75 জন দেখেছেন

2 উত্তর

+2 টি পছন্দ
করেছেন (5,993 পয়েন্ট)
আল্লাহ বলেনঃ তোমার পালনকর্তা আদেশ করছেন যে, তাকে ছাড়া অন্য কারো ইবাদত করো না এবং মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার কর। তাদের মধ্যে একজন অথবা উভয়েই যদি তোমার জীবনদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়, তবে তাদেরকে উহ! শব্দটিও বল না এবং তাদেরকে ধমক দিও না এবং তাদের সাথে শিষ্টাচারপূর্ণ কথা বল। তাদের সামনে ভালবাসার সাথে নম্রভাবে মাথা নত করে দাও। ( বনী ইসরাঈলঃ ২৩, ২৪ এর অংশ)

এই আয়াতে আল্লাহ তায়ালা পিতা-মাতার আদব, সম্মান এবং তাদের সাথে সদ্ব্যবহার করাকে নিজের ইবাদতের সাথে একত্রিত করে ফরয করেছেন। যেমন, অন্যত্র আল্লাহ তায়ালা নিজের শোকরের সাথে পিতা-মাতার শোকরকে একত্রিত করে অপরিহার্য করেছেন।

এতে প্রমাণিত হয় যে, আল্লাহ তা'আলার ইবাদতের পর পিতামাতার আনুগত্য সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ এবং আল্লাহ তা'আলার প্রতি কৃতজ্ঞ হওয়ার ন্যায় পিতা-মাতার প্রতি কৃতজ্ঞ হওয়াও ওয়াজিব। হাদীসে রয়েছে, কোন এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করলঃ আল্লাহর কাছে সর্বাধিক প্রিয় কাজ কোনটি? তিনি বললেনঃ সময় হলে সালাত পড়া। সে আবার প্রশ্ন করলঃ এরপর কোন কাজটি সর্বাধিক প্রিয় ? তিনি বললেনঃ পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার। (মুসলিম)

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেনঃ আল্লাহর সন্তুষ্টি পিতা মাতার সন্তুষ্টির মধ্যে এবং আল্লাহর অসন্তুষ্টি পিতা মাতার অসন্তুষ্টির মধ্যে নিহিত। (তিরমিয়ী) 

তবেঃ-

আল্লাহ বলেছেনঃ আমি মানুষকে নির্দেশ দিচ্ছি তার পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার  করতে। তবে ওরা যদি তোমার উপর বল প্রয়োগ করে আমার সাথে এমন কিছু শরীক করতে যার সম্পর্কে তোমার কোন জ্ঞান নেই, তুমি তাদেরকে মেনো না। (সূরা আল-আনকাবুতঃ ৮)

আল্লাহ আরেক জায়গায় বলেনঃ তোমার পিতা-মাতা যদি তোমাকে পীড়াপীড়ি করে আমার সমকক্ষ দাঁড় করাতে যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান নেই, তুমি তাদের কথা মেনো না, তবে পৃথিবীতে তাদের সাথে বসবাস করবে সৎভাবে। (সূরা লুকমানঃ ১৫)

আয়াত দুটির মুল ভাবার্থ ছাড়াও এমন ভাবে ধরে নেয়া যায় যে, পিতা মাতা কন্যাকে এমন ছেলের সাথে বিবাহ দিচ্ছে সে নামাজ কালাম আল্লাহর হকুম কিছুই মানেনা। সে হারাম কাজে লিপ্ত থাকে। এমতাবস্থায় কন্যার বিয়েতে সম্মতি না থাকে এবং সে পিতা মাতার বিরুদ্ধে না বলে এতে তার গুনাহ হবেনা। ইসলামে এমন পরিস্হিতিতে পিতামাতা অসন্তুষ্টি হলেও তাদের বিরুদ্ধে না বলার হুকুম রয়েছে।

=> কন্যার স্পষ্ট নির্দেশ ব্যতীত বিবাহ দিতে পারে না। যদি সে তাকে বিয়ে দিয়ে দেয় তবে খানসা বিনতু খিযাম রাদিয়াল্লাহু আনহা এর হাদীসের ভিত্তিতে এই বিয়ে বাতিল। 
0 টি পছন্দ
করেছেন (789 পয়েন্ট)
আপনে তাদের সকল কিছু খুলে বলুন।তারা যদি আপনাকে মাফ করে দেয় তাহলে আল্লাহ তায়ালাও আপনাকে মাফ করে দিবে।
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

6 টি উত্তর
আমি একটি মেয়েকে ভালবাসি। আমরা অনেক বুঝিয়ে আমাদের ফ্যামিলি কে রাজি করাই বিয়ের জন্য। আমাদের আংটি বদল হয় কিন্তু মেয়ের বাবা মা চেয়েছিল আমাদের বিয়ে হয়ে যাক। কিছুদিন পরে আমার বাবা মা আমাকে বলে যে এই মেয়েকে তারা কিছুতেই বউ হিসেবে মেনে নিবেনা কারন তাদের মেয়ে পছন্দ হয়নি। কিন্তু আমি পালিয়ে গিয়ে মেয়েকে বিয়ে করে ফেলি। এখনও আমার ফ্যামিলি কিছুতেই রাজি হচ্ছে না। তারা বলছে আমি যদি মেয়েকে তালাক না দেই তাহলে আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিবে। আমি যেহেতু তাদের একমাত্র ছেলে তারা আমাকে বলেছে হয় তাদের সাথে থাকব নয়ত অই মেয়েকে নিয়ে থাকব। আমি বাবা মাকে কস্ট দিতে চাইনা আবার আমার ভালবাসার মানুস কেও কস্ট দিতে চাইনা।এখন আমি কি করব?
27 অক্টোবর 2016 "প্রেম-ভালোবাসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মাহাদি vai (9 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
21 মার্চ 2016 "প্রেম-ভালোবাসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Unknown (7 পয়েন্ট)
6 টি উত্তর

288,959 টি প্রশ্ন

374,447 টি উত্তর

113,287 টি মন্তব্য

157,523 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...