540 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (6,296 পয়েন্ট)
পূনঃরায় খোলা করেছেন

5 উত্তর

2 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (5,637 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন

যে নামের উসিলা দিয়ে দোয়া করলে আল্লাহ পাক দোয়া কবুল করেন।

ইসম অর্থ নাম, আজম অর্থ হচ্ছে মহান, শ্রেষ্ঠ,  অর্থাৎ ইসমে আজম অর্থ আল্লাহর নামসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠ নামগুলো।

রআল্লাহর অনেক নাম রয়েছে, এক হাদীসে ৯৯টি নাম বলা হলেও অন্য হাদীসে আছে এর বাইরে অন্য আরো নাম রয়েছে, যা কোন মানুষকে জানানো হয় নাই, অথবা আসলে কেউই জানেনা, এক আল্লাহ ছাড়া। এই সবগুলো নামের মাঝে যেই নামগুলো দিয়ে আল্লাহ সুবহা’নাহু তাআ’লার বড়ত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব সবচাইতে বেশী প্রকাশিত হয় সেই নামগুলোকে ইসমে আজম বলা হয়, অর্থ হচ্ছে আল্লাহর নাম সমূহের মাঝে শ্রেষ্ঠ নামগুলো। বিভিন্ন হাদীসে এই নামগুলোর কিছু কিছু উল্লেখ করা হয়েছে। তবে, আমাদের দেশের প্রচলিত অযীফার বইগুলোতে অনেক বানোয়াট নাম আল্লাহর উপর করা হয়েছে যেইগুলো ইসমে আজম নয়। এই সমস্ত ভুল ও বিদাতপূর্ণ বই-পত্র থেকে সাবধান থাকবেন, কারণ দলীল ছাড়া কোন ইবাদত আল্লাহ তাআলা কবুল করেন না।

ইসমে আযমের ফযীলতঃ
ইসমে আযমের গুরত্ব হচ্ছে, এই নামে বা এই নামের ওসীলা দিয়ে আল্লাহকে ডাকলে বা তাঁর কাছে দুয়া করলে আল্লাহ সবচাইতে বেশি খুশি হন, এবং বান্দার দুয়া কবুল করে নেন।

ইসমে আযমের উসীলা দিয়ে কোন দুয়া করলে আল্লাহ সেই দুয়া কবুল করে নেনঃ নবী (সাঃ) এক ব্যক্তিকে নামাযে তাশাহুদ ও দুরুদের পরে সালাম ফিরানোর আগে (দুয়া মাসুরা পড়ার সময়) এই দুয়া পড়তে শুনলেন। নবী (সাঃ) সাহাবাদেরকে বললেন, তোমরা কি জানো সে কিসের দ্বারা দুয়া করেছে? সাহাবারা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসুল ভালো জানেন। তিনি বললেন, সেই মহান সত্ত্বার কসম যার হাতে আমার প্রান, নিশ্চয়ই এই ব্যক্তি আল্লাহর নিকট তাঁর “ইসমে আযম” বা সুমহান নামের উসীলায় দুয়া করেছে। “ইসমে আযমের” উসীলায় দুয়া করলে আল্লাহ সেই দুয়া কবুল করে নেন, আর কোনো কিছু চাইলে আল্লাহ তাকে তা দান করেন।

আবু দাউদ, নাসায়ী, আহমাদ, বুখারীর আল-আদাবুল মুফরাদ, ত্বাবারানী ও ইবনে মান্দাহ “আত-তাওহীদ” গ্রন্থসহ (৪৪/২, ৬৭/১, ৭০/১-২), 

2 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (5,484 পয়েন্ট)
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ দুইটি আয়াতে বিদ্যমান হলো আল্লাহর “ইসম আজম” মহান নাম।

ইসমে আজম এমন একটি দোআ এর ওয়াসীলায় দুআ করলে অবশ্যই তা কবুল করা হয়, যাঞ্চা করা হলে অবশ্যই প্রদান করা হয়।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলার মহান নাম 'ইসমে আযম' এই দুই আয়াতের মাঝে নিহিত আছেঃ

আর তোমাদের মাবুদ একমাত্র আল্লাহ। তিনি ছাড়া অন্য কোন মাবূদ নেই। তিনি দয়াময়, অতি দয়ালু। (সূরা বাক্কারাঃ ১৬৩)

