বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
75 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন (16 পয়েন্ট)
প্রশ্ন ১ঃ এশার নামাজের ওয়াক্ত কখন? উত্তরটি "এতোটা" থেকে "অতটা" এভাবে নির্দিষ্ট করে দিবেন প্রশ্ন 2ঃ এশার ওয়াক্তে তো টোটাল ১৫ রাকাত নামাজ আছে। কিন্তু আমি শুধু প্রথমে ৪ রাকাত সুন্নত, ৪ রাকাত ফরজ এবং ২ রাকাত সুন্নত পড়ি। এতে কি আমার এশার নামাজ কবুল হবে? নাকি নফল ও বেতেরের নামাজ অবশ্যই পড়া লাগবে?

2 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (12,694 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন

১ উত্তর: ঈশার প্রথম সময় হলো যখন অদৃশ্য হয়ে যায় এবং তার শেষ সময় হলো যতক্ষণ না ফজর (সুবহি সাদিক) উদিত হয়। কেননা রাসূলুল্লাহ্ [সা.] বলেছেন- ‘ঈশার শেষ সময় হলো যতক্ষণ না ফজর উদিত হয়। রাত্রের তৃতীয়াংশ অতিক্রান্ত দ্বারা ঈশার শেষ সময় নির্ধারণের ব্যাপারে এ হাদীছ ইমাম শাফিঈ [রহ.] এর বিপক্ষে দলীল। বিতরের প্রথম সময় হলো ‘ঈশার পরে এবং তার শেষ সময় হলো যতক্ষণ না ফজর উদিত হয়। কেননা রাসূলুল্লাহ্ [সা.] বিতর সম্পর্কে বলেছেন- ‘ঈশা ও ফজরের মধ্যবর্তী সময়ে তোমরা তা আদায় কর। হিদায়া গ্রন্থকার বলেন, এটা সাহেবাইনের মত। আর ইমাম আবূ হানীফা [রহ.] এর মতে ‘ঈশার সময়ই হচ্ছে বিতরের সময়। তবে তারতীব ওয়াজিব হওয়ার কারণে স্মরণ থাকা অবস্থায় বিতরকে ‘ঈশার আগে আদায় করা যাবে না।।
২ উত্তর : ৪ রাকাত সুন্নত (আদায় করতে পারেন নাও করতে পারেন)

 ৪ রাকাত ফরজ তারপর দুই রাকার সুন্নত তারপর (নফল নামায পরা না পরা আপনার উপর) সবার শেষে বেতের ৩ রাকাত আদায় করতে হবে। যদি ঈশার বেতের নামায আদায় না করেন তাহলে নামায কবুল হবে না। তা প্রথম উত্তর এ ভালো করে দেওয়া আছে।
করেছেন (1,833 পয়েন্ট)
ফরজের আগে চার রাকআত সুন্নাত পড়া বাধ্যতামূলক নয়।
করেছেন (12,694 পয়েন্ট)
হুম সেটা জানি। আর প্রশ্নকারী পরেন তাই বলেছি ।আর আমি বেতের নামায পরার কথা বলেছি সুন্নত নয়।
করেছেন (1,833 পয়েন্ট)
২উত্তর দেখুন
করেছেন (12,694 পয়েন্ট)
এবার কি ক্লিয়ার হয়েছে আপনার।
করেছেন (1,833 পয়েন্ট)
আপনি কি মনে করেন, এবার আপনার উত্তর ক্লিয়ার হওয়ার মতো হয়েছে? 
করেছেন (12,694 পয়েন্ট)
আপনি আপনাকে সেটা বলি নি বলেছি ৪ রাকাত সুন্নত নামাযের ব্যাপারে।। 

আমি আর আপনার সাথে কথা বাড়াতে চাইনা ধন্যবাদ 
0 টি পছন্দ
করেছেন (7,391 পয়েন্ট)
গোধুলী পেরিয়ে রাতের অন্ধকার ঘনিয়ে আসার পর হতে এই নামাজের ওয়াক্ত শুরু হয় এবং রাতের এক তৃতীয়াংশ সময় থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত যে কোন সময়ে নামাজ আদায় করে নেয়া যেতে পারে।

ইশার নামাজ মোট দশ রাকাত। প্রথমে চার রাকাত সুন্নতে জায়েদা অনাবশ্যক, চাইলে পড়তে পারেন অথবা নাও পারেন। চার রাকাত ফরজ এবং সবশেষে দুই রাকাত সুন্নত। এছাড়াও তিন রাকাত বিতরের ওয়াজিব নামাজ ইশার দুই রাকাত সুন্নত নামাজের পরেই আদায় করে নেওয়া যায়।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ভোর হওয়ার পূর্বেই বিতর আদায় করে নিবে। তিনি আরো বলেন, আল্লাহ তাআলা বিতর, তিনি বিতরকে ভালবাসেন। হে কুরআনের বাহকগণ! তোমরা বিতর আদায় কর।

বিতরের নামাজ পড়ার ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিশেষ তাগিদ দিয়ে বলেন, বিতরের নামাজ পড়া আবশ্যক। যে ব্যক্তি বিতর আদায় করবে না, আমাদের জামাআতের সাথে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। (আবু দাউদ) [দুই রাকাত নফল নামাজ আপনার উপর। এতে সর্বসাকুল্যে হয় ১৫ রাকাত ]
করেছেন (16 পয়েন্ট)
এর মানে এশার নামাজের ক্ষেত্রে আমি প্রথম ৪ রাকাত সুন্নত, ফরজ নামাজের পরবর্তী ২ রাকাত সুন্নত এবং নফল নামাজ পড়ি আর না পড়ি, আমাকে ৪ রাকাত ফরজ এবং বিতরের নামাজ অবশ্যই পড়তে হবে?
করেছেন (7,391 পয়েন্ট)
কেউ যদি সুন্নতকে অলসতা করে ছেড়ে দেয় তাহলে সে গোনাহগার হবে। এছাড়া ৪ রাকাত ফরজ এবং বিতরের নামাজ অবশ্যই পড়তে হবে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

4 টি উত্তর
1 উত্তর
3 টি উত্তর

306,658 টি প্রশ্ন

395,511 টি উত্তর

120,719 টি মন্তব্য

169,903 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...