144 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
ভাই আমি XNX দেখি এখন তা দেখা বাদ দিতে পারছি না|এখন আমি কী করব বলেন ভাইয়েরা| আমি আল্লাহর কাছে আমি বারবার তওবা করি যে আমি আর XNX দেখবো না|কিন্তু কিছুক্ষন পর আবার দেখি| চটি (অশ্লিল গল্প) পড়ি তা থেকে কীভাবে মুক্তি পাব| এই উওর জানালে উপকৃত হতাম|

4 উত্তর

3 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (949 পয়েন্ট)
পূনঃপ্রদর্শিত করেছেন

আপনি কমপক্ষে ১ বৎসর ইন্টারনেট ব‍্যবহার করা থেকে দূরে থাকুন। এটি সর্বোত্তম উপায়। সাধারণ একটি মোবাইল সাথে রাখুন, যেটি দিয়ে শুধু কথা বলা যায়। কোনো প্রেমের উপন‍্যাস, ম্যাগাজিন বা চটি বই না পড়ে সর্বদা নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, নফল রোজা, আল্লাহর জিকির, হাদীস পাঠ ও অন‍্যান‍্য ইসলামী গ্রন্থথ পাঠে নিজেকে মনোযোগী করুন। আল্লাহকে ভয় করুন। পরকালের শাস্তিকে ভয় করুন। সর্বদা এগুলো পড়ুন:

