38 জন দেখেছেন
"ইবাদত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
আমরা যখন ফজর ও মাগরিবের পর সুরা হাসরের শেষ তিন আয়াত পড়ি, তখন বিসমিল্লাহ পড়ে না,এর কারন কি??? বিস্তারিত জানবেন।

4 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (3,448 পয়েন্ট)

হাদীসে এভাবেই এসেছে। তাই পড়া হয় না।  -সুনানে তিরমিযী: হাদীস- ২৯২২

হাদীসটির আরবী পাঠ এই-

عن معقل بن يسارعن النبي صلى الله عليه و سلم قال من قال حين يصبح ثلاث مرات أعوذ بالله السميع العليم من الشيطان الرجيم وقرأ ثلاث آيات من آخر سورة الحشر وكل الله به سبعين ألف ملك يصلون عليه حتى يمسي وإن مات في ذلك اليوم مات شهيدا ومن قالها حين يمسي كان بتلك المنزلة.

 سنن الترمذي لمحمد الترمذي – رقم الحديث : 2922


0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (312 পয়েন্ট)

হাদিসে এভাবেই পড়ার নির্দেশ এসেছে।  عن معقل ابن يسار عن النبي صلى اللهعليه وسلم قال : ” من قال حين يصبح ثلاث مرات : أعوذ بالله السميعالعليم من الشيطان الرجيم . وقرأ ثلاث آيات من آخر سورة الحشر وكلالله به سبعين ألف ملك يصلون عليه حتىمسى ، وإن مات في ذلك اليوم مات شهيدا ، ومن قالها حين يمسى كانبتلك المنزلة “

হযরত মাকাল বিন ইয়াসার রাঃ রাসূল সাঃ থেকে বর্ণনা করেন। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেনঃ যে ব্যক্তি সকাল বেলা তিন বার পড়বে “আউজুবিল্লাহিস সামীয়িল আলীমি মিনাশ শাইতানির রাজীম”। তারপর সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত [ হুয়াল্লাহুল্লাজী লা-ইলাহা শেষ পর্যন্ত] তিলাওয়াত করবে। তাহলে আল্লাহ তাআলা উক্ত ব্যক্তির জন্য ৭০ হাজার ফেরেস্তা নিযুক্ত করেন। যারা উক্ত ব্যক্তির জন্য মাগফিরাতের দ্আু করতে থাকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। আর এ সময়ের মাঝে যদি লোকটি মারা যায়, তাহলে সে শহীদের মৃত্যু লাভ করে। আর যে ব্যক্তি এটি সন্ধ্যার সময় পড়বে, তাহলে তার একই মর্যাদা রয়েছে। [তথা মাগরিব থেকে সকাল পর্যন্তের জন্য ৭০ হাজার ফেরেস্তা গুনাহ মাফীর জন্য দুআ করে, আর সে সময়ে মারা গেলে শহীদের সওয়াব পাবে]।

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (3,495 পয়েন্ট)

হজরত মাকাল ইবনে ইয়াসার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি সকালে তিন বার আউযুবিল্লাহিস সামীঈল আলীমি মিনাশশাইতানির রাজীমসহ ‘সুরা হাশরের’ শেষ তিন আয়াত পাঠ করবে, তার জন্য আল্লাহ তাআলা ৭০ হাজার রহমতের ফেরেশতা নিয়োগ করবেন। সে ফেরেশতাগণ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তার ওপর আল্লাহর রহমত প্রেরণ করতে থাকবে। যদি ঐ দিন সে ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে তবে সে শাহাদাতের মর্যাদা লাভ করবে। আর যে ব্যক্তি সন্ধ্যার সময় এ আয়াতগুলো পাঠ করবে তাঁর জন্যও আল্লাহ তাআলা ৭০ হাজার রহমতের ফেরেশতা নিয়োগ করবেন। যারা তাঁর ওপর সকাল হওয়া পর্যন্ত রহমত প্রেরণ করতে থাকবে। আর যদি ঐ রাতে সে মৃত্যুবরণ করে তবে শাহাদাতের মর্যাদা লাভ করবে। (সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং-৩০৯০)

এ হাদীসে কোথাও কিন্তু একথা নেই যে, বিসমিল্লাহ পড়বে না।

আর অন্য একটা হাদীসে রয়েছে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, كُلُّ كَلَامٍ أَوْ أَمْرٍ ذِي بَالٍ لَا يُفْتَحُ بِذِكْرِ اللهِ فَهُوَ أَبْتَرُ – أَوْ قَالَ : أَقْطَعُ ‘প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ যদি আল্লাহকে স্মরণ না করে শুরু করা হয়, তাহলে তা লেজ কাটা (বরকতহীন) হয়ে যায়।’ (মুসনাদে আহমাদ ১৪/৩২৯)

আর এখানে আল্লাহ তাআলার স্মরণ অর্থ বিসমিল্লাহ বলা। সুতরাং আউযুবিল্লাহিস সামীঈল আলীমি মিনাশশাইতানির রাজীম এর পরে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীমও পড়তে হবে। এটাই অভিজ্ঞ উলামায়ে কেরামের ফয়সালা।

