বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
77 জন দেখেছেন
"পদার্থবিজ্ঞান" বিভাগে করেছেন (4,463 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (4,853 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর
যমযম পানির রহস্য ও উপকারিতা

১) এই কূপের পানি কখনও শুকায়নি, সৃষ্টির পর থেকে একই রকম আছে এর পানি প্রবাহ, এমনকি হজ্ব মৌসুমে ব্যবহার ক'য়েক গুণ বেড়ে যাওয়া সত্বেও এই পানির স্তর কখনও নিচে নামে না।
২) সৃষ্টির পর থেকে এর গুণাগুণ, স্বাদ ও এর মধ্যে বিভিন্ন উপাদান একই পরিমাণে আছে।
৩) এই কূপের পানির মধ্যে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম সল্ট এর পরিমাণ অন্যান্য পানির থেকে বেশী। এজন্য এই পানি শুধু পিপাসা মেটায় তা নয়, এই পানি ক্ষুধাও নিবারণ করে।
৪) এই পানিতে ফ্লুরাইডের পরিমাণ বেশী থাকার কারনে এতে কোন জীবাণু জন্মায় না।
৫) এই পানি পান করলে সকল ক্লান্তি দূর হয়ে যায়।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "জমজমের পানি যে যেই নিয়তে পান করবে, তার সেই নিয়ত পূরণ হবে। যদি তুমি এই পানি রোগমুক্তির জন্য পান কর, তাহলে আল্লাহ তোমাকে আরোগ্য দান করবেন। যদি তুমি পিপাসা মেটানোর জন্য পান কর, তাহলে আল্লাহ তোমার পিপাসা দূর করবেন। যদি তুমি ক্ষুধা দূর করার উদ্দেশ্যে তা পান কর, তাহলে আল্লাহ তোমার ক্ষুধা দূর করে তৃপ্তি দান করবেন। এটি জিবরাঈল (আ.)-এর পায়ের গোড়ালির আঘাতে হজরত ইসমাইল (আ.)-এর পানীয় হিসেবে সৃষ্টি হয়েছে।"

(ইবনে মাজা ও আল-আজরাকি)

যমযম কূপের বিস্তারিত ইতিহাস নিচের লিংক থেকে জেনে নিন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
26 জুন 2015 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মো: মামুনুর রশিদ (5,622 পয়েন্ট)
1 উত্তর

313,278 টি প্রশ্ন

402,849 টি উত্তর

123,798 টি মন্তব্য

173,494 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...