বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
317 জন দেখেছেন
"যৌন" বিভাগে করেছেন (11 পয়েন্ট)
বন্ধ করেছেন
এই চিরকূট সহকারে বন্ধ করা হয়েছে : যতেষ্ট উত্তর

10 উত্তর

+2 টি পছন্দ
করেছেন (4,429 পয়েন্ট)
না, মাসিকের সময় যৌনমিলন করলে বাচ্চা হবে না। তবে মাসিকের সময় যৌনমিলন করা ইসলামে নিষিদ্ধ। এ সময় যৌনমিলন করলে নানা যৌন রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমনকি যৌন ক‍্যান্সারও হতে পারে। মাসিকের সময়, মাসিক শুরুর আগের ৭ দিন এবং মাসিক শুরুর পরের ৭ দিন যৌনমিলন করলে বাচ্চা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
+1 টি পছন্দ
করেছেন (1,833 পয়েন্ট)
আপনি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী মাসিকের সময় যৌন মিলন সম্পূর্ণ হারাম। এই সময়ে মিলন করলে নপুংশক শিশু জন্ম নিতে পারে কারণ এই সময়ে ডিম্বাণু খুব বেশি দূর্বল থাকে। স্ত্রী যৌন অঙ্গ ও জীবাণুযুক্ত থাকে তাই এই সময়ে মিলন পুরুষ ও মহিলা দুজনের জন্যই ক্ষতিকর। আপনার সুন্দর যৌন জীবন কামনা করছি।
0 টি পছন্দ
করেছেন (299 পয়েন্ট)
আপনার স্ত্রীর ঋতুচক্রের সময় যৌনমিলন করলে গর্ভে সন্তান আসার কোন সম্ভাবনা নেই।ইসলামে ঋতুচক্রের সময় যৌনমিলন করা হারাম।
0 টি পছন্দ
করেছেন (2,041 পয়েন্ট)

মেয়েদের মাসিকের সময়ে যৌন মিলন করলে গর্ভধারনের সম্ভাবনা থাকে না, তবে এই সময়ে শারীরিক মিলন বা সেক্স থেকে বিরত থাকাই ভালো। 

