বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
65 জন দেখেছেন
"নিত্য ঝুট ঝামেলা" বিভাগে করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
অনেক ভাবে অনেক রকম ভাবে চেষ্টা করেছি

নিজেকে পড়াতে মনোযোগী করতে পারি নাই।

আমি নিজেই জানি না আমার সমস্যা টা কী।

এই দিকে পরীক্ষার সময় এগিয়ে আসছে।

;কিন্ত আমি পড়ছি না।

কিছু পরামর্শ প্রয়োজন যা প্রয়োগ করলেঃ আগামী ২০ দিলে

ভালো প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষাতে ভালো করতে পারবো।

4 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (713 পয়েন্ট)
ভাবুন যে সামনে আপনার পরীক্ষা। নিজের মধ্যে ভালো রেজাল্ট করার প্রবণতা জাগিয়ে তুলুন। বিশ্বাস করুন যে আপনি পারবেন। তাহলেই আপনি পারবেন। সবসময় পড়ার টেবিলে বসে থাকবেন না। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করুণ। নিজেকে বিশ্বাস করুণ। পড়ার প্রতি মনোযোগী হন। পড়া ভালবেসে পড়ুন।  নিজের প্রতিটি কাজের প্রতি গুরুত্ব দেন। ভাল রেজাল্ট করার পূর্বশর্ত হচ্ছে নিজের প্রতি আস্থা এবং ভাল করে পড়া  
0 টি পছন্দ
করেছেন (1,566 পয়েন্ট)
বিকালে খেলাধুলা করে তারপর পড়তে বসুন।দেখবেন পড়তে অনেক ভালো লাগবে।মন থেকে সকল চিন্তা ভাবনা বাদ দেওয়ার চেষ্টা করুন।পড়তে বসলে যে কাজটা বেশি করে করতে ইচ্ছা করে (যেমন ফোন টেপা) সেটা থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকুন।
0 টি পছন্দ
করেছেন (1,725 পয়েন্ট)
পড়ার টেবিলে সবসময় বসে থাকার প্রয়োজন নেই।১ ঘন্টা পড়ার পর ১০ মিনিট করে বিশ্রাম নিন।পড়াশোনায় মনোযোগ সাথে সাথে আসে না।একটি গাড়ি প্রথমেই ৮০ কি.মি চলে না।আস্তে  আস্তে এর গতি বৃদ্ধি পায়।তাই,আপনি আগে পড়াটা শুরু করুন।আপনার মনোযোগ বাড়তে থাকবে।আর যা পড়বেন তা বেশি করে লিখুন।এতে আপনার কোন জায়গায় সমস্যা,তা ধরা পড়বে।
0 টি পছন্দ
করেছেন (249 পয়েন্ট)
০১. মনস্থিরঃ- অমনোযোগীতা আনতে পারে এমন সব বিষয় মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। আপনার পড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু হাতের কাছেই রাখুন যাতে বারবার উঠতে না হয়। অনেকের বারবার ফোন আসে পড়ার সময়।খুব বেশি দরকার না হলে ফোন বন্ধ করে রাখতে পারেন। পড়তে বসার অন্তত ৫ মিনিট আগ থেকে মনস্থির করুন।
০২. শিক্ষকতাঃ- আপনি যে বিষয় পড়বেন সেটা অন্য কাউকে শিক্ষা দিন।এমন কাউকে যে সে বিষয়টা সম্পর্কে জানেনা। শিক্ষকতা নিজের জ্ঞান আহরণের জন্য সবচেয়ে উত্তম উপায়। যেমন- আপনি যদি গণিত কম বোঝেন বা গণিত নিয়ে পড়তে চান ভবিষ্যতে আপনার উচিত এখন থেকেই গনিতের উপর শিক্ষা দান করা অন্যদের। এতে আপনার নিজেরও চর্চা থাকবে বিষয়টির উপর।
০৩. ইন্দ্রিয় সক্রিয়ঃ- আপনার সব ইন্দ্রিয় সক্রিয় করুন। আপনি একটি বিষয় যতই পড়ুন না কেন সারাদিন ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি তা মনে রাখতে পারবেন না অথবা বুঝবেন না যতক্ষণ না আপনি বিষয়টি আপনার চারপাশের কিছুর সাথে সম্পৃক্ত করতে পারছেন। চারপাশের জিনিসের সাথে আপনি আহরণ করা জ্ঞান মিলিয়ে নেয়ার চেষ্টা করুন।
০৪. সংযোগঃ- প্রত্যেকটি বিষয়, ধারণার মাঝে সংযোগ স্থাপন করতে শিখুন। একটি আরেকটির সাথে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে আপনার নিজের জ্ঞানের পরিধিও অনেক বাড়বে।
