বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
201 জন দেখেছেন
"নবী-রাসূল" বিভাগে করেছেন (229 পয়েন্ট)
মহানবী(স) হায়াতুননবী। তাই মহানবী(স) এর সম্পর্কে আদম(আঃ) এর জানার কথা।এই সম্পর্কে কোন হাদীস থাকলে জানাবেন দয়া করে।

2 উত্তর

+1 টি পছন্দ
করেছেন (461 পয়েন্ট)

হ্যা জানতেন । 

কেননা হযরত মুহাম্মদ (স.) হলেন সর্বকালের,সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ।

মহান আল্লাহ তা'য়ালা তার কথা সকল নবী রাসুলকে অবগত করেছেন ।




ﺩﻭﺳﺮﯼ ﺭﻭﺍﯾﺖ: ﺣﻀﺮﺕ ﻋﻤﺮﺑﻦ ﺧﻄﺎﺏ ﺭﺽ ﺳﮯ ﺭﻭﺍﯾﺖ ﮨﮯ ﮐﮧ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﮧ ﻧﮯ ﺍﺭﺷﺎﺩ ﻓﺮﻣﺎﯾﺎ: ﺟﺐ ﺁﺩﻡ ﺳﮯ ﺧﻄﺎ ﮨﻮﮔﺊ ﺗﻮ ﺍﻧﮩﻮﮞ ﻧﮯ ﻋﺮﺽ ﮐﯿﺎ ﺍﮮ ﺍﻟﻠﮧ! ﻣﯿﮟ ﺁﭖ ﺳﮯ ﻣﺤﻤﺪ ﮐﮯ ﻭﺍﺳﻄﮯ ﺩﺭﺧﻮﺍﺳﺖ ﮐﺮﺗﺎ ﮨﻮﮞ ﮐﮧ ﺁﭖ ﻣﯿﺮﯼ ﻣﻐﻔﺮﺕ ﮐﺮﺩﯾﺠﮱ. ﺗﻮ ﺣﻖ ﺗﻌﺎﻟﯽ ﻧﮯ ﺍﺭﺷﺎﺩ ﻓﺮﻣﺎﯾﺎ ( ﻳﺎ ﺁﺩﻡ ﻭ ﻛﻴﻒ ﻋﺮﻓﺖ ﻣﺤﻤﺪﺍ ﻭ ﻟﻢ ﺃﺧﻠﻘﻪ؟ ﻛﺬﺍ ﻓﻲ ﺍﻟﻤﺴﺘﺪﺭﻙ ٢/ ٦١٥ ) ﺍﮮ ﺁﺩﻡ! ﺗﻢ ﻧﮯ ﻣﺤﻤﺪ ﮐﻮ ﮐﯿﺴﮯ ﭘﮩﭽﺎﻧﺎ؟ ﺣﺎﻻﻧﮑﮧ ﺍﺑﮩﯽ ﺗﻮ ﻣﯿﮟ ﻧﮯ ﺍﻧﮑﻮ ﭘﯿﺪﺍ ﺑﮩﯽ ﻧﮩﯿﮟ ﮐﯿﺎ .

অর্থ হযরত উমর রাঃ থেকে বর্ণিত, রাসূল
সাঃ এরশাদ করেন, যখন আদম আঃ এর দ্বারা ভুল হয়ে গেল তখন তিনি আল্লাহপাকের মহান দরবারে আরজ করলেন-“হে পরওয়ারদিগার! আপনার
নিকট মুহাম্মদ সাঃ এর উছিলায় দরখাস্ত করছি যে, আমাকে ক্ষমা করুন।” তখন আল্লাহপাক এরশাদ করলেন, “হে আদম তুমি মুহাম্মদ সাঃ এর পরিচয় কী ভাবে লাভ করলে? অথচ আমি এখনও “তাঁকে সৃষ্টি করিনি।”
{সূত্র, হাদিসটি ইমাম বায়হাকী রহঃ দালায়িলুন নবুওয়াত কিতাবে বর্ণনা করেছেন, হাকেম রহঃ একে মুসতাদরিক কিতাবে এবং ইমাম তিবরানী একে বর্ণনা করে বলেছেন যে হাদিসটি সহীহ।}