0 টি পছন্দ
করেছেন (7,561 পয়েন্ট)
মাসিকের সময় সেক্স করলে গর্ভবতী হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।কারন এসময় পরিপক্ক ডিম্বাণুটি নষ্ট হয়ে বের হয়ে যায় অন্য দিকে নতুন ডিম্বাণুটি তৈরীর প্রক্রিয়া এ সময় চলতে থাকে। ফলে জরায়ু বা ফেলোপিয়ান নালিতে কোন ডিম্বাণু থাকে না।তাই অবাদে মেলামেশা করলেও গর্ভবতী হবে না। তবে এ সময় সেক্স থেকে বিরত থাকবেন। এতে উভয়ের সংক্রমন জনিত রোগ/অন্য প্রবলেম/ধর্মের দৃষ্টিতেও এসময় মিলন নিষেধ করা হয়েছে।
0 টি পছন্দ
করেছেন (44 পয়েন্ট)
না বাচ্চা হবে না। যেহেতু মাসিক চলছে এমতাবস্থায় পুরুষের শুক্রানো ও নারীর ডিম্বানু মিলিত হবে না । কারন স্রাব এর সাথে সেগুলো বাইরে বের হয়ে যায়। 
0 টি পছন্দ
করেছেন (3,418 পয়েন্ট)
* মাসিকের সময় জরায়ু ও যোনির অম্লভাব থাকে না। তাই এটি খুব সহজেই রোগজীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। * মিলনের সময় এবং পরবর্তীতে প্রচন্ড ব্যথা হতে পারে। * রক্তপাত তুলনামূলক ভাবে বেশি হতে পারে। * দেহ অপবিত্র লাগে বিধায় মানসিক অরুচি সৃষ্টি হতে পারে। * পুরুষ লিঙ্গে রক্ত লেগে যৌনমিলনে তার অরুচি জন্মাতে পারে। * পুরুষের কোন রোগ (Sexual transmited disease) থাকলে এসময় অতিদ্রুত নারী যোনিতে ছড়িয়ে পড়ে। * তেমনি নারীদেহেও কোন রোগ (Sexual transmited disease) থাকলে পুরুষ দেহে দ্রুত ছড়াতে পারে। * জরায়ু মুখ ঘোরে যেতে পারে, যা পরবর্তীতে মারাত্মক কুফল বয়ে আনতে পারে। ইসলামের দৃষ্টিতে এসময় যৌন মিলন হারাম। ইসলামের দৃষ্টিতে মাসিকের সময় যৌন মিলনঃ পবিত্র কুরআ’ন এ আল্লাহ তায়ালা বলেন- “আর আপনার কাছে জিজ্ঞেস করে হায়েয সম্পর্কে। বলে দেন, এটা অশুচি। কাজেই তোমরা হায়েয অবস্থায় স্ত্রীগণ থেকে বিরত থাকো এবং যতক্ষন না তারা পবিত্র হয়ে যায় ততক্ষণ তাদের নিকটবর্তী হবে না। যখন উত্তম রূপে পরিশুদ্ধ হয়ে যায়, তখন গমন কর তাদের কাছে, যে ভাবে আল্লাহ হুকুম দিয়েছেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারী এবং যারা অপবিত্রতা হতে বেঁচে থাকে তাদেরকে পছন্দ করেন।” (বাকারা/ আয়াত-২২২) সুতরাং স্বামীর জন্য জায়েয হবে না স্ত্রী সহবাস করা যতক্ষন না স্ত্রী হায়েয থেকে মুক্ত হয়ে গোসল করে পবিত্র হয়। হায়েয অবস্থায় স্ত্রী সহবাস যে একটি গর্হিত ও হারাম কাজ রাসূলে কারীম (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম) এর হাদিস থেকেও তার প্রমান পাওয়া যায়। আমাদের প্রানপ্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (সা) বলেছেন- “যে ব্যাক্তি হায়েয অবস্থায় সহবাস করে বা পিছনের রাস্তা দিয়ে স্ত্রীর সাথে মিলন করে কিংবা কোন গণকের কাছে গমন করে, তবে সে আমার নিকট যা অবতীর্ণ হয়েছে তা অস্বীকার করল।” [তিরমিযী] বর্তমান চিকিতসা বিজ্ঞান বলছে যে, মাসিক অবস্থায় মেয়েদের জরায়ু থেকে যে স্রাব আসে, তাতে রয়েছে বিষাক্ত কিছু যৌগ। তাই পুরুষদের সিফিলিস, গোনোরিয়া, লিংগ ছোট হয়ে যাওয়া, লিংগ বিকৃতিসহ নানা রোগের কারন মাসিক অবস্থায় সহবাস করা। ডিম্বানু ভেঙ্গে তা মাসিকের স্রাবের