29 জন দেখেছেন
"স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (6 পয়েন্ট)
আমার রক্তের প্লেটলেট(অনুচক্রিকা) কম। পিজি হাসপাতালের বর্তমান হেমাট্রোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান (ডা আজিজ) আমার চিকিৎসা করতেছেন ।তিনি ১মে প্রেডনিসোলন দিলেন ২১দিনের খেলাম কোনো উপকার হলোনা।পরে সোনেক্সা(ডেক্সামেথাসন) তাতেও কোনো উপকার হলোনা।তার পর ETP 25 দিলেন তাও প্লেটলেট ১৫ হাজার।। আমার বোন মেরো ভালো আছে।।। এখন কি করবো আমি বলেন?????
মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (893 পয়েন্ট)
পেঁপে,  ডালিম, ভিটামিন সি, কুমড়া প্রচুর পরিমাণে খান। 

কলিজাও খেতে পারেন। ডিম খাবেন।

এবং ভাল মানের ডাক্তারের পরামর্শ আবারো নিন।

চিকিৎসায় এটি সম্পূর্ণরুপে ভাল হয়।

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (2,175 পয়েন্ট)
রক্তের অণুচক্রিকা বা প্লাটিলেট স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে কমে গেলে থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া রোগ হয়। একজন সুস্থ মানুষের প্রতি মাইক্রোলিটার রক্তে ১,৫০,০০০ থেকে ৪,৫০,০০০ প্লাটিলেট থাকে। তবে প্লাটিলেট সংখ্যা ১,৫০,০০০ এর চেয়ে কমে গেলে তাকে থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া বলে।

যেসকল কারণে রক্তের অণুচক্রিকা বা প্লাটিলেট কমে যেতে পারে:

১.ডেঙ্গু জ্বর: ডেঙ্গু সংক্রমণ হলে অস্থিমজ্জা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সঠিক ভাবে কাজ করতে পারে না। ফলে রক্তে অনুচক্রিকা বা প্লাটিলেট কাউন্ট কমে যেতে শুরু করে। আর এই কারণে শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্তক্ষরণ হয়।

২. চিকুনগুনিয়া জ্বর: চিকুনগুনিয়া জ্বর হলে রক্তের অনুচক্রিকা বা প্লাটিলেট কমে যায়। তাই রোগীর রক্তপাতের ঝুঁকি থাকে।

৩. ম্যালেরিয়ার: ম্যালেরিয়ার হলে রক্তের অনুচক্রিকা বা প্লাটিলেট কমে যায়।

৪.হাম: হাম হলে রক্তে প্লাটিলেট বা অনুচক্রিকার পরিমান কমে যায়।

৫.ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: ব্যথায় অনেকেই আইবুপ্রফেন খান। বাজারে এটি ব্রুফেন, ফেবরিলিক্স, আইবুজেসিক ইত্যাদি নামে পাওয়া যায়। রক্তে অনুচক্রিকার সংখ্যা কমে যেতে দেখা যায় এই ওষুধ ব্যবহারের ফলে।

৬.ব্লাড ক্যানসার: ব্লাড ক্যানসার হলে রক্তের অনুচক্রিকা এবং শ্বেতকণিকা কমে যায়।

৭.কেমোথেরাপি: কেমোথেরাপি চলাকালে রক্তের অনুচক্রিকা কমে যেতে পারে। এর ফলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশিক্ষণ রক্তক্ষরণ হতে পারে।

৮.গর্ভাবস্থায় লিভার রোগ: একিউট ফ্যাটি লিভার অব প্রেগন্যান্সি হলে অনুচক্রিকা (প্লাটিলেট) কমে যায়।

অনুচক্রিকা বাড়ানোর উপায়...

রক্তে অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো অনুচক্রিকা । এর প্রধান কাজ রক্ত হলো রক্ত জমাট বাঁধায় সহায়তা করা । শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।সুষম খাদ্য গ্রহণ করলে অনুচক্রিকা বৃদ্বি পায় । তাছাড়া নিয়মিত ব্যায়াম করার ফলে শরীরের লোহিত,শ্বেত ও অনুচক্রিকার সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়ে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

আশা করি সাহায্য করতে পেরেছি ।

closeWe

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

263,768 টি প্রশ্ন

344,673 টি উত্তর

101,330 টি মন্তব্য

138,699 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
closeWe
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...