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (5,069 পয়েন্ট)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম একটি আরবী বাক্য যার অর্থ পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। সংক্ষেপে বলা হয় বিসমিল্লাহ।

বিসমিল্লাহ হলো সব কাজের সূচনাবাক্য। পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের শুরুতেও বিসমিল্লাহ বলতে হবে। বিসমিল্লাহ দিয়েই সূরা শুরু হয়েছে। আল্লাহর নির্দেশিত ও ইসলামি বিধান মতে সমর্থিত কাজ শুরুর প্রাক্কালেই বিসমিল্লাহ বলতে হয়। কিন্তু অন্যায় কাজ ও ইসলামবহির্ভূত কর্মের জন্য বিসমিল্লাহ বলা আল্লাহ দ্রোহিতার শামিল। অমূল্য ও অতুলনীয় এই বাক্যের মাধ্যমে আলাহর আনুগত্য প্রকাশ পায়। সুন্দর ও মাধুর্যমণ্ডিত এই শব্দমালা কর্মের আগে প্রকাশ করার মাধ্যমে স্বতঃস্ফূর্ত আমল সম্পাদন করা এবং ইসলামী সংস্কৃতির অনুসরণ করা যায়।

এটিকে অস্বীকার বা মানা না হলে কর্ম অর্থহীন হয়ে যায়। মহানবী (সাঃ) বলেছেন প্রত্যেক ভালো কাজের শুরুতে যদি বিসমিল্লাহ বলা না হয় তা হলে তা অসম্পূর্ণ ও নিম্নমানের থেকে যায়। (আবু দাউদ, ইবনু মাজাহ)।

সূরা আল হাশরের শেষ তিন আয়াতের ফযীলাত সম্পর্কে সূনান আত তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯২২ যা বর্নিত হয়েছে তা যঈফ। মহান আল্লাহর নাম সমূহ, এমনকি এমন অনেক আয়াত রয়েছে যেগুলি দোয়া হিসাবে পাঠ করা হয়, তাই বিসমিল্লাহ বলা হয়না। যেমন, আয়াতুল কুরসি।

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয় আল্লাহর নিরানববইটি নাম আছে অর্থাৎ এক কম এক শত। যে ব্যক্তি এই নামগুলো কণ্ঠস্থ করলো বা গুণে গুণে পড়লো সে জান্নাতে প্রবেশ করলো। (ইবনে মাজাহ, হাদিস নম্বরঃ ৩৮৬০)

মাকিল ইবনু ইয়াসার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি সকালে উপস্থিত হয়ে তিনবার আউযু বিল্লাহিস সামীঈল আলীমি মিনাশ শাইতানির রাজীম তারপর সুরা আল হাশরের শেষের তিন আয়াত পাঠ করবে, আল্লাহ তা'আলা তার জন্য সত্তর হাজার ফিরিশতা নিয়োজিত করবেন। তারা সন্ধ্যা পর্যন্ত তার জন্য দু'আ করতে থাকবেন। সে ঐ দিন ইন্তেকাল করলে তার শহীদী মৃত্যু হবে। যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় এরূপ পাঠ করবে, সেও একই রকম গৌরবের অধিকারী হবে।

তিনিই আল্লাহ, যিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, অদৃশ্য ও দৃশের জ্ঞানের অধিকারী, পরম দয়াময়, পরম দয়ালু।

পরের আয়াতে আল্লাহ তাআলার সুন্দর সুন্দর কয়েকটি নামের বিবরণ এসেছে। হাদীসে এসেছে আল্লাহ তাআলার নিরানববইটি নাম রয়েছে। যে ব্যক্তি তা গণনা করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।

তিনিই আল্লাহ যিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, তিনিই বাদশাহ, অতি পবিত্র, পূর্ণ শান্তিময়, নিরাপত্তা দানকারী, প্রতাপশালী, পর্যবেক্ষক, মহা পরাক্রমশালী, অপ্রতিরোধ্য, প্রকৃত গর্বের অধিকারী। তারা যাকে শরীক করে তা থেকে তিনি পবিত্র, মহান।

তিনিই আল্লাহ সৃষ্টিকারী, উদ্ভাবনকারী, আকার আকৃতি প্রদানকারী। সমস্ত উত্তম নামের অধিকারী। আসমান ও যমীনে যা আছে সবই তাঁর গৌরব ও মহিমা ঘোষণা করে। তিনি প্রবল পরাক্রান্ত মহা প্রজ্ঞাবান।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

5 টি উত্তর
25 মে "ইবাদত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন সমরা (3 পয়েন্ট)
3 টি উত্তর
25 মে "ইবাদত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Mehedi Hossain (8 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
21 মে "ইবাদত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Md Badsha (4 পয়েন্ট)
3 টি উত্তর
1 উত্তর
30 মে 2017 "ইবাদত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মোঃ হিমেল হোসেন (250 পয়েন্ট)

269,176 টি প্রশ্ন

351,783 টি উত্তর

104,121 টি মন্তব্য

142,276 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...