163 জন দেখেছেন
"ইবাদত" বিভাগে করেছেন (979 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন
বন্ধ

1 উত্তর

2 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (844 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর
১. হে বৎস! আল্লাহ তায়ালার পরিচয়-জ্ঞান অর্জন করো এবং তাঁকে ভালোরকম বুঝতে সচেষ্ট হও। ২. অন্যকে যে-কথা বলবে তাতে নিজেও আমল করবে। ৩. সুযোগ বুঝে কথা বলবে এবং প্রয়োজনীয়টুকু বলার জন্যই মুখ খুলবে। ৪. প্রত্যেক শ্রেণী-পেশার লোকের মর্যাদা জেনে-বুঝে সে হিসেবেই তাদের সঙ্গে আচরণ বা ব্যবহার করবে। ৫. নিজের গোপনীয়তা কারো কাছে প্রকাশ করবে না। ৬. বিপদকালীন বন্ধুদের পরীক্ষা করে নাও। ৭. লাভ ও ক্ষতি দুই অবস্থাতেই বন্ধুদের পরীক্ষা করো। ৮. প্রত্যেক ব্যক্তির হক-অধিকার জানার চেষ্টা করো। ৯. বুদ্ধিমতী নন এমন নারীদের ওপর ভরসা করবে না। ১০. নারী ও শিশুদের কাছে গোপন-রহস্য প্রকাশ করবে না; এবং কারো কিছুতে লোভ করবে না। ১১. যা জান না সে বিষয়ে কাউকে পথ দেখাতে যাবে না। ১২. স্বীয় কাজকর্ম ভেবে-চিন্তা করবে। ১৩. নিজ সন্তানদের ঘোড়দৌড় ও তীর নিক্ষেপের প্রশিক্ষণ দেবে। ১৪. রাতের বেলায় চুপে চুপে কথা বলবে, যেন তোমার কোনো শত্রু তোমার কথা শুনে, সে সূত্রে ক্ষতি করতে না পারে। ১৫. নিজ সন্তানদের ‘ইলম’ ও ‘আদব’ শিক্ষা দেবে। ১৬. প্রত্যেক ব্যক্তির অবস্থা বুঝে তার কাজ ও সেবা করবে। ১৭. জাতি-ধর্ম ও সমাজের সঙ্গে সম্পর্ক বা মিলেমিশে চলবে। ১৮. নিজ বস্ত্র-পোশাক পবিত্র-পরিচ্ছন্ন রাখবে। ১৯. গৃহে প্রবেশকালীন চোখ ও জিহ্বাকে সংযত রাখবে। ২০. সাধ্যমতো অবশ্যই মেহমানদের আপ্যায়ন করাবে। ২১. দানশীলতার অভ্যাস গড়ে তোলবে। ২২. প্রত্যেক কাজে মধ্যমপন্থা অবলম্বন করবে। ২৩. ব্যয়ের ক্ষেত্রে আয়ের প্রতি লক্ষ রাখবে। ২৪. শিক্ষককে উত্তম পিতা বলে জ্ঞান করবে। ২৫. ‘কম আহার’, ‘কম নিদ্রা’ ও ‘কম কথা’ বলার অভ্যাস করবে। ২৬. যা নিজের জন্য পছন্দ করবে, তা অন্যের জন্যও পছন্দ করবে। ২৭. দিনের বেলায় সতর্কভাবে বাক্যালাপ করবে। ২৮. সর্বদা নিজ জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণে রাখবে। ২৯. অনর্থক কথাবার্তা থেকে মুক্ত থাকবে। ৩০. মানুষের সামনে কাউকে লজ্জা দেবে না। ৩১. মানুষের সামনে হাই তুলবে না। ৩২. নিরপরাধ ও নির্দোষকে অপরাধী ও দোষী সাব্যস্ত করবে না। ৩৩. নিজের সম্পদ গোপন রাখবে, তা বন্ধু ও শত্রু কারো কাছে প্রকাশ করবে না। ৩৪. পিতা-মাতার অস্তিত্বকে অমূল্য সম্পদ ও গণিমত মনে করবে। ৩৫. বন্ধু ও শত্রু উভয়ের সঙ্গেই হাসিমুখে অবস্থান করবে, কথা বলবে। ৩৬. নিজ খাঁটি বন্ধুদের মনেপ্রাণে বন্ধু জানবে। ৩৭. যৌবনে এমন সব কাজ করবে যা ধর্ম ও দুনিয়া উভয়ক্ষেত্রে উপকারী হয়। ৩৮. যৌবনকালকে সুবর্ণ সুযোগ মনে করবে। ৩৯. যে-কথাই বলবে মেপে-জোঁকে ও প্রামাণ্যরূপে হওয়া চাই। ৪০. বুদ্ধিমান ও কল্যাণকামী লোকজনের সঙ্গে পরামর্শ করবে। ৪১. ভালো কাজে পরিপূর্ণ চেষ্টা চালাবে। ৪২. বুদ্ধিমান ও সতর্ক লোকজনের সঙ্গে উঠাবসা করবে। ৪৩. বোকা লোকজন থেকে দূরে থাকবে। ৪৪. সাধারণ জনগণ যেন তোমার সঙ্গে বেআদবি করার সুয়োগ না পায়। ৪৫. উপস্থিত কাজ বাকি রাখবে না। ৪৬. কোনো বিপদগ্রস্তকে নিরাশ করবে না। ৪৭. বিগত শত্রুতাকে নতুনভাবে উত্থাপন করবে না। ৪৮. সম্মানীজন বা বড়দের সঙ্গে বিতর্কে লিপ্ত হবে না। ৪৯. বড়দের সঙ্গে হাসি-তামাশায় জড়াবে না। ৫০. বড়দের সামনে আগে আগে চলবে না।
করেছেন (3,793 পয়েন্ট)
তথ্যসূত্র দিতে হবে। 
করেছেন (248 পয়েন্ট)
অনেক সুন্দর লাগলো।
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
3 টি উত্তর
1 উত্তর
26 জুন 2017 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন steeline (3 পয়েন্ট)
1 উত্তর

282,547 টি প্রশ্ন

366,806 টি উত্তর

110,400 টি মন্তব্য

152,288 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...