56 জন দেখেছেন
"খাদ্য ও পানীয়" বিভাগে করেছেন (952 পয়েন্ট)

1 উত্তর

1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (1,872 পয়েন্ট)

কোয়েলের ডিম ও মাংস শরীরের জন্য উপকারিতাঃ
——————————————–
০১। হৃদরোগের ঝুকি কমিয়ে আনে।
০২। কলেষ্ট্রেরলের মাএা কমিয়ে আনে।
০৩। রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়।
০৪। কঠিন রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
০৫। দেহের অধিক পুষ্টি যোগায়।
০৬। শারীরিক দূর্বলতা দূর করে।
০৭। শরীরে সব ধরণের পুষ্টির অভাব পুরণ করে।
০৮। শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।
০৯। কিডনী, লিভার এবং হৃদপিন্ডের কার্যক্ষমতা উন্নত করে।
১০। হজমশক্তি বাড়াতে এবং এসিডিটি কমাতে সাহায্য করে।
১১। শিশুদের মানসিক, শারীরিক এবং বুদ্ধিমর্ত্তার বিকাশে সহায়ক করে।
১২। যৌন দূর্বলতা দূর করে।
১৩। কোয়েলের ডিম ও মাংস ডায়বেটিক রোগীদের জন্য উপযোগী।
১৪। যৌবন ও তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।
অতএব কোয়েলের মাংস ও ডিম প্রতিটা মানুষের জন্য খুবই উপকারি। নিয়মিত কোয়েলের ডিম ও মাংস সেবন করুন এবং সুস্হ্য থাকুন।

 দেখুন: কোয়েল

.

টার্কির মাংসের উপকারিতা:  


১. টার্কির মাংস তুলনামূলকভাবে শক্ত এবং স্বাদ দেশী মুরগীর মাংসের মত।

২. প্রাপ্ত বয়ষ্ক পুরুষ টার্কির ওজন ৭-৮ কেজি এবং স্ত্রী-টার্কির ওজন ৫-৬ কেজি হয়।

৩. চামড়াছাড়া আস্ত টার্কি মাংসে আছে প্রচুর আমিষ এবং কম চর্বি। আছে মানবদেহের গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন যেমন নিয়াসিন, ভিটামিন বি-৬, এমাইনো এসিড যেমন ট্রিপ্টোফেন আছে। এছাড়াও আছে জিংক ও ভিটামিন বি১২।

৪. টার্কির ক্যান্সার প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্য আছে। এতে আছে উন্নতমানের অত্যাবশকীয় খনিজ সেলেনিয়াম যা থাইরয়েড হরমোন পরিপাক, এন্টি-অক্সিডেন্ট প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং রোগ প্রতিরোধ কার্য্যক্রমে আবশ্যকীয় অংশ হিসেবে কাজ করে। সেলেনিয়াম, ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

৩. চামড়াবিহীন টার্কি মাংসে ক্ষতিকারক চর্বি এবং মোট চর্বির পরিমান খুব কম। এতে কোলেস্টেরল প্রায় নেই।

৪. এতে রয়েছে ট্রিপ্টোফ্যান, যা মানবদেহে সেরোটোনিন উৎপাদনে সহায়তা করে যা দেহ-মনকে চাংগা করে। এছাড়া ট্রিপ্টোফেন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

৫. টার্কির মাংসে আছে ভিটামিন বি৬ এবং নিয়াসিন, যা মানবদেহে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে। নিয়াদিন, খাদ্যের আমিষ, শর্করা এবং চর্বিকে শক্তিতে রূপান্তরে সহায়তা করে।

৬. মাংসে আছে প্রচুর ভিটামিন বি ৬। উপস্থিত ভিটামিন বি৬ মানবদেহে বিভিন্ন কোষ গঠনে কার্য্যকর ভুমিকা পালন করে।

৬. টার্কি মাংসে উপস্থিত ট্রিপ্টোফেন ‘ক্রনিক ইনসোমনিয়া’ বা ‘নির্ঘুম রোগ’ উপশমে কার্য্যকরী ভূমিকা পালন করে। ইহা ঘুমকে উৎসাহিত করে, ফলে নির্ঘুম রোগে প্রশমনে সহায়তা করে।

দেখুন: টার্কি

টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
19 অক্টোবর 2018 "খাদ্য ও পানীয়" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Badshah Niazul (952 পয়েন্ট)
1 উত্তর
19 অক্টোবর 2018 "খাদ্য ও পানীয়" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Badshah Niazul (952 পয়েন্ট)
1 উত্তর
2 টি উত্তর
19 অক্টোবর 2018 "খাদ্য ও পানীয়" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Badshah Niazul (952 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
19 অক্টোবর 2018 "খাদ্য ও পানীয়" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Badshah Niazul (952 পয়েন্ট)

282,421 টি প্রশ্ন

366,635 টি উত্তর

110,344 টি মন্তব্য

152,193 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...