করেছেন (229 পয়েন্ট)
হাকেম,বায়হাকী , তিবরানী ,আবু নয়ীম,ইবনে আসাকির হযরত উমর(রাঃ) থেকে রেওয়াত করেন যে,মহানবী(সাঃ) বলেছেন:হযরত আদম(আ:) এর প্রমাদ হয়েগেলে তিনি আল্লাহর দরবারে আরজ করলেন,পরওয়ারদেগার,আপনি হযরত মুহাম্মদ(স) এর উসিলায় আমার মাগফেরাত দান করে দিন।এতে আল্লাহপাক ইরশাদ করেন,হে আদম,তুমি মহাম্মদ(সাঃ) কে চিনলে রূপে?আদম(আ) বললেনঃযখন আপনি আমাকে আপনার পবিত্র হস্তে সৃষ্টিকরে আমার মধ্যে রূহ ফুকে দিলেন,তখন আমি মাথা তুলে আরশের গায়ে"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলাল্লাহ"লিখিত দেখলাম।এথেকে অনুধাবন করতে পারিযে,ইনিই আপনার সর্বাধিক প্রিয়।আল্লাহ বলেন,হে আদম তুমি সত্য বলেছো।মোহাম্মদ না হলে আমি তোমাকেও সৃষ্টি করতামনা।

গ্রন্থঃখাসায়েসুল কুবরা(পৃষ্ঠাঃ14)।

লেখকঃআল্লামা জালালুদ্দীন সিয়্যুতি(র)

ইবনে আসাকির হযরত আলী(রাঃ) থেকে রেওয়াত করেনযে,মহানবী(স) বলেছেন:যে রজনীতে আমার মেরাজ হয়,সেই রজনীতে আমি আরশে"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মোহাম্মাদুর রাসূলাল্লাহ" লিখিত দেখেছি।এর সাথে আবু বকর ছিদ্দিক(রাঃ),উমর(রাঃ),ওসমান জুননূরাইন(রাঃ) এর নামো লিখিত দেখেছি।

গ্রন্থঃখাসায়েসুল কুবরা(পৃষ্ঠাঃ15)।

লেখকঃআল্লামা জালালুদ্দীন সিয়্যুতি(র)।

وعن ابلى هريرة رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه و سلم سائل جبريل عليه السلام فقال يا جبريل كم عمرك من السنين فقال يا رسول الله مست اعلم غير ان فى الحجاب الرابع نجما يطلع في سبعين الف سنة مرة رايته اثنين و سبعين الف مرة فقال يا جبريل و عزة ربى جل جلا له انا ذالك الكوب–

অর্থঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন , রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদা জিবা্রঈল আলায়হিস সালামকে জিজ্ঞেসা করলেন , ওহে জিব্রাঈল! তোমার বয়স কত? উত্তরে জিব্রাঈল বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি তো সঠিক জানি না। তবে এতটুকু বলতে পারি ( সৃষ্টি জগত সৃষ্টির পূর্বে) আল্লাহ তায়‘লা নূরানী আযমতের পর্দা সমূহের চতুর্খ পর্দায় একটি নূরানী তারকা সত্তর হাজার বছর পরপর উদিত হত। আমি আমার জীবনে সেই নূরানী তারকা বাহাত্তর হাজার বার উদিত হতে দেখেছি। অতঃপর নবী পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ও সাল্লাম ইরশাদ  করলেন মহান রাববুল আলামীনের ইজ্জতের কসম করে বলছি, সেই অত্যুজ্জ্বল নূরানী তারকা আমিই ছিলাম। (সীরাতে হালাভীয়া পৃষ্ঠা ৪৯, তাফসীরে রুহুল বয়ান পৃষ্ঠা ৫৪৩)।

