বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
135 জন দেখেছেন
"নিত্য ঝুট ঝামেলা" বিভাগে করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল


আমি চরম অলস এক জন মানুষ।

ঘুমাতে প্রচুর ভালো বাসি। ঘুম পেলে

আর কিছুই লাগবে না এমন অবস্থা আমার।

কিন্ত সম্প্রীত এক আগুনে জ্বলে উঠেছি আমি।

নিজের স্বপ্ন কে পূরন করার জন্য,,কিন্ত সমস্যা হচ্ছে

আমার শরীরি নিয়ে,আমি কোন প্রকার মাছ খাই না যে 

কারনে আমার দেহে পুষ্টিকম,মাঝে মাঝেই অসুস্থ হয়ে পড়ি

আমি চাই দিনে ৬-৮ ঘন্টা লেখা পড়া করতে।

দিনের বেলা তেমন সময় পাবো না।

এখন রাত ই হলো আমার সময় লেখা

পড়া করার জন্য....!?

কিন্ত ৬-৮ ঘন্টা পড়তে হলে

প্রায় সারা রাত জাগতে হবে।

মনে করেন আমি সন্ধ্যা ৭.৩০ থেকে

ভোর ৪ টা পর্যন্ত লেখা পড়া করবো

পরে ভোর থেকে সকাল ৮-১০

পর্যন্ত ঘুমাবো এতে কি কোন সমস্যা

হবে...!??

বা রাতে অতিরিক্ত লেখা পড়া করার

পর ভোর ঘুমালে কি সে গুলা ভুলে

যাব একটা জানাবেন।


@Mehjabin আপনার পরামর্শ

আশা করছি।

2 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (3,754 পয়েন্ট)

আসলে সময়ের কাজ সময়ে করা লাগবে। যেই কাজটা যেই সময়ে করা দরকার সেই কাজ টা সেই সময়েই করা উত্তম,  তা না হলে প্রব্লেম হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক।

আপনি যেভাবে পড়ালেখা করতে চাচ্ছেন সেইভাবে পড়ালেখা করলে অবশ্যই আপনার স্বাস্থ্যহানী ঘটবে। 

পড়ার জন্য পার্ফেক্ট সময় হল সন্ধ্যা থেকে রাত ১০/১১ টা পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে যা কিছু পড়া হয় তার অধিকাংশই মনে থাকে। আবার খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে পড়া শুরু করবেন, সেই পড়াটাও অধিকাংশই স্মরণ থাকে।

আর আপনি যখন ঘুমকে জোর করে তাড়িয়ে পড়ালেখা করে যাবেন তখন দেখবেন সেই  পড়াগুলোর অনেক কিছুই মনে নাই। এমনন কি সকাল বেলায়ও ভুলে যাবেন অনেকে। ভুলেই যদি গেলেন তাহলে রাত জেগে পড়ার কি দরকার টা!!!!

এখন আমার পার্সোনাল পরামর্শ হচ্ছেঃ আপনি অযথা রাত জেগে পড়ার চেষ্টা করবেন না। সন্ধ্যার সময় খুব দ্রুত পড়তে বসার চেষ্টা করবেন। এবং রাতে ঘুম আসার সাথে সাথে বিছানায় যাওয়ার চেষ্টা করবেন। যখন ঘুমাবেন তখন থেকে শুরু করে ৬/৭ ঘণ্টা ঘুমাবেন এবং খুব ভোরে ঘুম থেকে জেগে পড়া শুরু করবেন। যত ক্ষণ আপনার মন চায় বা সময় পান ততক্ষণ পড়তেই থাকবেন। 

আশা করি চারদিকই উপকার হবে ইনশাল্লাহ!!!!

0 টি পছন্দ
করেছেন (5,368 পয়েন্ট)
রাতে পড়ার চেয়ে দিনে পড়লে মানুষের সেটা মনে থাকে বেশি। কারণ প্রকৃতিগতভাবে আমরা রাতে ঘুমাতে এবং দিনে কাজ করতে অভ্যস্থ। 

আপনি যেহেতু চাচ্ছেন রাতে বেশি পড়তে সেহেতু পড়েন। কিন্তু একটানা দুইঘণ্টার বেশি না পড়ে আধঘণ্টার জন্য হলেও ঘুমিয়ে নিবেন। এতে কিছুটা শক্তি পাবেন। 

আর ২৪ ঘণ্টায় কমপক্ষে ৬ ঘণ্টা আপনাকে ঘুমাতেই হবে। নাহলে হিতে বিপরীত হবে। না ঘুমিয়ে শরীর এতই দুর্বল হবে যে সামান্য কাজ করতেই হাঁপিয়ে যাবেন।

আর দিনে কমপক্ষে তিনঘণ্টা পড়া রাখবেন। বাকিটা রাতে কাভার করতে পারবেন৷ 

আর শারীরিক কথা আসলে আপনাকে খাওয়া-দাওয়ায় অবশ্যই শৃঙখলা রাখতে হবে। মাছ, মাংস, শবজি, ডিম, দুধ, মাখন, বাদাম, ফল ইত্যাদি প্রতিদিন খেতেই হবে। যেহেতু ঘুমাচ্ছেন কম, তাই খেতে হব বেশি করে। শক্তির একটা পথ তো রাখতেই হবে। নাহলে আপনার শরীর অনেক বেশি দুর্বল হয়ে যাবে। 

আর টেনশন, চিন্তাভাবনা কমিয়ে একটু ফ্রি থাকার চেষ্টা করুন। মাথায় থাকবে লক্ষ্য পূরণ করব, লক্ষ্য পারব কী পারব না সেটা নিয়ে কোনো চিন্তা নয়। 

আর জ্বলে যেহেতু উঠেছেন তাই নিভে যেন না যান সেটা মাথায় রাখবেন। সম্ভব হলে পড়ার সময় আরেকটু কমিয়ে সহনীয় পর্যায়ে আনুন। কারণ কোনো কিছুই অতিরিক্ত ভালো নয়। 

আর আপনার আলস্যেত ব্যাপারটা স্বাভাবিক। আমি নিজে রাতে ১০ ঘণ্টার কম ঘুমালে সকালে উঠে হাফ লিটার কফি খেয়েও ঘুম তাড়াতে পারি না। আপনি নিয়মিত সকালে কফি খাওয়ার অভ্যাস রাখতে পারেন। ব্রেকফাস্টে একটা ক্যাডবেরি চকলেটও খেতে পারেন। এতে এনার্জিও পাবেন আর এতে থাকা ক্যাফেইন ঘুম দূর করবে। কোকও খেতে পারেন, কোকেও ক্যাফেইন আছে। 

অন্যান্য কোনো পরামর্শের জন্য বার্তা অথবা কমেন্ট করতে পারেন। আমি চেষ্টা করব করবে একটা পরামর্শ দেওয়ার। 

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
3 টি উত্তর
05 সেপ্টেম্বর 2018 "হাদিস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল

307,122 টি প্রশ্ন

396,015 টি উত্তর

121,031 টি মন্তব্য

170,171 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...