আর সূরা আল ইমরানের প্রারম্ভিক আয়াতঃ আলিফ-লাম-মীম। তিনিই আল্লাহ, তিনি ছাড়া অন্য কোন মাবুদ নেই। তিনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ীঃ (সূরা আল ইমরানঃ ১-২)

আয়াতের আরবীঃ

وإلَهُكُمْ إِلَهٌ وَاحِدٌ لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الرَّحْمَنُ الرَّحِيمُ

‏الم- اللَّهُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ ‏
2 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (3,159 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন

"اسم" শব্দের অর্থ হল, নাম। আর "اعظم" শব্দের অর্থ-  বড়, সম্মানিত, গুণান্বিত, মহান, মর্যাদাপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ ইত্যাদি।  "ইসমে আজম" হল- মহান আল্লাহ তায়ালার গুরুত্বপূর্ণ বা গুণবাচক কিছু নাম। মহান আল্লাহ তায়ালার সুন্দর সুন্দর অনেক নাম রয়েছে। যেমনঃ আর-রহমানু, আর-রহীমু, আল-খলিক্বু ইত্যাদি৷


সহীহ হাদীসে আল্লাহর নাম ৯৯টি বলা হলেও, অন্য হাদীসের বর্ণনায় আছে, "এই ৯৯টি নামের বাইরেও আল্লাহর আরো অনেক নাম রয়েছে।" এই সমস্ত নামের মধ্যে যেই নাম দিয়ে মহান আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব বেশি প্রকাশ পায়, সেই নামগুলোকে "ইসমে আজম" বলা হয়।

ইসমে আজমের গুরুত্বঃ 
দোয়ার ক্ষেত্রে "ইসমে আজম" এর গুরুত্ব অনেক। "ইসমে আজম" এর ওছিলা দিয়ে মহান আল্লাহর কাছে কোনো দোয়া করলে আল্লাহ বান্দার দোয়া সাথে সাথে কবুল করেন। "ইসমে আজমের" দোয়াটি হলোঃ

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدَ لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ وَحْدَكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ، الْمَنَّانُ، يَا بَدِيعَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالْإِكرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ

 অর্থঃ 'হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি। কেননা, যাবতীয় প্রশংসা আপনারই প্রতি। আপনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই। আপনার কোনো শরীক নেই। আপনি সীমাহীন দয়াশীল। হে আসমান ও জমিনসমূহের মালিক! আপনিই অভিনব স্রষ্টা। হে মহানুভব! হে চিরঞ্জীব!'

ইসমে আজমের গুরুত্ব সম্পর্কে পবিত্র হাদীসে উল্লেখ আছে, "আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (সঃ) এর সাথে বসে ছিলাম, তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছিল, যখন সে রুকূ-সিজদা এবং তাশাহহুদ পড়ে দোয়া করতে আরম্ভ করল, তখন সে তাঁর দোয়া বললঃ (আরবি), তখন রাসূল (সঃ) তাঁর সাহাবীগণকে বললেন, তোমরা কি জান সে কিসের দ্বারা দোয়া করল? তাঁরা বললেন, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তখন রাসূল (সঃ) বললেন, যার হাতে আমার প্রাণ, তাঁর শপথ! সে আল্লাহর ঐ ইসমে আজম দ্বারা দোয়া করেছে, যা দ্বারা দোয়া করলে তিনি তা কবুল করেন এবং যার দ্বারা কোনকিছু চাওয়া হলে তা তিনি দান করেন। (আন-নাসায়ী, হাদিস নং ১৩০০)। 

তাই পরিশেষে বলা যায় যে, " ইসমে আজম" হলো মহান আল্লাহ তায়ালার গুণবাচক কিছু নাম বিশেষ। এটি শুধু দোয়াতেই নয়, সকল ক্ষেত্রেই এর গুরুত্ব অপরিসীম।          

করেছেন (3,731 পয়েন্ট)
আপনি যদি আপনার ভুলটাকে সকলের সামনে সঠিক হিসেবে রাখতে চান তাহলে রাখুন৷ আমার দায়িত্ব ভুল শুধরানোর প্রতি মননিবেশ করানো, সেটাই করেছি৷ ভালো লাগলে সম্পাদনা করুন৷