সাথে বেরিয়ে যায়। মাসিকের সময় কোন ডিম্বানু থাকে না। যারা মনে করে মাসিকের সময় সহবাস না করলে সন্তান হয় না, এটা তাদের চরম মুর্খতা। তবে কখনো কখনো মাসিকের সময় ডিম্বানু গঠিত হয়, যদিও এটা বিরল। মাসিকের সময় একটি মেয়ে খুবই অসুস্থ থাকে, এর সাথে থাকে অসহ্যকর ব্যাথা-বেদনা, বমি বমি ভাব, মাথা ব্যাথা। এই অবস্থায় তার সাথে সহবাস করা, তার উপর অমানবিক জুলুম ছাড়া আর কিছুই নয়। মাসিক অবস্থায়ঃ ১) মাসিক অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা হারাম। ২) মাসিক অবস্থায় স্ত্রীর নাভী থেকে হাঁটু পর্যন্ত দেখা বা স্পর্শ করা হারাম। ৩) মাসিক অবস্থায় নামায পড়া যাবে না এবং তার কাযা মাফ। ৪) মাসিক অবস্থায় রোযা রাখা যাবে না, কিন্তু তার কাযা আদায় করতে হবে। ৫) মাসিক অবস্থায় কুরআ’ন শরীফ স্পর্শ করা বা মুখে উচ্চারণ করা হারাম। ৬) মাসিক অবস্থায় স্ত্রীর সাথে শোয়া, তাকে চুম্বন কিংবা আলিঙ্গন করা জায়েয। ৭) মাসিক শেষ, কিন্তু গোসল করে নাই, এমতাবস্থায় সহবাস করা যাবে না। ৮) মাসিক তিন দিনের কম বা ১০ দিনের বেশি হলে ইস্তিহাযা। ইস্তিহাযা অবস্থায় নামায পড়তে হবে। ৯) মাসিক অবস্থায় কাবা ঘর তাওয়াফ করা ছাড়া হজ্বের অন্যান্য কাজ করা যায়। এখানে খুবই সহজ কিছু মাসয়ালা দেয়া হলো। মাসিকের মাসয়ালার পরিসর অনেক বড়। মাসিকের মাসয়ালা সমূহ মনে রাখা অনেক কঠিন কাজ। শতকরা ৫ ভাগ মেয়েও সঠিক মাসয়ালা মানা দূরে থাক, জানেও না। তবে কেউ যদি ভুলে, অনিচ্ছাকৃত এবং না জেনে তাহলে তার কোন গুনাহ হবে না। আর যদি ইচ্ছাকৃতভাবে করে থাকে তাহলে কাফফারা দিতে হবে। কাফফারার পরিমাণ একদিনার বা অর্ধ দিনার। কোনো কনো ফিকাহ বিদের মতে স্বামী দুটির যে কোন একটি দিতে পারবে। আবার কেউ কেউ বলেন মাসিকের প্রথম দিকে করলে ১ দিনার, শেষের দিকে বা মাসিক শেষ কিন্তু গোসল করে নি এমতাবস্থায় করলে অর্ধ দিনার। [কিতাবুল কাবার/ পৃষ্ঠা-৫৫]+0 00 মাসিক শুরুর ১ম দিন থেকে দিনটিই হলো প্রথম নিরাপদ দিন। . মাসিক শুরুর পর ১ম দিন থেকে ৭ম দিন পর্যন্ত বা মাসিক শুরু হওয়ার পর প্রথম ৭ দিন আর পরবর্তী মাসিক শুরুর আগের ৭ দিন বা মাসিক এর পূর্ববর্তী ৭ দিন অবাধ সঙ্গম/মিলন নিরাপদ। মানে, এই সময় মিলন করলে সন্তান গর্ভে আসার সম্ভাবনা নাই। গর্ভবতী হবে না। মাঝের দিন গুলোতে মিলনের জন্য গর্ভধারণ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। জেনে রাখা ভালো অনিয়মিতভাবে মাসিক হবার ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি কার্যকর নয়। মাসিক চলাকালীন সময়ে ম স্বাস্থ্যর জন্য ক্ষতিকর।
0 টি পছন্দ
করেছেন (572 পয়েন্ট)
মেয়েদের মাসিকের সময় যৌন মিলন করলে গর্ভধারনের সম্ভাবনা থাকে না, তবে এই সময়ে শারীরিক মিলন বা সেক্স থেকে বিরত থাকাই ভালো। কারণ সমূহ: * মাসিকের সময় জরায়ু ও যোনির অম্লভাব থাকে না। তাই এটি খুব সহজেই রোগজীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। * মিলনের সময় এবং পরবর্তীতে প্রচন্ড ব্যথা হতে পারে। * রক্তপাত তুলনামূলক ভাবে বেশি হতে পারে। * দেহ অপবিত্র লাগে বিধায় মানসিক অরুচি সৃষ্টি