বায়হাকী ও ইবনে আসাকির হযরত আবূ হুরাইরা(রা:) থেকে রেওয়াত করেন যে, মহানবী(স) এরশাদ করেছেন,যখন আল্লাহতায়ালা হযরত আদম(আ:) কে সৃষ্টি করলেন,তখন তাকে তার সন্তান সন্ততি দেখালেন।হযরত আদম(আ:) তাদের পারস্পরিক শ্রেষ্ঠত্ব নিরীক্ষা করতে থাকেন।অবশেষে তিনি একটি চমকদার নূর দেখতে পেয়ে জিজ্ঞাসা করলেন:পরওয়ারদেগার,এ কে?আল্লাহতায়ালা বললেন,এ তোমার সন্তান আহমদ।সেই প্রথম এবং সেই শেষ।সেই সর্বপ্রথম শাফায়াত করবে।

সূত্রঃবায়হাকী।

গ্রন্থঃখাসায়েসুল কুবরা।

লেখকঃআল্লামা জালালুদ্দীন সিয়্যুতি(র)।

ইবনে আবী ওমর আদনী হযরত ইবনে আব্বাস(রা:) থেকে রেওয়াত করেন যে,আদম সৃষ্টির দুহাজার বছর পূর্বে কোরাইশ(মুহাম্মদ) আল্লাহ তায়ালার সামনে একটি নূরের আকারে ছিল।এই নূর যখন তসবীহ পাঠ করতো,তখন ফেরেশতারাও সঙ্গে তসবীহ পাঠ করতো।আল্লাহতায়ালা আদমকে সৃষ্টি করে এই নূর তার ঔরসে রেখে দিলেন।মহানবী(স) বলেন,এরপর আল্লাহ আমাকে আদমের ঔরসে পৃথিবীতে নামালেন।এরপর নূহ(আ:) এর ঔরসে স্থানান্তর করলেন।এমনিভাবে আল্লাহ আমাকে সম্মানিত বান্দাদের ঔরসে এবং পবিত্রাত্বা নারীদের গর্ভে স্থানান্তর করতে থাকেন।অবশেষে আমার পিতামাতা আমাকে জন্ম দিলেন।আমার পিতৃপুরুষদের মধ্যে কেউ কখনো ব্যাবিচারের ভিত্তিতে সঙ্গম করেননি।

গ্রন্থঃখাসায়েসুল কুবরা(পৃষ্ঠা:75)।

লেখকঃআল্লামা জালালুদ্দীন সিয়্যুতি(র)।
0 টি পছন্দ
করেছেন (4,853 পয়েন্ট)

হ্যা, নবী কারীম সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্বন্ধে আদম আ. জানতেন। পবিত্র কুরআনে এসেছে, আল্লাহ তাআলা আদম আ.কে সর্বধরনের নাম শিখিয়েছেন। সূরা বাকারাহ, ৩১। এ আয়াতের ব্যাখ্যায় মুফাসসিরীনে কেরাম বলেছেন, আল্লাহ আদম আ.কে সমস্ত আদম সন্তান ও ফেরেশতাদের নাম শিখিয়েছেন। মুসনাদে আহমদের ২৭০৮ নম্বর হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সমস্ত আদম সন্তানকে আদম আ. এর সমুখে উপস্থাপন করা হয়। তন্মধ্যে এক ব্যক্তিকে দেখে আদম আ. আল্লাহকে জিজ্ঞেস করেন এ ব্যক্তি কে ? তখন আল্লাহ বলেন, এ হলো তোমার ছেলে দাউদ আ.। উপরন্তু মেরাজে গমনের প্রাক্কালে বাইতুল আকসায় সকল নবীদের ইমামতি করেছেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। এ ছাড়া কুরআন ও হাদীসের একাধিক বিবরণ প্রমাণ করে আদম আ. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে জানতেন।


https://islamqa.info/ar/170546


করেছেন (229 পয়েন্ট)
ভালো বলেছেন।কমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

320,937 টি প্রশ্ন

410,992 টি উত্তর

127,189 টি মন্তব্য

176,949 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...