39 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (0 পয়েন্ট)

5 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (3,436 পয়েন্ট)
হ্যা যাবে। আর স্বামি স্ত্রীর দুই জনের ইনকাম করা টাকা দিয়ে সংসার চালাতে পারবেন। 
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (346 পয়েন্ট)
হ্যা....স্বামীর অর্থীক আবস্থা হাঠাৎ খারাপ হয়ে গেলে স্ত্রীর টাকায় সংসার চলানো যাবে.......যদি স্ত্রী টাকা দিতে রাজি থাকে.........
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (472 পয়েন্ট)
বিয়ার পর সংসার কিন্তু আপনার একার না, স্ত্রীরও বটে তাই স্ত্রী যদি নিজ ইচ্ছায় তার সম্পদ সংসারে খরচ করে তবে তাতে সমস্যা নাই। এমনকি আপনি আপনার স্ত্রীকে বলতেও পারেন যে আমার সমস্যা যাচ্ছে, এই  সময়ে সে যদি সংসারটা চালিয়ে নেয় তবে ভাল হয়। কিন্তু আপনি তাকে চাপ দিতে পারবেন না। এমনকি তার থেকে টাকা নিয়া (ধার বা লোন বা কিছুদিন পর ফেরত দেব এই বলে) খরচ করে পরে বলবেন স্ত্রীর টাকা ফেরত দেয়া লাগেনা। এমন কাজও করতে পারবেন না। তবে স্ত্রী নিজ ইচ্ছায় দিলে অসুবিধা নাই। তবে এখানে একটি বিষয় হচ্ছে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বা আলাদা থাকার ব্যাপার না থাকলে সকল স্ত্রীই তার সম্পদ সংসারে ব্যবহার করে। স্বামীর জন্য সাহায্য করে।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (230 পয়েন্ট)
সংসার চালানোর পূর্ণ দায়িত্ব শরিয়ত স্বামীকে অর্পন করেছে৷ সংসারের খরচাপাতির দায়িত্ব স্ত্রীকে দেয়া হয় নি৷ অতএব তাকে বাধ্য করা যাবে না৷ ঋণ হিসাবে তার থেকে নিতে পারেন৷ যা পরে অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে৷ তবে একটা কথা মনে রাখা দরকার সংসারে পারস্পারিক সহযোগিতা প্রয়োজন তাই স্বামীর বিপদে স্ত্রীর সহযোগিতাই কাম্য৷
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (3,950 পয়েন্ট)
স্ত্রী যদি স্ব-ইচ্ছায় দিতে চায় এক্ষেত্রে স্ত্রীর টাকায় বা সম্পদে সংসার চালানো যাবে। দেখুন একটি ঘটনা।

হযরত আলী [রাঃ] এর ঘরে খাবার নেই টাকাও নেই । হযরত ফাতিমা [রাঃ] এর চাদর নিয়ে গেছেন বিক্রি করার জন্য। বিক্রি করে খাবার কিনলেন। বিক্রি করলেন ছয় দেরহাম। আসার পথে এক ভিক্ষুক হাত পেতে বসল। ফিরিয়ে দেবেন? না, পুরো ছয় দেরহাম-ই দিয়ে দিলেন তার হাতে। ঘরের ক্ষুদার্থ মানুষের কথা ভাবেননি।

কিন্তু আল্লাহ তায়ালার কুদরত খেয়াল করুন। হযরত জিবরাঈল [আঃ] এক আরব্য গ্রাম্য মানুষের আকৃতিতে এসে হাজির। হাতে একটি উট। আলী [রাঃ] এর সামনে এসে বললেনঃ আলী কিনবে? বাকি চাইলেও দেব। হযরত আলী [রাঃ] একশ দেরহাম দিয়ে কিনে নিলেন। কিছু যাওয়ার পর । হযরত মিকাঈল [আঃ] এর সাথে সাক্ষাত। তিনিও এসেছেন মানুষের বেশে। এসে বললেন, এটি যদি বিক্রি করেন তাহলে আমি একশ ষাট দেরহাম দিয়ে কিনতে রাজি আছি। আলী [রাঃ] বললেন রাজি আছি। এতএব একশ ষাট দেরহাম নিয়ে উট বুঝিয়ে দিলেন। পুনরায় ফিরার পথে সেই প্রতম ব্যাক্তির সাথে দেখা। তাকে দিয়ে দিলেন একশ দেরহাম। ষাট দেরহাম নিয়ে ঘরে ফিরলেন। হযরত ফাতিমা [রাঃ] দেখে তো তাজ্জব। ষাট দেরহাম! কোথায় পেলেন? কিভাবে পেলেন? হযরত আলী [রাঃ] বললেন আল্লাহর সাথে ব্যাবসা করেছি । ষাট দেরহাম লাভ হয়েছে।

[সংগ্রহ]
closeWe

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

4 টি উত্তর
আমি জিনা করেছিলাম।আমি আল্লাহর কাছে মনে মনে অনুতপ্ত হয়েছি,ক্ষমা চেয়েছি কিন্তু নামাজ পরে তওবা করিনি।আমি তখন জানতাম না যে এরকম ব্যভিচার করলে পবিত্র কাউকে বিয়ে করা যায়না।আমি আমার স্বামীকে বিয়ের আগে জানিয়েছিলাম যে আমার আগে একজনের সাথে সম্পর্ক ছিল কিন্তু জিনার কথা লজ্জায় বলিনি।বিয়ের কিছুিদন পর সে সব জেনে যায়।এখন সে আমাকে খুব সন্দেহ করে।আমি জানি সেটা তার দোষ না।কিন্তু আমাদের সংসার প্রায় ভেঙ্গে যাওয়ার পথে।আমি ইস্তেগফারের নামাজ পরে আল্লাহর কাছে মাফ চেয়েছি।আমি আমার স্বামীকে অনেক ভালোবাসি।কিন্তু কিভাবে সব ঠিক হবে বুঝি না।আমার জন্য দোয়া করবেন যেন আল্লাহ আমাকে মাফ করেন।?
06 জানুয়ারি 2016 "ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন সিমিন (9 পয়েন্ট)

258,786 টি প্রশ্ন

337,521 টি উত্তর

98,353 টি মন্তব্য

135,299 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
closeWe
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...