বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
55 জন দেখেছেন
"নিত্য ঝুট ঝামেলা" বিভাগে করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল

আজ আমার ভিশন খারাপ লাগছে।

কারণ আজ আমি আমার মা কে কাঁদতে

দেখেছি। এক জন আমার মাকে অপমান

করেছে,সে ধনী তার তুলনাই আমরা অনেক

ছোট। আমি নিজেকে সামলাতে পারছিনা।



আমার স্বপ্ন আছে নিজেকে বড় করা।

কিন্ত আমি পারছি না সেই ভাবে পরিশ্রম

করতে নিজের ভিতর আগুন টা জ্বালিয়ে

রাখতে পারছি না।


আজ মা যখন অফিস থেকে বাড়ি আসলো

তখন মায়ের মন খারাপ ছিল।

কারণ অফিস এর বড় কর্মকর্তা মাকে

অপমান করেছে।

মা আজ বাসায় এসে বললো আমি কাজ

ছেড়ে দিব। মা আমার লেখা পড়ার খচর

যোগানোর জন্য কাজ টা করেন।


আমি চাই নিজেক্ব বড় করতে এবং মা

যে ব্যাংক এ কাজ করেন ওই ব্যাংক

এর ম্যানাজার হতে চাই।


এখন আমি নিজের ভিতর কি ভাবে

আগুন টা জ্বালিয়ে রাখবো কি ভাবে

কঠর পরিশ্রম করবো...!?


পরামর্শ চাই।



4 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (5,691 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর

প্রথমত আপনাকে কিছুটা বাহবা দিতে চাই কারণ মায়ের কষ্টে সন্তানের জ্বলে ওঠাটা খুবই ভালো ব্যাপার। আপনি আর কিছু হতে পারেন না পারেন আমার মতে একজন ভালো সন্তান। 

এবার আসি জ্বলে ওঠার প্রসংগে। যেকোনো কাজে যখন লক্ষ্য ঠিক করা হয় তখন যদি শুরুতে একটা চ্যালেঞ্জিং কিছু এসে যায় তাহলে লক্ষ্য পূরণে বেশি সক্রিয় হওয়া যায়। আপনাকে আমার জীবনে তুচ্ছ একটা ঘটনা বলি,

    ক্লাস ফোর পর্যন্ত আমার রোল কখনো বিশের মধ্যে আসে নি। ১-১০ এর মধ্যে যাদের রোল তারা স্বাভাবিকভাবেই এভয়েড করত। আমি তেমন গায়ে লাগাতাম না। ক্লাস ফাইভে উঠে এক ভালো ছাত্রী আমাকে চরম অপমান করল। তারপরে আমার কী যেন হলো। হঠাৎই লক্ষ্য ঠিক হয়ে গেল বৃত্তি পাওয়া। আপনাআপনি ভাবে মাঝে একটা স্পিরিট এসে গেল। কীভাবে যেন পড়ায় মনোযোগ আর পরিশ্রম বেড়ে গেল।  ফলাফল ছিল সহজ, বৃত্তিতে উপজেলায় প্রথম এবং জেলায় ৪র্থ স্থান অধিকার করেছিলাম। মোট নম্বর ছিল ৫৯২ যা থেকে আমাদের স্কুলের অন্যান্য বৃত্তি প্রাপ্তদের নম্বর অনেক দূরেই ছিল। 

আমার জীবনে যেমন ঐ অপমান একটা টার্নিং পয়েন্ট ছিল, আপনারও তাই হতে পারে। সবার ক্ষেত্রেই এরকম একটা টার্নিং পয়েন্ট আসবেই। 

আপনার এখন কাজ লক্ষ্য ঠিক করা আর লক্ষ্য পূরণকে চ্যালেঞ্জ মনে করা। পরিশ্রম আর মনোযোগের ঘাটতি যদি তারপরও থাকে তাহলে প্রথমে আপনার প্রতি যে প্রশংসাসূচক কথা বলেছিলাম তা খাটবে না। 

আর হ্যাঁ, আপনার আম্মুকে চাকরি ছাড়তে দিবেন না। কারণ সামান্য বসের বকায় চাকরি ছেড়ে দেওয়া ঠিক হবে না। তার চেয়ে বরং যে কারণে অপমান করেছিল সে বিষয়েই অধিক দক্ষ হয়ে তাকে দেখিয়ে দেওয়াই হবে আসল কাজ। 

আর আপনার প্রতি আমারো চ্যালেঞ্জ রইল যে আপনি যেন আপনার মায়ের কান্নার প্রতিশোধ নিতে পারেন।

0 টি পছন্দ
করেছেন (394 পয়েন্ট)
আপনার এখন দরকার অধ্যাবসায়। আপনি বার বার চেষ্টা করুন সকল পরিক্ষায় সফল হতে, অবশ্যই আপনি আপনার উদ্দেশ্য সফল হবেন ।
0 টি পছন্দ
করেছেন (46 পয়েন্ট)
স্বাভাবিক ভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যান। কোনো প্রকার অস্বাভাবিক হওয়ার প্রয়োজন নাই।
0 টি পছন্দ
করেছেন (7,566 পয়েন্ট)
কখনো সফলতার পেছনে ছুটবেন না,সবসময় নিজের সেরাটা দিতে চেষ্টা করবেন-এজন্য থাকবে দৃঢ় আত্ববিশ্বাস,অধ্যবসায় ইত্যাদি তাহলেই দেখতে পাবেন আপনি উন্নতির স্বর্নশিখরে পৌছতে পেরেছেন

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
08 মে 2016 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন DOLLAR BANGLA (60 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর

323,476 টি প্রশ্ন

414,106 টি উত্তর

128,318 টি মন্তব্য

178,100 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...