হতে পারে। * পুরুষ লিঙ্গে রক্ত লেগে যৌনমিলনে তার অরুচি জন্মাতে পারে। * পুরুষের কোন রোগ (Sexual transmited disease) থাকলে এসময় অতিদ্রুত নারী যোনিতে ছড়িয়ে পড়ে। * তেমনি নারীদেহেও কোন রোগ (Sexual transmited disease) থাকলে পুরুষ দেহে দ্রুত ছড়াতে পারে। * জরায়ু মুখ ঘোরে যেতে পারে, যা পরবর্তীতে মারাত্মক কুফল বয়ে আনতে পারে। ইসলামের দৃষ্টিতে এসময় যৌন মিলন হারাম। ইসলামের দৃষ্টিতে মাসিকের সময় যৌন মিলনঃ পবিত্র কুরআ’ন এ আল্লাহ তায়ালা বলেন- “আর আপনার কাছে জিজ্ঞেস করে হায়েয সম্পর্কে। বলে দেন, এটা অশুচি। কাজেই তোমরা হায়েয অবস্থায় স্ত্রীগণ থেকে বিরত থাকো এবং যতক্ষন না তারা পবিত্র হয়ে যায় ততক্ষণ তাদের নিকটবর্তী হবে না। যখন উত্তম রূপে পরিশুদ্ধ হয়ে যায়, তখন গমন কর তাদের কাছে, যে ভাবে আল্লাহ হুকুম দিয়েছেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারী এবং যারা অপবিত্রতা হতে বেঁচে থাকে তাদেরকে পছন্দ করেন।” (বাকারা/আয়াত-২২২) সুতরাং স্বামীর জন্য জায়েয হবে না স্ত্রী সহবাস করা যতক্ষন না স্ত্রী হায়েয থেকে মুক্ত হয়ে গোসল করে পবিত্র হয়। হায়েয অবস্থায় স্ত্রী সহবাস যে একটি গর্হিত ও হারাম কাজ রাসূলে কারীম (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম) এর হাদিস থেকেও তার প্রমান পাওয়া যায়। আমাদের প্রানপ্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (সা) বলেছেন- “যে ব্যাক্তি হায়েয অবস্থায় সহবাস করে বা পিছনের রাস্তা দিয়ে স্ত্রীর সাথে মিলন করে কিংবা কোন গণকের কাছে গমন করে, তবে সে আমার নিকট যা অবতীর্ণ হয়েছে তা অস্বীকার করল।” [তিরমিযী] বর্তমান চিকিতসা বিজ্ঞান বলছে যে, মাসিক অবস্থায় মেয়েদের জরায়ু থেকে যে স্রাব আসে, তাতে রয়েছে বিষাক্ত কিছু যৌগ। তাই পুরুষদের সিফিলিস, গোনোরিয়া, লিংগ ছোট হয়ে যাওয়া, লিংগ বিকৃতিসহ নানা রোগের কারন মাসিক অবস্থায় সহবাস করা। ডিম্বানু ভেঙ্গে তা মাসিকের স্রাবের সাথে বেরিয়ে যায়। মাসিকের সময় কোন ডিম্বানু থাকে না। যারা মনে করে মাসিকের সময় সহবাস না করলে সন্তান হয় না, এটা তাদের চরম মুর্খতা। তবে কখনো কখনো মাসিকের সময় ডিম্বানু গঠিত হয়, যদিও এটা বিরল। মাসিকের সময় একটি মেয়ে খুবই অসুস্থ থাকে, এর সাথে থাকে অসহ্যকর ব্যাথা-বেদনা, বমি বমি ভাব, মাথা ব্যাথা। এই অবস্থায় তার সাথে সহবাস করা, তার উপর অমানবিক জুলুম ছাড়া আর কিছুই নয়।
0 টি পছন্দ
করেছেন (3,792 পয়েন্ট)
না, এ সময় যৌন মিলন করলে বাচ্চা হওয়ার সম্ভাবনা নেই৷ তবে এ সময় যৌন মিলন করলে শারীরিক ক্ষতি ও শরীয়তে কঠোরভাবে নিষেধ করেছে৷
0 টি পছন্দ
করেছেন (261 পয়েন্ট)
মাসিকের সময় সহবাস করলে বাচ্চা হবেনা কিন্তুু মাসিকের সময় সহবাস করা ইসলামে হারাম।মাসিক হওয়ার আগের ৭ দিন ও মাসিক শেষ হওয়ার পরের ৭ দিন সহবাস করা নিরাপদ। এই সময় সহবাস করলে বাচ্চা হবেনা।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর

311,549 টি প্রশ্ন

401,164 টি উত্তর

123,145 টি মন্তব্য

172,720 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...