবারাতে উওম ও পুষ্টিকর খাদ্য আহার করিবে এবং রাতে একটু সকাল সকাল আহার করিয়া শরীরে সুগন্ধি মাখাইয়া উভয়ে নির্জন কক্ষে শয়ন করিবে। শয্যার উপর উপর মশারি খাটাইবে। 

সন্ধ্যারাত্রে বেশি না জাগিয়া তাড়াতাড়ি নিদ্রা যাইবে, মধ্য রাতের পর উভয়ে নিদ্রা ত্যগ করিবে। অত:পর অজু করিয়া আসিয়া উভয়ে সামান্য লবঙ্গ এবং এলাচ চিবাবে। তারপর উভয়ে ঘেশাঘেশি ভাবে শায়িত হইয়া প্রথমে উভয়ের অধরে, কপালে, লালাটে ও চক্ষে চুমু খাইবে। স্বামি তার হাতদ্বারা স্ত্রির দুই স্তন মেলায়েমভাবে মর্দন করিবে। পরস্পরের হস্তদ্বারা উভয়ের লিঙ্গ আলতোভাবে স্পর্শ করবে।

এইভাবে কিছু সময় শৃঙ্গার উপাচারেরপর উভয়ে যখন প্রবল উত্তেজনা অনুভব করিবে, তখন তাহারা মূলরাত্রির জন্য তৈরি হইবে। স্বামি উঠিয়া বসিয়া স্ত্রিকে চিতভাবে শয়ন করিয়া তাহার দুই জানু একটু ফাক করিয়া হাটুদ্বয় খাড়া করিয়া রাখিবে। তারপর স্বামি নিজে স্ত্রির দুই হাটুর সম্মুকে নিজের পায়ের পতার উপর ভর দিয়া বসিবে। আর যদি স্ত্রি দুই পা বিছাইয়া রাখে তবে স্বামি দুই রানের দুই পার্শে নিজের দুইপা রাখিয়া ঝুকিয়া পড়িয়া নিজের দুই কুনুর উপর দেহের ভর রাখিবে।

এইভাবে উভয় প্রস্তুত হইয়া সহবাসের দোয়া পাঠ করিবে। তারপর দেখিবে যদি, যদি স্বামির লিঙ্গ থেকে হটাৎ কিছু বাহির হয়ে থাকে, তবে নির্বিঘ্নে স্বামী তাহার লিঙ্গ স্ত্রীলিঙ্গে প্রবেশ করাইবে। আর যদি ঐ রুপ কিছু নির্গত না হয় এবং স্ত্রী তেমন পুর্ণ যুবতি না হয়, বরং অল্প বয়সকা হয়, তবে স্বামী-স্ত্রী লিঙ্গে মুখের নালা বা তেল কিংবা তৈলাক্ত কোন জেলি মাখাইয়া লইয়া তারপর স্ত্রী লিঙ্গে প্রবেশ করাইবে। 

অনেক সময় স্ত্রী লিঙ্গ হইতে আঠাবত্ প্রদার্থ নির্গত হয়। ইহাতে উভয়ের লিঙ্গ পিচ্ছিল হয় এবংসহবাসের পথ সুগম হয়। এই অবস্থায় কিছু মাখাইবার প্রয়োজন হয় না। স্বামী স্মরণ রাখিবে, স্ত্রী অঙ্গে স্বীয় অঙ্গ সংযোগ করিয়া সহসা জোরে চাপ প্রয়োগ না করে ধীরে ধীরে প্রবেশ করাইবার চেষ্টা করিবে। খুব ব্যতিব্যস্ততা বা তাড়াহুড়া করা ঠিক নহে।তাহাতে বিপরিত হ ইতে পারে।

পুরুষাঙ্গ প্রবিষ্ট হইবার পর স্বামী অঙ্গ সঞ্চালন করিবে। এই সময় স্ত্রীও স্বামীকে কিছুটা সহযোগীতা করিলে আনন্দের মাত্রাবৃদ্ধি পায়। অঙ্গ সঞ্চালনের সময় স্বামী লক্ষ্য করিবে যে, স্ত্রী ঘন না পাতলা সঞ্চালন পছন্দ করে। আর তাহার নিজেরই বা কিসে বেশী আনন্দ ও তৃপ্তি লাভ হয়। উভয়েই আনন্দ ও তৃপ্তির দিকে লক্ষ্য করিয়া কাজ করিবে। তারপর যখন স্বামীর বীর্যপাত হইবে এবং স্ত্রীরও বীর্যস্খলন ঘটিবে, তখন উভয়ে আবার সহবাসের শেষের দোয়াটি পড়িবে।

পুরুষের একটি বিষয় লক্ষ্য রাখা দরকার, তাহা হইল, প্রায় ক্ষেত্রে পুরুষের বীর্যপাত আগে হইয়া যায় এবং স্ত্রীদের চরম পুলক আসে পরে। ইহা একটি জটিল সমস্যা। কারণ পুরুষের বীর্যপাত হইবার পর সে অবসাদ গ্রস্থ হইয়া পড়ে। তাহা ছাড়া তাহার যৌনাঙ্গও সহবাসের অবস্থা হারাইয়া বসে। অথচ স্ত্রী তখন চরম উত্তেজনায়। 

এমন সময় স্বামী সহবাস বন্ধ করিয়া দিলে তাহা স্ত্রীর জন্য ভীষণ অসহ্যকর। ইহাতে স্বামীর উপর বিরক্তি, বিতূষ্ণা এবং তাচ্ছিল্লভাব জন্মিতে পারে। এদিকে খেয়াল রাখিয়া পুরুষদের বীর্যপাত হওয়ার পরও অঙ্গ সঞ্চালন যথাসাধ্য চালু রাখা ও স্ত্রীর বীর্যস্খলনে সাহায্য করতে হবে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
25 জুন 2015 "যৌন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মো: মামুনুর রশিদ (5,622 পয়েন্ট)

311,813 টি প্রশ্ন

401,404 টি উত্তর

123,265 টি মন্তব্য

172,833 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...