◆লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লাহ্ বিল্লাহ্ পাঠ
◆অর্থঃ আল্লাহ্ পাকের সাহায্য ব্যতীত পাপ কাজ থেকে বিরত থাকা ও নেক কাজ করার কোনো উত্‍স নেই।
◆ফায়দাঃ
১★হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেন, "হে আবু হুরায়রা! লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লাহ্ বিল্লাহ্ অধিক পরিমানে পাঠ করবে। কেননা, ইহা জান্নাতের অমূল্য ভান্ডার।"
২★লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লাহ্ বিল্লাহ্ কালেমাটি আরশের নিচে অবস্থিত জান্নাতের অমূল্য ভান্ডার। জান্নাতের ছাদ হলো আল্লাহ্ পাকের আরশ। ইহা পাঠের দরুন নেক আমল করার এবং গুনাহ্ হতে বিরত থাকার তাওফীক অর্জিত হয়। এই অর্থেই ইহাকে জান্নাতের ভান্ডার বলা হয়েছে।
৩★রাসূল (সাঃ) বলেন, "উক্ত লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লাহ্ বিল্লাহ্ পাঠ ৯৯টি রোগের ঔষধ। তন্মধ্যে সর্বনিম্ন রোগ হলো দুশ্চিন্তা বা পেরেশানী।"
৪★হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেন, "হে আবু হুরায়রা! আমি কি তোমাকে এমন এক কালেমা শিখিয়ে দেবো না, যাহা আরশের নিচে অবস্থিত বেহেশতের অমূল্য ভান্ডার। উহা হলো, লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লাহ্ বিল্লাহ্। বান্দা যখন এই বাক্য পাঠ করে, আল্লাহ্ পাক তখন ফেরেশতাদেরকে বলেন, আমার বান্দা নাফরমানী ছেড়ে দিয়ে আমার অনুগত হয়েছে এবং তার সকল বিষয় আমার উপর অর্পণ করেছে।"
৫★দেখুন, ইহা আল্লাহ্ পাকের কত বড় নিয়ামত, বান্দা দুনিয়ার বুকে এই কালেমা পাঠ করতেছে আর আল্লাহ্ পাক আরশে আজীমে ফেরেশতাদের সামনে তাহার আলোচনা করতেছেন।
◆জিকির ও দোয়া-দরূদঃ
১★ইয়া আল্লাহ্, ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মোহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)।
২★ইয়া আহাদু, ইয়া নুরু, লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লাহ্ বিল্লাহ্।
৩★সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি
সুবহানাল্লাহিল আজীম
ওয়া বিহামদিহি আসতাগফিরুল্লাহ্।
৪★সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার।
৫★লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জুয়ালিমিন।
৬★আল্লাহুম্মা আজিরনী মিনান্নারি
আল্লাহুম্মা ইন্নি আস-আলুকা রিজাকা ওয়াল জান্নাহ্।
৭★আল্লাহুম্মা ইন্নি আঊযুবিকা মিন আযাবাল কবর।
৮★হাছবুনাল্লাহু ওয়া নিয়ামাল ওয়াকিল
নিয়ামাল মাওলা ওয়া নিয়ামাল নাছির।
৯★আঊযুবিল্লাহি মিনাশ শাইত্বোনির রাজীম
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম।
১০★আসতাগফিরুল্লাহ্ হারাব্বি মিন কুল্লি জাম্বিউ ওয়াতুবু ইলাইহি
লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজীম।
১১★ইয়া হাইয়্যু হিনালা হাইয়্যু ফি দাইমু মিয়াতি মুলকিহী ওয়া বাকাইহী ইয়া হাইয়্যু।
১২★হাছবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আজীম।
১৩★ইয়া গাফ্ফারু ইগফিরলী জুনুবী।
১৪★আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা সাইয়্যিদিনা ওয়া নাবিয়্যিনা ওয়া শাফীইনা ওয়া হাবীবানা ওয়া মাওলানা মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়া আসহাবিহী ওয়া বারিক ওয়া সাল্লিম।
১৫★সুব্বুহুন কুদ্দুসুন রাব্বুনা ওয়া রাব্বুল মালাইকাতি ওয়ার রূহ।
১৬★আল্লাহুম্মা ইন্নি আঊযুবিকা মিন দ্বীকিদ দুনিয়া ওয়া মিন দ্বীকি ইয়াওমিল কিয়ামাহ্।
১৭★আল্লাহুম্মা ইন্নি আস্ আলুকাল আফিয়াতা ফিদ্ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ্।
১৮★রাদীতু বিল্লাহি রাব্বাওঁ ওয়া বিল ইসলামি দ্বীনাওঁ ওয়া বি-মোহাম্মাদিন নাবিয়্যাওঁ ওয়া রাসূলান।
১৯★আঊযুবিল্লাহিস সামীইল আলীমি মিনাশ শাইত্বোনির রাজীম।
২০★সুবহানা মান্ তা-আজ্জাযা বিল ক্বুদরাতি ওয়া কাহরিল ইবাদি বিল মাউত।
২১★বিসমিল্লাহি আলা দ্বীনি ওয়া নাফসি ওয়া ওয়ালাদী ওয়া আহলী ওয়া মালী।
২২★বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা আজহিব হাররাহা ওয়া বারদাহা ওয়া ওয়াসাবাহা।
২৩★ফজর নামাজের পরে কুরআন তিলাওয়াত ও আসর নামাজের পরে হাদীস পাঠ।
২৪★আয়াতুল কুরসী (সূরা বাক্বারার ২৫৫ নং আয়াত)।
২৫★সূরা বাক্বারার শেষ ২ আয়াত।
২৬★সূরা আল-ইমরানের প্রথম ২ আয়াত।
২৭★সূরা তওবার শেষ ২ আয়াত।
২৮★সূরা হাশরের শেষ ৩ আয়াত।
২৯★সূরা ত্বোহা, ইয়াসীন, আর রাহমান ও মূলক পাঠ।
৩০★মহান আল্লাহ্'র ১১৪টি পবিত্র নামের জিকির। তন্মধ্যে ১৫টি প্রধান বা খাস নাম এবং ৯৯টি গুণবাচক নাম।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (7,552 পয়েন্ট)
এ থেকে পরিত্রানের উপায়- আপনাকে যেকোন একটি অপশন বেছে নিতে হবে- *1 এগুলা দেখব *2 দেখব না যদি *২ উত্তর আসে তাহলে যতই কঠিন পরিস্থিতি আসুক আপনাকে অনর থাকতে হবে *ফোনে খারাপ কিছু থাকলে ডিলিট করুন *এমবি থাকলে খারাপ সাইটে যেতে মন চাইবে তাই এমবি না কেনাই ভালো *বাইরে বন্ধুদের সাথে সময় কাটান *নিজেকে সারক্ষন ব্যস্ত রাখুন *পাচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ুন *মনে খারাপ চিন্তাভাবনা আনবেন না
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (3,058 পয়েন্ট)
আপনার প্রথমেই দরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা।যত বড় সমস্যাই হোক না কেন প্রতিজ্ঞা দৃঢ় হলে সমাধান হবে।এজন্য নিজের উপর আত্নবিশ্বাস থাকতে হবে যে আমার পক্ষেই এসব দেখা বাদ দেয়া সম্ভব।আপনার যদি মনোবল দৃঢ় হয় তাহলে এসব খারাপ বস্তু আপনার চোখের সামনে থাকলেও আপনি দেখবেন না।তারপরও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে কিছুদিন মোবাইল,ইন্টারনেট থেকে দূরে থেকে ভাল বন্ধুদের সাথে সময় কাটান।তারপর নিয়মিত নামাজ পড়ুন।সবসময় আল্লাহকে স্মরণ করুন।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (2,686 পয়েন্ট)

সংক্ষিপ্ত ভাবে লেখা হলঃ 

ইদানিং দেখা যাচ্ছে ইন্টারনেটে আপনি যত বিষয় সার্চ করবেন তার মধ্যে প্রথম সারিতেই রয়েছে পর্নোগ্রাফি। মনোবিদরা বলছেন পর্ণফিল্ম দেখলে কোন ক্ষতি হয় না। কিন্তু প্রতিনিয়ত পর্ন ফিল্ম দেখতে দেখতে বহু মানুষের কাছেই তা নেশা হয়ে উঠে। এক সময় পর্নোগ্রাফিতে প্রবল ভাবে আসক্ত হয়ে পড়েন তারা। আর তার ফলে নানা রকম মানসিক সমস্যাও দেখা দেয়।ইতিমধ্যে কিছু