০৫. নতুন ধারণা ও পরিচিত ধারণার মাঝে সংযোগঃ- আপনি যখন নতুন কোন বিষয় বা তথ্য সম্পর্কে জানবেন তখন তা আপনার বর্তমানের পরিচিত কোন জানা তথ্য বা ধারণার সাথে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করুন। এতে পরীক্ষার সময় আপনার সে নতুন তথ্য ভুলে যাবার আশঙ্কা কম থাকে।
০৬. মস্তিষ্কের উপর চাপ না দেয়াঃ- পরীক্ষার আগে কিছুদিন পড়লে আপনার মস্তিষ্কের উপর চাপ পড়তে পারে। তাই সবসময় অল্প অল্প পড়ার মাঝে থাকবেন। এতে করে আপনার উপর কোন মানসিক চাপও থাকবেনা আর আপনি পরীক্ষার আগে একটু রিভিশন দিলেই আপনার হয়ে যাবে।
০৭. তথ্যের ধরনঃ- পড়ার সময় প্রত্যেকটি তথ্যের ধরন বোঝার চেষ্টা করুন। যেমন- যে তথ্য দেয়া আছে সেটা কি গাণিতিক তথ্য, নাকি ঐতিহাসিক কোন তথ্য, নাকি কোন ব্যক্তি বা দেশ সম্পর্কে তথ্য এসব বিষয়ে ভালো করে বুঝে তারপর মুখস্ত করতে হবে। না বুঝে মুখস্ত করলে তা কোনদিন মনে থাকবেনা।
০৮. সুদৃঢ় জ্ঞানের ভিতঃ- সব সময় পুস্তকি বিদ্যার সাথে সম্পৃক্ত করলে হবেনা। অন্যান্য বিভিন্ন বই থেকে আহরিত জ্ঞানের সাথেও সম্পৃক্ত করতে হবে। সেজন্য দেশ ও দেশের বাইরের অনেক লেখকের বই পড়ার অভ্যাস সব সময় রাখতে হবে। এটা শুধু মাত্র বিনোদনের জন্য নয়, বরং অনেক কিছু সম্পর্কে জ্ঞান আহরণ করা যায় আর নিজের জ্ঞানের ভিত্তিটা অনেক মজবুত ও শক্ত করে গড়ে তোলা যায় যাকে ভিত হিসেবে ধরে আপনি আপনার জ্ঞানের পরিধি বাড়িয়ে নিতে পারেন।
০৯. নিজস্ব রীতিঃ- যখন কোন বিষয় পড়বেন তখন নিজের একটা আলাদা রীতি অনুসরণ করার চেষ্টা করুন আর বিষয়টির একটি ছবি আপনার মনের মধ্যে এঁকে নিন। এতে বিষয়টি আপনার খুব সহজেই মনে থাকবে।
১০. নোটঃ- আপনার পড়ার মূল লক্ষ্য কিন্তু সেটাকে বুঝে জ্ঞান আহরণ করা আর পরীক্ষায় ভালো করা। কিন্তু আপনি যদি নাই বোঝেন তাহলে ভালো করার প্রশ্নই আসেনা। তাই যে বিষয়টি বুঝবেন না তার পেছনে একটু বেশি মনোযোগী হন। প্রয়োজনে খাতায় লিখে, করে বোঝেন। কারণ না বুঝে মুখস্ত করে সেটা বেশিক্ষণ মনে রাখা কোন ছাত্রের পক্ষেই সম্ভব নয়।
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
আমি একটা মেয়েকে খুব পছন্দ করতাম, মেয়েটা ছিল হিন্দু। আমরা একই ক্লাশে পড়ি। আমাদের রোল ও পাশাপাশি। আমাদের ক্লাশে আরেকটা ছেলে ছিল যাকে আমি একদম ই পছন্দ করতাম না, একদিন দেখি মেয়েটা ওই ছেলের সাথে রিকশায় ঘুরছে, এতে আমার খুব খারাপ লাগল। তারপর থেকেই মেয়েটার ওপর আমার একটা চাপা ক্ষোভ তৈরি হয়। মেয়েটাকে যখন ই দেখি তখন ই আমার নারভাস লাগে। এজন্য পড়াশুনায় ও মনোযোগ দিতে পারছি না। সব কাজের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছি, আগের মতো উদ্যম আমার আর নেই। সব কাজেই শুধু তার কথা মনে হয়। সামনে আমার অনেক বড় পরীক্ষা, কি করবো বুঝতে পারছি ন।আমি বুঝতে পারছি আমাকে পড়াশুনা করতে হবে, ভালো থাকতে হবে, কিন্তু ভালো থাকার চেষ্টা করলেই ক্লাশে তাকে আবার দেখব, তার পাশে বশে পরীক্ষা দেব এসব ভেবেই আবার খারাপ লাগছে, এজন্য পড়াশুনায় পিছিয়ে পরছি,দুশ্চিন্তা হচ্ছে।কিছুই ভালো লাগছে না?
27 ডিসেম্বর 2016 "প্রেম-ভালোবাসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন kobir khan (19 পয়েন্ট)

304,825 টি প্রশ্ন

393,600 টি উত্তর

119,793 টি মন্তব্য

168,998 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...