40 জন দেখেছেন
"নিত্য ঝুট ঝামেলা" বিভাগে করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
ঈ-টিকেট কীভাবে নিবো?

কীভাবে ব্যবহার করব?

অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা উত্তর দিন।
করেছেন (4,426 পয়েন্ট)
কোন বাহনের ই টিকেট? স্পষ্ট করুন।

1 উত্তর

3 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (4,426 পয়েন্ট)

** অনলাইনে বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিট কিনতে নিবন্ধন করতে হবে www.esheba.cnsbd.com সাইটে। নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষে সাইটটিতে লগইন করে ক্লিক করতে হবে Purchase Ticket অংশে। এরপর ভ্রমণের তারিখ, যাত্রা শুরুর স্থান, গন্তব্য, ট্রেনের নাম, আসনের শ্রেণী, টিকিটের সংখ্যা নির্বাচন করে ‘সার্চ’ ক্লিক করতে হবে। আসন খালি থাকলে টিকিট কেনার পরবর্তী ধাপ সম্পন্ন করতে হবে। ভাড়া পরিশোধ করা যাবে ভিসা কার্ড, ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড দিয়েই। এ ব্যাপারে আরো জানা যাবে এই লিংকে http://www.railway.gov.bd/files/ETicket_Procedure.pdf। ই-টিকিটিং প্রক্রিয়া শেষে প্রদর্শিত পাতাটি প্রিন্ট করে স্টেশনের নির্ধারিত বুথে জমা দিলেই পাওয়া যাবে মূল টিকিট।
অনলাইনের পাশাপাশি মোবাইল ফোন থেকে এসএমএসের মাধ্যমেও টিকিট কেনা যাবে। এসএমএসে টিকিট কেনার প্রক্রিয়া জানতে চাইলে চোখ রাখুন বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েব লিংকটিতে- www.railway.gov.bd/sms_info.asp।
গ্রামীণফোন
মোবাইল অপারেটরগুলোও টিকিট পদ্ধতিকে সহজ করার হরেক রকম সার্ভিস শুরু করেছে। বিশেষ করে গ্রামীণফোনের মোবিক্যাশ বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। মোবিক্যাশের মাধ্যমে টিকিট করার জন্য প্রথমে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের জন্য ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে T-KET লিখে পাঠিয়ে দিতে হবে ১২০০ নম্বরে। নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ হলে ব্যবহারকারী কাছে ফিরতি ম্যাসেজে একটি পিন নম্বর আসবে। প্রয়োজনে এই পিন নম্বর পরিবর্তন করাও সম্ভব। তবে যারা নিজেদের ইউটিলিটি বিল পরিশোধ করার জন্য বিলপে সার্ভিসের গ্রাহক; তাদের জন্য এ নিবন্ধন না করলেও চলবে। এ সুবিধা শুধু গ্রামীণফোনের গ্রাহকরাই পাবেন।
মোবিক্যাশের মাধ্যমে টিকিট ক্রয়ের পাশাপাশি বুকিংও করা সম্ভব। বুকিং দেয়ার জন্য *১৩১*১# ডায়াল করে ভ্রমণের তারিখ টাইপ করতে হবে। ধরা যাক, ব্যবহারকারী ৪ আগস্ট বাড়ি যাবেন। তখন তিনি টাইপ করবেন ০৪। এর পরের প্রক্রিয়াগুলো মোবাইলেই উঠে আসবে। যেখানে ভ্রমণের শুরুর স্টেশন, সময়, আসন বিন্যাস নির্ধারণ করা যাবে। সর্বশেষে ব্যবহারকারী একটি ই-টিকিট নম্বর পাবেন। এ নম্বরটি গ্রামীণফোনের যে কোনো সেন্টারে দেখিয়ে টাকা শোধ করে টিকিট নিতে পারবে। তবে টিকিট বুকিংয়ের ক্ষেত্রে ঝক্কিটি হলো ৩০ মিনিটের মধ্যে টাকা পরিশোধ করে দিতে হবে।
এ সমস্যা থেকে বের হওয়ার জন্যও গ্রামীণফোন ই-টিকিট সরাসরি কেনার সুযোগ দিচ্ছে। আর এজন্য মোবিক্যাশ অ্যাকাউন্ট থাকলেই হবে। তবে বুকিং এবং সরাসরি টিকিট কেনার পদ্ধতি প্রায়ই একই। *১৩১*১# ডায়েল করে প্রতিটি ধাপ শেষ করে ই-টিকিট নম্বর এসএমএস আকারে ব্যবহারকারী পেয়ে যাবে। এরপর নিকটস্থ গ্রামীণফোন সেন্টারে টাকা পরিশোধ করে টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।
তবে এ সেবা পেতে গেলে প্রতি সিট অনুযায়ী ২০ টাকা আপনার মোবাইল অ্যাকাউন্ট থেকে কাটা যাবে। অন্যদিকে একজন মোবিক্যাশ গ্রাহক সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কিনতে পারবেন। টিকিট কাটার সুযোগ থাকবে ভ্রমণের তিন দিন আগে থেকে। সূত্র : বিডি নিউজ ২৪.কম


** আর বাসের টিকেট কাটতে সংশ্লিষ্ট বাসের ওয়েব সাইটে যোগাযোগ করুন।
করেছেন (141 পয়েন্ট)
ই-মেইল মেসেজ বক্স থেকে প্রেরিত টিকেটটির প্রিন্ট নিয়ে ফটো আইডিসহ ই-টিকেট প্রদত্ত “Ticket Print Information” প্রদান করে সংশ্লিষ্ট সোর্স ষ্টেশন থেকে যাত্রার পূর্বে ছাপানো টিকেট সংগ্রহ করতে হবে

এইটা একটু বুঝিয়ে দিন।

ফটো আইডি কী??Ticket Print Information কী??

আর আমার NID নেই
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
1 উত্তর
16 ডিসেম্বর 2018 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন MD:Sujat Mahmud (0 পয়েন্ট)

282,929 টি প্রশ্ন

367,225 টি উত্তর

110,581 টি মন্তব্য

152,581 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...