916 জন দেখেছেন
"নবী-রাসূল" বিভাগে করেছেন (1,015 পয়েন্ট)

2 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (1,015 পয়েন্ট)
সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ্র।

এটি খেয়াল রাখতে হবে যে রাসূল (সা:) বলেছেন: যে আমাকে স্বপ্নে দেখেছে সে সত্যই আমাকে দেখেছে, শয়তান আমার রুপ ধরতে পারে না…[মুসলিম, বুখারী]

হাদিসটির ব্যাখ্যায় আলেমগন বলেছেন, বুঝতে হবে যে, এতে বুঝাচ্ছে রাসূল (সা:) –কে তার আকৃতিতে দেখার বিষয়ে বলা হয়েছে, শয়তান রাসূল (সা:) এর রুপ বা আকৃতি ধারন করতে পারে না।

কিন্তু শয়তান যদি অন্য রুপ ধরে আসে, ঘুমন্ত বা জাগ্রত অবস্থায়, তাহলে মিথ্যা বলে থাকে। আর বলে, আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (সা:), তাহলে তা সত্য নয় এবং কেউ রাসূল (সা:) –কে দেখেছে এটি প্রমান করে না।

তাই আপনাকে রাসূল (সা:) এর শারীরিক গঠনের বর্ণনা জানতে হবে। এই বর্ণনাগুলি বিভিন্ন হাদিসে উল্লেখ আছে যা বর্ণনা করে তার (সা:) এর চারিত্রিক গুনা বলি, হাত, কনুই, মুখ, দাত, চোখ এবং চুল।

অনেকেরই রাসূল (সা:) এর চেহারার সাথে সাদৃশ্যতা ছিল। যারা অধিক সাদৃশ্যতা অবলম্বন করত তারা হচ্ছে হাসান ইবন আলী (রা:) (রাসূল (সা:) এর নাতী) এবং আবদুল্লাহ ইবন আবু তালিব। তাই আপনি যদি রাসূল (সা:) কে দেখেন যে ভাবে সুন্নাহ্‌তে বর্ণিত আছে তাহলে আপনি সত্যিই রাসূল (সা:) –কে দেখেছেন, কিন্তু আপনি যদি এমন দেখেন যা সুন্নাহে্‌র ব্যতিক্রম, যেমন আপনি যদি তাকে দেখেন দাড়ি সেভ করা অথবা একটি হাত বা একটি পা নেই। তাহলে এই ক্ষেত্রে দু’ধরনের মত আছে।

১. এটি বুঝাবে ঐ ব্যক্তির ধর্মীয় অঙ্গীকারে ত্রুটি আছে।

২. শায়েখ আল-ইসলাম ইবন তাইমিয়ার মত ধরা হয় অধিক সঠিক, যা হচ্ছে, মিথ্যা আকৃতি হয়ে থাকে শয়তানের পক্ষ থেকে মূলত যদি কেউ জাগ্রত অবস্থায় দেখে। ওটা অবশ্যই মিথ্যা আকৃতি, কারন রাসূল (সা:) বারযাখে জীবিত আছেন এবং কেউ তাকে জাগ্রত অবস্থায় দেখেতে পাবে না এবং তিনি কারও কাছে আসতে পারেন না অথবা কথাও বলতে পারেন না।

আলেমদের মতে, কেউ যদি রাসূল (সা:) –কে দেখে এবং তিনি কিছু বলেন যা কুরআন এবং হাদিসের বিরুদ্ধে যায় অথবা এমন কিছু বলেন যার প্রমান থাকা দরকার। তাহলে কেউ তা মানবে না, কারন স্বপ্নে যা দেখা হয় তা দলীল নয়; দলীল হচ্ছে যা তিনি জাগ্রত অবস্থায় শিখে। আমাদের জানা প্রয়োজন রাসূল (সা:) এর নিজের স্বপ্ন হচ্ছে ওহী, কিন্তু রাসূল (সা:) –কে স্বপ্নে দেখা ওহী নয়, আলেমদের মতে। বরং এটি উত্তম অভ্যর্থনা।

রাসূল (সা:) এর দেখার বিষয়টি যদি কুরআন এবং হাদিসের বিরুদ্ধে না যায় তবে তা ঠিক আছে তবে যদি বিপরীতে যায় এবং কেউ যদি তার উপর আমল করে অথবা বিশ্বাস করে তবে তা শিরকের দিকে ধাবিত হতে পারে। যেমন, যদি স্বপ্নে বলা হয়, রাসূল (সা:) গায়েব জানেন, তার কাছে কোন কিছু চাইলে পাওয়া যায় বা তাকে মাধ্যম ধরে দোয়া করতে হবে ইত্যাদি। এরূপ ঘটলে অবশ্যই শির্‌ক হবে যদি কেউ স্বপ্নে যা বলা হয়েছে তা আমল করে অথবা বিশ্বাস করে।

আল্লাহ্‌ই সর্বাপেক্ষা ভাল জানেন।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (75 পয়েন্ট)
হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) কে সপ্ন দেখতে পারেন । এটা সবাই পারে না , যাদের ঈমান মজবুত তারাই পারে ।
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
28 মার্চ 2018 "নবী-রাসূল" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন আলাউদ্দিন আল মুন্না (9 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
2 টি উত্তর

288,268 টি প্রশ্ন

373,576 টি উত্তর

112,990 টি মন্তব্য

156,864 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...