499 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (38 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (13 পয়েন্ট)
উত্তর : রুকূতে যাওয়া ও রুকূ হ’তে ওঠার সময় ‘রাফ‘উল ইয়াদায়েন’ করা সম্পর্কে চার খলীফা সহ প্রায় ২৫ জন ছাহাবী থেকে বর্ণিত ছহীহ হাদীছ সমূহ রয়েছে। একটি হিসাব মতে ‘রাফ‘উল ইয়াদায়েন’-এর হাদীছের রাবী সংখ্যা ‘আশারায়ে মুবাশ্শারাহ’ সহ অন্যূন ৫০ জন ছাহাবী (ফাৎহুল বারী ২/২৫৮) এবং সর্বমোট ছহীহ হাদীছ ও আছারের সংখ্যা অন্যূন চার শত(সিফরুস সা‘আদাত ১৫ পৃঃ)। ইমাম বুখারী বলেন, কোন ছাহাবী রাফ‘উল ইয়াদায়েন তরক করেছেন বলে প্রমাণিত হয়নি। তিনি আরও বলেন ‘রাফ‘উল ইয়াদায়েন’-এর হাদীছ সমূহের সনদের চেয়ে বিশুদ্ধতম সনদ আর নেই’ (ফাৎহুল বারী ২/২৫৭)।
আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রাঃ) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ছালাতের শুরুতে, রুকূতে যাওয়াকালীন ও রুকূ হ’তে  ওঠাকালীন সময়ে..... এবং ২য় রাক‘আত থেকে উঠে দাঁড়াবার সময় ‘রাফ‘উল ইয়াদায়েন’ করতেন’ (মুত্তাফাক্ব ‘আলাইহ, বুখারী, মিশকাত হা/৭৯৩-৯৪)। হাদীছটি বায়হাক্বীতে বর্ধিতভাবে বর্ণিত হয়েছে যে, ‘এভাবেই তাঁর ছালাত জারি ছিল, যতদিন না তিনি আল্লাহর সাথে মিলিত হন’। অর্থাৎ আমৃত্যু তিনি রাফ‘উল ইয়াদায়েন সহ ছালাত আদায় করেছেন। হাসান বছরী ও হামীদ বিন হেলাল বলেন, সকল ছাহাবী উক্ত তিন স্থানে রাফ‘উল ইয়াদায়েন করতেন’। (বায়হাক্বী, মা‘রিফাতুস সুনান ওয়াল আছার হা/৮১৩, ‘মুরসাল হাসান’ ২/৪৭২, দ্রঃ ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) ১০৮-১১১)।
এক্ষণে রাফঊল ইয়াদায়েন মানসূখ হয়েছে মর্মে আব্দুল্লাহ বিন যুবাইর কর্তৃক বর্ণিত যে হাদীছটি পেশ করা হয় (বুখারী, ইন্ডিয়া ছাপা, ১/১০২ পৃঃ টীকা দ্রঃ; হেদায়া ১/১১১ পৃঃ), তা কোন হাদীছ গ্রন্থে পাওয়া যায় না। মুওয়াত্ত্বা মুহাম্মাদের ভাষ্যকার বলেন, ‘এই আছারের সন্ধান কোন মুহাদ্দিছ কোন হাদীছ গ্রন্থে পাননি (মুওয়াত্ত্বা মুহাম্মাদ, তাহকীক : ড. তাক্বিউদ্দীন নাদভী, হা/১০৪-এর ব্যাখ্যা দ্রঃ)। বরং ইমাম বুখারী তার ‘জুয্উ রাফ‘উল ইয়াদায়েন’ পুস্তকে বর্ণনা করেছেন যে, আব্দুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রাঃ) রুকূতে যাওয়া ও রুকূ থেকে উঠার সময় রাফ‘উল ইয়াদায়েন করতেন’ (মুছান্নাফ ইবনে আবী শায়বাহ; বুখারী, জুয্উ রাফ‘উল ইয়াদায়েন হা/১৬ ও ৫৭)।

আমরা আল্লাহ ও রাসুলের আনুগত্য করব ইমাম আবু হানিফা নিজেই বলে গেছেন.........

আবু হানীফা (রহ)

১) যখন হাদীস সহীহ হবে, তখন সেটাই আমার মাযহাব অর্থাৎ হাদীস সহীহ হলে সেটাই আমার মাযহাব। (ইবনুল আবেদীন ১/৬৩; রাসমুল মুফতী ১/৪; ঈক্কামুল মুফতী ৬২ পৃষ্ঠা)

২) কারো জন্য আমাদের কথা মেনে নেওয়া বৈধ নয়; যতক্ষন না সে জেনেছে যে, আমরা তা কোথা থেকে গ্রহন করেছি। (হাশিয়া ইবনুল আবেদীন ২/২৯৩ রাসমুল মুফতী ২৯, ৩২ পৃষ্ঠা, শা’ রানীর মীথান ১/৫৫; ইলামুল মুওয়াক্কিঈন ২/৩০৯)

৩) যে ব্যাক্তি আমার দলিল জানে না, তার জন্য আমার উক্তি দ্বারা ফতোয়া দেওয়া হারাম। (আন-নাফিউল কাবীর ১৩৫ পৃষ্ঠা)

৪) আমরা তো মানুষ। আজ এক কথা বলি, আবার কাল তা প্রত্যাহার করে নিই। - (ঐ)

৫) যদি আমি এমন কথা বলি যা আল্লাহর কিবাব ও রাসুলের (সা) হাদীসের পরিপন্থি, তাহলে আমার কথাকে বর্জন করো। (দেওয়ালে ছুড়ে মারো)। (ঈক্কাবুল হিমাম ৫০ পৃষ্ঠা)
আল্লাহ আমদের সঠিক শিক্ষা দান করুন আমিন...।
করেছেন (38 পয়েন্ট)
সবার সুবিধার্থে...এখানে মানসূখ শব্দের অর্থ..."ভুল বর্ননা"
করেছেন (13 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন
সবার সুবিধার্থে...এখানে মানসূখ শব্দের অর্থ..."ভুল বর্ননা"}
 আপনার এ কথাটা ভালভাবে বুজলাম না তবে এই রকম কিছু  বলে বলে থাকেন যে রউফুল ইয়াদাইন [মানশুখ(বাদ দেয়া)] হয়েছে তাহলে উপরের উত্তরটি ভালভাবে পড়ুন রাসুল (সা) সহ এমন কোন সাহাবি বাধ দিয়েছেন বলে প্রমানিত হয় নি হাদিসের জগতে সবচাইতে শক্তিশালি হাদিস হচ্ছে রউফল ইয়াদাইন এর হাদিস। মানশুখ হয়ার তো প্রশ্নই আশে না। আশা করি বুজতে পেরেছেন।আর যদি যোগাযোগ করতে চান তাহলে [skype id: microshy1]।  @ mohaimin
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
1 উত্তর
25 সেপ্টেম্বর 2013 "ঈমান ও আক্বীদা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন mohaimin (38 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
03 এপ্রিল 2014 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন আহমেদ বিডি (2,442 পয়েন্ট)

287,878 টি প্রশ্ন

373,172 টি উত্তর

112,806 টি মন্তব্য

156,578 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...