মনোবিজ্ঞানীরা কয়েকটি উপায়েই পর্ন ফিল্মে মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি থেকে মুক্তি পাওয়া যায় বলে পরামর্শ দিছেন। আমরা যদি কোনও প্রিয়জনের পর্ণফিল্মে অতিরিক্ত আসক্তি কাটাতে চাই তাহলে এই কয়েকটি উপায় ব্যবহার করে দেখতে পারি।


নিজের বিবেকের থেকে ভালো শাসক আর কেউ বড় হতে পারে না।চলুন তাই পর্ন ফিল্মে আসক্তি কমাতে নিজেই একদিন প্রতিজ্ঞা করে ফেলি, যে আজ থেকে আর পর্ণোগ্রাফি দেখব না। একবার ভাবুন পর্ণফিল্মের অতিরিক্ত আসক্তি কী ভাবে আমাদের পেশা এবং সামাজিক জীবনের ওপরে কুপ্রভাব ফেলছে। পর্ন ফিল্মের আসক্তি কি আমাদের অসামাজিক করে তুলছে না?সে আমাদের জীবনের সুন্দর মুহূর্তগুলি উপভোগ করাতে পারছেন না? একবার না বার বার এই প্রশ্নগুলি নিজেকে করুন। এর উত্তর আপনি নিজেই খুঁজে পাবেন। দেখবেন একটি সময় নিজে থেকে ঘৃর্ণায় পর্ণোগ্রাফীর আসক্তি কেটে গেছে।


আরও একটি কার্যকরী উপায় হলোঃ আমাদের কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের অ্যাডাল্ট যে ছবি বা ভিডিও বা অন্যান্য কনটেন্টগুলো আছে সেগুলো মুছে ফেলতে হবে। আমরা প্রত্যেক পর্ন ফিল্ম আসক্ত ব্যক্তিই পর্ন ভিডিও জমিয়ে রাখি আর তাই আমাদের এমন কোনও সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে যা পর্নোসাইট ব্লক করে দেয় বা ওই সব সাইটে প্রবেশ করতে বাঁধা দেয়। কিংবা ব্রাউসার হিস্ট্রি ক্লিয়ার করে ফেলতে হবে। যাতে ব্রাউজারের হাতের নাগালে ওসব অ্যাড্রেস না থাকে বা না খুঁজে পাওয়া যায় । আর তাতে দেখবেন অনেক সুফলই আপনি হাতেনাতে পেয়েছেন।


কিছু মনোবিদরা আরো বলছেন হাতে কোনও কাজ না থাকলেই পর্ন ফিল্ম দেখার ইচ্ছেটা খুব বেশি বাড়ে। অর্থাৎ‌ কর্মব্যস্ততা না থাকাই হলো পর্নফিল্মের বা পর্ণোসামগ্রীর আসক্তি বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারন। তাই তাদের পরামর্শ মতে আমাদের চেষ্টা করতে হবে নিজেকে অন্যান্য কাজে ব্যস্ত রাখা। একা একা কম্পিউটারের সামনে বিনিদ্র রাত কাটানোর অভ্যেস বন্ধ করতে হবে। সে রকম হলে বিছানায় চলে যান ঠিক সময়ে ঘুম আসবে। ঘুম না এলে কোনও ভালো সিনেমা দেখতে হবে নয়ত বা বই পড়ুন। পর্ন ফিল্মের আসক্তি ধীরে ধীরে কেটে যাবে।


মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন যারা বাড়িতে বসে বেশি সময় কম্পিউটারে কাটান তাদের মধ্যে পর্ন ফিল্ম দেখার প্রবণতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তাই শুধু কম্পিউটারে সময় কাটানো অভ্যাসে পরিণত করবেন না। প্রয়োজনে শখ করে পর্ন ফিল্ম না দেখে অন্য কোনও শখে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন। যদি কোনও কাজ না থাকে তাহলে নানা ধরনের বই পড়ার অভ্যাস করে তুলুন। নিজেকে কোন লাইব্রেরির সদস্য করুন। দেখবেন ব্যক্তিত্বে অসাধারণ পরিবর্তন আসবে। সবশেষে বলতে হয় আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং ইতিবাচক চিন্তাই পর্নফিল্মে আসক্তি থেকে মুক্তি দেয় ।



টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

3 টি উত্তর
24 জুলাই 2018 "প্রেম-ভালোবাসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন RAKIBUL211574 (4 পয়েন্ট)

282,419 টি প্রশ্ন

366,633 টি উত্তর

110,344 টি মন্তব্য

152,193 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...