বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
42 জন দেখেছেন
11 অক্টোবর 2018 "ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (4,309 পয়েন্ট)
নি:সন্দেহে আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ‍্য ধর্ম একমাত্র ইসলাম। (সূরা: আল-ইমরান, আয়াত: ১৯)

1 উত্তর

0 টি পছন্দ
11 অক্টোবর 2018 উত্তর প্রদান করেছেন (7,364 পয়েন্ট)
নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য একমাত্র দ্বীন হল ইসলাম। (সুরা আল ইমরানঃ ১৯)

ইসলাম হচ্ছে এমন দ্বীন যা আল্লাহ ব্যতীত কোন মাবুদ নেই এ সাক্ষ্য দেয়া, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর কাছ থেকে যা নিয়ে এসেছেন তার সত্যতার স্বীকৃতি প্রদান। আর এটাই হচ্ছে আল্লাহ প্রদত্ত দ্বীন যা তিনি প্রবর্তন করেছেন, রাসূলদেরকে যা দিয়ে প্রেরণ করেছেন, তার বন্ধুদেরকে যার দিশা দিয়েছেন। এটা ব্যতীত তিনি আর কিছু গ্রহণ করবেন না।

আর আল্লাহর নিকট যে আত্মসমর্পণ করেছে সে মুসলমান হয়েছে এবং সে আল্লাহর দ্বীনের মধ্যে প্রবেশ করেছে। আল্লাহর মনোনীত জীবন ব্যবস্থাটির নাম হল ইসলাম। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা বলেছেনঃ আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন তথা জীবন ব্যবস্থাকে পরিপূর্ণ করে দিলাম এবং তোমাদের জন্য আমার নেয়ামতসমূহ পূর্ণ করেদিলাম, আর তোমাদের দ্বীন তথা ইসলামের উপর আমি রাজী সন্তুষ্ট হয়ে গেলাম। (সূরা মায়েদাঃ ৩)

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তার অশেষ মেহেরবানীতে মানুষকে অত্যন্ত সুন্দর অবকাঠামো দিয়ে তৈরী করেছেন এবং মানুষকে দিয়েছেন সৃষ্টির সেরা জীবের মর্যাদা অর্থাৎ আশরাফুল মাখলুকাত এবং দিয়েছেন বিবেক বুদ্ধির ন্যায় অমূল্য সম্পদ। যার সাহায্যে তারা প্রতিষ্ঠা করবে পৃথিবীতে আল্লাহর খেলাফত। আল্লাহর রাজত্ব প্রতিষ্ঠার জন্যই মানব সৃষ্টির উৎস। কারণ জৈবিক শক্তি এবং নৈতিক শক্তি দিয়ে মানুষকে করেছেন নৈতিকতা বোধ সম্পন্ন বিবেকবান শ্রেষ্ঠজীব। এই শ্রেষ্ঠ মানুষরাই প্রতিষ্ঠা করবে পৃথিবীর বুকে আল্লাহর মনোনীত জীবন ব্যবস্থা আল ইসলাম। আল্লাহর মনোনীত দ্বীন তথা ইসলাম মানব মণ্ডলীর জন্য এক বিরাট নেয়ামত আল্লাহর পক্ষ থেকে। এই দ্বীন প্রতিষ্ঠা হলে পৃথিবীটা হবে শান্তিদায়ক জান্নাতের টুকরা। যেখানে থাকবে না কোন অন্যায়-অবিচার, থাকবেনা জুলুম-অত্যাচার। মানুষ নিজের কল্যাণের চেয়ে অন্যের কল্যাণ বেশি কামনা করবে। কারণ তাদের মধ্যে এমন গুণের আবির্ভাব ঘটবে, তারা হবে তাকওয়ার গুণে গুণান্বিত। তখন আল্লাহর জমিন হবে নেয়ামতে ভরপুর।

প্রগতি শব্দের অর্থঃ জ্ঞানে বা কর্মে এগিয়ে চলা৷ যারা এই কাজটা যথাযথভাবে করতে সক্ষম, তাদেরই প্রগতিশীল বলা হয়৷ আর প্রগতিশীলতা হলো মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন৷ প্রগতিশীল মানুষ সমাজের ঘুণে ধরা জরা দূর করতে জীবন উৎসর্গ করে৷ প্রগতিশীল মানুষ নিজে সৃষ্টিশীল কাজ করে, অন্যদের উৎসাহিত করে৷ চেতনায় বিপ্লব ঘটানোই হচ্ছে প্রগতিশীল হওয়া৷

এজন্য মানুষ সৃষ্টির শুরু থেকেই শান্তির জন্য কতইনা পরিকল্পনা করেছে। তৈরী করেছে বহু মত ও পথ, সৃষ্টি করেছে শত মতবাদ। এক একটি মতবাদকে প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে মানুষ ধ্বংস করেছে হাজারো জনপদ। হত্যা করেছে লক্ষ লক্ষ বনী আদম। কিন্তু তারপরেও তারা শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। পারেনি মানুষের মৌলিক কোনো অধিকার আদায় করতে। ফিরিয়ে দিতে পারেনি বঞ্চিত মানবতার সামান্যটুকু অধিকার, বরং মতবাদ প্রতিষ্ঠাকারীরা লুটে নিয়েছে মানুষের সম্পদ, অধিকার কেঁড়ে নিয়েছে লাখো বনী আদমের। সাধারণ জনগণের উপর চালিয়েছে জুলুম, নির্যাতন, হত্যা, ধর্ষণ ইত্যাদি। এমন কোন অপরাধ নেই যা তারা করেনি। শেষ মেষ একমাত্র ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েই সমাজে শান্তি ফিরে আসে। এজন্য ইসলামকে আল্লাহর নিকট একমাত্র গ্রহণযোগ্য বিশ্বজনীন শান্তি ও প্রগতির ধর্ম বলা হয়।
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

4 টি উত্তর
0 টি উত্তর
08 অক্টোবর 2018 "কবিতা সমগ্র" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Badshah Niazul (4,309 পয়েন্ট)

305,338 টি প্রশ্ন

394,111 টি উত্তর

120,051 টি মন্তব্য

169,257 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...