আর কথা বাড়াতে চাই না৷
1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (277 পয়েন্ট)
ইসম অর্থ নাম আর আজম অর্থ শ্রেষ্ঠ। সুতরাং, ইসমে আজম মানে হচ্ছে আল্লাহর একটি সর্বশ্রেষ্ঠ নাম। আর তা হচ্ছে 'আল্লাহ' নামটি। যেই নামটি পবিত্র কুরআনে সবচেয়ে বেশি বার (২৬৯৮ বার) এসেছে এবং এই ২৬৯৮ সংখ‍্যাটি কুরআনের বিস্ময়কর সংখ‍্যা ১৯ দ্বারা বিভাজ‍্য। (২৬৯৮÷১৯)=১৪২। 'আল্লাহ' নামের জিকির হচ্ছে সর্বশ্রেষ্ঠ জিকির। তবে লাফালাফি-দাফাদাফি করে 'আল্লাহ' নামের জিকির করা যাবে না। ভদ্রতার সহিত বিনয়াবনত আল্লাহ নামের জিকির করতে হবে। আল্লাহর এই 'আল্লাহ' নামটি পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়, হচ্ছে, হবে। মুসলমানরা আল্লাহর এই নাম ধরে 'ইয়া আল্লাহ' বা 'হে আল্লাহ' বলে প্রার্থনা করে। সবসময় মুখে-মুখে, মনে-মনে 'আল্লাহ' নামটি জপে আল্লাহকে স্মরণ রাখতে হবে, তাহলে আল্লাহ বান্দার উপর সবচেয়ে বেশি খুশি হবেন। ধন‍্যবাদ।
করেছেন (277 পয়েন্ট)
আল্লাহর রাসূল (সাঃ) আল্লাহর এই 'আল্লাহ' নামটিকেই ইসমে আজম বলেছেন। তিনি জানতেন, কিন্তু নির্দিষ্ট করে বলেননি, যাতে মুসলমানরা কুরআন রিসার্চ করে এই গুপ্তধনটির সন্ধান পায়। এই নাম ধরেই মুসলমানরা আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রার্থনা করে এবং আল্লাহ তা কবুল করেন। এই প্রশ্নের উত্তরে যতগুলো উত্তর রয়েছে এবং উত্তরদাতারা ইসমে আজমের সন্ধানে যে আয়াতসমূহ তুলে ধরেছেন, তার প্রত‍্যেকটিতেই আল্লাহ নামটি রয়েছে। সুতরাং আল্লাহর 'আল্লাহ' নামটিই হচ্ছে ইসমে আজম। এই নাম পৃথিবীর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অবিকৃত অবস্থায় থাকবে এবং আল্লাহর সকল সৃষ্টি এই নামেই আল্লাহকে জপতে থাকবে। সুবহানাল্লাহ।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (3,731 পয়েন্ট)

ইসমে আযম (الاسم الاعظم)

