বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
69 জন দেখেছেন
"নিত্য ঝুট ঝামেলা" বিভাগে করেছেন (936 পয়েন্ট)
বিভাগ পূনঃনির্ধারিত করেছেন
আমি এইবার Ssc দিবো এবং আমার ভাই Hsc তে Gpa-5 অনার্সে ভর্তি হয়েছে।কিন্তু সমস্যা হলো আমার সাটিফিকেটে বাবার নাম এবং মায়ের নাম মিলছে না।আমার সার্টিফিকেটে বাবার নাম রয়েছে Nozol কিন্তু ভাইয়ের টায় আছে Nazal আবার বাবার NID কার্ডে Nozol আছে।আবার আমার সার্টিফিকেটে মায়ের নাম আছে Jamirol Nessa (জামিরন নেছা) আর ভাইয়েরটায় আছে জামিরন বেগম।আর মায়ের Nid কার্ডে জামিরন বেগম আছে।এখন প্রশ্ন হলো দুই ভাইয়ের কারও বাবা মায়ের নাম একই বানান নেই।চাকরিতে কি কোন সমস্যা হবে।আর যদি সমস্যা হয় কিভাবে এতগুলো ঠিক করবো।করতে কত টাকা লাগবে।একটু উপরে ভাল করে পরে উত্তর দিন।

1 উত্তর

+3 টি পছন্দ
করেছেন (4,777 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর

হাঁ চাকরিতে এসবের কারণে সমস্যা হয়। আর আপনাকে যা করতে হবে।-

** নাম (ছাত্র/ছাত্রীর নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, পদবী) সংশোধনের জন্য প্রথমে একটি দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীর সার্টিফিকেট নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম, শাখা, পরীক্ষার সাল, পরীক্ষা কেন্দ্রের নাম, রোল নম্বর, বোর্ডের নাম এবং জন্মতারিখ উল্লেখ করতে হবে। এরপর শিক্ষা বোর্ডের `তথ্য সংগ্রহ কেন্দ্র` অথবা অনলাইন থেকে নাম সংশোধনের আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে হবে। আবেদনপত্র সংগ্রহের পর প্রার্থী স্বহস্তে নির্ভুলভাবে তা পূরণ করবেন। প্রার্থীর নাম, বাবার বা মায়ের নাম ও পদবী সংশোধনের ফি বাবদ প্রতি পরীক্ষার জন্য ৫০০ টাকা সোনালী ব্যাংকের যে কোনো শাখা হতে সোনালী সেবার মাধ্যমে জমা দিতে হবে। এ ফি সোনালী ব্যাংকের ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে বোর্ডের সচিব বরাবর জমা দিতে হবে।

**  আবেদনপত্রের সঙ্গে নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সার্টিফিকেটের সত্যায়িত ফটোকপি (মূল সার্টিফিকেট না থাকলে মার্কটিসের), নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ড/প্রবেশপত্র/নম্বরপত্র/মূল সনদ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্তৃক সত্যায়িত কপি, ব্যাংক ড্রাফটের মূল কপি, পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির কাটিং, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্ট সাইজের এক কপি ছবি এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা নোটারি পাবলিকের কাছে নাম সংশোধন সম্পর্কে এফিডেভিট করে তার মূল কপি জমা দিতে হবে।

**  ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের নাম সংশোধনীর আবেদনপত্রের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রার্থীর নিজের নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে তার বয়স যদি ১৮ বছরের বেশি হয়, তাহলে তিনি নিজেই এফিডেভিট করতে পারবেন। এক্ষেত্রে ২০০টকা মূল্যের নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা নোটারি পাবলিকের নিকট অফিডেভিট করাতে হবে। তবে প্রার্থীর বয়স যদি ১৮ বছর পূর্ণ না হয় বা প্রার্থী যদি তার মা-বাবার নাম সংশোধন করতে চান, তাহলে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে প্রার্থীর বাবা কর্তৃক প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা নোটারি পাবলিকের কাছ থেকে এফিডেভিট করতে হবে। পিতা জীবিত না থাকলে মাতাকে দিয়ে এফিডেভিট করতে হবে। পিতা ও মাতা উভয়ই জীবিত না থাকলে আইনানুগ অভিভাবক এফিডেভিট করতে পারবেন। তবে আইনানুগ অভিভাবকত্ব জেলা জজের সার্টিফিকেটও জমা দিতে হবে। এফিডেভিটে পাসের সন, রোল নম্বর, বোডের নাম এবং সংশোধনের বিষয় সুস্পষ্ট উল্লেখ থাকতে হবে।

**  নাম সংশোধনের জন্য আবেদন গ্রহণের এক মাসের মধ্যে বোর্ড আবেদনকারী এবং তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষকসহ একটি মিটিংয়ে বসে। এ মিটিংয়েই প্রার্থীর আবেদন যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মিটিংয়ে বসার ১০ থেকে ১৫ দিন আগেই আবেদনকারীর ঠিকানায় চিঠি দিয়ে জানানো হয়। জরুরি প্রয়োজনের ক্ষেত্রে বোর্ডের চেয়ারম্যানের বিশেষ বিবেচনায় একদিনের মধ্যেও নাম সংশোধন করার সুযোগ আছে।

করেছেন (936 পয়েন্ট)
ভাই বাবার ভোটার আইডি কার্ডের নাম পরিবর্তনের নিয়মটা যদি আর একটু ব্যাখ্য করতেন।তাহলে খুব উপকার হবে।

এ সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন খুঁজে পাওয়া গেল না

323,340 টি প্রশ্ন

413,962 টি উত্তর

128,275 টি মন্তব্য

178,040 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...