ইসম (اسم) অর্থ হচ্ছে নাম। আর আ’যম (اعظم) শব্দটাকে আরবী ব্যাকরণের ভাষায় ইসমে তাফযীল বলা হয়, যা অধিক বুঝায়। সে হিসেবে আযম অর্থ হচ্ছে সবচাইতে মহান বা সর্বশ্রেষ্ঠ। সুতরাং ইসমে আ’যম এর অর্থ হচ্ছে “আল্লাহর সবচাইতে মহান বা সর্বশ্রেষ্ঠ নাম”। ইংরেজিতে বলে The Greatest Name of Allah.
আল্লাহ তাআ’লার সুন্দর সুন্দর অনেক নাম রয়েছে, যেমন খালিক্ব, আর-রাহমান, আর-রাহীম ইত্যাদি। একটি সহীহ হাদীসে আল্লাহর নাম ৯৯টি বলা হলেও অন্য হাদীসে রয়েছে, এই ৯৯টি নামের বাইরে আল্লাহর আরো অনেক নাম রয়েছে, যা কোন মানুষকে জানানো হয়নি, অথবা আসলে কেউই জানে না, এক আল্লাহ ছাড়া। এই সবগুলো নামের মাঝে যেই নাম দিয়ে আল্লাহ সুবহানাহু তাআ’লার বড়ত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব সবচাইতে বেশী প্রকাশিত হয়, সেই নামকে ‘ইসমে আযম’ বলা হয়।
আল্লামা মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল-উসায়মিন রাহিমাহুল্লাহ বলেন, “ইসমে আ’যম হচ্ছে আল-হা’ইয়্যু (চিরঞ্জীব) এবং আল-ক্বাইয়্যুম (চিরস্থায়ী)। আল্লাহ তাআ’লাকে এই বলে দু‘আ করা বা আহ্বান করা, “ইয়া হা’ইয়্যু, ইয়া ক্বাইয়্যুম, ইয়া যাল-জালালি ওয়াল-ইকরাম” (হে মর্যাদাবান ও কল্যাণময়)। এই দুইটি নাম, আল-হাইয়্যু এবং আল-ক্বাইয়্যুম, কুরআনের তিনটি জায়গায় উল্লেখ করা হয়েছে। ইসমে আ’যম রয়েছে আয়াতুল কুরসীর মাঝখানে, “আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হা’ইয়্যুল ক্বাইয়্যুম”। অর্থঃ আল্লাহ! তিনি ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী। ইসমে আ’যম রয়েছে সুরা আলে ইমরানের দ্বিতীয় আয়াতে, “আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হা’ইয়্যুল ক্বাইয়্যুম”। এবং সুরা ত্বোয়া-হা, ১১১ নং আয়াত, “সমস্ত মুখমণ্ডল সেই চিরঞ্জীব চিরস্থায়ী সত্তার সামনে অবনমিত হবে, আর যে ব্যক্তি জুলুমের বোঝা বহন করবে সে হতাশ হয়ে যাবে।”
আবু উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “কুরআনের তিনটি সুরার মাঝে ইসমে আ’যম (আল্লাহর সবচাইতে মহান নাম) রয়েছে- আয়াতুল কুরসী, সুরা আলে-ইমরান এবং সুরা ত্বোয়া-হা এর মাঝে।” [ইবনে মাজাহ; হাদীস ৩৮৫৬, মুস্তাদরাকে হাকিম ১/৬৮৬।]

উল্লেখ্য, আমাদের দেশের প্রচলিত অযীফার বইগুলোতে অনেক বানোয়াট নাম আল্লাহর উপর আরোপ করা হয়েছে, যেইগুলো আসলে ইসমে আযম নয়। এই সমস্ত ভুল ও বিদআ’তপূর্ণ বই-পত্র থেকে সাবধান থাকবেন, কারণ দলীল ছাড়া কোন ইবাদত আল্লাহ তাআ’লা কবুল করেন না।

করেছেন (3,159 পয়েন্ট)

ভাই, আপনি বললেন, কুরআনের তিনটি সুরার মাঝে ইসমে আ’যম রয়েছে- আয়াতুল কুরসী, সুরা আলে-ইমরান এবং সুরা ত্বোয়া-হা এর মাঝে। 

এখানে 'আয়াতুল কুরসী' কি কোনো সুরা? সঠিক হবে "সুরা বাকারা"। সম্পাদনা করে নিন৷ 

করেছেন (3,731 পয়েন্ট)
আমি তো আয়াতুল কুরসী লিখেছি। সূরা কুরসী তো লিখিনি। আর আয়াতুল কুরসী সূরা বাকারারই একটা অংশ। সুতরাং এভাবে চুলচেরা বিশ্লেষণের কোন প্রয়োজন হয় না।
করেছেন (3,159 পয়েন্ট)

 আপনি এখানে বলেছেন, কুরআনের তিনটি সুরার মাঝে ইসমে আ’যম রয়েছে। তাহলে আপনি সুরা বাকারা ই লেখতে পারতেন। আপনি এখানে বলতে পারতেন, "পবিত্র কুরআনে তিন জায়গায় 'ইসমে আ'যম' রয়েছে"। তাহলে না হয় সেখানে আয়াতুল কুরসী দেওয়া যেতো। কিন্তু আপনি 'জায়গা' উল্লেখ না করে 'সুরা' উল্লেখ করেছেন। এ ক্ষেত্রে 'বাকারা' ই বেশি প্রাধান্য পায়, আয়াতুল কুরসী নয়।    

টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি উত্তর
2 টি উত্তর
3 টি উত্তর
31 অক্টোবর 2018 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Bp Nayon (5 পয়েন্ট)

277,416 টি প্রশ্ন

360,966 টি উত্তর

107,904 টি মন্তব্য

148,649 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...